শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 627

পুতিনের সঙ্গে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের বৈঠক

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার আলোচনায় বসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ক্রিমলিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রুশ অবকাশ কেন্দ্র সোচিতে মঙ্গলবার এ দুই নেতার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। খবর আনাদোলুর।

এতে বলা হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন ছাড়াও পুতিন ও মাহমুদ আব্বাস ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনে রাশিয়ার সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য, ১৯১৭ সালে ব্রিটিশদের কাছে আটোমান সাম্রাজ্য পতনের পর কুখ্যাত বেলফোর ঘোষণার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ইহুদিদের আবাসভূমি হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।

এর পর থেকে পশ্চিমাদের চক্রান্তে ভূমি হারাতে থাকে ফিলিস্তিন। এ প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইলি বর্বরতা কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না।

করোনায় বিনিয়োগ কমেছে ৩২৫৯৬ কোটি টাকা

করোনার কারণে গেল বছরে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কমেছে ৩৭৯ কোটি ৩ লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩২ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ। করোনার আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পর গত দুই অর্থবছর ধরেই বিদেশি বিনিয়োগ কমছে। আলোচ্য সময়ে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এফডিআইয়ের অবদানও কমেছে। তবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে। করোনার প্রভাব কমার কারণে চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টেও বিনিয়োগ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ৩০ জুন পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে নিট বিদেশি বিনিয়োগ এসেছিল ১১৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। করোনার প্রকোপ শুরু হলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৭২ কোটি ৭৯ লাখ ডলারে। করোনার প্রকোপ কিছুটা কমায় গত অর্থবছরে তা সামান্য বেড়ে ৮১ কোটি ৬২ লাখে দাঁড়ায়। অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে নিট বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় কমেছে ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ।

২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে এফডিআই এসেছে ২৩৭ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে এসেছে ২৫০ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। করোনার প্রকোপ কমায় আলোচ্য সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে মূলধন বাবদ বিনিয়োগ ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসেছিল ৭২ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে এসেছে ৮১ কোটি ৬২ লাখ ডলার। আলোচ্য সময়ে বেড়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ।

নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি কোম্পানিগুলোর দেশে বিনিয়োগ থেকে ব্যবসা করে অর্জিত মুনাফা যে কোনো দেশে নিয়ে যেতে পারেন বা দেশেই বিনিয়োগ করতে পারেন। অর্জিত মুনাফা বিনিয়োগ করলে তা নতুন বিনিয়োগ হিসাবে ধরা হয়। এ হিসাবে অর্জিত মুনাফা থেকে পুনরায় বিনিয়োগ ২০১৯-২০ অর্থবছরে করা হয়েছিল ১৫১ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে করা হয়েছে ১৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ওই সময়ে মুনাফা থেকে পুনরায় বিনিয়োগ বেড়েছে ৫ শতাংশ। দেশে কার্যরত এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানি ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করতে পারে। এ ধরনের বিনিয়োগকেও এফডিআই হিসাবে ধরা হয়। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ খাতে করা হয়েছিল ১৩ কোটি ২৪ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে করা হয়েছে ১০ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ কমেছে ২০ দশমিক ২৬ শতাংশ। করোনার কারণে এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিকে ঋণ দেওয়ার প্রবণতা এখনো বাড়েনি। কারণ তারা এখনো করোনার ক্ষত কাটিয়ে উঠতে পারেনি। যেজন্য বিদেশি কোম্পানিগুলোর এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানির ঋণ বাবদ বিনিয়োগ কমেছে। তবে চলতি অর্থবছরে এ খাতের বিনিয়োগ বাড়তে শুরু করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে এফডিআই ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়লেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মূলধন বা বিদেশ থেকে পুঁজি হিসাবে আনা বিনিয়োগ ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়লেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। নিট এফডিআই ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে ১২ শতাংশ বাড়লেও ২০১৮-১০ অর্থবছরের তুলনায় কমেছে ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ।

অর্থাৎ করোনার আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গত দুই অর্থবছরের তুলনায় বিদেশি বিনিয়োগ বেশি এসেছে। করোনার পর গত অর্থবছরে বিনিয়োগ পরিস্থিতি করোনার আগের অবস্থায় এখনো ফিরে যায়নি।

করোনার পরও দেশে বিদেশি বিনিয়োগের স্থিতি বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে স্থিতি বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

