শুক্রবার ,১ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 737

বিনামূল্যের ইন্টারনেট নিয়ে সতর্ক করলেন গুগল সিইও

বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে প্রায়ই সাইবার হামলার শিকার হচ্ছেন ব্যাবহারকারীরা। ইন্টারনেট ব্যবহারে এসব হুমকি ও হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, অনেক দেশ তথ্যের প্রবাহ আটকে দিচ্ছে। আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পৃথিবীতে রাজত্ব করবে। তবে তার আগে স্বাধীনতা দরকার।

পিচাইয় দাবি করেন, গুগল গত ২৩ বছর ধরে মুক্ত এবং স্বাধীন ইন্টারনেটের জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে।
প্রতিদিনের রুটিনে নিজের প্রযুক্তিগত অভ্যাস নিয়ে তিনি বলেন, পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে আমি সবসময়ে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশান মেনে চলি। সবারই সেটা করা উচিত। তাছাড়া নতুন নতুন প্রযুক্তি যাচাই করতে বারবার স্মার্টফোন বদলাতে থাকি।
এ সময় গতানুগতিক ধারার আবিষ্কারের চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বেশি কার্যকর বলে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আগুন, বিদ্যুতের ব্যবহার, ইন্টারনেট আবিষ্কার হিসাবে যেমন, এআই-ও তেমন। বরং এআইকে আরও বৃহৎ বলা যেতে পারে।

কম্পিউটিং, ট্যাক্স ছাড়াও আরো একটি ক্ষেত্রে সমস্যার মুখে পড়ছে গুগল। সেটি হচ্ছে ব্যবহারকারীদের তথ্যের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা। যে কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গুগলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং তদন্তের পরিমাণও বাড়ছে। এসব বিষয়ে পিচাই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তার মতে গুগল সবার জন্য উন্মুক্ত। তাই যে কেউ সহজেই যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন।

মহাকাশ ভ্রমণ শেষে ফিরে এলেন রিচার্ড ব্র্যানসন

ভার্জিন গ্যালাকটিকের রকেট যানে চড়ে মহাকাশ ছুয়ে সফলভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে এসেছে ব্রিটিশ বিলিওনেয়ার ব্যবসায়ী রিচার্ড ব্র্যানসন। মহাকাশ যানটি যুক্তরাষ্ট্রে নিউমেক্সিকোতে অবতরণ করেছে। এক ঘণ্টাব্যাপী যাত্রায় ইউনিটি-২২ নামের এই মহাকাশযানটি ঘণ্টায় তিন হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে উড়ে যায়। এসময় কয়েক মিনিট ধরে রকেটের ছয় যাত্রী ভরশূন্যতার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। রিচার্ড ব্র্যানসন ২০০৪ সাল থেকে মহাশূন্যে বাণিজ্যিক ভ্রমণ চালু করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের সাধনা! আর এই কয়েক মিনিটকেই স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন বলছেন ‘এক জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা’ এবং ‘নতুন মহাকাশ যুগের সূচনা।’ তবে মহাশূন্যে যারা বেড়াতে যেতে চাইবেন তাদের বেশ অর্থবান হতে হবে। মহাশূন্যে কয়েক মিনিটের অভিজ্ঞতার জন্য প্রতিটি টিকিটের ব্যয় পড়বে আড়াই লাখ ডলার।

৫০ বছর পর দুবাইয়ে বাংলাদেশ সমিতির যাত্রা

স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বহুজাতিক সাংস্কৃতিক শহরে বাংলাদেশ সমিতি দুবাই লাইসেন্স পেল। এর আগে অন্যান্য প্রদেশে থাকলেও দুবাইয়ে এ সমিতি ছিল না। এ সমিতির মধ্য দিয়ে দুবাই শহরে বাংলাদেশি কমিউনিটি স্কুল স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন দুবাইয়ে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসেন খান। তিনি মঙ্গলবার কনস্যুলেট সংলগ্ন সমিতির নিজস্ব ভবনে ফিতা কেটে লাইসেন্স প্রাপ্তির আনন্দসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নেসার রেজা খান এবং কাজী মোহাম্মদ আলীর যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আমিরাতি নাগরিক প্রকৌশলী হামান নোমান আলী, সমিতির ডিরেক্টর সিআইপি মাহাবুব আলম মানিক, সমিতির উপদেষ্টা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী।

শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ সুলতান। নিজেদের অনুভূতি আর চাওয়া-পাওয়া নিয়ে বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে- ইসমাইল গণি চৌধুরী, জিল্লুর রহমান, ইয়াকুব সুনিক, আব্দুল আলিম, সিআইপি শেখ ফরিদ, অসীম, আনসার আহমদ, গোলাম মোস্তাফা, জুলফিকার আলী, মাজহার উল্লাহ মিয়া, সমিতির কোষাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান, ফাউন্ডিং মেম্বার হাজী শফিকুল ইসলাম, কামাল হোসাইন সুমন, জসীম উদ্দিন, আরশাদ হোসেন হিরুসহ অনেকে। এ সময় বাংলাদেশ কনস্যুলেট, জনতা ব্যাংক ও বিমানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা, পরিচালক ও ফাউন্ডিং মেম্বাররা কেক কেটে এ আনন্দঘন সময়কে মাতিয়ে তুলেন। এদিকে এ সমিতির যাত্রা করায় সাধারণ প্রবাসীদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে।

জোরপূর্বক শ্রম ও মানব পাচার রোধে শক্ত অবস্থানে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় জোরপূর্বক শ্রম ও মানব পাচার বন্ধে গাইড লাইন তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ( আইএলও) এবং মালয়েশিয়া সরকার। এই রেফারেল গাইড লাইনটি মালয়েশিয়ায় যে কোনো দেশি বা বিদেশি শ্রমিক বা কর্মীকে নিয়োগকর্তা বা কোনো ব্যক্তি জোরপূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করলে বা এ উদ্দেশ্যে পাচারের শিকার হলে মালয়েশিয়ার পুলিশ, শ্রম দপ্তর, মানব পাচার প্রতিরোধ কাউন্সিল, ট্রেড ইউনিয়ন এবং নির্ধারিত বেসরকারি সংস্থায় রিপোর্ট করতে পারবে। কিউ আর কোড স্ক্যান করলে নাম জানা যাবে। সংস্থাগুলো কর্মীর বিষয়ে কীভাবে কাজ করবে এবং তথ্য ও কর্মীর সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া আছে।

ফ্রন্ট-লাইন পরিষেবা সরবরাহকারীর গাইড লাইন অনুযায়ী ৫টি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে: (১) সম্ভাব্য মামলার প্রতিবেদন করা; (২) সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অধিকতর তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই; (৩) ভুক্তভোগীর চাহিদা মূল্যায়ন; (৪) মামলার রেফারেল তৈরি; এবং (৫) উল্লিখিত মামলার ব্যবস্থা নেওয়া। প্রতিটি অপরাধ সম্পর্কে সুস্পষ্ট গাইড লাইন দেওয়া হয়েছে।

গাইড লাইনে মানব পাচার সম্পর্কে মালয়েশিয়ার এন্টি ট্রাফিকিং ইন পারসন অ্যান্ড এন্টি স্মাগলিং অব মাইগ্রেন্ট আইন ২০০৭ উল্লেখ করা হয়েছে যে, trafficking in persons means all actions involved in acquiring or maintaining the labour or services of a person through coercion, and includes the act of recruiting, conveying, transferring, harbouring, providing or receiving a person for the purposes of this act. এ আইন অনুযায়ী কোনো ব্যাক্তিকে জোর জবরদস্তিমূলকভাবে নিয়োগ করে, পৌঁছে দেয়, স্থানান্তর করা/পরিবহন করে, আশ্রয়/কোথাও রেখে দেওয়া এবং গ্রহণ করে অপরাধ হিসেবে গণ্য। এছাড়াও এতদ উদ্দেশ্যে বল প্রয়োগ করে বা হুমকি দেয়, জোর জবরদস্তি করে, অপহরণ করে, প্রতারণা করা, ভুল তথ্য দিয়ে প্রলুব্ধ করে, দুর্বলতার সুযোগ নেয়, এ থেকে আয় করে এবং শোষণ করে তাহলে যেখানেই সংঘটিত হোক না কেন তা মানব পাচার এবং অভিবাসী স্মাগলিং অপরাধ সংঘটিত হবে। এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন এনজিও বিভিন্ন সময় বলেছে।

