শনিবার ,২ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 716

রোমাঞ্চকর তাবাক্ষ গুহার পথে

ভ্রমণপাগলদের ঘুরে বেড়ানোর শখটাকে জগত-সংসারের অনেকেই বিবিধ নেতিবাচক ভাবনায় গলাটিপে ধরতে চায়। কিন্তু তারা হয়তো জানেন না, প্রজাপতির মতো ঘুরে বেড়াতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয় না। কিংবা নৈতিক চরিত্র অধঃপতনেরও তেমন সম্ভাবনা থাকে না।

আলহামদুলিল্লাহ সেদিক হতে আমি লাকি। তাইতো মাঝেমধ্যেই প্রাণের সংগঠন দে-ছুট ভ্রমণ সংঘর সঙ্গে দেশের নানান নয়নাভিরাম জায়গায় হুটহাট করেই ছুটে যাই। যেখানে এখনো সাধারণ ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণা তেমন নয়, সেসব জায়গাতেই দে-ছুট যেতে বেশি পছন্দ করে। তেমনি এবার লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা বছর দেড়েক আগে আবিষ্কৃত তাবাক্ষ গুহা হতে ঘুরে এলাম। তাবাক্ষ নামটার মাঝেই কেমন যেন আদিমতা ভর করে আছে।

ভ্রমণ পরিকল্পনা সব ঠিকঠাক। কিন্তু যাব অচেনা-অজানা দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল। তাই দীঘিনালার বাসিন্দা মি. রকি বিশ্বাসের সহযোগিতা নিলাম। তিনি গ্রিন সিগন্যাল দিতেই এক বৃহস্পতিবার রাতের গাড়িতে ছুটলাম খাগড়াছড়ি। ভোরে নেমে প্রথমে হোটেলে সাফসুতর হয়ে, নাশতা সেরে আবারো উঠে বসলাম দাদার আমলের চান্দের গাড়িতে।

প্রায় একঘণ্টা চলার পর মহাসড়ক ছেড়ে তাবাক্ষ গুহার দিকে, পাহাড়ি পথে কিছুটা অগ্রসর হতেই গাড়ি খাদে আটকে যায়। ঠেলা ধাক্কা নাকে দড়ি বেঁধেও গাড়ি আর চলমান কার্যক্রমে আনা গেল না। খাদে আটকা অচল গাড়ি সচল করতে গিয়ে, ভ্রমণকালীন মহামূল্যবান একটি ঘণ্টার পুরোটাই বিফলে।

অতঃপর দুই পা-ই ভরসা। হাড়ি-পাতিলসহ বাজার-সদাইয়ের গাট্রি-বোচকা নিয়ে ট্র্যাকিং শুরু। প্রখর রৌদ্র উপেক্ষা করে হাইকিং ট্র্যাকিং চলছে। মাঝে-মধ্যে ছায়াঘেরা কোনো গাছতলায় জিরিয়ে নিই। চলতে চলতে চোখে ধরা দেয় শরতের নীল আকাশে পেজা তোলা শুভ্র মেঘের ভেলা। কখনোবা কালো মেঘের ঘনঘটা। ঢেউ খেলানো পাহাড়। জুমের ফসল।দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ অরণ্য। উঁচু নিঁচু পাহাড়। নলখাগড়ার জঙ্গল। এসবই সামনে এগিয়ে যাবার প্রাণশক্তি।

এই শক্তি বেড়ে আরও দ্বিগুণ হলো যখন একটা সময় পুরোপুরি জঙ্গলি পথে ঢুকে গেলাম। শরীরে সাপ প্যাঁচাবে নাকি কোনো হিংস্র জন্তু পা কামড়ে ধরবে, সেদিকে কোনো খেয়ালই ছিল না। সে এক রোমাঞ্চকর ব্যাপার-স্যাপার। সব মিলিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা হাইকিং-ট্র্যাকিং করতে করতে পৌঁছি বড় মাইরুং ঝর্ণার উপরে। গড়িয়ে যাওয়া টলটলে পানির ঝাপটা চোখেমুখে দিতেই সব ক্লান্তি উবে যায়। আহ্ কী শান্তি।

 

এবার জমবে আসল খেলা। দড়ি বেয়ে যখন সবাই তরতর করে ঝর্ণার পাদদেশে নামছিল, তখন নয়া সঙ্গীদের অনেকেই আমাকে নিয়ে মজা লুটছিল। তাদের ভাবনা আমাকে হয়তো ১১০ কেজির দেহটা নিয়ে ঝর্ণার উপরেই বসে থাকতে হবে। কিন্তু না। আমিতো দমে যাবার পাত্র নই।