দেশের মোট জিডিপিতে নিট এফডিআইয়ের অবদান করোনার আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। করোনার প্রথম আঘাতে তা গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ শতাংশে নেমে আসে। করোনার দ্বিতীয় আঘাতে গত অর্থবছরে তা আরও কমে ১ শতাংশের নিচে (০.৯৫) নেমে আসে।

গত অর্থবছরে দেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে উৎপাদন খাতে, যা মোট বিনিয়োগের প্রায় ৪০ শতাংশ। পাওয়ার, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম খাতে এসেছে ২৪ শতাংশ। ট্রেড অ্যান্ড কমার্স খাতে ১৬ শতাংশ, ট্রান্সপোর্ট ও যোগাযোগ খাতে ১০ শতাংশ, সেবা খাতে ৬ শতাংশ ও অন্যান্য খাতে ৪ শতাংশ।

সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র সাড়ে ১৬ শতাংশ। এরপরই রয়েছে সিঙ্গাপুর ১৬ শতাংশ। নেদারল্যান্ডস সাড়ে ৭ শতাংশ, চীন সাড়ে ৬ শতাংশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত সাড়ে ৬ শতাংশ, মালয়েশিয়া ৬ দশমিক ৩ শতাংশ, যুক্তরাজ্য ৬ শতাংশ, মিসর ৫ দশমিক ৭ শতাংশ, হংকং ৩ দশমিক ২ শতাংশ ও অন্যান্য দেশ ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশে।

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন বিএনপির ১৫ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিএনপির ১৫ জন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

মঙ্গলবার ১ টা ৩০ মিনিটে সচিবালয়ে মন্ত্রীর দফতরে যাবেন তারা।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান মঙ্গলবার সকালে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি টেলিফোনে জানান, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ ১৫ জন আইনজীবী দেখা করবেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের মধ্যে এ সাক্ষাৎ হবে।

প্রতিনিধি দলে থাকবেন— অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, ফজলুর রহমান, এ জে মোহাম্মদ আলী, তৈমুর আলম খন্দকার, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, বদরুদ্দোজা বাদল, রুহুল কুদ্দুস কাজল, আবেদ রেজা, আব্দুল জব্বার ভূইয়া, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, মোহাম্মদ আলী ও ওমর ফারুক ফারুকী।

এর আগে রোববার সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল আইনমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আবেদন করেন। তিনি আইনজীবীদের একটি তালিকাও দেন মন্ত্রীকে।

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আছেন যারা

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি আগামী ২ বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে ১২৩ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

চলতি আগষ্টের ২৮ তারিখ নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে বিন ইয়ামীন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীব এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা রহমাতুল্লাহ্ নির্বাচিত হয়েছেন।

এরপর গত ১০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পরিচিতি সভায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মুহাম্মাদ রাশেদ খাঁন তাদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। সংগঠনের খসড়া-গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে পরবর্তী কমিটি করার কথা থাকলেও ৩ মাসের মধ্যে আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

ছাত্র অধিকার পরি কমিটিতে সহ সভাপতি হিসেবে আছেন ১৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ১৮ জন এবং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ২১ জন। ১নং সহ সভাপতি হিসেবে আছেন তারিকুল ইসলাম, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন শাকিল মিয়া, ১নং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন মোয়াজ্জেম হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন মোঃ রাসেল আহম্মেদ।

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, সারা বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করবে আমাদের সংগঠন। বর্তমানে ছাত্র সংগঠনের নামে এক ধরনের সন্ত্রাসবাহিনী ক্যাম্পাসে ভয়ের রাজনীতি কায়েম রেখেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে আছি সবসময়।

এক নজরে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আছেন যারা-

সভাপতি- বিন ইয়ামীন মোল্লা
সহ-সভাপতি- তারিকুল ইসলাম
সহ-সভাপতি- সোহেল মৃধা
সহ-সভাপতি- সাব্বির হোসাইন
সহ-সভাপতি- নাহিদ উদ্দিন তারেক
সহ-সভাপতি- উম্মে হাবিবা আলভী
সহ-সভাপতি- শাকিল আহমেদ
সহ-সভাপতি- এরশাদুল ইসলাম রুহাদ
সহ-সভাপতি- রেদোয়ান উল্লাহ খান
সহ-সভাপতি- খোরশেদ আলম
সহ-সভাপতি- জিহান মাহমুদ
সহ-সভাপতি- জাহাঙ্গীর হোসেন
সহ-সভাপতি- নুসরাত কেয়া
সহ-সভাপতি- ফরহাদ মিয়া
সহ-সভাপতি- মেহেদী হাসান
সহ-সভাপতি- ইমরান আহম্মেদ
সহ-সভাপতি- আরমানুল ইসলাম খান
সহ-সভাপতি- আহসান হাবিব সবুজ
সহ-সভাপতি- নাসরিন আক্তার

