বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 762

আগরতলায় একাত্তরের স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলায় ২০ নাগরিকের বিবৃতি

ভারতের আগরতলার চৌমোহনিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছিল। স্মৃতিস্তম্ভটি গত ৩ জুলাই ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে এ তথ্য জানার পর দেশের বিশিষ্ট ২০ নাগরিক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর পাঠানো লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে—একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত তথা ত্রিপুরার মানুষের বিশাল সমর্থন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার কেন্দ্রস্থল পোস্ট অফিস চৌমোহনিতে ৪০ ফুট উঁচু শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি ভারত ও বাংলাদেশের গণমানুষের অভিন্ন মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ও সৌহার্দের অন্যতম প্রধান স্মৃতিচিহ্ন, যা দুই দেশের বীর শহীদদের সম্মিলিত রাখিবন্ধনের সাক্ষী।

স্মৃতি-বিজড়িত এই স্থান ঘিরে ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধরত গণমানুষকে ঐতিহাসিক ঋণবন্ধনে আবদ্ধ করেছিল। এই স্মৃতিস্তম্ভটি সম্প্রতি বিলোপ করা হয়েছে বলে আমরা গণমাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছি। দুই দেশের রক্তরঞ্জিত সম্পর্কের ইতিহাস-জড়িত স্মৃতিস্তম্ভটি সরিয়ে ফেলায় আমরা ব্যথিত বোধ করছি। আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে স্মৃতিস্তম্ভটি যথাস্থানে স্ব-মহিমায় পুনঃস্থাপনের অনুরোধ জানাই। দুই দেশের মানুষের সম্পর্কের প্রতীকী স্মৃতিস্মারকসমূহ যথাযথ সংরক্ষণের প্রয়োজন বোধ করি।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন—লেখক ও ভাষা-সংগ্রামী আব্দুল গাফফার চৌধুরী, কথাসাহত্যিক হাসান আজিজুল হক, অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক অনুপম সেন, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, মুক্তিযোদ্ধা ডা. সারওয়ার আলী, মুক্তিযোদ্ধা ও অভিনেতা সৈয়দ হাসান ইমাম, সাংবাদিক আবেদ খান, মুক্তিযোদ্ধা ও অভিনেত্রী লায়লা হাসান, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, অধ্যাপক আবদুস সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল্লাহ খান বাদল, হাবীবুল আলম (বীর প্রতীক), একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নুরুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক হারুন হাবীব, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, প্রাবন্ধিক মফিদুল হক, অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, সংসদ সদস্য ও নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জাম নূর।

বানসালির সিনেমায় সোনাক্ষী

বলিউডের জনপ্রিয় নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালি। সম্প্রতি আলিয়া ভাটকে নিয়ে ‘গাঙ্গুবাঈ কাঠিয়াওয়ারি’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, খুব শিগগির তার নতুন সিনেমা ‘হীরা মাণ্ডি’র শুটিং শুরু করবেন বানসালি। ইতোমধ্যে চিত্রনাট্যও প্রায় প্রস্তুত করে ফেলেছেন। আর সিনেমাটিতে অভিনয় করবেন সোনাক্ষী সিনহা।

সর্বশেষ ‘দাবাং থ্রি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন সোনাক্ষী সিনহা। ২০১৯ সালে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। তার আগে তেমন কোনো হিট সিনেমা উপহার দিতে পারেননি। বানসালির এই সিনেমা তার ক্যারিয়ারে নতুন মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন সিনেমা বিশেষজ্ঞরা। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য নাকি কত্থক নৃত্যও শিখছেন সোনাক্ষী সিনহা।

অনেকদিন থেকেই ‘হীরা মাণ্ডি’ সিনেমার শুটিংয়ের পরিকল্পনা করছিলেন সঞ্জয় লীলা বানসালি। বাঈজিদের জীবনযাপনের গল্প নিয়ে তৈরি হবে সিনেমাটি। ইতোমধ্যে এর আর্ট ডিরেকশনের কাজও শুরু হয়েছে। সোনাক্ষী ছাড়াও সিনেমাটি মাধুরী দীক্ষিত, হুমা কুরেশিকে দেখা যাবে বলে জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের ব্যাখ্যায় বাবুনগরী

