বাকৃবিতে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

0
317

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুইন নাদিম আল মুন্নাকে হল থেকে বের করে দেন বাকৃবি ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদ গ্রুপের নেতাকর্মীরা।

মুন্না বিশ্ববিদ্যালয়ের কেআর মার্কেটে এলে সোমবার দুপুরে সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীরা তার ওপর চড়াও হন। মুন্নাকে কিল-ঘুষি ও থাপ্পড় মারলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে দুগ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

দুগ্রুপের মধ্যে গভীর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুল হক হল, শহীদ নাজমুল আহসান হল, শাহজালাল হল এবং আশরাফুল হক হলে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুগ্রুপ ইটপাটকেল ছোড়ে এবং লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পেড়।

এ সময় ঈশা খাঁ হলের ৮-১০ জনসহ উভয়পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হন। পরে গুরুতর আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনিফোন ধরেননি।

এ ঘটনায় বাকৃবি ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদ বলেন, বাকৃবিতে যে ঘটনাটি ঘটেছে পুরাটাই অনাকাঙ্খিত। শামসুল হক হলটি পুরোটাই সাধারণ সম্পাদক নিয়ন্ত্রণ করে। তবে তাদের মধ্য থেকে যারাই ঘটনাটি ঘটিয়েছে বা সামনে এমন পরিস্থিতি তৈরী করার চেষ্টা করবে তাদের শনাক্ত করে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিব।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মহির উদ্দিন বলেন, আমরা উভয়পক্ষের নেতার সঙ্গে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার দ্রুত চেষ্টা করছি। যারা আহত হয়েছেন, তাদের দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করে মারামারির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here