জবরদস্তি মূলক শ্রমের বিষয়টি সম্পর্কে গাইড লাইনে উল্লেখ করা হয়েছে- all work or service which is exacted from any person under the menace of any penalty and for which the said person has not offered himself [or herself] voluntarily.’ILO Forced labour Convention, ১৯৩০ [যে সমস্ত কাজ বা পরিষেবা/সার্ভিস যা কোন ব্যক্তির কাছ থেকে কোন শাস্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা ভয় দেখিয়ে বা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে জোর করে নেওয়া হয় এবং যার জন্য উক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সম্মতি জ্ঞাপন করেনি এমন ঘটনা ফোর্সড লেবার হিসেবে চিহ্নিত। (আইএলও বাধ্যতামূলক শ্রম সম্মেলন, ১৯৩০) এ ধরনের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে আমেরিকা ও ইউ কে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

যে কেউ গাইড লাইনে উল্লিখিত ২২টির মধ্যে যে কোনো একটি ঘটনা দেখলেই বা নিজের ক্ষেত্রে ঘটলে কোড স্ক্যান করে তথ্য দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। তথ্য দাতার তথ্য গোপন রাখার শর্ত রয়েছে।
২২টি তথ্য হলো: কর্মক্ষেত্রে প্রকৃতি (কাজ, বেতন, আবাসন , নিরাপত্তা) এবং শর্ত সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল (বিদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রে দেশে এরূপ করা হয়েছে); পাসপোর্ট, আইনি বা অন্যান্য মূল্যবান কাগজপত্র আটকে রাখা; শারীরিক বা যৌন নির্যাতন/ সহিংসতা; সংবেদনশীল শব্দ বা মৌখিক/কথার দ্বারা নির্যাতন; নিজ পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহিংসতার হুমকি; কাগজপত্রের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষকে (পুলিশ বা ইমিগ্রেশন ) জানাতে বা ধরিয়ে দিতে হুমকি দেওয়া; বাড়িতে ফেরত পাঠানোর হুমকি দেওয়া; কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন না করার হুমকি দেওয়া, ঋণ বা ধারদেনা করলে তা বৃদ্ধির হুমকি দেওয়া, কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাক লিস্ট) করার হুমকি দেওয়া, অনুপযুক্ত শর্তাদির জন্য রিক্রুটিং এজেন্সি বা নিয়োগকারীদের অর্থ প্রদান, অতিরিক্ত রিক্রুটিং ফিস দিয়েছে, বেতন আটকানো, অন্যায়ভাবে বেতন থেকে টাকা কাটা, অবরুদ্ধ থাকা, পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে না দেওয়া, অতিরিক্ত কাজ করান, ছুটির দিন উপভোগ করতে না দেওয়া বা ছুটি নেওয়ার অনুমতি নেই, জীবনযাত্রার/বসবাসের অবনতি ঘটছে এবং পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী নিজেই এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করে উপরের বিষয়গুলো অনেক আগে থেকেই যাচাই করছেন।

উল্লিখিত ২২টি পয়েন্টের মধ্যে অতিরিক্ত শ্রম, বেতন কম, ওভারটাইম না পাওয়া, ছুটির দিনেও কাজ করা, ঋণ করে মালয়েশিয়ায় কাজ করতে আসা, অতিরিক্ত রিক্রুটিং খরচ দেওয়া, দেশে রিক্রুটমেন্ট সময়ে যে কাজের ও বেতনের কথা বলা হয়েছিল তার সাথে মিল না থাকা, দালাল এবং বাসস্থানের খারাপ অবস্থার তথ্য আমেরিকা কর্তৃক এবং ইউকের ইউনিভার্সিটি নিউ ক্যাসলের গবেষণায় উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য যে, মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়াকে টায়ার ৩-এ নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ থেকে উত্তরণে মালয়েশিয়া সরকার খুব সিরিয়াসলি কাজ করছে এ গাইড লাইন প্রদান তার প্রমাণ। ইতোমধ্যে মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় ওয়ার্ক ফর ওয়ার্কার্স নামে একটি অনলাইন অ্যাপ চালু করেছে যার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি নির্বিশেষে যে কোনো কর্মী যে কোনো সময় কর্মক্ষেত্রের অসুবিধা, বঞ্চনার এবং নির্যাতন সম্পর্কে জানাতে পারছেন; কর্মীরা প্রতিকার পাচ্ছেন।

যে ১০ রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের সমতুল্য

মুসলিমদের জন্যে দুই ঈদ হলো মূলত ইবাদতের দুই ভরা মৌসুম। ঈদুল ফিতরের আগে রয়েছে বছরের শ্রেষ্ঠ দশ রাত। আর ঈদুল আজহার আগে রয়েছে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়- বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন।

ইবন আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘এমন কোনো দিন নেই যার আমল জিলহজ মাসের এই দশ দিনের আমল থেকে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদও নয়?

