বঙ্গবন্ধু জাতীয় শাওলীন ও উডাং কুংফু প্রতিযোগিতায় দেশের ১৮ জেলার ৬৫ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক পেয়েছেন কাশিয়ানীর কুরআনের হাফেজ মো. আলীমুজ্জামান নাসির (২৪)।
বাংলাদেশ শাওলীন ও উডাং কুংফু ফেডারেশনের আয়োজনে কিশোরগঞ্জে ২৭-২৮ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের ১৮ জেলার ৬৫ প্রতিযোগী অংশ নেন।
গত ২৮ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের নেহাল গ্রিনপার্কে পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বর্ণপদক জয়ী মো. আলীমুজ্জামান নাসিরের হাতে পদক তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী সিদ্দিকী, বাংলাদেশ শাওলীন অ্যান্ড উডাং কুংফু অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইফফাত আরা, সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, জেলা ক্রীড়া অফিসার আল আমিন, নেহাল গ্রিন পার্কের পরিচালক ওসমান গণি, বাংলাদেশ কুশু অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দীন প্রমুখ।
মো. আলীমুজ্জামান নাসির গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার খায়েরহাট গ্রামে পান্নু শিকদারের ছেলে। মা রেবেকা বেগম গৃহিণী। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার মালা মুহাম্মাদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে ২০১৪ সালে হেফজ শেষ সম্পন্ন করেন। এর পর তিনি ঢাকার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী জামিয়া ইসলামীয়া দারুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসায় জামাত বিভাগে অধ্যয়নের পাশাপাশি ঢাকার মেজবাহ মার্শাল আর্ট একাডেমিতে অনুশীলন করেন।
স্বর্ণপদক জয়ী আলীমুজ্জামান নাসির বলেন, এ অর্জন আমার প্রিয় শিক্ষক মেজবাহ উদ্দীনের। যিনি আমাকে নিজের সন্তানের মতো শিক্ষা দিয়েছেন। যার অনুপ্রেরণা ও সার্বিক সহযোগিতায় আজ আমি প্রথম হতে পেরেছি। আমি তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
কাশিয়ানী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ আলী খোকন বলেন, আলীমুজ্জামান নাসির ৬৫ প্রতিযোগীকে হারিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক লাভ করেছেন। তার এ অর্জন ও সাফল্য আমাদের অনেক বড় প্রাপ্তি। নাসির কাশিয়ানী তথা গোপালগঞ্জ জেলাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন। নাসির আমাদের গর্ব। আমি তার জীবনের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।