ব্যক্তি স্বার্থে নয়, জাতীয় স্বার্থে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) দুপুরে খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসায় হেফাজতের খাস কমিটির প্রথম সভায় বাবুনগরী এ মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সোমবার (৫ জুলাই) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী বৈঠক করেছেন। রাত সোয়া ৯টার পরে হেফাজতের নায়েবে আমির আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জি, মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদীসহ কয়েক নেতাকে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় যান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠক প্রসঙ্গে মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ব্যক্তিগত কোনো কারণে নয়, জাতীয় স্বার্থে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সোমবার আমাদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আমরা আলেম-ওলামাদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধ এবং কওমি মাদরাসা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদে দাবিগুলো মেনে নেওয়ার মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, সরকার দ্রুত আমাদের দাবি মেনে আলেম-ওলামাদের মুক্তি দেবেন।

বাবুনগরী বলেন, সারা দেশে অসংখ্য নিরীহ আলেম-ওলামাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা কারাগারে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বৈঠকে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরেছি। আমরা জানিয়েছি হেফাজতের বিরুদ্ধে কথিত যে সহিংসতার অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। হেফাজতের কোনও নেতাকর্মী সহিংসতার সাথে যুক্ত ছিল না। কিছু দুষ্কৃতিকারী হেফাজতের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেছে। তাদের খুঁজে বের করা দরকার। নিরীহ আলেম-উলামাদের এসবের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই।

খাস কমিটির এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম, সিনিয়র নায়েবে আমীর আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল আওয়াল, প্রচার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী ও মাওলানা জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

কর্মহীনদের বাড়িঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন এমপি বাবলা

নির্বাচনী এলাকার কর্মহীন অসহায় মানুষদের ঘরে বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা।

সাতদিন ব্যাপী কর্মসুচীর দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার পর্যন্ত (গত দুদিনে) দুহাজার পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, আটা, ডাল, আালু, পেঁয়াজ, লবনসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) দুপুর থেকে নির্বাচনী এলাকার কদমতলি থানার মুরাদপুর, জুরাইন আলমবাগ, মোহাম্মদ বাগ, মেরাজ নগর এলাকা অসহায় মানুষদের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এমপি বাবলা। এরআগে সোমবার দুপুরে শ্যামপুর থানার খন্দকার রোডে দৃস্টি প্রতিবন্ধীদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে তিনি।

এ সময় বাবলার সাথে ৫৪ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর হাজী মো. মাসুদ, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দে, কদমতলী থানা জাপার সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুক রহমান, শ্যামপুর থানা জাপার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মোল্লা, বাবলার বিশেষ সহকারী ডি,কে সমির উপস্থিত ছিলেন।

অসহায় মানুষদের সহায়তায় বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে এমপি বাবলা বলেন, কোভিড এর মত ভয়ংকর মহামারি থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনার পাশাপাশি অবশ্যই সবাইকে সমাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মাস্কপরাসহ শতভাগ স্বাস্থবিধি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর জন্য আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা মোতাবেক আমার নির্বাচনী এলাকায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ঘরে ঘরে সাধ্য অনুযায়ী খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছি।

‘‘লক ডাউনে যাতে কোন মানুষ কে অনাহারে না থাকে, সেই জন্য সরকারের পাশাপাশি দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। জাতির যে কোন দূর্যোগে আমাদের পার্টির নেতাকর্মিরা সামনের কাতারে থাকবে বলেও জানান বাবলা।

পরে এমপি বাবলার পক্ষে জাতীয় পার্টির শ্যামপুর থানার সভাপতি কাওসার আহমেদ ও যুব সংহতির সভাপতি মারুফ হাসান মারুফের নেতৃত্বে মিরহাজীবাগ, দোলাইপাড় এলাকায় খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন।

সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য ১ লাখ ৩৫ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি

যুক্তরাজ্যের ক্যান্টের বেক্সিলির মহারাজা রেস্টুরেন্ট ফ্রেন্ডস অব ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চ্যারিটি ডিনার ও আলোচনা সভা ২৮ জুন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চ্যানেল এসের চেয়ারম্যান আহমেদ উস সামাদ জেপি। পরিচালনা করেন চ্যানেল এসের হেড অব প্রোগ্রাম ফারহান মাসুদ খান।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের চিফ প্যাট্রন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাসপাতাল উদ্বোধন করেন। সেই থেকে এই হাসপাতালটি সিলেট তথা প্রত্যন্ত অঞ্চলের হার্টের রোগীদের সুষ্ঠু সেবা প্রদান করে আসছে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের এক্সিকিউটিভ মেম্বার ও ইউকে সেক্রেটারি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মিছবাহ জামাল স্বাগত বক্তব্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট প্রতিষ্ঠায় প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, ২০০৬ সালে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ও বর্তমান চেয়ারম্যান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার ডা. এ মালিকের নেতৃত্বে সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ডা. এমএ রকিব, মিসেস রকিব, মিসেস এ মালিক, সেক্রেটারি প্রফেসর আমিনুর রহমান লস্কর ও পাবলিসিটি সেক্রেটারি আবু তালেব মুরাদ, লন্ডন সফরে আসেন। ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনে প্রায় ১ কোটি ৪১ লাখ টাকা ফান্ড রেইজ করে ইউকে প্রবাসীদের উপস্থিতিতে মরহুম হাফিজ মজির উদ্দিনকে প্রেসিডেন্ট, মিছবাহ জামালকে সেক্রেটারি ও এসআই আজাদ আলীকে নিয়ে ইউকে এডভাইজারি কমিটি গঠন করেছিলেন। সেই সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মরহুম এম ইয়াকুব প্রদত্ত ও অন্যান্য ডোনারদের প্রদত্ত ৭০ লাখ টাকা পাঠানো হয়।