রাসুলুল্লাহ বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধে বের হল এবং এর কোনো কিছু নিয়েই ফেরত এলো না (তার কথা ভিন্ন)।’ (বুখারী : ৯৬৯; আবূ দাউদ : ২৪৪০; তিরমিযী : ৭৫৭)

রমজান মাস যেমন বছরের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস তেমনি জিলহজের এই দশদিন হচ্ছে বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন। সকল মুফাসসির এ ব্যাপারে একমত যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কুরআনুল কারীমের সুরা ফাজরে যে দশ দিনের শপথ করেছেন তা জিলহজ মাসের প্রথম দশদিন।

রমজানের শেষ দশ রাতে যেমন রয়েছে হাজার মাসের থেকেও উত্তম রজনী শবে-কদর। তেমনি, জিলহজ মাসের দশ দিনের মধ্যে রয়েছে আরাফার দিন। যে দিন আল্লাহর কাছে থেকে ক্ষমা ও মাগফিরাত পাওয়ার দিন। জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার দিন।

জিলহজ মাসের গুরুত্বের জন্যে এক আরাফার দিন থাকাই যথেষ্ঠ ছিল। সেই সঙ্গে এই দশকেই আছে কোরবানির দিন। একেবারে ইবাদাতে পরিপূর্ণ দশটি দিন।

এ দিনগুলোতে আমল করার সওয়াব তো বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক অনেক বেশি। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জিলহজের দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অন্যান্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশি প্রিয়। এ মাসের প্রত্যেক দিনের রোজা এক বছরের রোজার মতো, আর প্রত্যেক রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের মতো।’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ৭৫৮)

তাই জিলহজ মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত যতদিন সম্ভব নফল রোজা রাখা আর রাতের বেলা বেশি বেশি ইবাদত করা একজন সত্যিকার মুমিনের বৈশিষ্ট্য।

এই দিনগুলোতে নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল, তাওবা-ইস্তিগফার ও ক্ষমা-প্রার্থনা এবং কান্নাকাটির মাধ্যমে রাত কাটানো কিংবা যতটুকু সম্ভব ইবাদত করা উচিত। পুরো নয়দিন রোজা না রাখতে পারলেও আরাফার দিনে রোজা রাখা খুবই উত্তম।

ইবাদতে স্বাদ অনুভব করবেন যেভাবে

অনেক সময় আমরা নামাজ আদায় করি, কিন্তু নামাজে স্বাদ পাই না। কেন? কারণ অনেক। যেসব কারণে নামাজে স্বাদ লাভ করি না, তন্মধ্যে অন্যতম কারণ হলো— গুনাহ।

গুনাহ করার কারণে সালাতের মজাটা কমে যায়। নামাজের স্বাদ চলে যায়। ইবাদতের আহ্লাদ হ্রাস পায়। কিন্তু যারা রাস্তায় চলাচলের সময় নিজেদের চক্ষুকে নিয়ন্ত্রণ করে চলেন, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকেন; আল্লাহ তাদের সেই স্বাদ ও মজা দান করবেন।

কারণ, তারা বিশ্বাস করে— কেউ দেখছে না, তবে আল্লাহ তো দেখছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন— চোখের চুরি এবং অন্তরের গোপন বিষয় তিনি জানেন। (সুরা মুমিন, আয়াত : ১৯)

আল্লাহ অন্তরের গোপন কথা যেমন জানেন, চক্ষু দিয়ে কোনো দিকে দেখা হচ্ছে সেটাও জানেন। তাহলে কেউ না দেখলেও একান্ত আল্লাহকে ভয় করে— যদি আমরা চক্ষু অবনত রাখি, আল্লাহ তায়ালা আমার দোয়া কবুল করবেন।

আল্লাহ আমার সাথে আছেন, আল্লাহ আমাকে দেখছেন। আল্লাহর মনিটরিংকে বিশ্বাস করা; এটাকে বলা হয় তাকওয়া।

