সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 266

কুবি ছাত্রলীগ নেতা নূর উদ্দীনকে বহিষ্কার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) সংলগ্ন এলাকায় একাত্তর টেলিভিশনের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৬-১৭ বর্ষের শিক্ষার্থী মুহা. নূর উদ্দীন হোসাইনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আমিরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে বলা হয়- গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মুহা. নূর উদ্দিন হোসাইন সন্দেহাতীতভাবে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রক্টরিয়াল বডির প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ায় সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হলো।

এদিকে পৃথক আরেকটি অফিস আদেশে গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এতে প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকীকে সদস্য সচিব করা হয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন- এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুরী, ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, ড. মো. মোকাদ্দেস উল ইসলাম, ড. মুহ. আমিনুল ইসলাম আকন্দ।

এর আগে প্রাথমিক সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের কাছে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করেছে শাখা ছাত্রলীগ।

অনুমতি ছাড়াই মেয়ের ছবি প্রকাশ, ক্ষোভ আনুশকার

অনুমতি ছাড়াই ফের মেয়ে ভামিকার ছবি প্রকাশিত হয়েছে। এ কারণে সাংবাদিকদের ওপর চটেছেন বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা।

ইনস্টাগ্রামে তিনি প্রকাশকারী গণমাধ্যমকে উদ্দেশ করে লিখেছেন— অন্যান্য মিডিয়া হাউস এবং সাংবাদিক থেকে কিছু শিখুন।

সদ্যই মালদ্বীপ থেকে ছুটি কাটিয়ে ফিরেছেন আনুশকা ও বিরাট কোহলি। বিমানবন্দরে তারকা জুটির সঙ্গে লেন্সবন্দি করা হয় তাদের একমাত্র মেয়েকে। এর পরেই অনুমতি না নিয়ে পোস্ট করে দেওয়া হয় বিরাটের মেয়ের ছবি।

অতীতেও এমনই সমস্যার মুখে পড়েছেন তারা। বিরাটের খেলা দেখতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। জানুয়ারি মাসে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ চলাকালে গ্যালারিতে আনুশকা শর্মার কোলে দেখা গিয়েছিল মেয়ে ভামিকাকে। অর্ধশত রান হওয়ার পরেই গ্যালারির দিকে তাকিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিরাট। আর ঠিক তখনই ক্যামেরা ধরে ফেলে বহুদিন ধরে সযত্নে আড়ালে রাখা ভামিকাকে। ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পরে বিরুশকার সন্তানের ছবি।

এর পরেই এক বিবৃতি প্রকাশ করে দুজনে অনুরোধ করেন, তাদের মেয়ের ছবি প্রকাশ্যে না আনতে। জানিয়েছিলেন তারা পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। বিরুশকা লেখেন— ক্যামেরা যে আমাদের দিকে তাক করা ছিল, সেটি বুঝতে পারিনি। দয়া করে ভামিকার ছবি ব্যবহার করবেন না, প্রকাশ করবেন না। এর কারণ আমরা আগেই জানিয়েছি।

ভামিকার জন্মের আগে এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা জানিয়েছিলেন, আর পাঁচটি বাচ্চার মতো করেই মেয়েকে মানুষ করতে চান তিনি। তাই আলোকবৃত্ত থেকে আগাগোড়াই দূরে রেখেছিলেন তাকে। এত সাবধানতার পরেও শেষমেশ ব্যর্থ তারা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শুটিংয়ে হঠাৎ অসুস্থ দীপিকা, নেওয়া হলো হাসপাতালে

ভারতের হায়দরাবাদে শুটিংয়ের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। অসুস্থতার কথা জানাতেই নায়িকাকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হলো হাসপাতালে।

জানা গেছে, আগামী ছবি প্রজেক্ট কের শুটিংয়েই শরীর খারাপ লাগে দীপিকার। সময় নষ্ট না করে নির্মাতা তাকে নিয়ে যান নিকটবর্তী হাসপাতালে।

প্রভাসের সঙ্গে পরবর্তী ছবিতে অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন। ছবির নাম ‘প্রজেক্ট কে’। আপাতত সেই ছবির শুটিং চলছে হায়দরাবাদে। সেখানেই শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী।

