বাংলা সাহিত্যে সিলেট

0
328

এ কথা সত্য যে সিলেটের জনগণ তাদের স্থানীয় ভাষার প্রতি খুবই অনুরক্ত। যেখানেই থাকুক এবং তাদের শিক্ষা সংস্কৃতি যে মানেরই হোক না কেন, নিজেদের মধ্যে কথোপকথনের সময় তারা সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সনাতন সিলেটি ভাষায় বিপ্লবের সৃষ্টি হয় এতদঞ্চলে অলিকুল শিরমনি জ্ঞানতাপস হজরত শাহজালাল মজররদ ইয়েমানীর আগমনের পর থেকে। ১৩০৩ খ্রিষ্টাব্দে শাহজালাল (র.) ৩৬০ জন অনুসারী নিয়ে সিলেট বিজয় করেন এ কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। তার সময় থেকে সিলেটি ভাষায় আরবি, ফার্সি, এবং উর্দু ভাষার মিশ্রণ লক্ষ করা যায়। আমরা অবশ্যই স্বীকার করব সিলেটের ভাষায় যে আভিজাত্য আছে, তার পরিমার্জন সাপেক্ষে বিস্তার ঘটানো দরকার।

ভাষা একটি সচল প্রক্রিয়া এবং যেখানে ভাষা মানুষের সব ভাব প্রকাশের প্রধান বাহন সেখানে সাহিত্য তার নিজস্ব অবয়বে আবির্ভূত হবে এটাই স্বাভাবিক। সিলেট জেলার মানুষ কিরূপ সাহিত্যপিপাসু তার একটি উদাহরণ এখানে উল্লেখ করতে চাই। আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন, প্রবাসী ও সবুজপত্রের গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে কলকাতার পরেই সিলেট জেলার স্থান। আর ১৩৫০ সালে সিলেটে আসা কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন ‘এখান থেকে যে সাহিত্য প্রচেষ্টা চলছে তা গৌরবের বিষয়’। বাংলাসাহিত্যে মঙ্গলকাব্য একটি নিজস্ব আসন দখল করে আছে। কবি ভারতচন্দ্র রায়ের ‘অন্নদা মঙ্গল’ কাব্যের নাম সর্বাধিক উল্লেখ্য। সিলেটে মনসামঙ্গল কাব্যের সর্বাধিক জনপ্রিয় কবির নাম নারায়ণ দেব। তিনি বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার জলসুখা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ডক্টর আশুতোষ ভট্টাচার্য তার বাংলা মঙ্গল কাব্যের ইতিহাস গ্রন্থে নারায়ণ দেব সম্পর্কে বলেন, ‘নারায়ণ দেবের রচনায় স্বভাবস্ফূর্ত সরস কবিত্বের যেমন পরশ পাওয়া যায় তেমনি তাহাতে পাণ্ডিত্বের পরিচয় দুর্লভ নহে। নারায়ণ দেবের পর যার নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হয় তিনি কবি ষষ্ঠীবর দত্ত। ‘ষষ্ঠীবর দত্ত বাহারী পোষাক পরিয়া মাথায় ঝালরদার পাগড়ী বাঁধিয়া নাচিয়া নাচিয়া তার রচিত পদ্মাপুরন গান পরিবেশন করতেন’ (শ্রীহট্ট প্রতিভা, লেখক নরেন্দ্র কুমার গুপ্ত চৌধূরী)। ষষ্ঠীবরের পদ্মপুরান কাব্যটি তিন খণ্ডে রচিত। দেবখন্ড, বাণিজ্যখন্ড ও স্বার্গারোহণ খন্ড। কবি রাধানাথ চৌধূরী সিলেট অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি মঙ্গল কাব্য রচনা করেন। এ ছাড়া মনসামঙ্গলের কবিদের মধ্যে কবি বল্লভ, কালা রায়, বর্ধমান দত্ত, গোপিনাথ দ্বিজ, মুরারী মিশ্র, হরিহর দত্ত ও রাধামাধব দত্ত’র নাম উল্লেখযোগ্য।

বৈষ্ণব সাহিত্যে সিলেটের অবদান অনস্বীকার্য। বৈষ্ণব সাহিত্যের প্রসঙ্গ এলেই মহাপ্রভূ শ্রীচৈতন্যের নাম চলে আসে। যেহেতু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভূ সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ নামক গ্রামে তার মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করে বাল্যকাল কাটান, সেহেতু গোটা বৈষ্ণব সাহিত্য যেন এতদঞ্চলের মহিমা ঘোষণা করছে। দার্শনিক প্রেমরসে সিক্ত বৈষ্ণব সাহিত্য রচয়িতার মধ্যে সিলেটিদের সংখ্যা কম নয়। ‘চৈতন্য ভগবত’ গ্রন্থে বৃন্দাবন দাস নবদীপে প্রবাসী সিলেটি পণ্ডিতদের কয়েকজনের নাম এভাবে উল্লেখ করেন :

রত্নগর্ভ আচার্য বিখ্যাত তার নাম

প্রভুর পিতার সঙ্গে জন্ম এক গ্রাম।

তিন পুত্র আর কৃষ্ণপদ মকরন্দ/

কৃষ্ণানন্দ জীব যদুনাথ কবি চন্দ/

শ্রীবাস পণ্ডিত আর শ্রীরাম পণ্ডিত

শ্রীচন্দ্র শেখর দেব ত্রৈলোক পূজিত

ভবরোগ নাম বৈদ্য মুরারি নাম যার/

শ্রীহট্ট এসব বৈষ্ণের অবতার।

সিলেট অঞ্চলে কৃষ্ণলীলাকে উপজীব্য করে অষ্টাদশ শতাব্দীতে রামানন্দ মিশ্রের ‘রসতত্ব বিলাস’ গঙ্গারামের ‘গোপাল চরিত’ রাম দাসের ‘শ্রীকৃষ্ণ চরিত’ শিবানন্দের ‘শ্রীকৃষ্ণ বিজয়’ কাব্য গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া গেছে।

সিলেটের মাটি ও মানুষের মতো এর সাহিত্য সাধনার ইতিহাস সুপ্রাচীনকালের। সিলেট জেলা গেজেটিয়ার সূত্রে জানা যায়, সিলেট অঞ্চলের প্রাচীনতম লেখকের নাম সঞ্জয় গৌর। তার রচনায় বত্রিশখানা গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলো সাধারণত : পুঁথি নামে পরিচিত। কিন্তু সঞ্জয় অমর হয়ে আছেন বাংলায় মহাভারত অনুবাদক হিসাবে। জানা যায় তিনি কাশিরামের পূর্বে মহাভারত অনুবাদ করেন। সঞ্জয় সম্পর্কে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন বলেন, ‘কবিন্দ্র নহেন, সঞ্জয়ই মহাভারতের আদি অনুবাদক। সঞ্জয়ের রচনায় দ্রৌপদীর যুদ্ধ নামে একখানা স্বতন্ত্র পুঁথি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুঁথিশালায় সংরক্ষিত আছে। সঞ্জয়ের একখণ্ড সম্পূর্ণ মহাভারত সিলেট থেকে সংগৃহিত হয়ে শ্রীহট্ট ও কাছাড় অনুসন্ধান সমিতির অফিস শিলচরে রাখা হয়েছে। সিলেটের প্রাচীন শব্দের ভূরি ভূরি উদাহরণ তার অনূদিত মহাভারতে আছে।

বাংলাভাষা আর চর্যাপদ এ যেন একই মায়ের জঠরের সহোদর। নতুন ভাষার ইতিহাসে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থ হিসাবে বিবেচিত। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল মিউজিয়াম থেকে চর্যাপদের কপি সংগ্রহ করেন। চর্যাপদ আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর কবিকুল বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোক তা নিয়ে পণ্ডিত গবেষক সমালোচকদের মধ্যে অনুসন্ধান তৈরি হলে ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। অধ্যাপক আসাদ্দার আলী দীর্ঘদিন গবেষণা করে ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় জালালাবাদ’ এবং ‘চর্যাপদে সিলেটি ভাষা’ গ্রন্থ দুটি রচনা করেন। তথ্য উপাত্য ও যুক্তি প্রমাণসহ অকাট্যভাবে চর্যাপদের কবিগণ সিলেটি ছিলেন তা প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি শুধু কথার কথা হিসাবেই আলোচনা করে ক্ষান্ত হননি, বরং চর্যাপদের কবিদের ভাষার সঙ্গে কোন কোন সিলেটি শব্দের মিল রয়েছে তা যুক্তি প্রমাণ ও দৃষ্টান্ত দিয়ে বুঝিয়ে দেন।

মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্যে কবি সাহিত্যিকগণের মধ্যে সৈয়দ সুলতান, দৌলত কাজী, কোরেশী মাগন ঠাকুর, মোহাম্মদ কবীর, মোহাম্মদ ছগীর, সাধক কবি শেখ চন্দের অবদান সমগ্র বাংলাসাহিত্যের গর্ব। এসব কবি যে সিলেটেরই সন্তান ছিলেন তা নিশ্চিভাবে প্রমাণিত। বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের কবি সাহিত্যিকরা যেখানে একমাত্র বাংলাভাষায় সাহিত্য সাধনা করে গেছেন সেখানে সিলেটি সাহিত্যিকরা বাংলার পাশাপাশি সংস্কৃত, নাগরী, ইংরেজি, সিলেটি নাগরী, আরবি, ফার্সি এবং উর্দুতে সাহিত্যচর্চা করে যোগ্যতার প্রমাণ রেখে গেছেন। আদিযুগ মধ্যযুগ ও কলিযুগের পর আধুনিক যুগে সিলেটের অসংখ্য কবি ও লেখক সাহিত্য সাধনা করে যাচ্ছেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শ্রী রবীন্দ্র কুমার সিদ্ধার্থ শাস্ত্রী তার ‘শ্রীভূমির সন্তানদের সংস্কৃত সাধনা’ শীর্ষক প্রবন্ধে ১০১ জন সিলেটবাসীর ৩৫৯ খানা সংস্কৃত গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছেন। এমনি ভাবে ফারসি, আরবি এবং উর্দু ভাষায়ও অসংখ্য কবি সাহিত্যিক নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন।

সিলেট অঞ্চলের কবি-সাহিত্যিকরা বাংলা সাহিত্যের সেবা করার সঙ্গে সঙ্গে নাগরী লিপির মাধ্যমে সিলেটি ভাষার চর্চাও অব্যাহত রেখেছেন। উল্লেখ্য, শুধু বাংলা নয়, আরবি, ফার্সি ও উর্দু সাহিত্যও সিলেটবাসীর অবদানে সমৃদ্ধ হয়েছে। নাগরী লিপি সম্পর্কে লিখতে গিয়ে অধ্যাপক আসাদ্দর আলী বলেন, ‘ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় খ্রিষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীকে সিলেটে এ লিপির প্রচলনকাল বলে অনুমান করেন। আমাদের বিবেচনায় শুধু চতুর্দশ শতাব্দীতে নয়, চতুর্দশ শতাব্দীর প্রথমার্ধেই লিপিমালাটি জন্মলাভের পর এর মাধ্যমে মুসলমানদের সাহিত্য সাধনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে ১৫৪৯ খ্রিষ্টাব্দে রচিত গোলাম হুছনের ‘তালিব হুছন’ নামের তত্ত্বগ্রন্থ ছাড়া এর আগে রচিত কোনো গ্রন্থের নিদর্শন এখন আর পাওয়া যাচ্ছে না। বেশিরভাগ মুসলমান ‘সিলটী নাগরী হরফ’-এর সাহায্যে সাহিত্য সাধনা করলেও বাংলা লিপিকে একদম বাদ দেননি। ভিন্ন ভিন্ন সূত্র থেকে এ পর্যন্ত ‘সিলটী নাগরী হরফ’-এ লেখা ১৪০ খানা গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটা কম সৌভাগ্যের ব্যাপার নয়। ‘সিলেটী নাগরী’ লিপি, ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার পর জনাব গোলাম কাদির ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। এরপর ‘সিলেটী নাগরী’ লিপি নিয়ে পিএইচডি করেছেন কবি মোহাম্মদ সাদিক। তার গবেষণাকর্মটি ‘সিলেটী নাগরী: ফকিরি ধারার ফসল’ শিরোনামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে।

একই বাংলাভাষায় দুটি আলাদা আলাদা লিপির মাধ্যমে সাহিত্য সাধনার এমন নিদর্শন নজিরবিহীন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমনটি আর কোথাও নেই। সিলেটের সন্তান চর্যাপদের কবিকুল, মধ্যযুগের কবিকুল এবং মরমি কবিদের বাদ দিলে ইতিহাসে বাংলা সাহিত্যের জন্য গর্ব করার মতো তেমন কিছু আর বাকি থাকে না।

আধুনিক যুগের লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীকে দিয়ে শুরু করে উল্লেখযোগ্য সিলেটি কয়েকজন লেখকের নাম উল্লেখ করে লেখার ইতি টানতে চাই। যাদের নাম বাদ পড়বে তারা আগামীর জন্য অপেক্ষায় থাকবেন আশা করছি। একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি দিলওয়ার। তাকে আমরা সুরমা পারের কবি বলেই সম্বোধন করি। পাশাপাশি সৈয়দ মুর্তাজা আলী, সৈয়দ আশহর আলী চৌধুরী, হাছন রাজা, হাফিজ মোহাম্মদ হাতিম চৌধুরী, সহিফা বানু, আরকুম শাহ্, দুরবীণ শাহ্, আর্জুমন্দ আলী, একলিমুর রাজা, মোঃ আশরাফ হোসেন, মতিন উদদীন আহমদ, যতীন্দ্র মোহন ভট্টাচার্য, আব্দুল গফফার চৌধুরী, দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, মেহাম্মদ নুরুল হক, শাহেদ আলী, আকাদ্দস সিরাজুল ইসলাম, সৈয়দা হাবিবুন্নেছা খাতুন, প্রজেশ কুমার রায়, অশোক বিজয় রাহা, মোঃ মুসলিম চৌধুরী, ইসহাক রেজা চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, মিরজা আব্দুল হাই, চৌধুরী গোলাম আকবর, বেগম জেবু আহমদ, আফজাল চৌধুরী, মোফাজ্জল করিম, নৃপেন্দ্র লাল দাস, নন্দলাল শর্মা, ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, এ কে শেরাম, তুষার কর, আব্দুল হান্নান, আব্দুল হাসিব, নুরুজ্জামান মনি, হোসনে আরা হেনা, হীরা শামীম, লাভলী চৌধুরী, মোস্তাক আহমাদ দীন, ফজলুল হক, মুস্তাফিজ শফি, মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন (আরণ্যক শামছ), মুহম্মদ ইমদাদ, ড. জফির সেতু, পুলিন রায়, অজিত রায় ভজন, ইমতিয়াজ সুলতান ইমরান, সুমন বণিক, পরিতোষ বাবলু, রানা সিংহ, শাহাদাত করিম, ময়নুর রহমান বাবুল, ফজলুর রহমান বাবুল, বসির আহমদ জুয়েল, রওনক চৌধুরী, সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন জুয়েল, জাহেদ আহমদ, সৈয়দ আফসার, সৈয়দ মবনু, সেলিম আউয়াল, সালাম মসরুর, মুনিরা সিরাজ চৌধুরী, মঞ্জু রহমান লেবু, শ্যামসুন্দর দে, রাধেশ্যাম, আহমদ সায়েম, হোসেন রাজীব চৌধুরী, তুহিন চৌধুরী, সজল ছত্রী, রয়েল পাল, রাহুল চন্দ্র দাশ, হরিপদ চন্দ, তারেক মনোয়ার, হাবিবুর রহমান এনার, সৌমিত্র দেব টিটু, প্রণবকান্তি দেব, জওয়াহের হোসেন, মিহিরকান্তি চৌধুরী, শাহাদত বখত শাহেদ, খালেদ উদদীন, মামুন সুলতান প্রমুখ সিলেটি দেশে ও প্রবাসে অবস্থান করে বাংলাভাষায় সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং করছেন। এদের সাহিত্য কীর্তি নিয়ে আরেক দিন আলোচনার ইচ্ছা রাখি। সিলেটের সমৃদ্ধ ছড়া সাহিত্য এবং মরমি সাহিত্য নিয়ে আলোচনা বাকি রয়ে গেল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here