চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) অষ্টম গলফ টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। টুর্নামেন্টের আয়োজন করে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম।
সকালে প্রধান অতিথি ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিপি, ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি এবং কেএসআরএমের জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থপক (বিক্রয় ও বিপণন) মো. জসিম উদ্দিন, বিজনেস রিচার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের মহাব্যবস্থাপক কর্নেল (অব.) মো. আশফাকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) সৈয়দ নজরুল আলম, ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কাট্রি ক্লাব ভাইস প্রসিডেন্ট (এডমিন অ্যান্ড ফিনেন্স) বিগ্রেডিযার জেনারেল কাজী ইফতেখারুল আলম, কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বলেন, প্রতিবছর আমরা কেএসআরএমের সহযোগিতায় এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকি। যা অত্যন্ত আনন্দের ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা। এজন্য কেএসআরএম কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। আমরা আশা করছি কেএসআরএমের সাথে আমাদের ধারাবাহিক এ সম্পর্ক আগামীও অব্যাহত থাকবে। আঞ্চলিক পর্যায়ের এসব গলঠ টুর্নামেন্ট জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন জিওসি মিজানুর রহমান শামীম। এ সময় তিনি কেএসআরএমের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (ব্রান্ড) শাহেদ পারভেজ, উপ ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান রিয়াদ, সহকারী ব্যবস্থাপক ডেনিয়েল দেওয়ান, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিজান উল হক, মিথুন বড়ুয়া, মিজানুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।
শেষে গলফ টুর্নামেন্টে ১৭০ জন প্রতিযোগি গলফারের মধ্যে বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ ও র্যাফেল ড্র মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমণি এখন বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। এই তারকা দম্পতিকে পেয়ে উল্লাসে আনন্দ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামের হাজারো দর্শক।
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকায় (নবাব সিরাজ উদ্দিন রোড) বালি আর্কেড শপিং কমপ্লেক্সে নির্মিত হয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্সের ষষ্ঠ শাখা। এই শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন রাজ ও পরী।
স্টার সিনেপ্লেক্সের হাত ধরে বাংলা সিনেমা আরও বেশি এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এই তারকা দম্পতি।
চট্টগ্রামে সিনেপ্লেক্সের নতুন শাখা চালু হওয়ায় নিজের অনুভূতি জানিয়ে পরীমণি বলেন, কিছু আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সিনেপ্লেক্সের নতুন হল চালু হওয়ায় আমার সেইরকম অনুভূতি হচ্ছে।
সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেলের মালিকানাধীন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শো মোশন পিকচার লিমিটেডের সিনেমা ‘ন ডরাই’-তে কাজ করেছেন শরিফুল রাজ।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অভিনেতা বলেন, আমার তো খুবই ভালো লাগছে। আরও ভালো লাগবে যখন দেশের অনেক জায়গায় সিনেপ্লেক্সের শাখা হবে। মাহবুব রহমানকে ধন্যবাদ।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে দর্শকরা এখানে সিনেমা দেখতে পারবেন। বিষয়টি জানিয়েছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকায় অবস্থিত সুপরিসর এই মাল্টিপ্লেক্সে রয়েছে তিনটি হল। যার আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৮৬ (হল-১), ১৯৬ (হল-২) এবং ১২৫ (হল-৩)।
বরাবরের মতো নান্দনিক পরিবেশ, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্বলিত সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হলগুলো নির্মিত হয়েছে।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ ষোল নিশ্চিত করে এবারের বিশ্বকাপের হট ফেভারিট ব্রাজিল। শেষ ষোল নিশ্চিত হলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ক্যামেরুনের বিপক্ষে এক পয়েন্ট প্রয়োজন সেলেসাওদের। তবে ক্যামেরুনের বিপক্ষে সেরা একাদশ নামানোর পরিকল্পনা নেই ব্রাজিলের।
বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়দের পরোখ করে দেখতে চান ব্রাজিলের কোচ তিতে। এমনকি গোলপোস্টের নিচেও পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন তিনি। অ্যালিসন বেকারের জায়গায় ক্যামেরুনের বিপক্ষে দেখা যেতে পারে এডারসনকে। অন্যদিকে ডিফেন্সেও সিলভা-মারকুইনহোসকে বসিয়ে ব্রেমার ও মিলিতাওকে সেন্টার ব্যাকে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন তিতে।
ক্যামেরুনের বিপক্ষে অধিনায়কের আর্মব্রান্ড থাকতে পারে অভিজ্ঞ দানি আলভেজের হাতে। আর স্ট্রাইকারে রিচার্লিসনের পরিবর্তে মাঠে দেখা যেতে পারে পারে গ্যাব্রিয়াল জেসুস অথবা পেদ্রোকে। উইঙ্গে মার্টিনেলি-অ্যান্টনিকে শুরুর একাদশে খেলিয়ে দেখতে পারেন ব্রাজিল কোচ।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ
এডারসন (গোলরক্ষক), দানি আলভেস, মিলিতাও, ব্রেমার, তেলেস, ফ্যাবিনহো, ফ্রেড/গুইমারেস, রড্রিগো/রিবেইরো, মার্টিনেলি, গ্যাব্রিয়েল জেসুস/পেদ্রো, অ্যান্টনি।
ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আপনারা মাইক ধরলে ছাড়েন না। পরে কে বলবে খেয়াল থাকে না। নিজেদের সুশৃঙ্খল করুন, সুসংগঠিত করুন। কথা শুনবে না, এই ছাত্রলীগ আমাদের দরকার নেই। অপকর্ম করবে এই ছাত্রলীগ দরকার নেই।
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দীর্ঘ চার বছর পর অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটাই কি ছাত্রলীগ! কোনো শৃঙ্খলা নেই! পোস্টার নামাতে বলছি, নামায় না!