তবে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি নায়িকাকে। কিছু সময় পর আবার সেটে ফেরেন তিনি। যদিও দীপিকার টিমের পক্ষ থেকে তার শরীর খারাপ সংক্রান্ত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এই প্রথম পর্দায় প্রভাসের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন দীপিকা। এ ছাড়া ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে অমিতাভ বচ্চন ও দিশা পাটানিকে।

সূত্র: জিনিউজ

৩০০ করেও হারল শ্রীলংকা

টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাই প্রথম দুই ম্যাচ হারের পর তৃতীয় ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল শ্রীলংকা। জয় নিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছিল।

৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও টি-টোয়েন্টির শেষ ম্যাচের মত দারুণ ব্যাটিং করেছিল লঙ্কানরা। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৩০০ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় স্বাগতিকরা।কিন্তু বৃষ্টি আর অসি অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের কাছে শ্রীলংকা।

বৃষ্টির কারণে ওভার কমিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সামনে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। জিততে হলে ৪৪ ওভারে ২৮২ রান করতে হতো অসিদের।

আর বড় লক্ষ্য পার করতে গিয়ে জ্বলে উঠলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৫১ বলে ৮০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন।

ম্যাক্সওয়েলের এই ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে ৯ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সে সঙ্গে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অসিরা।

অ্যারোন ফিঞ্চ আউট হন ৪৪ রান করে। ৬০ বলে ৫৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন স্টিভেন স্মিথ। মার্নাস ল্যাবুশেন করেন ২৪ রান। ৩১ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন মার্কাস স্টোইনিজ। ২২ বলে ২১ রান করেন দলের সংগ্রহ বাড়িয়ে নেন অ্যালেক্স ক্যারে।

প্যাট কামিন্স শূন্য ও অ্যাস্টন অ্যাগার ৩ রান করে আউট হলেও হাল ছাড়েননি ম্যাক্সওয়েল। অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এ অসি অলরাউন্ডার।

হাসারাঙ্গা ৯ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। ২ উইকেট নেন ডুনিথ ওয়েলালাই, ১টি করে উইকেট নেন দাসুন সানাকা এবং মহেশ থিকসানা।

এর আগে তিনটি হাফ সেঞ্চুরিতে ৩০০ রানের বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলংকা। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার দানুসকা গুনাথিলাকা, পাথুম নিশঙ্কা এবং কুশল মেন্ডিস হাফসেঞ্চুরি করেন।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দানুশকা গুনাথিলাকা এবং পাথুম নিশাঙ্কা মিলে ওপেনিং জুটিতে ১১৫ রান করেন। ৫৩ বলে ৫৫ রান করা গুনাথিলাকা রান আউট হয়ে যান। ১১৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৫৬ রানে আউট হয়ে যান পাথুম নিশাঙ্কা।

এরপর ১৭ বলে ৭ রানে আউট হয়ে যান ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ৪২ বলে ৩৭ রান করেন চারিথ আশালঙ্কা। ৭ বলে ৬ রান করেন দাসুন শানাকা। শেষ মুহূর্তে ১৯ বলে ঝড় তুলে ৩৭ রান করেন ওয়ানিদু হাসারঙ্গা।

তিন নম্বরে নামা কুশল মেন্ডিস ৮৭ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

কাতার বিশ্বকাপের ৩২ দল চূড়ান্ত, দেখে নিন কে কোন গ্রুপে

চার বছরের প্রতীক্ষা প্রায় শেষ। আর মাত্র কয়েকটা মাস পর মাঠে গড়াচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’ বিশ্বকাপ ফুটবল।

মঙ্গলবার সবশেষ প্লেঅফে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ টিকিটটা কেটেছে কোস্টারিকা। তাতেই নিশ্চিত হলো কাতার বিশ্বকাপের ৩২ দেশ। ৮ গ্রুপে ভাগ হয়ে এ দেশগুলো লড়বে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিতে।

দেখে নিন বিশ্বকাপের ৩২ দল কে কোন গ্রুপে

ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার এ আসর ২৩তম বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে। সাধারণত জুন-জুলাই মাসে এ মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হলেও মরুতীর্থ কাতারের তীব্র গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করা হচ্ছে শীতকালে। তাই এবার বিশ্বকাপের খেলা মাঠে গড়াবে নভেম্বর-ডিসেম্বরে।

বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতায় থাকা ৩২ দেশের মধ্যে ৩১ দেশকেই মূল পর্বে আসতে পাড়ি দিতে হয়েছে বাছাই পর্ব। স্বাগতিক দেশ হিসেবে কাতার বাছাই পর্বে অংশগ্রহণ ছাড়াই পেয়ে গেছে টিকিট। বাকি ৩১ দল নিজ নিজ মহাদেশীয় বাছাই পর্ব পেরিয়ে তবেই পেয়েছে কাতারের টিকিট।

আফ্রিকা (সিইএফ), এশিয়া (এএফসি), ইউরোপ (উয়েফা), উত্তর আমেরিকা/মধ্য আমেরিকা/ক্যারিবিয়ান (কনক্যাকাফ) ও দক্ষিণ আমেরিকা (কনমেবল) অঞ্চলের কনফেডারেশনের অধীনে দেশগুলো বাছাই পর্বে অংশ নিয়েছে।

বিশ্বকাপে প্রত্যেক অঞ্চল থেকে নির্ধারিতসংখ্যক দেশকে সুযোগ দেওয়া হয়ে থাকে। কাতার বিশ্বকাপে আফ্রিকা অঞ্চল থেকে সুযোগ পাওয়া দেশের সংখ্যা ৫। স্বাগতিক কাতারসহ এশিয়া অঞ্চল থেকেও সুযোগ পেয়েছে ৫টি দেশ। ইউরোপ থেকে সর্বোচ্চ ১৩ দেশ খেলছে বিশ্বকাপে। কনক্যাকাফ থেকে থাকছে ৩টি এবং দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সুযোগ পাওয়া দেশের সংখ্যা ৪।

বাকি দুটি স্থান নির্ধারিত হয়েছে আন্তঃমহাদেশীয় প্লেঅফ কোয়ালিফায়ারের মাধ্যমে। এখানে এশিয়া অঞ্চলের দেশ অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুকে হারিয়ে। অপর কোয়ালিফায়ারে ওশেনিয়া অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ৩২তম দল হিসেবে কাতারের টিকিট বুক করেছে কনক্যাকাফ অঞ্চলের কোস্টারিকা।

সুযোগ পাওয়া এ ৩২ দেশ আট গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে গ্রুপ পর্বের লড়াই। ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম ৮ বর্ণ- এ, বি, সি, ডি, ই, এফ, জি এবং এইচ অনুসারে গ্রুপগুলো চিহ্নিত করা হয়। কোন গ্রুপে কে থাকবে তা লটারির মাধ্যমে গত এপ্রিলেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রুপ পর্বে প্রত্যেক গ্রুপ থেকে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দুই দল পরের রাউন্ডে উঠে যাবে। এর পর এক লেগের নকআউট পর্বে ১৬টি দল লড়বে। এই পর্যায়ে প্রতিটি রাউন্ড হবে নকআউট পদ্ধতিতে। কোয়ার্টার ফাইনাল-সেমিফাইনাল শেষে ফাইনালে দুটি দল লড়বে সোনালি ট্রফি নিজের করে নিতে।

গ্রুপ অনুযায়ী দেখে নিন বিশ্বকাপের ৩২ দলের তালিকা-

গ্রুপ এ:
কাতার, নেদারল্যান্ডস, সেনেগাল, ইকুয়েডর

গ্রুপ বি:
ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েলস, ইরান

গ্রুপ সি:
আর্জেন্টিনা, পোল্যান্ড, মেক্সিকো, সৌদি আরব

গ্রুপ ডি:
ফ্রান্স, ডেনমার্ক, তিউনিসিয়া, অস্ট্রেলিয়া

গ্রুপ ই:
জার্মানি, স্পেন, জাপান, কোস্টারিকা

গ্রুপ এফ:
বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, কানাডা, মরক্কো

গ্রুপ জি:
ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া, ক্যামেরুন

গ্রুপ এইচ:
পর্তুগাল, উরুগুয়ে, ঘানা, দক্ষিণ কোরিয়া।

ভোটের গোপন কক্ষে পোলিং কর্মকর্তার উঁকি

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচন চলছে। সবগুলো কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। শেষ হবে বিকাল ৪টায়।

দুপুর পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ হয়েছে। মেয়রপ্রার্থীরা টুকটাক অভিযোগ করলেও ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নিজামুল হক কায়সার ইভিএমে ভোটের গতি স্লো ও ইভিএমে ত্রুটি নিয়ে দুঃশ্চিন্তার কথা জানিয়েছেন।