সাধারণ সম্পাদক- আরিফুল ইসলাম আদীব
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মোঃ শাকিল মিয়া
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মাজহারুল ইসলাম
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- নাজমুল হাসান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- শাহ মোহাম্মদ সাগর
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- জহির ফয়সাল
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মোস্তাফিজুর রহমান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- আশিক শিশির
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- সুবর্ণা আক্তার রিয়া
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- রহমতউল্লা রবিন নিহাল
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- বিপ্লব পাটোয়ারী
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- হাফেজ মাহমুদুল হাসান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- এই. এম. রুবেল
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- রবিউল আজম
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- তৌহিদুল ইসলাম
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ফরহাদ হোসেন রাজ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- রাত্রি আটিয়া
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মাহমুদুল হাসান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- গিয়াস উদ্দিন

সাংগঠনিক সম্পাদক- মোল্যা রহমাতুল্লাহ্
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মোয়াজ্জেম হোসেন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মাহমুদুল হাসান
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- এস. এম. মহিউদ্দিন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- তৌহিদুল ইসলাম তুহিন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- আলী হোসেন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- আলহাজ্ব আহম্মেদ জীবন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- নাইমা ইসলাম
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মামুনুর রশীদ মামুন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- লোকমান হোসেন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- আল আমিন আটিয়া
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- নজরুল করিম সোহাগ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- রুবেল মাহমুদ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মো. রাসেল সরকার
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- সাহিবা আক্তার
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মো. ফয়সাল ইসলাম
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- জুবায়ের হোসাইন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- তৈমুর রহমান বাঁধন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- আলী হোসাইন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- কান্তা ইসলাম (সাবা)
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মো. সবুজ মিয়া
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- নুরুল ইসলাম

দপ্তর সম্পাদক- মোহাম্মাদ সানাউল্লাহ
উপ-দপ্তর সম্পাদক- তৌসিফ মাহমুদ সোহান
উপ-দপ্তর সম্পাদক- সারোয়ার হোসাইন মুন্না
উপ-দপ্তর সম্পাদক- উম্মে সালমা জান্নাত

অর্থ সম্পাদক- প্রিয়ম আহমেদ (রাব্বী)

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মাদ রাসেল আহম্মেদ
সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মনজিলা মাতুব্বর রিমি
সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- নুসাইবা তাসনিম সাবা

সাহিত্য সম্পাদক- মো. ফয়সাল
সহ-সাহিত্য সম্পাদক- জিসান মাহমুদ

সাংস্কৃতিক সম্পাদক- প্রেরণা পারমিতা

প্রবাসী ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক- গাজী সাদ্দাম

সমাজসেবা সম্পাদক- মো. সজল মিয়া
সহ-সমাজসেবা সম্পাদক- অনিক আহমেদ
সহ-সমাজসেবা সম্পাদক- জিসান আহমেদ বিপু
সহ-সমাজসেবা সম্পাদক- সাবিকুন নাহার কেয়া

ক্রীড়া সম্পাদক- মো. শাহীন
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক- দেলোয়ার হোসাইন
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক- আবদুল্লাহ আল মামুন

গণযোগাযোগ সম্পাদক- নূর নাহার বৃষ্টি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক- আবু বকর খাঁন
সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার সম্রাট

শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক- রুদ্র মুহম্মাদ জিহাদ
সহ-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক- মারুফ আল হামিদ
তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক- নাজমুল হাসান

আইন সম্পাদক- আবদুল্লাহ বিন আফতাব (শুভ)
সহ-আইন সম্পাদক- একরাম হোসাইন

সাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক- একরামুল হক আবির
সহ-সাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক- সুমাইয়া সাফিনাজ ইভা

জনসাস্থ্য সম্পাদক- তাসরিনা আজাদ

পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক- এস এম আবিদ শিহাব
সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক- আলী হাসান চৌধুরী
সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক- মাসুদ পারভেজ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পাদক- আসিফুল মাহবুব নয়ন
সহ-সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পাদক- নাইমুর রহমান