তাকওয়া অর্জন করতে পারলে— সবকিছু আমার জন্য সহজ হবে। দুনিয়া সহজ হবে, জান্নাত অবধারিত হবে। দোয়া কবুল হবে, বিপদ থেকে আল্লাহ আমাকে মুক্তি দেবেন। এসব কিছু মুত্তাকির জন্য রিজার্ভ রাখা আছে।

সড়কে চলছে গণপরিবহণ, খুলেছে দোকানপাট

কঠোর লকডাউন শিথিল করায় টানা ১৪ দিন পর সড়ক-মহাসড়কগুলোতে চলতে শুরু করেছে গণপরিবহণ।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন রুটে বাস চলতে দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন দোকানপাট খুলতে শুরু করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খুলছে শপিংমল ও মার্কেট।

জাতীয় পরামর্শক কমিটির পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা বিধিনিষেধ আরও কঠোর করার পরামর্শ দিলেও ‘ঈদ উদযাপন ও দরিদ্র মানুষের রোজগারের স্বার্থে’ তা শিথিল করেছে সরকার।

তবে ২৩ জুলাই ভোর থেকে ফের ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হবে। তাতে জরুরি সেবা বাদে শিল্পকারখানাসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

আজ থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আসনের অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের শর্তে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহণ চলবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে খোলা থাকবে শপিংমল ও মার্কেট।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক পত্রের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, এ সময়ে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রে গমন ও জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান যেমন: বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিহার করতে হবে।

করোনা মহামারি রোধে গত ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এই সময়ে গণপরিবহণ, অফিস, শপিংমল বন্ধ রাখা হয়। ঈদের সপ্তাহে সারাদেশে কুরবানির পশুর হাট বসানোরও অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে ২১ জুলাই ঈদ শেষে আবার ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়ে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব মোতায়েন থাকবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহণ, অফিস, শপিংমল, কলকারখানা।

দেশের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস

দেশের আট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী দুদিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। পরের পাঁচ দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর এ কথা জানিয়েছে। খবর বাসনের।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বোচ্চ ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

এ ছাড়া সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ।

বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন সন্দ্বীপে ২৪ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, উড়িষ্যা এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্বদিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।

ডাক বিভাগে বিভিন্ন পদে চাকরি

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ বিভিন্ন পদে লোকবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ৩০টি পদে মোট ২৬৯ জনকে নিয়োগ দেবে ডাক বিভাগ। পদগুলোতে আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: জুনিয়র অ্যাকাউন্টেন্ট

পদ সংখ্যা: ৮টি।

কর্মস্থল: দেশের যেকোনো এলাকা।

বেতন: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: ইন্সপেক্টর অব পোস্ট অফিসেস/ইন্সপেক্টর অব রেলওয়ে মেইল সার্ভিস/ইন্সপেক্টর অব পিএলআই/ইন্সট্রাক্টর, পিটিসি (ইন্সপেক্টর অব পোস্ট অফিসেস)/ইন্সট্রাক্টর, পিটিসি (ইন্সপেক্টর অব আরএমএস)

পদ সংখ্যা: ৯১টি।

কর্মস্থল: দেশের যেকোনো এলাকা।

বেতন: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।

পদের নাম: স্ট্রিপার কাম রিটাচার

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী (ডাক অধিদপ্তর)

পদ সংখ্যা: ৪টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: সাঁট লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর (স্টেনোগ্রাফার)

পদ সংখ্যা: ৬টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: উপজেলা পোস্টমাস্টার

পদ সংখ্যা: ৯৬টি।

কর্মস্থল: দেশের যেকোনো এলাকা।

বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: মনোটাইপ কিবোর্ড অপারেটর

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: উচ্চমান সহকারী

পদ সংখ্যা: ৩টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: সাঁট লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর (স্টেনোটাইপিস্ট)

পদ সংখ্যা: ৮টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: ক্যাশিয়ার

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: মেশিনম্যান (অফসেট প্রিন্টিং/লেটার প্রিন্টিং)

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট

পদ সংখ্যা: ৪টি।

কর্মস্থল: আন্তর্জাতিক ডাক হিসাবরক্ষণ অফিস, ঢাকা।

বেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ড্রাফটসম্যান

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ড্রাইভার (ভারী)

পদ সংখ্যা: ২টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ড্রাইভার (হালকা)

পদ সংখ্যা: ২টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদ সংখ্যা: ৫টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: মেশিনিস্ট