২০০৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেই থেকে ইউকে প্রবাসীরা ফাউন্ডেশনে সহযোগিতা করে আসছেন।

আর্থিক সাহায্যে দাতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- সিমার্কের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি ইকবাল আহমেদ ওবিই ১০ লাখ টাকা, চানেল এস ফাউন্ডার মাহি ফেরদৌস জলিল ৫০০০ পাউন্ড, বিশিষ্ট বাবসায়ীদের মধ্যে আবু লেইছ ৫০০০ পাউন্ড, এ গনি পরিবার ৫০০০ পাউন্ড, ইউকে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মুহিবুর রহমান মুহিব ৫০০০ পাউন্ড সংগ্রহ করে দেবেন।

তারপর উপস্থিত প্রত্যেকে এক হাজার দুই হাজার পাউন্ড করে সপ্তম তলা নির্মাণে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসেন। মহামারি করোনার দুর্দিন সত্ত্বেও অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে আগত অতিথিরা এ মহতী উদ্যোগকে সফল করতে সচেষ্ট হন।

উল্লেখ্য, আহমদ উস সামাদ চৌধুরীর হাতে যারা অনুদান প্রদান করেছেন তাদের নাম উল্লেখ করেন তিনি। সর্বপ্রথম তিনি নিজে ও তার সহধর্মিণী মিসেস চৌধুরী ও আহমেদ উস সামাদ চৌধুরীর বড়ভাই সিলেট-৩ আসনের সাবেক সাংসদ মরহুম মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি, কাজি এ এইচ নোমান, কবির আহমদ খলকু, এসবি ফারুক, ফরহাদ হোসেন টিপু, এম আলাউদ্দিন, হিসাবরক্ষক সাইদুল খালেদ, মোহাম্মদ রুবেল, মোহাম্মদ আশিক মিয়া, মুস্তাকিম রেজা চৌধুরী, মোহাম্মদ জুবায়ের, আব্দুল হাই, সুহেল চৌধুরী, মানিক মিয়া, মিসেস সুরিয়া মিয়া, মোহাম্মদ ইছবাহ উদ্দিন, জহিরুল হক, ডাক্তার আলা উদ্দিন আহমেদ, মুহিব উদ্দিন চৌধুরী, পলি রহমান, ফজলুল হক, রফিকুল হায়দার ইতোমধ্যে প্রত্যেকে এক হাজার পাউন্ড করে অনুদান প্রদান করেছেন ও খুব শিগগিরই আরও অনুদান দেবেন বলে জানিয়েছেন।

যারা এক হাজার-দুই হাজার পাউন্ড দেবেন তাদের মধ্যে কুশিয়ারা গ্রুপের এমডি হারুন মিয়া, ব্যারিস্টার মাসুদ চৌধুরী, প্যারিসের বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা হেনু মিয়া, সিদ্দিকুর রহমান জয়নাল, জামাল উদ্দিন মকদ্দস, ইব্রাহিম আলী খন্দকার, এম এ মতিন, মরহুম এম এ আহাদ ফ্যামেলী, ফ্রেন্ডস অব রুহী আহাদ, মোহাম্মদ শাহীন উজ্জল, রাসুল ইউসুফ প্রমুখ ব্যক্তির নাম পড়ে শোনান।

