রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 251

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস

মার্কেসকে নিয়ে সালমান রুশদির এ লেখাটি খুঁজে পেয়েছিলাম My Favorite Literary Encounters : Gabriel Garcia Márquez শিরোনামে ৯ ডিসেম্বর ২০২১ সালে প্রকাশিত এক ওয়েবসাইটে। পরে গত বছর প্রকাশিত রুশদির Language of truth নামক প্রবন্ধে Gabo and I নামে মার্কেসকে নিয়ে একটি লেখা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে দেখে কৌতূহলবশত দুটি লেখা মিলিয়ে পড়তে গিয়ে লক্ষ করলাম গ্রন্থভুক্ত দীর্ঘ লেখাটি মূলত মার্কেসের Hundred Years of Solitude বইটি নিয়ে, কিন্তু প্রসঙ্গে সেখানে এ ছোট্ট লেখাটির দুটি অংশ ঈষৎ পরিবর্তিত রূপে উল্লিখিত হয়েছে। আমি নিশ্চিত নই অনূদিত এ লেখাটি রুশদি এ অনলাইন পত্রিকার জন্য আলাদাভাবে লিখেছিলেন কিনা। লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে

https://salmanrushdie.substack.com/p/my-favorite-literary-encounters-gabrielsr নামক এই ওয়েবসাইটে। বাংলাভাষার পাঠকরা কিংবদন্তিতুল্য এ দুই লেখকের নাম ও কাজের সঙ্গে অনেক আগে থেকেই পরিচিত। তারা দুজনই একই সময়ে বাস করলেও, মুখোমুখি দেখা হয়নি কখনোই। যদিও দুজনই পরস্পরের লেখার খোঁজখবর রাখতেন। ছোট্ট এ লেখাটি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন

বছর বিশেক আগে আমি মেক্সিকো শহরে ছিলাম, সেখানে কয়োয়াকান-এ অবস্থিত কার্মেনের বাড়িতে নৈশভোজে মিলিত হয়েছিলাম বন্ধু ও লেখক কার্মেন বউইয়োসা আর কার্লোস ফুয়েন্তেসের সঙ্গে। গার্সিয়া মার্কেসের নাম উচ্চারিত হতেই কার্লোস লাতিন আমেরিকান সাহিত্যের জগতে গাবোর বিরাট উপস্থিতি সম্পর্কে রসিকতা করে বললো, ‘তুমি হয়তো জান, One Hundred Years of Solitude-এর কথা না-ভেবে আমাদের কারোর পক্ষেই Solitude শব্দটা এখন ব্যবহার করা অসম্ভব। আমার খুবই আশঙ্কা যে one hundred years শব্দবন্ধটা ব্যবহার করাও অচিরেই অসম্ভব হয়ে পরবে।’

জানতে চাইলাম, গার্সিয়া মার্কেস শহরে আছেন কিনা-এ সময়টা তিনি মূলত মেহিকো শহরেই থাকতেন, জবাবে ফুয়েন্তেস বললেন, ‘না, সে এখন হাবানায়, তার জানেদোস্ত ফিদেলের সঙ্গে দেখা করতে গয়েছে।’ ফুয়েন্তেস বললেন, ‘দুঃখজনকভাবে তুমি কাস্ত্রোর কাছে হেরে গেছ।’ তারপর তিনি আরও বললেন, কী অদ্ভুত ব্যাপার যে পৃথিবীতে যত লেখক আছেন, একমাত্র আপনাদের দুজনেরই পরস্পরের সঙ্গে কখনো দেখা হয়নি।’-এই বলে তিনি উঠে দাঁড়িয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন।

উনি যখন ফিরে এলেন, তখন আমাকে ইশারায় তার অনুসরণ করতে বললেন। ‘তোমার সাথে ফোনে কেউ কথা বলতে চাচ্ছে,’ বললেন তিনি, ‘কলটা তোমার সত্যিই রিসিভ করা উচিত।’ তিনি হাবানায় কল করে গার্সিয়া মার্কেসকে বলেছেন যে আমি এ মুহূর্তে ফুয়েন্তেসের সঙ্গে আছি। এবং গাবো আমার সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়েছেন।

