0
292

এখন বাজারে নানা জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। সুস্বাদু এই ফল পছন্দ করে না এমন মানুষ বিরলই বলা চলে। প্রশ্ন হলো- আম তো সুখাদ্য, কিন্তু এর আঁটি কি খাওয়া যায়? ছোটবেলায় এই প্রশ্নের তেমন যুতসই উত্তর পাওয়া যেতো না। তবে এখন গবেষকরা বলছেন- হ্যাঁ, পাকা আমের বীজ বা আঁটি শক্ত হয় বলে তা খাওয়া না গেলেও কাঁচা আমের বীজ কিন্তু খাওয়া যায়। আমের বীজ গুঁড়ো করে, মন্ড করে খাওয়া যায়। আমের বীজ যেসব কাজে আসে-

খাবারের স্বাদ বাড়াতে: এক গবেষণায় দেখা গেছে তরকারিতে আমের বীজ ব্যবহার করলে স্বতন্ত্র এক স্বাদ পাওয়া যায়। মেক্সিকোতে ঐতিহ্যবাহী মোল সস তৈরিতে আমের বীজ ব্যবহার করা হয়।

শিশুর দাঁতের মাড়ি মজবুত করতে: বিশ্বের অনেক দেশেই শিশুদের দাঁতের মাড়ি মজবুত করতে তাদেরকে আমের বীজ খাওয়ানো হয়। এক্ষেত্রে মায়েরা খাওয়ার পর আমের আঁটি বা বীজটা শিশুর মুখে দেন। এটি চাবানোর পর মাড়ির ব্যথা অনেকটাই কমে যায়। পাকা আমের আঁটিতে থাকা সুস্বাদু অংশ মুখে নেয়ার মাধ্যমে শিশু তার মাড়ির ব্যথা অনেকটাই ভুলে যায়।

ডালের সঙ্গে: ভারতের উত্তরাঞ্চলে ডালের সঙ্গে কাঁচা আম মিশিয়ে রান্না করা হয়। এতে ডালের ভিন্ন এক স্বাদ পাওয়া যায়। আর এই ডাল বেশ স্বাস্থ্যকর, এটি সান স্ট্রোক থেকেও রক্ষা করে। আমাদের দেশেও অনেক এলাকার মানুষ ডালের সঙ্গে কাঁচা আম ও তার আঁটি যুক্ত করে রান্না করে খেতে পছন্দ করেন।

আমের বীজের উপকারিতা: বিশেষজ্ঞরা বলছেন আমের বীজের মন্ড তৈরি করে তা মাথায় মাখলে খুশকি দূর হয় ও চুল পাকা বন্ধ হয়। আমের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া দূর হয়। বিশেজ্ঞরা আরো বলেছেন নিয়মিত অল্প পরিমাণে আমের বীজের গুঁড়ো খেলে হৃদরোগ ও হাইপারটেনশনের ঝুঁকি কমে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here