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর

পদ সংখ্যা: ৪টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: পোস্টাল অপারেটর

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: গ্রেনিং মেশিনম্যান

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী মেশিনম্যান

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: বাইন্ডার হেলপার

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা।

পদের নাম: ইনকম্যান

পদ সংখ্যা: ২টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা।

পদের নাম: প্যাকার

পদ সংখ্যা: ২টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা।

পদের নাম: পোর্টার

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদ সংখ্যা: ১৬টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা ও পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার)

পদ সংখ্যা: ২টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা ও পোস্টাল প্রিন্টিং প্রেস, টঙ্গী, গাজীপুর।

বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ক্লিনার)

পদ সংখ্যা: ১টি।

কর্মস্থল: ডাক অধিদপ্তর, ঢাকা।

বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://dgbpo.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১১ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্তাবলী জানতে নিচে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন।

 

বাংলাদেশিদের উল্লাস দেখে আবেগঘন স্ট্যাটাস সাবেক আর্জেন্টাইন অধিনায়কের

কোপা আমেরিকার ফাইনালে মেসিদের সমর্থন ও জয়ের পর বাংলাদেশিদের উল্লাস দেখে মুগ্ধ হয়েছেন সাবেক আর্জেন্টাইন অধিনায়ক হুয়ান পাবলো সোরিন।

বাংলাদেশ সময় গত রোববার ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনা। জয়ের পর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় করোনাকালীন বিধিনিষেধের উপেক্ষা করে আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে উল্লাস করে ফুটবলপ্রেমীরা। আর সেটি চোখে পড়ে সোরিনের।

২০০৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের লেফটব্যাক ও অধিনায়ক সোরিন ইনস্টাগ্রামে বিশাল এক পোস্টে বাংলাদেশের সমর্থকদের নিয়ে তার পুরোনো স্মৃতি রোমন্থনের পাশাপাশি এবারের উদযাপনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনটি ভিডিওতে বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা ভক্তদের উদযাপনের দৃশ্যও তুলে ধরেন তিনি।

১৯৯৫ ফিফা যুব বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা, সে দলে ছিলেন সোরিন। কাতারে অনুষ্ঠিত সে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে কাতারপ্রবাসী অনেক বাংলাদেশি সমর্থক মাঠে গিয়েছিলেন। আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে, আর্জেন্টিনার নামে উল্লাস করেছিলেন বাংলাদেশিদের অনেকে।

সেই স্মৃতি স্মরণ করে সোরিন বলেন, ২৬ বছর আগে আমরা কাতারে ব্রাজিলের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিলাম। দেশ থেকে কত দূরে ছিলাম! পরিবার, বন্ধুবান্ধব কিংবা সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এত প্রযুক্তি ছিল না। কিন্তু সেই অবিশ্বাস্য স্টেডিয়ামেও আর্জেন্টিনার একটা পতাকা ছিল, কয়েকজন ভক্ত পতাকাটি এত আবেগ নিয়ে নাড়াচ্ছিলেন। আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছিল সে দৃশ্য, মনে রোমাঞ্চ তৈরি করেছিল। পতাকাটার গায়ে লেখা ছিল ‘বাংলাদেশ’। কয়েকজনের একটা গ্রুপ আমাদের সমর্থনে লাফাচ্ছিল, চিৎকার করছিল।

বাংলাদেশকে মন থেকে ধন্যবাদ দিয়ে সাবেক আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, সে কারণে বাংলাদেশের সবাইকে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই, সম্মান জানাতে চাই, যারা কিনা বিশ্বের অন্য একটা প্রান্তে রাস্তায় নেমে আমাদের কোপা আমেরিকা জয়ের উদযাপন করেছেন!

স্ট্যাটাসে দিয়েগো ম্যারাডোনা ও মেসিসহ ১৯৭৮ ও ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানো দল দুটির সবাইকে ধন্যবাদ জানান সোরিন।

বাংলাদেশিদের আরেকবার ধন্যবাদ আর শ্রদ্ধা জানিয়ে সোরিন লেখেন, আকাশি-সাদা পতাকাটা গায়ে জড়িয়ে যেভাবে তারা (বাংলাদেশি ভক্ত) উদযাপন করেছেন, ঠিক একইভাবে করেছিলেন কাতারে সে রাতেও। আপনাদের ধন্যবাদ।