সহযোগিতায় এগিয়ে এলো গাইড মিলন ত্রিপুরা। সাহস জোগালো স্কাউট রেদওয়ানসহ ঘুরতে আসা স্থানীয় তরুণ দিপায়ন ত্রিপুরা। তাদের সহযোগিতায় তরতর করে প্রায় ৯০ ডিগ্রি খাড়া পাহাড়ের আনুমানিক ৫০-৬০ ফুট নিচে নেমে এলাম। এখানে রয়েছে বড় মাইরুং নামক একটি ঝর্ণা।

এর শ্বেত-শুভ্র হিমহিম ঠাণ্ডা পানি মন কেড়ে নেয়। বয়ে চলা ঝিরির পরিবেশটা দেখতেও বেশ নৈসর্গিক। ঝর্ণার পানি রিমঝিম ছন্দ তুলে অবিরাম গড়িয়ে পড়ে। এর শীতল পানি চুম্বুকের মতো দেহটাকে টেনে নেওয়ায় ইচ্ছেমতো ভিজতে থাকি। সবুজের গালিচায় মোড়ানো গহিন পাহাড়ের বুকচিরে জেগে থাকা বড় মাইরুং ঝর্ণার সৌন্দর্যও কম যায় না।

ওদিকে দে-ছুটের স্বেচ্ছাসেবকদের কেউ কেউ জঙ্গল হতে লাকড়ি কুড়িয়ে আনেন। কেউবা বড় বড় পাথর বসিয়ে চুলা বানান। রন্ধন কারিগররা আগুন জ্বালিয়ে রান্নায় ব্যতিব্যস্ত। বাঁশ কুড়াল সংগ্রহ করতে যাওয়া স্থানীয় বগড়াছড়াপাড়ার তরুণীরাও আমাদের রান্নাযজ্ঞে হাত মেলায়।

অল্প কিছুদূর গেলেই কাঙ্ক্ষিত তাবাক্ষ গুহার দেখা মিলবে। কিন্তু না। এখনি যাচ্ছি না। আগে দুপুরের আহার সেরে নেয়া হবে। ঘন্টাখানেকের মধ্যেই রেডি হয়ে যায় সাদা ভাত আর মুরগির তরকারী। আহ্ কী ঘ্রাণ! এই ঘ্রাণ কী তবে ঝর্ণার পানি দিয়ে রান্নার কারণে নাকি ভুবন ভুলানো প্রাকৃতিক নৈসর্গিক পরিবেশে বসে খাওয়ার জন্য। তা যাই হোক। সবাই মিলে পেট পুরে খাই। খেয়েদেয়ে এবার ছুটলাম তাবাক্ষ।

অল্প কিছুদূর মাইরুং তৈসা ঝিরিপথ ধরে এগোতেই গুহামুখের দেখা মিলল। দেখেই কেমন যেন রহস্যময় লাগে। ভিতরে ঢুকলে না জানি কি হয়। কিন্তু দে-ছুটের দামালদের থামাবে কে। একে একে সবাই সরু গুহার ভিতর ঢুকে পড়ি। একটা সময় পুরোই ঘুটঘুটে অন্ধকার আমাদের আচ্ছন্ন করে। তবুও সঙ্গে নেয়া টর্চের আলোয় এগোতে থাকি। তাবাক্ষর ভিতরটা ভয়ঙ্কর অদ্ভুত সৌন্দর্যে ঘেরা।

 

পাথরের পাহাড়ের মাঝে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট তাবাক্ষ গুহা। টর্চের আলোয় উপরের দিকে তাকালে মনের মাঝে ভয়ানক শিহরণের দোলা দেয়। তাবাক্ষর পাথুরে ছাদজুড়ে যেন রহস্য খেলা করে। গুহার কিছুকিছু জায়গা মাত্র ১৭/১৮ ইঞ্চি পাশ। সেসব জায়গা দিয়েও কাতচিৎ হয়ে অবলীলায় ঢুকে পড়েছি। দলের প্রত্যেকের মাথায় অদেখাকে দেখার নেশা চেপে ধরেছিল। ভয়-ডর সব তখন ছিল ফিকে। কথা একটাই দেখতে হবে তাবাক্ষর শেষ অব্দি পর্যন্ত।