ছাত্রী সম্পাদক- রোকেয়া জাবেদ মায়া
সহ-ছাত্রী সম্পাদক- সিনথিয়া আক্তার সুমনা

পাঠাগার সম্পাদক- আবু হোসেন ফরহাদ
সহ-পাঠাগার সম্পাদক- ইসমাইল হোসেন

মানবাধিকার সম্পাদক- আফাক আহম্মেদ
সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- রাকিব মাহমুদ

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- মুনতাসীর মাহমুদ

কৃষি সম্পাদক- ফোরকান বিন ফরিদ
সহ-কৃষি সম্পাদক- রাশেদুল ইসলাম
সহ-কৃষি সম্পাদক- জয় চন্দ্র দে

মানবসম্পদ সম্পাদক- মাহবুবুল আলম (তোফায়েল)
সহ মানবসম্পদ সম্পাদক- মো. আকাশ আলী

স্কুল সম্পাদক- মো. সেলিম হোসেন
সহ-স্কুল সম্পাদক- নাইম হোসেন বাপ্পি

পরিকল্পনা সম্পাদক- রাসেল মাহমুদ
সহ-পরিকল্পনা সম্পাদক- খালিদ মাহমুদ তন্ময়

গণ শিক্ষা সম্পাদক- এ. আর. রাজিব
সহ গণ শিক্ষা সম্পাদক-আরিফ দাঁড়িয়া

ত্রাণ ও দূর্যোগ সম্পাদক- আশফাক শরীফ
সহ ত্রাণ ও দূর্যোগ সম্পাদক- মাহাদী হাসান

সদস্য- শামীম ইসলাম
সদস্য- ইমাম শেখ
সদস্য- মোত্তাকিন মন্ডল
সদস্য- নুর হোসেন
সদস্য – হৃদয় হোসাইন
সদস্য- ওয়াহাব বিন আবদুল্লাহ
সদস্য- তসলীম হোসাইন
সদস্য- তোফায়েল আহমেদ

আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে

সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাসসের।

আবহাওয়া অফিসসূত্র জানায়, ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আগামী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, একই সময়ে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তাসারে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে ৩২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভোটের মাঝপথে বিশেষ বৈঠক ডেকেছে ইসি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মাঝপথে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুই ধাপে ইউপিতে সহিংস ভোটের পর এ বৈঠকের আয়োজন করল ইসি। আগামীকাল নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এই বিশেষ সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, পুলিশের আইজি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মহাপরিচালকদের অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে ইসি। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সহস্রাধিক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন পিছিয়ে গেছে। পঞ্চম ধাপের নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। ভোট পিছিয়ে জানুয়ারিতে নেওয়া যাচ্ছে। সোমবার কমিশন সভায় এ ধাপের ভোটের তফশিল ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। তবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হচ্ছে। আগামী শনিবার অনুষ্ঠেয় কমিশন সভায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ ও কয়েকটি পৌরসভার তফশিল ঘোষণা হতে পারে।

গত ২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপের ৩৬৪টি এবং ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপের ভোটের দিন তিনজন করে মোট ছয়জন মারা যান। দ্বিতীয় ধাপে ভোটের দিন মারা গেছেন সাতজন। আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে এক হাজার তিন এবং চতুর্থ ধাপে ২৩ ডিসেম্বর ৮৪০টি নির্বাচন হবে। এমন অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বৈঠক আয়োজন করল ইসি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম যুগান্তরকে বলেন, ভোটে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটছে। সেগুলো নিয়ে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। তাদের বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনাও দিয়েছি। তবুও বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনার খবর গণমাধ্যমে আসছে। তাই আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামনে কমিশনের বৈঠক আছে। দেখি ওই বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা ওঠে কিনা। তবে আমরা নির্বাচনটি করে যেতে চাই।

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয়। দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোট করে সেলিনা হায়াৎ আইভী মেয়র হন। ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি করপোরেশনের প্রথম সভা হয়। এ হিসাবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি মেয়াদ শেষ হবে বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের। এ সিটিতে নির্বাচন আয়োজনে ইসিকে সম্মতিও দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

