করোনার সময় সরকার জনগণের মাঝে ৩৪ কোটি টিকা দিয়েছেন। যেটি অনেক দেশেরর সম্ভব হয়নি। যখন অনেক দেশ টিকা পায়নি তখন সরকার জনগণের জন্য টিকার ব্যবস্থা করেছেন। তাই করোনার সময় অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশে লোক মারা গেছে অনেক কম। যেখানে বাইরের দেশে লক্ষ লক্ষ লোক মারা গেছে তখন গত আড়াই বছরে আমাদের দেশে মারা গেছে মাত্র ৩৪ হাজার। এটাই সরকারের সফলতা। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের নবনির্মিত বহির্বিভাগ ভবন উদ্বোধনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক একথা বলেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ৫০০ শয্যায় উন্নীত হবে। ‘নির্মিত হবে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালটির নবনির্মিত বহির্বিভাগ ভবনের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, এখানে রোহিঙ্গাদেরও একটা বাড়তি চাপ আছে। সব মিলিয়ে কক্সবাজারের স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হওয়া দরকার। এর পরিধি বৃদ্ধি হওয়া দরকার। আমি আড়িইশো শয্যার হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে দেখেছি। সেখানে অনেক রোগী। ফ্লোরে অনেক রোগী থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তন আমরা করতে চাই।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরও বলেন, জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থার অর্থায়নে (৩ কোটি টাকা ব্যয়ে) নির্মিত তিন তলা বিশিষ্ট এ ভবনে রয়েছে আধুনিক চিকিৎসার নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হাবিবুর রহমান খান, অতিরিক্ত শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামছুদ্দৌজা, ইউএনএইচসিআর-এর এর কক্সবাজার অঞ্চলের প্রধান ইয়োকো আকাসাকা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডাঃ মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ও বিএমএ কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ পু চ নু, বিএমএ কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহবুবুর রহমান। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডাঃ আশিকুর রহমান।


