কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল নম্বর ক্লোন করে নানা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ফোন করে নানা প্রলোভনে টাকা দাবি করছে প্রতারক চক্র।
শুক্রবার দুপুর থেকে বিভিন্ন মানুষকে ইউএনও’র মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে অর্থ আদায়ের চেষ্টাকালে বিষয়টি প্রকাশ হয়। এ বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে ফেইসবুক আইডি থেকে সতর্কবার্তা পোস্ট করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল হক মীর।
চান্দিনা ভোমরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র মজুমদার জানান, আজ (শুক্রবার) বিকাল অনুমানিক ৩টায় ইউএনও’র সরকারি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন আসে। ইউএনও’র ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সালাম দেই। এ সময় অপর প্রান্ত থেকে জানান, ‘আপনি কি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক?’ উত্তরে হ্যাঁ বলি। তখন তিনি জানান, ‘উপজেলায় পাঁচজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য ৫টি ল্যাপটপ এসেছে। তাদের মধ্যে আপনিও একজন। আপনি ৯ হাজার টাকা প্রদান করে ওই ল্যাপটপটি নিয়ে যেতে পারেন।’
যখন ওই টাকা বিকাশে প্রদান করতে বলেন, তখন বিষয়টি আমার সন্দেহ হলে আমি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানটি অবহিত করি।
মাইজখার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ্ সেলিম প্রধান জানান, শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র মজুমদার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। আমি নম্বরটি নিশ্চিত হয়ে ইউএনওকে ফোন করি এবং ইউএনও সাহেবও জানিয়েছেন এমন আরও কয়েকজন নাকি এমন ফোন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিয়াউল হক মীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এছাড়া কেউ যদি আমার নম্বর থেকে এমন বিভ্রান্তিকর ফোন পেয়ে থাকেন, তাহলে তাদেরকে বলব তারা যেন আমাকে জানান।’