আমার স্প্যানিশ একেবারেই দুর্বল, তবে লোকজন যদি খুব বেশি জটিল শব্দ ব্যবহার না করে ধীরে এবং স্পষ্টভাবে কথা বলে, তাহলে ভাষাটা বুঝতে পারি। গার্সিয়া মার্কেস যদিও দাবি করতেন (আমার মতে তা ঠিক নয়) যে তিনি ইংরেজি খুব কমই জানেন। আমরা দুজনই প্রায় সমান দক্ষতায় কথা বলেছিলাম ফরাসিতে। অতএব, আমাদের কথাবার্তা এই তিন ভাষাতেই চলছিল।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, আমার এ কথাবার্তার স্মৃতি বলছে, আমাদের মধ্যে ভাষার সমস্যা ছিল না। আমার মনে পড়ছে, আমরা পরস্পরের সঙ্গে একেবারে উষ্ণতা ও খোলামেলাভাবেই কথা বলে যাচ্ছিলাম। আমরা যখন কথা বলছিলাম, তখন তিনি আমার সম্পর্কে যা বললেন তা ছিল অন্য কোনো লেখকের কাছ থেকে আমার জীবনে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ তারিফ।

‘আমার যখন বয়স হয়েছে,’ তিনি বললেন, ‘তখন আমি স্প্যানিশ ভাষার বাইরে তেমন একটা পড়িনি। তবে ইংরেজি ভাষার দুজন লেখক আছেন যারা কী লিখছেন তা আমি জানতে চাই। তাদের একজন জে এম কোয়েৎজি আর অন্যজন আপনি।’

পক্ষান্তরে আমিও তার কাজ সম্পর্কে এ পর্যন্ত লিখে এবং বক্তৃতা দিয়ে সেই প্রশংসার ঋণ শোধ করার চেষ্টা করেছি।

মুখোমুখি আমাদের কখনোই দেখা হয়নি। তবে কার্লোস ফুয়েন্তেসের বদৌলতে, অন্তত ফোনে আমাদের

কথাবার্তা হয়েছিল।

আজ তারা দুজনই প্রয়াত। আমরা সবাই যারা তাদের উৎসাহী পাঠক, তারা এ দুজনের অভাব অনুভব করব।

এবার অভিমানের সুরে যে কথা বললেন মৌসুমী

জায়েদ খানকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ঢাকাই সিনেমা জগতে মৌসুমী-ওমর সানীকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল।

অভিনেতা ডিপজলের বিয়ের আসরে চড়-পিস্তলকাণ্ড; কত কিছুই ঘটে গেল এই কয়েক দিনে। একই সঙ্গে ঢালিউডের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় দম্পতি ওমর সানী ও মৌসুমীর সংসারে ভাঙনের গুঞ্জনও ভেসে ওঠে।

তবে সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে ওমর সানী জানালেন, তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই কাটছে। গত দেড় বছরের দূরত্ব ক্রমেই কমে আসছে। দুই সন্তান ফারদিন-ফাইজা ও পুত্রবধূসহ বেশ সুখেই আছেন এ তারকা দম্পতি।

এসব খবরে ভক্তদের মনে স্বস্তি এলেও চিত্রনায়িকা মৌসুমীর বক্তব্য শুনতে মুখিয়ে ছিলেন তারা।

এখনো কি পিয়দর্শিণীর মনে কিছু অভিমান, ব্যথা রয়ে গেছে? কেমন কাটছে তার জীবন? তিনি কেন গণমাধ্যমের সামনে আসছেন না! লুকিয়ে আছেন কেন?

বুধবার ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে ভক্তদের সে কৌতূহল মেটালেন মৌসুমী।

জানালেন, সেই বিতর্কিত ঘটনার পর নিজেকে আড়াল করে রাখছেন, অনেকটা শামুকের মতো।

নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে মৌসুমী লিখেছেন, ‘লুকিয়ে থাকতে চাইলেই লুকিয়ে থাকা যায়। সামনে যেটা থাকে সেটা শরীর। আমি এখন শামুকের মতো হয়ে গেছি। আড়াল করে নিজেকে নিয়ে আছি, এটাই স্বস্তি। যখন দিনের আলো দেখার সুযোগ হয়, নিজেকে বেমানান লাগে।’

এরপরই প্রসঙ্গ বদলে ফেলেন খাইরুন লো সুন্দরী। যেন পুরো কথা বলতে গিয়েও বললেন না।

লিখলেন সিলেটের বন্যাদুর্গত মানুষের কথা।

মৌসুমী লিখলেন, ‘সিলেটবাসীর কাছে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। হয়তো সুযোগ হলে যাবো, আপনারা সবাই তাদের জন্য দোয়া করবেন।’