এছাড়াও এফএনএইচএফের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রশীদ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট মহিব চৌধুরী, মহিব চৌধুরী প্রত্যেকে এক হাজার পাউন্ড; এম এ কাইয়ুম (দুই লাখ টাকা) ট্রেজারার আবদাল মিয়া, বজলুর রশীদ এমবিই, মনসুর আহমেদ খান, অহিদ উদ্দিন মাদার অফ শেখ ফারুক আহমেদ, ফারহান মাসুদ খান, এনায়েত খান, নাহমাদ মিছবাহ, রুহুল শামসুদ্দিন, শারফুল শামসুদ্দিন প্রমুখ অনুদানের প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ মতামত পেশ করে বক্তব্য রাখেন- হক কনসালটেন্সির ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আলাউদ্দিন আহমদ, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ইউকের প্রেসিডেন্ট মুহিবুর রহমান মুহিব, উপদেষ্টা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট এম শামস উদ্দিন, বজলুর রশীদ এমবিই, এফএনএইচএফের প্রেস সচিব আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, এম এ কাইয়ুম, জয়েন্ট সেক্রেটারি মনসুর আহমদ খান, ট্রেজারার আবদাল মিয়া, গোলাম রব্বানী রুহি আহাদ, জিএসসি সাউথ ইস্ট রিজিওনের চেয়ারপারসন আলহাজ মোহাম্মদ ইছবাহ উদ্দিন, চ্যানেল এসের চিফ রিপোর্টার মোহাম্মদ জুবায়ের, ডা. মোসাররফ হোসেন, বিসিএ প্রেসিডেন্ট এম এ মুনিম, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বেলাল আহমদ, ফাউন্ডার সেক্রেটারি সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, এম এ গণী, সিদ্দিকুর রহমান জয়নাল, ফজলুর রহমান আকিক, আবুল লেইছ, ডা. হালিমা বেগম আলম, আলমগীর কবীর চৌধুরী, মারুফ চৌধুরী পলি রহমান, দর্পন সম্পাদক রহমত আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ইসলাম উদ্দিন, কাজি নোমান, কান্সিলার হানিফ আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ এনাম, ই হক, নাদির মজুমদার, অমি হোসেন, পলি রহমান, নাহিদা মিছবাহ, আয়শা খানম, রজিমুন্নেছা রুমা, ডাক্তার ফারহানা মালিক পলি, ড. চন্দন আলম, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, শেখ ফারুক আহমদ, আব্দুল নুর, সাব্বির হোসেন, অ্যাকাউন্টেন্ট রফিকুল হায়দার, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলি সাদেক শিপু, সুফি সুহেল আহমেদ, শাহীন আহমেদ উজ্জল, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল হাই, ডাব্লিউ আর চৌধুরী টিপু, আর একরামুজ্জামান, জামাল মিয়া, আব্দুল হান্নান, শেখ এম আহমেদ, আফজাল উদ্দিন, ফরহাদ হোসেন টিপু, আব্দুস সামাদ চৌধুরী, বেগম লাল বানু, গোলাম রসুল, মুহি আহাদ ও ইব্রাহিম আলী খন্দকার।

সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের ৭ম তলা নির্মাণে ফান্ড রেইজিং ডিনারে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রবাসীরা। পরিশেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

লেবানন আ’লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও লেবানন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ জুলাই) বিকালে দাওরার একটি স্কুলের হলরুমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

লেবানন আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি সৈয়দ বাবুল মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বাবু তপন ভৌমিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা দোলা মিয়া। প্রধান বক্তা ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি বিপ্লব মিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টা বাবুল মুন্সি, আজাদ ভূঁইয়া, আব্দুল শহীদ, সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান, রুবেল আহমেদ, সফিক মিয়া, হিরণ মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন আলা, মোস্তফা কামাল মণ্ডল, জাহাঙ্গীর মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, সোহেল মিয়া, মুন্না খন্দকার, শামিম আকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আবু তাহের, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজ মোল্লা, মো. সামসুজ্জামান জামান, জোনায়েদ মিয়া, সুমন মিয়া, রনি ভূঁইয়া ও প্রচার সম্পাদক শাহিন মির্জাসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে ৮৭ সদস্যবিশিষ্ট লেবানন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটিকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলেই আজকে সুদূর লেবাননের মাটিতেও এই গৌরবময় দলের রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করেই আগামীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবেন বলে জানান তারা। এ সময় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয়তু শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে ভরে ওঠে হল কক্ষ।

অবশেষে অনুষ্ঠানে প্রবাসী শিল্পী মো. ফারুকের গান পরিবেশনে লেবানন যুবলীগ, শ্রমিক লীগ ও সব শাখা কমিটির উপস্থিতিতে নেতাকর্মীরা আনন্দে মেতে উঠেন।

