কুড়িগ্রামে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘনকুয়াশার চাদরে ঢাকা পরে চারদিক। সেই সাথে ঝড়তে থাকে শিশির বৃষ্টি। কনকনে ঠান্ডায় গড়ম কাপড়েও শীত নিবারণ করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ শীতের কারণে সকালে কাজে বের হতে পারছে না। ফলে চরম বিপাকে পরেছে শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। সেই সাথে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর সকালে কুড়িগ্রামে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, ইতোমধ্যে উপজেলাগুলোতে ৩৮ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরো ১৫ হাজার কম্বল পাওয়া গেছে। এছাড়াও বেসরকারিভাবে প্রায় দুই হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

বডিবিল্ডার জাহিদ হাসানের পুরষ্কারে লাথি দেওয়া নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গন এখন সরগরম। সেই ঘটনাটিই এবার তদন্ত করে দেখছে দেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবলের ফাইনাল উপলক্ষে মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে এই ব্যাপারে কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। তাই প্রকৃত ঘটনা কী, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত করছি আমরা।’
পুরষ্কারে লাথি দেওয়ার ওই ঘটনার তদন্তে দুইজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এর আগে, গত শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) জাতীয় শরীর গঠন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে পুরষ্কারে লাথি দেওয়ার ওই ঘটনা ঘটে। জাহিদ হাসানের ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ওই ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং ফেডারেশন জরুরী সভা ডেকে জাহিদ হাসানকে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পরে বডিবিল্ডার জাহিদ হাসান জানান, তাকে অন্যায়ভাবে দ্বিতীয় করা হয়েছে। পুরস্কার নয়, তিনি দুর্নীতিকে লাথি দিয়েছেন।
এদিকে, ওই ঘটনার তদন্ত প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘এই তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্যটাই উঠে আসবে। প্রতিযোগিতার সময় সেখানে ১১ জন বিচারক ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। এছাড়া বাকিরাও জ্যেষ্ঠ জাতীয় বিচারক। তাদের বিচারের ওপর ভিত্তি করেই জাহিদ হাসান দ্বিতীয় হয়েছেন।’
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন । মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।ভারতের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজেও দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর তার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে গিয়েছেন এই কোচ। বাংলাদেশে তিনি আর ফিরবেন না বলেই জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস। এর আগে ডমিঙ্গোকে টি-টোয়েন্টি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বিশ্বকাপের আগে টেকনিক্যাল পরামর্শক হিসেবে নিয়ে আসা হয় ভারতের শ্রীধরন শ্রীরামকে। এবার সব ফরম্যাট থেকেই সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ডমিঙ্গোকে। তার না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছিল গত কয়েকদিনে বিসিবি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে।
ভারতের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট শেষে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস সাংবাদিকদের বলেছিলেন ‘ভালো কোচের’ সন্ধানে আছেন তারা। ওই সময় কোচিং স্টাফে পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দেন তিনি। এরপর একই সুরে কথা বলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।
২০১৯ সালে বাংলাদেশের দায়িত্ব পান ডমিঙ্গো। এরপর থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করে আসছিলেন তিনি। তার অধীনে মাউন্ট মঙ্গানুইতে টেস্ট জয়, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাদের ওয়ানডে সিরিজ হারানোর মতো সাফল্য রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে বিসিবি তার পারফরম্যান্সে খুশি ছিল না।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় চেয়ে শক্তি ও সংখ্যায় অনেক বড় রাশিয়ার। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকে ভেবেছিলেন, ১০ দিনের মধ্যেই হয়তো ইউক্রেন জয় করে ফিরে যাবে রাশিয়ার। রাশিয়াও ঠিক সেই একই ভেবেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। ইউক্রেন প্রমাণ করে দিয়েছে যে, রাশিয়ার ভাবনায় ভুল ছিল।
২০১৪ সালে ক্রিমিয়া আক্রমণ করেছিল রাশিয়া। ক্রেমলিন স্বীকার না করলেও সে সময় একের পর এক ইউক্রেন বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছিল তারা। এত দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ করা হয়েছিল যে, ইউক্রেন বাধ্য হয়েই বিমানবাহিনীর ব্যবহার বন্ধ করে দেয়। রাশিয়া এবারেও ইউক্রেনের বিমানবাহিনীকে একইরকম ভেবেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। শুধু তা-ই নয়, রাশিয়া ভাবতে পারেনি, গত কয়েকবছরে ইউক্রেনের মিসাইল সিস্টেম কতটা উন্নত হয়েছে।
