তাইওয়ান নিয়ে বাইডেনের বক্তব্য: কঠোর হুশিয়ারি দিল চীন

0
147

জাপান সফরে গিয়ে তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বক্তব্যকে উসকানিমূলক আখ্যা দিয়েছে চীন। এ জন্য চীন হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, আমেরিকা যেন তাইওয়ান প্রসঙ্গে মুখ সামলে কথা বলে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপান সফরে গিয়ে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপমূলক বক্তব্য দেওয়ার পর চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা যেন তাইওয়ান প্রসঙ্গে মুখ সামলে কথা বলে।

সোমবার বাইডেন টোকিওতে বলেন, চীন তাইওয়ানে হামলা করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়াবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চীন তাইওয়ানের একেবারে কান ঘেঁষে জঙ্গি বিমান উড়িয়ে এবং অন্যান্য সামরিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে ইতোমধ্যে বিপদ নিয়ে খেলছে।

এ সময় তিনি তাইওয়ান পরিস্থিতির সঙ্গে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার হামলার তুলনা করেন।

বাইডেনের এই বক্তব্যের জবাবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, তাইওয়ান ও ইউক্রেন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এই দুটিকে তুলনা করা উদ্ভট ব্যাপার।

তিনি বলেন, তাইওয়ান চীনা ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেখানে কোনোরকম আপস বা ছাড়ের সুযোগ নেই এবং আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কাউকে দেব না।

তিনি আমেরিকাকে এক চীন নীতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

জো বাইডেনের কঠোর হুশিয়ারির জবাব দিতে গিয়ে লিজিয়ান বলেন, আমেরিকার এ কথা জানা নেই যে, চীন নিজের ভূখণ্ড রক্ষা করার ক্ষমতা রাখে।

উল্লেখ্য, আমেরিকার সঙ্গে তাইওয়ানের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক যোগাযোগ নেই। কিন্তু আমেরিকা তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্কবিষয়ক এক ধারার অধীনে দেশটিতে অস্ত্র বিক্রি করে। তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট নামে এ ধারায় বলা আছে যে, তাইওয়ান যাতে নিজেকে রক্ষা করতে পারে সে জন্য আমেরিকা দ্বীপটিকে সহযোগিতা করবে।

আমেরিকা পাশাপাশি চীনের সঙ্গেও আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক বজায় রাখছে এবং চীনের সরকার যে একটাই, এ বিষয়ে চীনের অবস্থানকে আমেরিকা কূটনৈতিকভাবে স্বীকৃতিও দিয়ে থাকে। সূত্র: আলজাজিরা, স্কাইনিউজ এইউ, সিএনএন, চায়না ডেইলি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here