এর আগে দাম্পত্য দূরত্ব মিটে গেঠে জানিয়ে ওমর সানী অনুরোধ জানিয়েছিলেন, মৌসুমীকে নিয়ে বাজে কোনো মন্তব্য না ছড়াতে।

মৌসুমী ও তার দেওয়া বক্তব্যের কোনো কোনো জায়গায় এডিট করে তা প্রচার করা থেকে সরে আসার আহ্বান জানান সানী।

এক অডিওবার্তায় তিনি বলেন, গণমাধ্যমে আমার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে কিছু কিছু অংশ কেটে কেটে বাদ দিয়ে আপনারা অনেকে মৌসুমী ও আমাকে নিয়ে বাজে বাজে কথা প্রচার করছেন। শুধু তাই-ই নয়, আমার আর মৌসুমীকে নিয়ে নিজের মতো করে সংলাপ বানিয়ে কেউ কেউ তা প্রচার করছেন। এটি বিভ্রান্তিকর কাজ। এগুলো বাদ দেন। এগুলো থেকে অবশ্যই দূরে থাকুন। আমাদের মধ্যে যে সমস্যা ছিল, তা সবার দোয়া ও ভালোবাসায় মিটে গেছে। আমরা এখন একই ছাদের নিচে আছি, আমরা একসঙ্গে আছি, এক ঘরেই আছি। আমি, মৌসুমী, ছেলেমেয়ে ফারদিন, ফাইজা, আমার ছেলের বউ আয়েশা—আমরা একসঙ্গে আছি। ভালো আছি, সুখে আছি।

‘মুক্তিযুদ্ধ না দেখলেও পদ্মা সেতু দেখেছি’

সন্নিকটে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুরু হয়েছে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত সেতুর উদ্বোধনে ক্ষণিকের অপেক্ষা।

শনিবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে পদ্মা সেতুর থিম সং পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

এর আগেই উদ্বোধনস্থলে উপস্থিত হয়ে নিজেদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নেতাকর্মীরা।

পদ্মা সেতু নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নির্মাতা, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেহের আফরোজ শাওন। এ অভিনেত্রী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ না দেখলেও আমরা পদ্মা সেতু দেখেছি।

শনিবার সকালে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে সুধী-সমাবেশস্থলে পৌঁছে এসব কথা বলেন তিনি।

শাওন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ না দেখলেও আমরা পদ্মা সেতু দেখছি, অসাধারণ একটি অনুভূতি। বাঙালি জাতি হচ্ছে হার না মেনে নেওয়ার জাতি। যেভাবেই হোক আমরা আদায় করে নিতে পারি। প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করেছেন। জাতিগতভাবে আমাদের মনোবল যে দৃঢ় তা আরও একবার প্রমাণিত হলো এ পদ্মা সেতু মাধ্যমে।

প্রসঙ্গত, সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মা সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে। চার লেনবিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেললাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশকে অলআউট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারকুটে ব্যাটিং

শুরুটা ভালো হলেও সেন্ট লুসিয়ার সেই অ্যান্টিগা টেস্টের পুনরাবৃত্তি দেখা গেল।

দ্বিতীয় সেশনেই পথ হারিয়ে ফেলেন সফরকারীরা। মাত্র ৩৩ রানের ব্যবধানে এনামুল, নাজমুল হোসেন, সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসানের উইকেট হারিয়ে পুরনো রূপ ধারণ করে।

তবে এবার ১০০ রানের মধ্যে গুটিয়ে যাননি সফরকারীরা।

ওপেনার তামিমের ৪৬ ও লিটন দাসের ৭০ বলে ৫৩ রানের সুবাদে এবার বাংলাদেশ ২৩৪ রান করেছে।

তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন আলজারি জোসেফ ও জেডান সিলস। দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন অ্যান্ডারসন ফিলিক ও কাইল মায়ার্স।

বাংলাদেশ ইনিংসে সেন্ট লুসিয়ার মাঠকে বোলিংবান্ধব দেখা গেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে পাল্টে গেল দৃশ্যপট। এক মুহূর্তে ব্যাটিং প্যারাডাইস হয়ে গেল উইকেট।

যে উইকেটে ধুঁকতে দেখা গেছে বাংলাদেশি ব্যাটারদের, সেই উইকেটেই ভয়ডরহীন ব্যাটিং করছেন ক্যারিবীয় দুই ওপেনার।

