করোনা মহামারীর সময় একজন চেয়ারম্যান-মেম্বারও ঘরে শুয়ে থাকতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক।
তিনি বলেন, করোনার সময় মানুষ ভয়ে ঘর থেকে বের হননি। কিন্তু একটা চেয়ারম্যান-মেম্বারও ঘরে শুয়ে থাকতে পারেননি। কাকে রিলিফ দিতে হবে, কাকে কার্ড দিতে হবে, কাকে বিচার করতে হবে, অমুক নেতা আসবে তাকে রিসিভ করতে হবে। অর্থাৎ, সব কাজে তাদের লাগে। রান্না করতে যেমন সব তরকারিতেই হলুদ লাগে তেমনই সব কাজেই মেম্বারদের প্রয়োজন হয়। তাদের ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তবে তাদের (মেম্বারদের) ‘ঠেলা বেশি কিন্তু মাইনা কম’। তাদের ভাতা খুবই কম এটা খুবই দুঃখজনক।
ইউপি সদস্যদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের ভাতা শুধু দ্বিগুণ নয় আরও বেশি বাড়ানো যায়। কিন্তু আপনারা একটা কাজ করেন না। আপনারা ট্যাক্স ধরেন না। মনে করেন ট্যাক্স ধরলে ভোট কমে যাবে। আমি ৭ বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানি করে আসছি। ট্যাক্স যথারীতি ধরেছি, আদায়ও করেছি। আমার ভোট বাড়ছে, কিন্তু কমেনি। টাকা উঠাইতে হবে কাজও করতে হবে। শুধু সরকারি সাহায্যের দিকে চেয়ে থাকলে হবে না। আপনারা ট্যাক্স ঠিকমতো আদায় করলে আরও বেশি কাজ করতে পারবেন।
বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার কল্যাণ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে সোমবার আয়োজিত জননেত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী উদ্যোগ ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ বাস্তবায়নে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি সদস্যদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান এমপি।