ভোটের মাঝপথে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক : দুই ধাপে ১১৯৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ বৈঠক করতে যাচ্ছে ইসি। বৈঠক সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, তৃতীয় ও পরবর্তী ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং ১২টি পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ভোটের মাঝপথে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকটি ব্যতিক্রম। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে প্রত্যেকবারই বড় আকারে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকের আয়োজন করেছে ইসি। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের আগেও এ ধরনের বৈঠক করেছিল তৎকালীন কমিশন। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নিতেন।

ওই বৈঠকে ইসি নির্বাচনের পরিবেশ ও করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন। তারা বলেন, এবার সে ধরনের বৈঠকের আয়োজন করেনি বর্তমান কমিশন। নির্বাচনে সহিংসতায় মানুষের মৃত্যু হলেও করোনার অজুহাতে শুরু থেকেই অনেকটা নির্লিপ্ত ছিল। সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করে ইসি। কিন্তু ওই বৈঠকে শীর্ষ কর্মকর্তাদের রাখা হয়নি। এবার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করলেও সেখানে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ডাকা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, তৃতীয় ধাপে এক হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন রয়েছে। চতুর্থ ধাপেও আট শতাধিক ইউপিতে ভোট হবে। যেহেতু সামনে বড় আকারের নির্বাচন এবং মাঠ পর্যায়ে সহিংস ঘটনার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে তাই আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক ডাকা হয়েছে। নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সহিংস ঘটনার আগেই যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকেন-সেই নির্দেশনা ইসির পক্ষ থেকে দেওয়া হতে পারে।

“ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে বিনোদনের সুযোগ পেল মজার ইশকুলের শিক্ষার্থীরা”

ভোরের সদ্যফোটা পবিত্র কিছু ফুল অনাদরে পড়ে থাকে পথের ধারে। বিবেকবর্জিত সমাজে তাদের কেউ বলে
পথকলি, কেউ বলে টোকাই, কেউ বলে পথশিশু। সুবিধাবঞ্চিত পথ শিশুদের নির্মল আনন্দ ও চিত্ত বিনোদনের
জন্য দেশসেরা বিনোদন পার্ক ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স গত ১৩ই নভেম্বর ২০২১ ইং ও ২০ নভেম্বর ২০২১ইং ফ্রি টিকেটে ৩০০ পথশিশুর পার্কে প্রবেশ, বিভিন্ন রাইডে চড়ার সুযোগ, ঢাকা থেকে ফ্যান্টাসি কিংডমে বিনামূল্যে যাতায়াত ব্যবস্থা প্রদান, সকাল এবং দুপুরের খাবারের আয়োজন সহ সারাদিন বিনোদনের ব্যবস্থা করেছে।

অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের এক মহতী উদ্যোগ মজার ইশকুল। এই মজার স্কুলে সমাজের এই সুবিধাবঞ্চিত
পথশিশুদের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাতে, স্বপ্নের মত এক কল্পনার রাজ্যে যেন নিজের মত করে আনন্দে আত্মহারা হয়, যা তাদের বাড়ন্ত জীবনে অসম্ভব, পথশিশুদের এমনই এক সুযোগ করে দেয় কনকর্ড গ্রুপ। অদম্য ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সাথে দেশের সুবিখ্যাত এমিউজমেন্ট পার্ক ফ্যান্টাসি কিংডম একাত্মতা ঘোষণা করে পথশিশুদের কল্পনার রাজ্যে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানোর আর ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ তৈরি করে
দেয়।

গত ১৩ই নভেম্বর ২০২১ ইং তারিখে মজার ইস্কুল-ফ্যান্টাসি কিংডম ট্যুরে অংশ নিয়েছিল ১৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু। এর পরের সপ্তাহে, ২০ নভেম্বর ২০২১ ইং তারিখে উপরোল্লেখিত ট্যুরে আরও ১৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু অংশ নিয়ে আনন্দে উদ্ভাসিত হয়। এই ট্যুরের পুরোদিনটিতেই তাদের মাঝে ছিল একপ্রকার কল্পনাতীত খুশির আমেজ। জীবনের সকল কষ্ট, অভাব, দুঃখ, অবসাদ ভূলে তারা যেন খুজে পেয়েছিল নতুন জীবনের এক অবারিত আনন্দের স্বাদ।