গুহার আঁকাবাঁকা পথে যেতে যেতে একটা সময় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় সুরু পথের মাঝে থাকা একখণ্ড পাথর। হয়তো পাথরটি পথ আগলে না রাখলে আরো কিছুটা দূর যাওয়া যেত। খানিকটা সময় পাথরের চিপাচাপা দিয়ে চোখ বুলিয়ে, সেখান থেকেই ফিরতি পথ ধরি। সাংবাদিক অপু দত্তর রিপোর্ট অনুযায়ী তাবাক্ষ গুহা প্রায় ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন।

প্রায় সাড়ে তিন ফুট প্রশস্তের হলেও, কয়েকাটা স্থানে একেবারেই সরু। স্থানীয়রা তাবাক্ষ গুহাটিকে দেবতার গুহা নামেও ডাকেন। ত্রিপুরা ভাষায় তাবাক্ষ অর্থ বাদুড়ের গুহা। যারা যেই নামেই ডাকুক না কেন, এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। নিঃসন্দেহে ভ্রমণপিপাসুদের তাবাক্ষ গুহা রোমাঞ্চিত করবে- এটা নিশ্চিত।

যাবেন কীভাবে
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি রুটে বিভিন্ন পরিবহনের বাস সার্ভিস রয়েছে। ভাড়া ৫০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা। খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর হতে চান্দের গাড়িতে ১৭ কিলোমিটার দূরত্বের দীঘিনালা উপজেলার আটমাইল নামক এলাকা হয়ে বড়পাড়া/বগড়াছড়াপাড়া পর্যন্ত যেতে হবে। এরপর প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড়ি পথে ট্র্যাকিং।

খাওয়া-থাকা
দিনে দিনে ঘুরে এসে শহরেই থাকতে হবে। তাবাক্ষ অবস্থানকালীন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও শুকনো খাবার সঙ্গে নিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র।

ঘরের কাজে নারিকেল তেলের ৬ আশ্চর্য ব্যবহার

চুলের যত্নে নারিকেল তেল ব্যবহারের বিকল্প নেই। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এ তেল পাওয়া যায়। চুল কিংবা শরীরে দেওয়া ছাড়াও নারিকেল তেলের নানান ব্যবহারের জন্য সুপার তেল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

চুলের যত্নে ব্যবহার করা ছাড়াও রান্নায় ও ঘরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে নারিকেল তেল। এ ছাড়া স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী এই তেল।

ঘরের কাজেও নারিকেল তেলের কিছু আশ্চর্য ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন—

১. কাপড়ের দাগ দূর করে

বিভিন্ন পোশাক ও কাপড়ের দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী হতে পারে নারিকেল তেল।
এর জন্য নারিকেল তেল ও বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে তা দাগের স্থানে লাগান। এটি কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে ধুয়ে নিলেই দূর হবে কাপড়ের দাগ। তবে মনে রাখবেন— নারিকেল তেল কিন্তু কাপড়ে অনেক দূর ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই সাবধানতার সঙ্গে লাগাতে হবে।

২. আঠা দূর করতে
বিভিন্ন স্থানে স্টিকার বা আঠালো কোনো কিছুর দাগ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন নারিকেল তেল।
এর জন্য আঠালো স্থানে নারিকেল তেল ব্যবহার করে ঘষলেই উঠে যাবে আঠালো অংশ বা আঠার দাগ।

৩. দুর্গন্ধ দূর করে
ঘরের দুর্গন্ধ দূর করতেও অনেক কার্যকরী হতে পারে নারিকেল তেল।
এর জন্য ১/৪ কাপ কর্নস্টার্চের সঙ্গে সমপরিমাণ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে ৬ চামিচ নারিকেল তেল মিশিয়ে নিন। তার পর সেই মিশ্রণটি খোলা স্থানে রেখে দিলেই মিলবে সারা বছর সুগন্ধ।

৪. মরিচা দূর করে
কোনো কিছুর মরিচা দূর করতে পারে নারিকেল তেল। এর জন্য মাত্র এক ফোঁটা নারিকেল তেল ঘষলেই দূরে থাকতে পারে মরিচা বা জং ধরার সমস্যা।

৫. চামড়ার জিনিস উজ্জ্বল করে
চামড়ার যে কোনো জিনিস উজ্জ্বল করতে অনেক কার্যকরী হতে পারে নারিকেল তেল। এর জন্য শুধু কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেল নিয়ে তা চামড়ার জিনিসের ওপরে ঘষতে হবে।

৬. পোকামাকড় থেকে মুক্তি পেতে
যে কোনো পোকামাকড় থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন নারিকেল তেল। এর জন্য পেপারমিন্ট ওয়েলের সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে তা শরীরে ব্যবহার করলেই আর আপনার কাছে আসবে না পোকামাকড়।

তথ্যসূত্র: দি হেলদি ডটকম

মুখে আলসার কেন হয়, কী চিকিৎসা করবেন?

মুখের আলসার একটি পরিচিত ও জটিল রোগ। আলসান হলে অনেকে ভুল চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে রোগটিকে আরও জটিল করে তোলেন। সঠিক চিকিৎসা নিলে সহজেই এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফারুক হোসেন।

ভিটামিন সি এর অভাবে আবার এই ভিটামিন অতিরিক্ত গ্রহণের কারণেও মুখে আলসার হতে পারে। ভিটামিন সি-এর অভাবে মাড়ি খুবই নরম হয়ে যেতে পারে এবং রক্তপাত হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ভিটামিন-সি নেওয়া উচিত। তবে একটি কথা সবার মনে রাখতে হবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে নাটকীয়ভাবে মুখে আলসার হতে পারে। এ ছাড়া কখনও কখনও অতিরিক্ত ভিটামিন-সি কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে। মুখের আলসার নিরাময়ের ক্ষেত্রে ভিটামিনের পাশাপাশি মিনারেলসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জিংকের অভাবে মুখে বারবার অ্যাপথাস আলসার হতে পারে। জিংক ওরাল আলসার নিরাময়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে থাকে। আয়রনের অভাবে শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দিয়ে থাকে। রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে মুখের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের আলসার দেখা দিতে পারে। ফেরাস সালফেট আয়রনের একটি রূপ।

আয়রন রক্তের লোহিত রক্তকণিকা গঠনে জরুরি যাতে রক্তস্বল্পতা দেখা না দেয়। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণজনিত মুখের আলসারের চিকিৎসা রোগীর রোগ নির্ণয়ের পর দিতে হবে। অটোইমমিউনজনিত মুখের আলসারের চিকিৎসা একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে করতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে মুখে আলসার নিরাময় সহজসাধ্য। আসলে মুখের আলসারের যথাযথ চিকিৎসা তত সহজ নয়।

সচরাচর পরিলক্ষিত মুখের আলসারগুলোর চিকিৎসা করার সময় একশরও বেশি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুদের মুখের আলসার ছত্রাক সংক্রমণজনিত কারণে হয়ে থাকে, আবার ভাইরাসজনিত কারণেও হতে পারে। তাই মুখের আলসারের চিকিৎসায় একজন দক্ষ চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে এবং কখনোই মুখস্থ ডাক্তারি করতে যাবেন না।

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু সোমবার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে সোমবার। শেষ হবে ৬ অক্টোবর। এ বছর তিনটি ইউনিটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৩১ শিক্ষার্থী।

রোববার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. আজিজুর রহমান।

তিনি জানান, সোমবার (বিজ্ঞান) সি ইউনিট, মঙ্গলবার (মানবিক) এ ইউনিট ও বুধবার (বাণিজ্য) বি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন ৩ শিফটে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা, দুপুর ১২ থেকে ১টা ও বিকাল ৩ থেকে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবার ভর্তি পরীক্ষায় সি ইউনিটে ৪৪ হাজার ১৯৪ জন, এ ইউনিটে ৪৩ হাজার ৫৫৮ জন ও বি ইউনিটে ৩৯ হাজার ৮৯৫ জন। তিনটি ইউনিটে বিশেষ কোটা বাদে ৪ হাজার ১৭৩টি আসনের বিপরীতে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৭ জন ভর্তিচ্ছু অংশ নিবে। হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি আসনের বিপরীতে ৩১ জন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

সূত্র জানায়, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা কক্ষসহ পুরো ক্যাম্পাস চার স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনো ধরণের অপরাধ যেমন, অসদুপায় অবলম্বন, আর্থিক লেনদেন, ভুয়া ও ভাড়াটে পরীক্ষার্থীর তৎপরতা, ওএমআর শিট পরিবর্তন ইত্যাদিসহ অন্য যে কোনো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ জাতীয় যে কোনো ধরণের অপরাধের বিচারে সার্বক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

পরীক্ষা কক্ষের শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ উপরিউক্ত যে কোনো অনিয়মের সন্ধান পেলে রাবি প্রক্টর ০১৭১১-৫৭৪৮৬৩, মতিহার থানার ওসি ০১৩২০-০৬১৬২৩ অবগত করার আহবান জানানো হয়েছে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.ru.ac.bd-এর admission মেন্যু থেকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ University of Rajshahi -তে দেখা যাবে।

পায়ে লিখে ঢাবির ভর্তি যুদ্ধে সুরাইয়া

শনিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন অদম্য সুরাইয়া। সুরাইয়ার অস্পষ্ট ভাষা, ভাববিনিময় করতে হয় চোখের ইশারায়। হাত অকেজো থাকায় লিখছেন পা দিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের কীটতত্ত্ব বিভাগের ল্যাবরটরি বিভাগের কক্ষের মেঝেতে বসে পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। এই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩৫ জন।

সুরাইয়ার বাড়ি ময়মনসিংহের শেরপুর। স্বপ্নপূরণে মা মুর্শিদা ছ‌ফির সাথে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আসেন বাকৃবিতে। বেলা এগারোটা থেকে টানা দেড় ঘন্টা পরীক্ষা হলের বাইরে চেয়ারে বসে অপেক্ষা করেন মা।

সুরাইয়ার মা মুর্শিদা ছফির বলেন, তিন মেয়ের মধ্যে সুরাইয়া প্রথম। মেয়েটা জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। কিন্তু তার জন্য আমি কখনোই মন খারাপ করিনি। মেয়েকে নিয়ে আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনের গল্পটা সংগ্রামের। আমি চাই যত‌দিন আ‌মি বেঁচে আছি ততদিন তার এগিয়ে যাওয়ার পথে সঙ্গী হয়ে থাকব। আমার আশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেয়ে উত্তীর্ণ হবে এবং একদিন বড় অফিসার হবে।

জানা গে‌ছে, সুরাইয়া এসএসসিতে জিপিএ ৪.১১ এবং এইচএসসিতে জিপিএ ৪.০০ ‌পে‌য়ে উত্তীর্ণ হ‌য়ে‌ছেন। তার গ্রামের বাড়ি ‌শেরপুর সদর উপজলায়। বাবা ‌পেশায় একজন শিক্ষক।

চৈতন্যের কাছ থেকে ভরণ-পোষণের এক টাকাও নেবেন না সামান্থা

আগামী ৭ অক্টোবর বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেবেন ভারতের দুই দক্ষিণী তারকা সামান্থা আক্কিনেনি ও নাগা চৈতন্য। দাম্পত্য জীবনের ইতি টানবেন ঠিক চার বছর আগে যেদিন বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা।

কিন্তু তার চার দিন আগেই ডিভোর্সের ঘোষণা দিলেন এ দুই তারকা।

গত চার মাস ধরেই চৈতন্য ও সামান্থার বিচ্ছেদের গুঞ্জন বাতাসে ভাসছিল। তবে এ দুই তারকার ভক্ত-অনুরাগীরা খবরটি সত্য হোক কখনই চাইছিলেন না। দক্ষিণে এ দম্পতিকে ‘আদর্শ জুটি’ বলা হতো।

কিন্তু সেসব গুঞ্জনকে সত্যিতে রূপ দিয়ে ভক্তদের হতাশ করলেন সামান্থা-চৈতন্য।

এবার বিয়েবিচ্ছেদের খবরকে ছাপিয়ে আলোচনায় এসেছে সামান্থার ভরণ-পোষণের খবর।

এতদিন ধরে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর ছিল— বিচ্ছেদের পর চৈতন্য থেকে ৫০ কোটি রুপি ভরণ-পোষণের দাবি করেছিলেন সামান্থা।

তবে এখন শোনা যাচ্ছে— ৫০ কোটি নয়, ভরণ-পোষণের জন্য সামান্থাকে ২০০ কোটি রুপি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

কিন্তু বিয়ে ভাঙার কারণে নাগা চৈতন্যের কাছ থেকে সেই বিপুল অর্থ নিতে নারাজ সামাস্থা। সামান্থা জানিয়েছেন, চৈতন্যের থেকে একটি রুপিও নেবেন না তিনি! এতে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।

এ নায়িকার ঘনিষ্ঠ সূত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন— ‘সামান্থা এ সম্পর্কটা থেকে শুধু বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা চেয়েছিল। বিয়েটাই ভেঙে গেল। ও একটা টাকাও নেবে না।’