ব্যাট হাতে নেমেই মারকুটে চেহারায় হাজির হয়েছেন ক্যাবিরীয় দুই ওপেনার। প্রথম দিন শেষে ১৬ ওভারেই বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলে ফেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, রানরেট ৪.১৮।

এই ১৬ ওভারেই পাঁচজন বোলার ব্যবহার করেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তাতে কোনো লাভ হয়নি।

ক্যারিবীয় অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট বাংলাদেশি ৩ পেসারকেই দারুণ সামলেছেন।

৫৫ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। ওপর ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ৪১ বলে অপরাজিত আছেন ৩২ রানে।

বাবর খাজা ও ইমামদের পেছনে ফেললেন লিটন দাস

দুটি পরিবর্তন এনে শুক্রবার সেন্ট লুসিয়া টেস্টে মাঠে নামে বাংলাদেশ।

অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর এবার একাদশেও জায়গা হারান মুমিনুল হক।

মোস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন আরেক বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। এর আগে ইয়াসির আলীর চোটে এনামুল হক বিজয়ের খেলাটা নিশ্চিতই ছিল।

ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনটা দারুণ করেন টাইগাররা।

দ্বিতীয় সেশনেই পথ হারিয়ে ফেলেন সফরকারীরা। মাত্র ৩৩ রানের ব্যবধানে এনামুল, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসানের উইকেট হারিয়ে পুরোনো রূপ ধারণ করে।

সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে কক্ষপথে ফেরানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজ হাল ছেড়ে দিলেও লিটন কুমার দাস নিজের খেলাটা খেলে যাচ্ছিলেন।

একপ্রান্ত ধরে রেখে ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। ৬৬ বল খেলে ৮ বাউন্ডারিতে অর্ধশতক পূরণ করেন।

সেই সঙ্গে দারুণ একটি রেকর্ডও গড়ে ফেললেন লিটন দাস। ২০২২ সালের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে হাজার রানের মাইফলক পার করলেন তিনি।

চলতি বছর তিন সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়ে সবার আগে হাজার রানে পৌঁছান লিটন। পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম, শ্রীলংকার পাথুম নিশাঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ার উসমান খাজা থেকে শুরু করে সবাইকে পেছনে ফেললেন তিনি।

২০২২ সালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় লিটনের পরেই রয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভৃত্য অরবিন্দ। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ২৩ ম্যাচে তার রান ৯৪৫। তিন নম্বরে রয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ১০ ম্যাচের ১২ ইনিংসে করেছেন ৯১৩ রান।

শীর্ষ দশে থাকা অন্যরা হলেন পাকিস্তানের ইমাম-উল হক (৯ ম্যাচের ১২ ইনিংসে ৮৬৭ রান), আরব আমিরাতের চিরাগ সুরি (২৩ ম্যাচের ২৩ ইনিংসে ৭৭১ রান), শ্রীলংকার নিশাঙ্কা (২০ ম্যাচের ২১ ইনিংসে ৭৬১ রান), উসমান খাজা (৫ ম্যাচের ৯ ইনিংসে ৭৫১ রান), নেপালের দিপেন্দ্র আইরি (২৩ ম্যাচের ২২ ইনিংসে ৭১৮ রান), ওমানের জতিন্দর সিং (২৪ ম্যাচের ২৪ ইনিংসে ৭১৮ রান) ও দক্ষিণ আফ্রিকার টেম্বা বাভুমা (১৬ ম্যাচের ২২ ইনিংসে ৭১২ রান)।

‘ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছি’

অপেক্ষার প্রহর শেষ। এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কিছুক্ষণ পরই স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেতুর উদ্বোধন কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা ও শরীয়তপুর পদ্মাপারের সেতু এলাকায় উচ্ছ্বাসের জোয়ার বইছে।

সেই উচ্ছ্বাসে শামিল হতে শুক্রবার দূরদূরান্ত থেকে সেতু দেখতে আসছেন দর্শনার্থীরা। তারা পদ্মা সেতু এবং এখানে স্থাপন করা বিভিন্ন বিলবোর্ড ও ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মহাসড়কের সড়ক বিভাজক ও মহাসড়কের দুপাশে বিভিন্ন ব্যানার ও বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। এতে সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছাবার্তা শোভা পাচ্ছে। সরকারি সংস্থাও পদ্মা সেতু উদ্বোধনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিলবোর্ড লাগিয়েছে।

এই চিত্রপট মাওয়া পুরাতন ঘাটে যাওয়ার সড়কে। সেখানেও বিলবোর্ড ও ব্যানারের দেখা মিলছে খানিক দূর পর পর। আর এসব বিলবোর্ড ও ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন উচ্ছ্বসিত দর্শনার্থীরা।