তবে ভোটের দিন একটি ঘটনা তোলপাড় সৃষ্টি করেছে কুমিল্লায়। দৈয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা বুথে এক পোলিং কর্মকর্তাকে উঁকি দিতে দেখা গেছে। নাম পরিচয় জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা তা জানাননি।

ওই ব্যক্তি গণমাধ্যমকে বলেছেন, অনেকেই বয়স্ক ভোটার, যারা ভেতরে গিয়ে ভোট দিতে পারছেন না। তাদের নির্দেশনা দিয়ে সহযোগিতা করছেন। একজন ভোটার না বুঝে ভোট দিতে গিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় নিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে অর্ধেক বোর্ড কাস্টিং করা সম্ভব হবে না।

ভোটকেন্দ্রে পোলিং কর্মকর্তার উঁকি বিষয়ে ওই ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, গোপন কক্ষে এভাবে উঁকিঝুঁকি দেয়ার সুযোগ নেই। তবে ভিতরে গিয়ে কেউ না বুঝলে তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সব প্রার্থীদের এজেন্ট রয়েছে।

দৈয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নারী কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৫৪৩ জন। এখানে প্রথম দুই ঘণ্টায় ২০৮ টি ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। পাশের পুরুষ কেন্দ্রে ভোটারদের ভোট গ্রহণ হয়েছে ১৮১ টি। সেখানে ভোটার আছেন ১ হাজার ৫৮৫জন।

এক নজরে কুমিল্লা সিটি নির্বাচন

ভোটগ্রহণের সময়: বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলবে ভোটগ্রহণ।
ভোটার: ২,২৯,৯২০ জন (পুরুষ ১,১২,৮২৬; নারী ১,১৭,০৯২ এবং হিজড়া ২)।
ওয়ার্ড: ২৭টি সাধারণ, ৯টি সংরক্ষিত।
ভোটকেন্দ্রে: ১০৫টি কেন্দ্রের ৬৪০টি ভোটকক্ষে হবে ভোটগ্রহণ।

প্রার্থী: মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৬ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা

প্রতি কেন্দ্রে থাকবেন ১৫-১৬ জন নিরাপত্তা সদস্য।

পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য নিয়ে গঠিত মোবাইল ফোর্স থাকবে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে।

প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি করে নয়টি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে।

রিজার্ভ ফোর্স থাকবে দুটি।

র‌্যাবের ২৭টি টিম ও বিজিবির ১২ প্লাটুন (প্রতি প্লাটুনে ২৫ জন) সদস্য নিয়োজিত থাকবেন ভোটের মাঠে।

২৭ জন নির্বাহী হাকিম এবং ৯ জন বিচারিক হাকিম থাকবেন ভোটের মাঠে।

ইভিএমে ‘জটিলতা’, ভোট না দিয়েই কেন্দ্র ছাড়ছেন ভোটাররা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ১২নং কাইকারটেক ভোট কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আঙ্গুলের চাপ দেওয়ার পরও কোনো তথ্য না আসায় বিরক্তি প্রকাশ করে ভোট না দিয়েই কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন ভোটাররা।

বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কাইকারটেক উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের এ ঘটনা ঘটে।

ভোটাররা জানান, ইভিএমে আঙ্গুলের ছাপ দেওয়ার পর মেশিনে কোনো তথ্য আসছে না। এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে ভোট না দিয়েই বাসায় ফিরে যাচ্ছেন তারা।

কাইকারটেক ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার গোলাম মোস্তফা বলেন, এ কেন্দ্রে ইভিএমে জটিলতার কারণে অনেক ভোটারদের তথ্য আসছে না। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি, ভোটারদের বুঝাতে। তারা কেউ যেন ভোট না দিয়ে ভোট কেন্দ্র না ছাড়েন।

বেদনাদায়ক ক্ষতির সম্মুখীন ইউক্রেন: জেলেনস্কি

পূর্বাঞ্চলীয় সেভেরোদনেৎস্ক শহর ও খারকিভ অঞ্চল, উভয় স্থানেই রাশিয়ার সেনাদের সঙ্গে লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনী বেদনাদায়ক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। খবর সিএনএনের।

