অভিজ্ঞ হাফিজের নৈপুণ্যে পিএসএল চ্যাম্পিয়ন আফ্রিদির দল

0
172

এবারের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) শাহিন শাহ আফ্রিদির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পিএসএলে এবারই প্রথম অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। আর প্রথমবারেই ছক্কা হাঁকালেন, মানে তার নেতৃত্বে পিএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার রাতে টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুলতান সুলতানসকে ৪২ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে আফ্রিদির লাহোর কালান্দার্স।

ফাইনালে জয়ের নায়ক পাকিস্তানের অভিজ্ঞ তারকা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। বর্ষীয়ান হাফিজের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে কুপোকাত হয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের মুলতান।

৪৬ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৬৯ অনবদ্য ইনিংস খেলেন হাফিজ। বল হাতে ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।

ফাইনালে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তারই হাতে।

ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি।

প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮০ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করে লাহোর। জবাবে ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুলতান।

যদিও লাহোরের শুরুটা ভালো ছিল না। ২৫ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। সেখান থেকে হাল ধরেন অভিজ্ঞ হাফিজ। তার ৬৯ ও পরের দিকে হ্যারি ব্রুকসের ২২ বলে ৪১ রান বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যায় দলকে।

শেষ দিকে নামিবিয়ান তারকা ডেভিড ওয়াইজের ৮ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস বড় পুঁজি এনে দেয় লাহোরকে।

১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুলতানের আসিফ আফ্রিদি।

১৮১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের মুলতান। এখানেও লাহোরের নায়ক হাফিজ। পরের কাজটুকু সারেন অধিনায়ক আফ্রিদি।

ওপেনার শাহ মাসুদকে ১৯ রানে রানআউট করেন ফখর জামান। অধিনায়ক রিজওয়ানকে ১৪ রানের বেশি করতে দেননি হাফিজ। এর পর ওয়ানডাউনে নামা আমির আজমতকেও মাত্র ৬ রানে ফেরান হাফিজ।

এর পর বল হাতে ভেলকি দেখান জামান খান। রাইলি রুশোকে ১৫ রানে ও আসিফ আফ্রিদিকে ১ রানে ফেরান তিনি।

৬৩ রানের মধ্যে ইনিংসের অর্ধেকটা খুইয়ে ফেলে মুলতান।

টপ অর্ডারের ছয় ব্যাটারের কেউ ত্রিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। সাত নম্বরে নামা খুশদিল শাহ ২৩ বলে ৩২ রান না করলে লজ্জার হার আরও বড় হতো।

১৯.৩ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় মুলতান।

৩০ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন লাহোর অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি। তিনি টুর্নামেন্টেরই সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। দারুণ ব্যাটিংয়ের পর ২৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে ফাইনালে ম্যাচসেরা হন হাফিজ। টুর্নামেন্টসেরা হয়েছেন রানার্সআপ দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here