তিনি বলেন, সব নেতা, তাহলে কর্মী কোথায়! এত নেতা স্টেজে, কর্মী কোথায়? এই ছাত্রলীগ আমরা চাই না। শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ, এই ছাত্রলীগ নয়। মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না। মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে। শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে। খাঁটি কর্মী বিশৃঙ্খলা করে না। সব নেতা হয়ে গেছে! দুর্নামের ধারা থেকে ছাত্রলীগকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে–এটাই হোক আজকে অঙ্গীকার।
নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ সম্মেলন। দেরি করে আয়োজন শুরু, কর্মীদের বিশৃঙ্খলতা, কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্য দেয়ার সুযোগ না পাওয়াসহ নানা অনিয়মে আয়োজকদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চ ছেড়েছেন ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের চার নেতা।
ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে আয়োজকদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চ ছাড়েন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।
বেলা ১০টায় সম্মেলন উদ্বোধনের কথা থাকলেও এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়। জাতীয় ও দলীয় সংগীত, দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বেলা ১১টার নাগাদ সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
দীর্ঘ এক ঘণ্টায় মহানগরের বিদায়ী কমিটির চার নেতা বক্তব্য দেন। এরপর মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু জুমার নামাজের কারণে তখন প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেন।
এ সময় বক্তব্য দিতে না পেরে ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের চার নেতা ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চ ত্যাগ করেন। এ ছাড়া বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পাননি আমন্ত্রিত অতিথি আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহম্মদ মোহাম্মদ মান্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। সম্মেলনের প্রধান বক্তা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও বক্তব্য দিতে পারেননি।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮ সালের ২৫ এপ্রিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মহানগর কমিটির মেয়াদ এক বছর হলেও গত তিন বছর করোনার কারণে সময়মতো অনুষ্ঠিত হয়নি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন।
এদিকে আগামী ৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ কবির ঠাকুর (৪৯) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে সরাইল থানার পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত কবির ঠাকুর উপজেলা সদর ইউনিয়নের বড়দেওয়ান পাড়া গ্রামের মৃত আতাবর ঠাকুরের ছেলে। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়দেওয়ান পাড়া গ্রামের তার নিজ বসত ঘর থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়দেওয়ান পাড়ার গ্রামের মৃত আতাবর ঠাকুরের ছেলে মো. কবির ঠাকুর বসত ঘরে মাদক ক্রয় বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই সংবাদ পেয়ে সরাইল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ জয়নাল আবেদন, এএসআই (নিরস্ত্র)/মোঃ সাইফুল ইসলাম, এএসআই(নিরস্ত্র)/মোঃ সফিউল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ মোঃ কবির ঠাকুরের ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ সময় তার ঘরে থাকা ১০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কবির ঠাকুরের বিরুদ্ধে অত্র থানায় পূর্বে মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
সৌদি আরবে ‘ডাঙ্কি’ সিনেমার শুটিং শেষ করে পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। তার ওমরাহ পালনের বেশ কিছু স্থিরচিত্র ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, শাহরুখ খানের পরনে ইহরামের পোশাক। মুখে মাস্ক। তার সঙ্গে রয়েছে বেশ কজন নিরাপত্তারক্ষী। প্রিয় তারকাকে ওমরাহ পালন করতে দেখে অনেকে তার প্রশংসা করছেন। কমেন্টে একজন লিখেছেন, ‘এই দৃশ্য দেখে আমি আবেগাপ্লুত পড়েছি। আল্লাহ ওনাকে আর ওনার পরিবারকে রক্ষা করুক।’
আরেকজন লিখেছেন, ‘এই পূণ্যস্থানে যাওয়ার যে ইচ্ছা ছিল, তা পূরণ হয়েছে শাহরুখ খানের। আমরাও খুব খুশি।’ অন্যজন লিখেছেন, ‘আল্লাহর রহমত যেন শাহরুখের উপরে এভাবেই থাকে শেষ দিন পর্যন্ত। আমরা সবাই তাই চাই।’ এমন অসংখ্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট সেকশনে।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ খান বলেছিলেন—‘হজ করার ইচ্ছা আমার অবশ্যই আছে। আমার ছেলে আরিয়ান আর মেয়ে সুহানাকে নিয়ে ওখানে যাওয়ার ইচ্ছে আছে।’ তবে এ যাত্রায় শাহরুখের সঙ্গে আরিয়ান বা সুহানা ছিলেন কি না তা অবশ্য জানা যায়নি।