গ্রাম পুলিশের বাড়ি থেকে সরকারি চাল জব্দ

কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক গ্রাম পুলিশ সদস্যের বাড়ি থেকে ২৫টি নকল ভিজিডি কার্ডসহ ৩০ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ছোট মহেশখালীর ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সিপাহীপাড়ার গ্রাম পুলিশ সদস্য আব্দুস সাত্তারের বাড়ি থেকে এসব উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলমগীর।

এসএম আলমগীর জানান, আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী বিবোলা বেগম ও মেয়ে পারভিন আক্তারের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট নকল ভিজিডি কার্ড বানিয়ে বিভিন্ন জনকে মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করতেন।

তিনি আরও বলেন, গ্রাম পুলিশের সদস্য আব্দুস সাত্তার তার বাড়িতে সরকারি চাল মজুত রেখেছে বলে খবর পাই।

পরে আব্দুস সাত্তার ও তার ভাই মোস্তাকের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ৩০ কেজি ওজনের ৩০ বস্তা ভিজিএফ ও ভিজিডির চাল উদ্ধার করা হয়। এবং নকল ২৫টি ভিজিডি কার্ড জব্দ করা হয়।

মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘এভাবে সরকারি চাল অবৈধভাবে মজুতকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মাগুরা ২ আসনের সংসদ সদস্য ড. বীরেন শিকদার করোনায় আক্রান্ত

মাগুরা ২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) তিনি কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। পরে রাতে ফল পজিটিভ আসে।

ড. শ্রী বীরেন শিকদার বর্তমানে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংসদ সদস্যের সহকারী একান্ত সচিব শিশির সরকার। তিনি বলেন, তাঁরা বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন।

শারীরিকভাবে সংসদ সদস্যের তেমন কোনো জটিলতা নেই। দেশবাসী সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

ভেড়ার যত্ন না নেওয়ায় শাস্তি

ভেড়াদের ঠিকমতো খাবার-দাবার না দেওয়ায় নিউ জিল্যান্ডেরে এক খামারিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। পালিত ২২৬টি ভেড়াকে পুষ্টিহীন ও দুর্বল অবস্থায় পাওয়ার পর ওই কৃষককে ৯ মাসের গৃহআটকের দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশটির পশু কল্যাণ আইনের আওতায় তাকে বিনা পারিশ্রমিকে ১৫০ ঘণ্টা সামাজিক কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার বিভান স্কট তাইত নামের ওই কৃষককে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। তাকে চার বছরের জন্য পশুখামারের মালিকানা কিংবা কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২০১৯ সালের এপ্রিলে সাউথ আইল্যান্ডের রাসক ক্রিক এলাকায় বিভানের খামার থেকে বেশ কয়েকটি মৃত ভেড়া উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ। অনুসন্ধানে কর্তৃপক্ষ বিভানের খামারের অন্য ভেড়াগুলোকে অনাহারী অবস্থায় পায়। নোংরা পরিবেশে রাখায় বেশ কয়েকটি ভেড়ার গায়ে মাছির ডিম পাওয়া যায়, যার ফলে ভেড়াগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ওই সময় পরিদর্শক বিভানকে কিছু নির্দেশনা দিয়ে যান। কিন্তু আগস্টে খামারটিতে পুনরায় পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতির আরও অবনতি দেখতে পায় কর্তৃপক্ষ। ওই সময় খামারের ২২৬টি ভেড়াকে মেরে ফেলতে হয় এবং অন্য ভেড়াগুলো বিভিন্ন খামারে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

পশু কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপক গ্রে হ্যারিসন বলেছেন, ‘অধিকাংশ কৃষকই তাদের পশুর জন্য সঠিক ব্যবস্থা নেন। কিন্তু নিজের পশুদের ব্যাপারে টেইটের অবহেলা আমাদের দেখা সবচেয়ে জঘন্য ঘটনাগুলোর একটি।’

আফগানিস্তান ছেড়েছে ৯০ শতাংশ মার্কিন সেনা

আফগানিস্তান থেকে ৯০ শতাংশের বেশি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আফগানিস্তানে যেসব সেনা মোতায়েন ছিল তার ৯০ শতাংশের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীন সাতটির বেশি ঘাঁটি আনুষ্ঠানিকভাবে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গত এপ্রিলে আফগানিস্তানে অবস্থানরত প্রায় ১০ হাজার বিদেশি সেনাকে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১ মে থেকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়। গত শুক্রবার দেশটি প্রধান ঘাঁটি বাগরাম থেকে চলে যায় মার্কিন সেনারা। মঙ্গলবার আফগান বাহিনীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, কোনো রকম বার্তা না দিয়ে রাতের আঁধারে চুপিসারে বাগরাম ছেড়েছে মার্কিন সেনারা।