তিনি বলেন, ইউক্রেনের এখন আরও ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী অস্ত্র দরকার।

অংশীদার দেশগুলোর সরবরাহ দেরি করার কোনো যুক্তি থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন জেলেনস্কি। তিনি জানান, রাশিয়ার কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এড়িয়ে আঘাত হানছে এবং হতাহতের কারণ হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল এবং সেভেরোদনেৎস্কের মধ্যকার শেষ সেতুটিও রুশ বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হওয়ার পরও তাদের বাহিনীগুলো বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে ইউক্রেন জানিয়েছে।

রাশিয়া এখন পুরো দোনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে আর তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছে ইউক্রেইনীয় বাহিনীগুলো। এ নিয়ে অঞ্চলটিতে দুপক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

তিনি আরও বলেন, আগের মতোই সেভেরোদনেৎস্ক এবং নিকটবর্তী শহর ও এলাকাগুলোতে তীব্র লড়াই চলছে। দুর্ভাগ্যবশত বেদনাদায়ক ক্ষতি হচ্ছে।

জেলেনস্কি জানান, কিইভের পূর্বে খারকিভ অঞ্চলেও ইউক্রেইন ‘বেদনাদায়ক ক্ষতি’ প্রত্যক্ষ করছে, সম্প্রতি রুশ বাহিনীকে সেখানে থেকে হটিয়ে দেওয়ার পর তারা ফের তাদের অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা করছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, সেখানে লড়াই চলছে এবং আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে, কঠিন লড়াই করতে হবে।

কোথায় রাখা হয়েছে পুতিনের সমালোচক নাভালনিকে?

আইনজীবীরা জেলে গিয়ে পুতিনের সমালোচক নাভালনির খোঁজ পাননি। রাশিয়ার বিরোধী নেতা ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক আলেক্সেই নাভালনিকে জেল থেকে সরিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আইনজীবীরা জেলে তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পর কর্মকর্তারা জানিয়ে দেন, ওই নামে কেউ আর জেলে নেই। এর পরই নাভালনির সহযোগী ও সমর্থকরা তার স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে এর আগে নাভালনিকে বিষ প্রয়োগ করে মারার চেষ্টা হয়েছিল।

সামাজিকমাধ্যমে নাভালনির সহযোগী ও সমর্থকরা জানিয়েছেন, আইনজীবীরা মস্কো থেকে ১১৯ কিলোমিটার দূরে পকরভ জেলে গিয়েছিলেন তার সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই নামে কেউ জেলে নেই। কিন্তু নাভালনিকে যে জেল থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়টি তার পরিবার বা আইনজীবীদের জানানো হয়নি।

তার সমর্থকদের ধারণা, নাভালনিকে এমন জেলে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে পরিবেশ ও পরিস্থিতি আরও কঠোর।

নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিশ টুইট করে বলেছেন, আমরা জানতে পারিনি নাভালনি কোথায়। এর আগে যে প্রশাসন তাকে মারতে চেয়ে ছিল, তারাই তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে। এখন প্রথম কাজ হলো, নাভালনি কোথায় তা খুঁজে বের করা। সেই কাজ তাড়াতাড়ি করতে হবে।

গত মে মাসে নাভালনির একটি আবেদন আদালত খারিজ করে দেয়। তার পর তাকে আরও সুরক্ষিত জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাশিয়াকে অনুরোধ করেছে, তারা যেন আইনজীবীদের নাভালনির কাছে যেতে দেয়।

এ বিষয় বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাশিয়ার আঞ্চলিক কারাগারের পর্যবেক্ষক সের্গেই ইয়াজহান ফোনে বলেছেন, আলেক্সেই নাভালনিকে মস্কো থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) পূর্বে ভ্লাদিমিরের কাছে মেলেখভোর আইকে-৬ পেনাল কলোনিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ইয়াজহান স্থানীয় পাবলিক মনিটরিং কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। সকল রাশিয়ান অঞ্চলে বন্দিদের অধিকার রক্ষায় কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে থাকে এই সংস্থাটি।

অবশ্য নাভালনিকে নিয়ে মন্তব্যের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে রাশিয়ার কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

আলেক্সেই নাভালনি হলেন— প্রেসিডেন্ট পুতিনের কট্টর সমালোচক। গত মাসে তিনি আদালতে ভিডিওবার্তায় বলেছিলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে পুতিন বোকার মতো কাজ করেছেন। এর ফলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মানুষ মারা যাচ্ছেন।

সূত্র : রয়টার্স, ডয়চে ভেল।

তামাক করের ‘গলদ’ কোথায়? প্রশ্ন সাবের হোসেনের

বছর বছর সিগারেটের ওপর কর বাড়িয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যে পূরণ হচ্ছে না, তাতে কেবল তামাক কোম্পানির মুনাফাই যে বাড়ছে, সে কথা জাতীয় সংসদে তুলে ধরলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী।

মঙ্গলবার সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সাবের হোসেন হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার যে লক্ষ্য সরকার নিয়েছে, এভাবে তা পূরণ হওয়ার নয়। প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা যে হারে চলছি, তাতে ২০৮০ সালেও তামাকমুক্ত হব না। তাহলে রোডম্যাপটা কোথায়? প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিলেন, সেটা বাস্তবায়নে আমরা কী করলাম?
তামাক নীতির গলদটা কোথায়?

সে বিষয়টি তুলে ধরে সাবের বলেন, আমরা প্রতিবছর সিগারেটের মূল্য বাড়িয়ে তার ওপর করারোপ করি। এতে তারা উৎপাদন খরচ না বাড়িয়ে বেশি টাকা লাভ করছে। এতে সরকারের তিন হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। আমরাতো তামাক কোম্পানির মুনাফা বাড়াতে সংসদে আসিনি।
তিনি বলেন, আমাদের সমস্যা হচ্ছে, এই কথাগুলো আমরা ডিফেন্ড করতে পারি না। আমাদের যে ট্যাকসেশন পলিসি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানির পরিচালকমণ্ডলীতে কারা? সরকারের শেয়ার এখানে ৮ শতাংশ। কিন্তু পরিচালক ৫০ শতাংশ। ১১ পরিচালকের পাঁচজনই সরকারের কর্মকর্তা। আমি বলছি না তাদের কারণে এটা হচ্ছে না। কিন্তু কেন হচ্ছে না?

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরাতো সরকারি দলের। আমি নৌকার টিকিট নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি। সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তের পাশে আমি আছি। সেটা আমি সমর্থন করছি। কিন্তু এ ধরনের পরিস্থিতি যখন আসে তখন আমাদের চুজ করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সংবিধানে জনস্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা আছে। এটা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আদালতের রায় বলেছে, তামাক আমাদের বেঁচে থাকার অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক। কিন্তু এরপরও দেখছি জাপানি বিনিয়োগ এসেছে। বিনিয়োগ বাড়ছে।

সার্বিক পরিস্থিতিতে হতাশা প্রকাশ করে সাবের হোসেন বলেন, তামাক নিয়ে অনেকবার কথা বলে হয়ত আমি বোঝাতে পারছি না। কিংবা যাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই তারা বুঝছেন না। সপ্তম ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আমরা তামাক নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান হচ্ছে, প্রতি বছর বাংলাদেশে এক লাখ ৬০ হাজার মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করে এই তামাকের জন্য।

তিনি বলেন, কোভিডে আমরা সফল হয়েছি, সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে দুই বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ হাজারের কমে রাখতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এক বছরে তামাকে মারা যাচ্ছে এক লাখ ৬০ হাজার মানুষ। পরিকল্পনা কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি বছর এ জন্য ক্ষতি ৩০ হাজার কোটি টাকা। অথচ তামাকের কর থেকে আমরা পাচ্ছি ২২ হাজার কোটি টাকা। আমি এখানে জীবনের মূল্যের বিষয়টি ধরলাম না!

সাবের হোসেন বলেন, বাজেটে অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে, তবে এই বাজেটে বায়ু দূষণের বিষয়টির স্থান পাওয়া উচিত ছিল। বায়ু দূষণের কারণে বছরে দুই লাখের বেশি মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করছে। বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রী তার সমাপনী ভাষণে কথা বললে আমরা খুশি হব।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে প্লাস্টিক ও পলিথিন মুক্ত দেখতে চাই। কিন্তু আমরা পলিথিন ও প্লাস্টিকে আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছি। এক্ষেত্রে আমরা পরিবেশ দূষণ কীভাবে রোধ করব?