২০১০ সালে তেলেগু ছবি ‘ইয়ে মায়া চেসাবে’তে একসঙ্গে কাজ করেন সামান্থা রুথ প্রভু ও নাগা চৈতন্য। সেই থেকেই প্রেম। সাত বছর প্রেম করে ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর হিন্দু রীতিতে এবং পর দিন খ্রিস্টান রীতিতে বিয়ে করেন দুজন।

আর শনিবার চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন তারা। বিবৃতিতে সামান্থা ও চৈতন্য দুজেনই বলেছেন— ‘অনেক আলোচনা ও চিন্তাভাবনার পর আমরা স্বামী-স্ত্রী থেকে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং নিজেদের পথ বেছে নিয়েছি। আমরা খুবই ভাগ্যবান যে, এক দশকের বেশি সময়ের বন্ধুত্ব আমাদের। এটিই আমাদের বন্ধুত্বের প্রাণশক্তি ছিল। আশা করি ভবিষ্যতেও এই বিশেষ বন্ধনটি অটুট থাকবে। এই কঠিন সময়ে আমাদের সমর্থন দেওয়ার জন্য আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি। আমাদের একটু নিজের মতো থাকার সুযোগ দিন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দিন, যাতে মানিয়ে নিতে পারি।’

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

সামান্থার ডিভোর্সের নেপথ্যে আমির খান?

গত ৪ মাসের গুঞ্জনকে সত্যিতে রূপ দিলেন ভারতের দুই দক্ষিণী তারকা সামান্থা আক্কিনেনি ও নাগা চৈতন্য। শনিবার ডিভোর্সের ঘোষণা দিলেন এ দুই তারকা।

এমন খবরে যারপরনাই হতাশ সিনেপ্রেমীরা। বলা হচ্ছে, নাগা চৈতন্যের বাবা দক্ষিণের সুপারস্টার নাগ-অজুর্নের আপত্তিতে সামান্থা-চৈতন্যের সংসার ভেঙেছে। রূপালি পর্দায় সামান্থার উপস্থিতি খোলামেলা বলে অভিযোগ চৈতন্যের বাবার।

কিন্তু আলোচিত-সমালোচিত বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের মতে, সুপারস্টার আমির খানের কারণেই নাকি সামান্থা-চৈতন্যের সংসার ভেঙেছে।

অবশ্য মি. পারফেক্টশনিস্টকে মোটেই পছন্দ করেন না কঙ্গনা। যে কোনো বিষয়ে আমিরকে জড়িয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে ছাড়েন না তিনি। আমিরকে বলিউডের ‘ডিভোর্স এক্সপার্ট’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

আমির খানের ‘লাল সিং চাড্ডা’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটতে চলেছে নাগা চৈতন্যের। যে কারণে আমিরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে নাগার।

সে বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সামান্থা-চৈতন্যের বিচ্ছেদের কারণ জানিয়েছেন কঙ্গনা। তিনি জানিয়েছেন, আমির খানের সঙ্গে মিশেই সামান্থাকে ডিভোর্স দিয়েছেন নাগা চৈতন্য।

লিখেছেন, ‘দক্ষিণের এই অভিনেতা যে নিজের ৪ বছরের বিবাহিত জীবন ভাঙতে চলেছে এবং সম্প্রতি বলিউডের এক সুপারস্টার ডিভোর্স এক্সাপার্টের সংস্পর্শে এসেছে, যে অনেক মহিলা ও বাচ্চাদের জীবন নষ্ট করেছে… অন্ধ না হলে আমরা সহজেই বুঝে নিতে পারব কার কথা বলা হচ্ছে।’

ডিভোর্সে সব সময় পুরুষদের দোষ দেওয়া হয় জানিয়ে কঙ্গনার বক্তব্য, হাজারের মধ্যে একজন নারী ভুল হতে পারে।

তিনি লেখেন, ‘ওই সমস্ত স্পয়েল ব্র্যাটদের লজ্জা হওয়া উচিত যারা মিডিয়া আর অনুরাগীদের থেকে উৎসাহ পেয়ে ডিভোর্স দেয়… যতদিন যাচ্ছে ডিভোর্স কালচার বাড়ছে।’

হ্যাটট্রিক জয়ে প্লে অফে কোহলির বেঙ্গালুরু

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়েলসের পর পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে তৃতীয় দল হিসেবে আইপিএল ১৪তম আসরের প্লে অফ নিশ্চিত করল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

কোহলিদের জয়ে প্লে অফের স্বপ্ন ভঙ্গ পাঞ্জাব কিংসের। রোববার কঠিন সমীকরণের ম্যাচে মাত্র ৬ রানে হেরে যায় প্রীতি জিনতার ফ্র্যাঞ্চাইজি পাঞ্জাব কিংস।

লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন দলটি বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ১৬৫ রানের টার্গেট তাড়ায় উড়ন্ত সূচনা করে।

উদ্বোধনী জুটিতে মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে ৯১ রান করে ফেরেন অধিনায়ক রাহুল। এরপর ৬৭ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়া পাঞ্জাব কার্যত বিদায় নেয় আইপিএল থেকে।

চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের পর তৃতীয় দল হিসেবে আইপিএল ১৪তম আসরের প্লে অফ নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু।

সাকিব আল হাসানদের কলকাতা নাইট রাইডার্স যদি নিজেদের শেষ দুই খেলায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়েলসের বিপক্ষে জয় পায় তাহলে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ চারে খেলতে পারবে কেকেআর।

একই সমীকারণ মোস্তাফিজদের রাজস্থান রয়েলসের সামনে। নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে ইতোমধ্যে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও কেকেআরের বিপক্ষে জয় পায় তাহলে প্লে অফে খেলার সুযোগ পাবে রাজস্থান।

দলে ফিরেই সাফল্য পেলেন সাকিব

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে প্রথম তিন ম্যাচে সুযোগ পান সাকিব আল হাসান। সেই তিন ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারায় দল থেকে বাদ পড়েন বাংলাদেশ দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

টানা নয় ম্যাচে সাইড বেঞ্চে বসে থাকার পর অবশেষে কেকেআরের একাদশে সুযোগ পেলেন সাকিব। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে ফেরানো হলো বাংলাদেশ সেরা এ অলরাউন্ডারকে।

দীর্ঘদিন বসে থাকার পর একাদশে ফিরে সুযোগ কাজে লাগান সাকিব। এদিন নিজের প্রথম ৩ ওভারে ১০ রানে এক উইকেট শিকার করা সাকিব নিজের শেষ ওভারে দেন ১০ রান। আভিস্কা শর্মাকে আউট করার পাশাপাশি হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে রান আউট করেন সাকিব।

চলতি আইপিএল থেকে আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে হায়দরাবাদের। নিয়ম রক্ষার ম্যাচে অংশ নিচ্ছে তারা।

তবে প্লে অফের দৌড়ে ভালোভাবেই টিকে আছে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ দুই খেলায় জিতলে নিশ্চিত শেষ চারে উঠে যাবে কেকেআর।

এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন হায়দরাবাদের মুখোমুখি কেকেআর।

কলকাতা নাইট রাইডার্স: শুভমান গিল, বেঙ্কটেশ আইয়ার, রাহুল ত্রিপাটি, নীতিশ রানা, ইয়ন মরগান (অধিনায়ক), দীনেশ কার্তিক, সাকিব আল হাসান, সুনীল নারিন, টিম সাউদি, শিবম মাভি ও বরুণ চক্রবর্তী।

উপজেলা চেয়ারম্যানের বৈধতা নিয়ে মামলা খারিজ

ভোলার লালমোহন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের বৈধতা নিয়ে দায়ের করা মামলা খারিজ করে দিয়েছে ভোলার আদালত। ভোলার যুগ্ম জজ মো. জাকারিয়া মামলাটি করে দেন।

২০১৯ সালে লালমোহন উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে এরপর থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু নির্বাচনের কিছুদিন পর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ একেএম নজরুল ইসলাম বিজয়ী প্রার্থীও বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ভোলার আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় তিনি জোরপূর্বক বিজয়ী হওয়া, অবৈধ ভোট দেওয়া, ব্যালট পেপার পাল্টে ফেলা ইত্যাদি অভিযোগ আনেন বিজয়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন এ মামলার বিচার কার্য সম্পাদন করে পুনরায় ব্যালট পেপার গোনার কাজ সম্পাদন করে আদালত।

রোববার অধ্যক্ষ একেএম নজরুল ইসলামের দায়ের করা মামলায় গিয়াস উদ্দিন আহমেদের পক্ষে রায় দেন।