বেশ বড় আকারের বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে শিমুলিয়াঘাটের প্রবেশ পথ শিমুলিয়া-ভাঙ্গা মোড়ে।

শুধু ব্যানার-বিলবোর্ডই নয়, মোড়ে মোড়ে দৃষ্টিনন্দন ফুলবাগানে শোভিত করা হয়েছে।

শিমুলিয়াঘাটে ব্যানার, বিলবোর্ডের পাশাপাশি রঙ-বেরঙের আলোকসজ্জা করা হয়েছে। ঘাটের পার্কিং ইয়ার্ডে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ডকুমেন্টরি প্রদর্শনীর বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে।

দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা সেতু উদ্বোধনস্থলে এসে জমা হচ্ছে ভোরবেলা থেকেই।

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটের এক দর্শনার্থী জানান, তার বাড়ি উত্তরবঙ্গে। শুধু পদ্মা সেতু উদ্বোধন দেখতে তিনি নীলফামারী থেকে মাওয়াঘাটে এসেছেন।

শনিবার ছুটির দিন পেয়ে ঘুমাননি অনেক চাকরিজীবী। ঢাকায় কর্মরত কয়েকজন সেতু দেখতে এসেছেন।

এদের মধ্যে একজন বলেন, বন্ধের দিন পেয়ে সহকর্মীরা সবাই সেতু দেখতে এসেছি। ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছি।

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের প্রেরণা। স্বাধীনতার পর এটা অনেক বড় অর্জন। আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শক্তি। শেখ হাসিনা দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বিশ্বের কাছে আরেকবার বাঙালি জাতির পরিচয় তুলে ধরেছেন। এর ফলে আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে। পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে। পদ্মা সেতু কেন্দ্র করে রাস্তার দুই পাশে ইকোপার্ক হবে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ঢল নামবে।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু উদ্বোধন হচ্ছে। তবে উদ্বোধনের পর সাধারণ দর্শনার্থীদের সেতু ভ্রমণের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। এ বিষয়ে এখনো আমাদের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং নেতা পিচ্চি রাসেল গ্রেফতার

নোয়াখালী জেলা শহরের ৯ মামলার পলাতক আসামি কিশোর গ্যাং কমান্ডার পিচ্ছি রাসেলকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে বন্দুকসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মো. রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল (২২) নোয়াখালী পৌরসভার মাস্টারপাড়া এলাকার পাটোয়ারী বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার নিজ বাড়ি থেকে একটি বন্দুকসহ পিচ্চি রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়।

সুধারাম থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, অস্ত্র বিক্রি, অস্ত্র ভাড়া দেওয়াসহ ৯ মামলার পলাতক আসামি।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত পিচ্চি রাসেলকে শনিবার সকালে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনাদের

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল লুহানেস্কের সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে ইউক্রেনের সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রুশ সেনারা পূর্বাঞ্চলীয় শহরটি ঘিরে ফেলায় তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খবর সিএনএনের।

সেভেরোদোনেৎস্কের পাশের শহর লিসিচানস্কের দখল দুই-একদিনের মধ্যে রুশ সেনাদের আয়ত্তে চলে আসতে পারে।

ফলে লুহানেস্কের সেভেরোদোনেৎস্ক এবং লিসিচানস্ক দখল করতে পারলে পুরো অঞ্চলটি রাশিয়ার অধীনে চলে আসবে।

লুহানেস্কের গভর্নর সেরহি হাইদাই বলেন, ইউক্রেনীয় সেনাদের সেভেরোদোনেৎস্ক ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এখানকার শীর্ষ কমান্ডার।

তিনি বলেন, সেনাদের পিছিয়ে অন্যত্র চলে যেতে এবং সেখান থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লুহানেস্কের গভর্নর আরও জানিয়েছেন, রুশ বাহিনীর অব্যাহত বোমা হামলার কারণে সেভেরোদোনেৎস্ক পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ার পথে।

শহরের ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। শহরের যেসব ভবন বা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ৮০ শতাংশ ভেঙে ফেলতে হবে।

রুশ হামলায় এখনো অনেক ভবন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে লুহানেস্কের শেষ ইউক্রেনীয় শহরটিও পতন হতে যাচ্ছে।

দুই মুসলিম দেশের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে ইসরাইল: ইরান

তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে ইসরাইলের নাগরিকদের ওপর ইরান হামলা চালাতে পারে বলে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ায়ির লাপিদ যে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন তেহরান তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইরান বলছে, প্রতিবেশী দুই মুসলিম দেশের সম্পর্কে ফাটল ধরানোর জন্য এই ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দিয়েছেন ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। খবর তেহরান টাইমসের।

বিশ্বের কোনো জাতি ইসরাইলের এ ধরনের কল্পিত অভিযোগ বিশ্বাস করবে না বরং তারাই নিপীড়ক ও বর্বর শক্তি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদেহ শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলের নিজের অপরাধযজ্ঞ ঢাকার অপকৌশল হিসেবে লাপিদ এই বক্তব্য দিয়েছেন।

খাতিবজাদেহ আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদী ও প্রতারক ইসরাইল সরকারের এ প্রতিনিধির ভিত্তিহীন দাবি সম্পর্কে তুরস্ক সচেতন রয়েছে। তবে তেহরান আশা করে ইসরাইলের এমন ভিত্তিহীন দবির মুখে আঙ্কারা চুপ থাকবে না।

ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ায়ির লাপিদ গত বৃহস্পতিবার তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ইস্তানবুল শহরে ইসরাইলের নাগরিকদের ওপর ইরান হামলা চালাতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সন্ত্রাসী ও অন্তর্ঘাতমূলক যে কোনো তৎপরতার বিরুদ্ধে সাধারণ লোকজনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে কঠোর জবাব দিতে ইরান সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে পদ্মায় লাল-সবুজের ৮০ নৌকা

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে গত তিন দিন ধরেই পদ্মাপার এলাকা সেজেছে বর্ণিল রূপে। নানা রঙ-বেরঙের ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পদ্মাপার। কিছুক্ষণ পরই পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রমত্তা পদ্মায় লাল-সবুজের ৮০টি নৌকা প্রস্তুত রয়েছে।

এরই মধ্যে ঐতিহাসিক সাক্ষী হতে মাওয়া প্রান্তের সমাবেশস্থলে হাজির হচ্ছেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সরকারের আমন্ত্রিত অতিথিসহ সাধারণ মানুষ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের সমাবেশস্থল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের অনেকে মাওয়ায় পৌঁছেছেন। এরই মধ্যে পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ আরও অনেকে।

সমাবেশস্থলে হাজির হয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দেশি-বিদেশি সবাই শুভেচ্ছা জানালেও বিএনপি জানাতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে— বিএনপি এখনো পদ্মা সেতু নির্মাণে শুভেচ্ছা বা অভিনন্দন জানায়নি। এটি তাদের চরম রাজনৈতিক দৈন্যতা।

তিনি বলেন, ছোটবেলা ঈদের চাঁদ দেখলে যে আনন্দ হতো, আজ তার চেয়ে বেশি আনন্দ লাগছে। আজ বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ উচ্ছ্বসিত। যারা পদ্মা সেতুর বিরোধিতা করেছিল তারা এখন লজ্জিত। যেসব বিদেশি সংস্থা অর্থায়ন বন্ধ করেছিল, তারাও আজ পদ্মা সেতু নিয়ে উচ্ছ্বসিত।

সরেজমিন দেখা গেছে, সেতুর জমকালো উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাসহ মাওয়া প্রান্তে সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পদ্মার পার সেজেছে নতুন রূপে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের এ আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশসহ আরও অনেকে পৌঁছেছেন পদ্মাপারে।

এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাট এবং আশপাশের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা। সভাস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।

সকাল ১০টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের বৃহত্তম স্ব-অর্থায়নকৃত এ মেগা প্রকল্পের জমকালো উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সময়সূচি অনুযায়ী মাওয়া পয়েন্টে বেলা ১১টায় তিনি স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম এবং বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করবেন।

এর আগে তিনি হেলিকপ্টারযোগে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে মাওয়া পয়েন্টে কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। পরে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে মাওয়া পয়েন্টে টোল পরিশোধের পর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেখানে মোনাজাতেও যোগ দেবেন।

তিনি বেলা ১১টা ২৩ মিনিটে মাওয়া পয়েন্ট থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল ২-এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। সেখানে মোনাজাতেও যোগ দেবেন তিনি।

দুপুর ১২টায় মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত দলের জনসভায় যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বিকাল সাড়ে ৫টায় হেলিকপ্টারে জাজিরা পয়েন্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।