বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চালু হওয়ার প্রথম চারদিনে সাড়ে ৩৬ লাখ টাকার বেশি আয় হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত এ আয় হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত চারদিনে মেট্রোরেলের ২৫ হাজার ১৭৪টি সিঙ্গেল জার্নি টিকিট (এসজেটি) ও তিন হাজার ৭৪১টি ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) পাস বিক্রি হয়েছে। এসব থেকে আয় হয়েছে ৩৬ লাখ ৬৫ হাজার ৮৯০ টাকা।
চতুর্থ দিন গতকাল রোববার ৯ লাখ ১৬ হাজার ৩৪০ টাকার টিকিট বিক্রি করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ৩১ ডিসেম্বর টিকিট বিক্রি হয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১০ টাকার।
গত শুক্রবার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮০ টাকার এবং প্রথম দিন অর্থাৎ গত বৃহস্পতিবার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫২০ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।
এদিকে আজ (সোমবার) মেট্রোরেল চালুর পঞ্চম দিন। আজ রাত ৯টা পর্যন্ত মেট্রোরেলের টিকিট বিক্রি হচ্ছে বলে এখনো পঞ্চম দিনের সঠিক তথ্য হাতে পাওয়া যায়নি। আগামীকাল মঙ্গলবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন।
এর আগে গত বুধবার মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬-এর প্রথম অংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরের দিন বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রী নিয়ে উত্তরা উত্তর (দিয়াবাড়ি) স্টেশন থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত নিয়মিত চলাচল করছে মেট্রোরেল। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৪ ঘণ্টা চালানো হচ্ছে এ যানবাহন।
৪ দিনে মেট্রোরেলের আয় সাড়ে ৩৬ লাখ টাকা
জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার (সিজেকেএস) সভাপতি আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেছেন, সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য খেলাধুলার কোনও বিকল্প নাই। সেইসঙ্গে আমাদের সামাজিক এবং মানসিক অবক্ষযয় দূর করার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা এবং খেলাধুলা করা প্রয়োজন।
সোমবার (২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে শেখ কামাল যুব গেমস’র চট্টগ্রাম পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ব্যস্ত এই বন্দরনগরীতে বাচ্চাদের খেলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই।এজন্য আমরা চিন্তা করেছি চট্টগ্রামে শহরের অদূরে একটি স্পোর্টস ভিলেজ হবে যেখানে ক্রিকেট, ফুটবল, হ্যান্ডবল, ভলিবল, এথলেটিক্সসহ সকল ধরনের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে। মেয়েদের খেলার জন্যও সেখানে পৃথক ব্যবস্থা থাকবে। এজন্য আড়াইশ বা তিনশ একর জমি প্রয়োজন। ইতোমধ্যে আমরা জমি খোঁজার কাজ শুরু করেছি।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে অলিম্পিক পর্যায়ে পদক লাভের সক্ষমতা অর্জনে চট্টগ্রামের উপজেলা পর্যায় থেকে দক্ষ ক্রীড়াবিদ অন্বেষণ কার্যক্রম শুরু করছে সিজেকেএস।
অনুষ্ঠানে আরও রাখেন সিজেকেএস সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাসির উদ্দীন ও লে কর্নেল মো. মুনিরুজ্জামান।
প্রতিযোগিতার আটটি ইভেন্টের মধ্যে রয়েছে ফুটবল, হ্যান্ডবল, দাবা, ঊশু, কারাতে, ব্যাডমিন্টন, তায়াকান্দো ও টেবিল টেনিস। চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলাসহ নগরের প্রতিযোগীরা আটটি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেছেন।
গেলো বছরের নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে কিছুটা কমেছে মূল্যস্ফীতি। নভেম্বরের ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির জায়গায় ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেয়া ডিসেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদে এ তথ্য জানানো হয়। তবে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ।
বিবিএস জানায়, খাদ্য খাতে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। যা নভেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে খাদ্য বহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। যা গত নভেম্বর মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
বিবিএস তার পরিসংখ্যানে বলছে, মাছ, মাংস, সবজি, মসলা ও তামাক জাতীয় পণ্যের দাম কমায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। পাশাপাশি কমেছে বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থলী, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের দামও।
বিবিএস আরও জানায়, ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি হয়েছে। ডিসেম্বরে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
আর শহরে হয়েছে ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ। যেসব খাদ্যপণ্য গ্রামে উৎপাদন হয় তার দাম গ্রামেই বেশি, শহরে কম বলে জানিয়েছে বিবিএস।
সংস্থাটি জানায়, গত ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। যা আগের দুই মাস অক্টোবর ও নভেম্বরের চেয়ে বেশি। অক্টোবরে মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
বিবিএস প্রতি মাসে কৃষি শ্রমিক, পরিবহন কর্মী, বিড়ি শ্রমিক, জেলে, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিকসহ ৪৪ ধরনের শ্রমিকের মজুরির তথ্য সংগ্রহ করে মজুরি হার সূচক তৈরি করে। এর মধ্যে শিল্প খাতের ২২ ধরনের এবং কৃষি ও সেবা খাতের প্রতিটিতে ১১ ধরনের পেশা অন্তর্ভুক্ত। এসব পেশাজীবীর মজুরি এবং দক্ষতা কম এবং দৈনিক ভিত্তিতে তারা মজুরি পান।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সালেহা বেগম হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি ফিরোজ (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। গ্রেফতারকৃত আসামি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নাসিক ১নং ওয়ার্ড মিজমিজি দক্ষিণ বাতেন পাড়া এলাকার মৃত নবী হোসেনের ছেলে। সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে র্যাব-১১ এর উপ-পরিচালক এ কে এম মুনিরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, ২০০৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় সালেহা বেগম নামে এক নারীর পরিবারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন ফিরোজ ও তার বাহিনীর সদস্যরা। পরবর্তীতে ভিকটিমের আশপাশের বাসিন্দারা আহত অবস্থায় চিটাগাংরোডস্থ শুভেচ্ছা হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হসপিটালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম সালেহা বেগমকে মৃত ঘোষনা করেন।
র্যাব বলেন, হত্যার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল আসামি ফিরোজ। গোপন সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তারা। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ফিরোজ উক্ত হত্যাকান্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে বলেও জানান র্যাব।
এর আগে সোমবার (০২ জানুয়ারি) ভোরে ঢাকা জেলার ডেমরা থানাধীন ডগাইর এলাকা তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আসামিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব।