সন্তান হত্যার বিচার দাবিতে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন দরিদ্র ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মো. আবু সাঈদ ও তার স্ত্রী নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে নিহত যুবক সাজ্জাদ হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহতের মামি রেশমী আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, চলতি বছরের ১৮ আগস্ট নুরু মুন্সী ও আব্দুল মান্নান পাইনার নেতৃত্বে শহরের দিয়ার ধানড়গড়া মহল্লাবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সয়াগোবিন্দ মহল্লাবাসীর ওপর হামলা চালায়। এ সময় সাজ্জাদ হোসেন ওষুধ কিনতে যাওয়ার পথে ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফাহিম মোল্লার নির্দেশে সন্ত্রাসী সোহাগ গ্যাং তাকে ধারালো ফলার আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এ ঘটনায় ৩০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করা হয়। কিন্তু ওই মামলাকে ধামাচাপা দিতে বাদীর পরিবার ও সয়াগোবিন্দ মহল্লাবাসীর বিরুদ্ধে চারটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এদিকে সাজ্জাদের পরিবারের করা হত্যা মামলায় কয়েকজন আসামি গ্রেফতার থাকলেও তাদের রিমান্ডে না নিয়ে জামাই আদরে রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের একপর্যায়ে নিহত সাজ্জাদের বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কেউ স্বজন হারানোর বেদনা বোঝে না। তাই তার কাছে দাবি— সন্তান হত্যার মামলাটি দ্রুত বিচার আইনে স্থানান্তর করে হত্যাকারীদের ফাঁসি দেওয়া হোক।
এই সংবাদ সম্মেলনে সয়াগোবিন্দ মহল্লার বুদ্দু শেখ, নওসের আলীসহ নিহত সাজ্জাদ হোসেনের আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।