এ প্রসংঙ্গে, কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনুপ কুমার সরকার বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরেই প্রতিটি মানুষের কিছু সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকা উচিৎ। কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট লিঃ ও এর ব্যতিক্রম নয়। কোমলমতি শিশুদের বিনোদনের বিশেষ আকর্ষণ এই এমিউজমেন্ট পার্ক। সেইক্ষেত্রে অর্থাভাবে এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের এসব পার্কে এসে ঘুরেফিরে বিভিন্ন রাইডে চড়ে আনন্দ করার কোন সুযোগই থাকেনা। তাই মজার ইশকুলের পথশিশুদের আনন্দ দানের এই মহতী উদ্যোগকে আমরা ফ্যান্টাসি কিংডম সাধুবাদ জানিয়ে তার সাথে যুক্ত হতে পেরে আনন্দিত ও গর্বিত। আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যত। আমাদের সকলের উচিত শিশুদের জন্য নির্মল আনন্দ আর চিত্ত বিনোদনের জন্য যথাসম্ভব ব্যবস্থা করা। কারণ মানসিক বিকাশে বিনোদন অপরিহার্য আমার আপনার সন্তানের মত এই সকল সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদেরও রয়েছে ভালভাবে সমাজের সকল সুবিধা নিয়ে বেচে থাকার সমান অধিকার।

করোনাকালীন দীর্ঘ সময়ে সকল শিশুরা ছিল ঘরবন্দী। ফ্যান্টাসি কিংডম সহ দেশের সকল বিনোদন পার্কগুলো
বন্ধ ছিল সরকারী নির্দেশনায়। করোনার প্রকোপ কমাতে পার্কগুলো খুলে দেওয়ার পর মজার ইস্কুল ও ফ্যান্টাসী কিংডমের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের দুই দিনব্যাপী বিশেষ বিনোদনের ব্যবস্থা করা এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। যা পথশিশুদের জন্য কিছু করার ক্ষেত্রে অন্যদেরও উদ্ভুদ্ধ করবে। এইভাবে সকল পথশিশুদের মাঝে মুখে হাসি ফুটে উঠুক অবিরত।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক- এর ২৬-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড- এর ২৬-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ নভেম্বর ২০২১ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কাটেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: আনোয়ারুল আজিম আরিফ। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালক মো: কামাল উদ্দিন ও ডা: মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ তাজুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, মোঃ সিরাজুল হক, মোঃ সামছুল হক ও মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, কোম্পানি সচিব আব্দুল হান্নান খান এবং অন্যান্য নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দেশব্যাপী ব্যাংকের ১৬৯টি শাখা, ৯৬টি উপশাখা এবং ১৯১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: আনোয়ারুল আজিম আরিফ ব্যাংকের ২৬ বছরের অগ্রযাত্রার সহযাত্রী সম্মানিত গ্রাহক, শেয়ার হোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সকল শুভানুধ্যায়ীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান। স্বাগত ভাষণে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী ব্যাংকের বিভিন্ন অর্জনের কথা তুলে ধরেন এবং ব্যাংকটির শীর্ষস্থান ধরে রাখার জন্য কঠোর পরিশ্রম ও উত্তম গ্রাহক সেবার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের মাস্টারকার্ডের এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড ২০২০-২০২১ এ দু’টি শাখায় এ্যাওয়ার্ড অর্জন

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি) গত নভেম্বর ১৮, ২০২১ তারিখে মাস্টারকার্ডের পক্ষ থেকে ‘অনলাইন এ্যাকুয়ারিং বিজনেস’ ও ‘ডমেসটিক ডেবিট বিজনেস’ এই দুই শাখায় এ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

ইউসিবি’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আরিফ কাদরীর নিকট এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব এম. এ. মান্নান এমপি।

উদ্ভাবন ও সাফল্যে অবদান রাখায় মাস্টারকার্ডের পার্টনার হিসাবে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এবং এ সংক্রান্ত ডিজিটাল দক্ষতা বিষয়ক ভার্চুয়াল জ্ঞান ও সচেতনতা সেশনের আয়োজন

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি)গত ১৮ নভেম্বর ২০২১ তারিখে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এবং এ সংক্রান্ত ডিজিটাল দক্ষতা বিষয়ক ভার্চুয়াল জ্ঞান ও সচেতনতা সেশনের আয়োজন করে। ইউসিবি, তার ডিজিটাল ব্যাংকিং পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় রেখে নতুন ব্যবসায়িক প্রযুক্তি গ্রহণ করছে যাতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদায় পিছিয়ে পড়তে না হয়। ভার্চুয়াল সেশনে ইউসিবি’র সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম, বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনটি সমন্বয় করে পিডব্লিউসি।