আকাশে এবং স্থলে রাশিয়ার বাহিনীকে আটকে দিয়েছে ইউক্রেনের সেনা। রাশিয়ার বিরাট সেনা কনভয় কিয়েভ পৌঁছাতে পারেনি। সেই থেকেই রাশিয়ার অংক ভুল হতে শুরু করে। স্বীকার না করলেও ডিসেম্বরে পৌঁছে প্রেসিডেন্ট পুতিন লম্বা যুদ্ধের পরিকল্পনা করতে শুরু করেছেন। আগে যে অংক তার মাথায় ছিল না। ক্রেমলিন বুঝতে পারছে, এত সহজে ইউক্রেন যুদ্ধ জেতা সম্ভব হবে না।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার বিমানবাহিনী জানিয়েছিল, গোটা ইউক্রেনের আকাশসীমা তারা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, তাদের দাবি অসত্য। একের পর এক বিমান হামলা এবং গোলাবর্ষণ হলেও ইউক্রেনের সেনাবাহিনী তার জবাব দিয়েছে।
২০১৪ সালের মতো ভেঙে পড়েনি। তারা পাল্টা আঘাতও করেছে। ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত তারা শতাধিক রাশিয়ার যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছে। যদিও এই তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পশ্চিমা গোয়েন্দারাও একই দাবি করেছে।
বস্তুত, ইউক্রেনে বিমানহামলা কমিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। তারা সীমান্তে হামলা চালালেও ইউক্রেনের ভেতরে ঢুকে আর সেভাবে হামলা চালাচ্ছে না। এর পরিবর্তে ড্রোন ব্যবহার করছে রাশিয়া। কিন্তু ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একের পর এক রাশিয়ার ড্রোনও ধ্বংস করেছে।
রাশিয়ার সেনার সংখ্যা বিরাট। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু আগেই রাশিয়া বিপুল পরিমাণ নৌবহর পূর্ব ইউক্রেন সীমান্তে পাঠিয়ে দিয়েছিল।ক্রিমিয়ায় ঢুকে রীতিমতো মহড়া চালিয়েছিল রাশিয়ার সেনা। কিন্তু বাস্তব যুদ্ধে তার প্রভাব খুব বেশি চোখে পড়েনি।
এত রণতরী পাঠিয়েও রাশিয়া শুধুমাত্র স্নেক আইল্যান্ড দখল করতে পেরেছে। কৃষ্ণসাগরে স্নেক আইল্যান্ড কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ। কিন্তু তারচেয়ে বেশি কিছু নয়। স্নেক আইল্যান্ড দখল করলেও সেখান থেকে বিরাট কোনও লড়াই চালাতে পারেনি রাশিয়া।
উল্টোদিকে রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুই জাহাজ মিসাইল দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেন। দুইটি জাহাজই ডুবে গেছে। ইউক্রেনের কাছে যা বিরাট জয়। ওই দুই জাহাজ ডুবে যাওয়ার পরে জলপথে রাশিয়ার প্রভাব কার্যত অনেকটাই কমে গেছে। গভীর সমুদ্রে রাশিয়ার নৌঘাঁটিতে ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে ইউক্রেন। ফলে ওই ঘাঁটিও আর খুব সুরক্ষিত নয়।
রাশিয়া প্রাথমিকভাবে কৃষ্ণসাগরে অবরোধ করেছিল। কিন্তু পরে তুরস্ক এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় তারা সেই অবরোধ তুলে নেয় ও খাদ্যশস্যের জাহাজ ছাড়তে বাধ্য হয়। অক্টোবরে তাদের জাহাজে আক্রমণের পর রাশিয়া এই চুক্তি থেকে সরে যেতে চেয়েছিল।
কিন্তু তুরস্ক ও জাতিসংঘের চাপে তা সম্ভব হয়নি। সে সময় তারা ইউক্রেনের সঙ্গে সমঝোতায় যায় যে, ওই করিডোর থেকে ইউক্রেন তাদের নৌবহরের উপর হামলা চালাবে না। এর থেকেই প্রমাণ হয়, ওই অঞ্চলে রাশিয়ার নৌসেনা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চলতি যুদ্ধে ইউক্রেন অনেকটা এগিয়ে গেছে সাইবার লড়াইয়ে। পশ্চিমা দেশের সহযোগিতায় রাশিয়ার সাইবার স্পেস তছনছ করে দিতে পেরেছে ইউক্রেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার সার্ভার, ইন্টারনেট স্পেসে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। যুদ্ধে তার বড় ফলও মিলেছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রোরেলে বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫ মিনিটে উদ্বোধন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের সি-১ ব্লকের খেলার মাঠে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই রেলের উদ্বোধন করেন। বহুল কাঙ্ক্ষিত মেট্রোরেল নিয়ে একটি গান গেয়েছেন গায়িকা ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। মেট্রোরেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরেই গানটি করা হয়েছে।
‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় স্বপ্নের মেট্রোরেলের শুভযাত্রা/ শেখ হাসিনার সফলতায় বাংলাদেশে আজ অনন্য উচ্চতা’- এমন কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন কিশোর দাশ।
গানটি নিয়ে মমতাজ বলেন, ‘বাংলাদেশের বুকে মেট্রোরেল চলবে- এটি ভেবে আনন্দ লাগছে। নতুন এক অধ্যায়ে আমরা পা রাখছি। মেট্রোরেল নিয়ে থিম সং গাওয়ার মাধ্যমে ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছি। গানে গানে মেট্রোরেল ও উন্নয়নের জয়গান গেয়েছি। আমার বিশ্বাস, শ্রোতারা উপভোগ করবেন।’
গানটি নির্মিত হয়েছে এটুআই এর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট মিডিয়ার কারিগরি সহযোগিতায়।
উল্লেখ্য, উদ্বোধনের পর রুটের মধ্যবর্তী স্টেশনে কোনো স্টপেজ ছাড়াই উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল। পরদিন (বৃহস্পতিবার) থেকে যাত্রীরা মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবেন। মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ভাড়া ৬০ টাকা। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ট্রেন চলবে উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত। তখন ওই দূরত্বের ভাড়া হবে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রোরেলের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের সি-১ ব্লকের খেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফলক উন্মোচন করে মেট্রোরেলের উদ্বোধন করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব