শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 623

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সৌদিতে অস্ত্র পাঠাচ্ছে ইতালি

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সৌদি আরবে অস্ত্র পাঠানো অব্যাহত রেখেছে ইতালি। দেশটির স্বায়ত্তশাসিত বন্দর শ্রমিকদের সম্মিলিত ইউনিয়ন এ তথ্য জানিয়েছে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, ট্যাংক হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য অস্ত্রভর্তি কয়েকটি কার্গো জাহাজ ইতালির বন্দর থেকে সৌদি আরবের দিকে রওনা হয়েছে। খবর ফার্স নিউজের।

স্থানীয় বন্দর আইন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করে এসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছে বলে সংগঠনটি জানায়।

ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করার অপরাধে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি নিষিদ্ধ করে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইতালি একটি আইন পাস করে।

কিন্তু গত জুন মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত হুমকি দিয়ে বলেছিল যে, যদি এই আইন বাতিল করা না হয়, তা হলে আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি থেকে ইতালির যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টার প্রত্যাহার করে নিতে হবে। এর পর ইতালি বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা শিথিল করে।

ইতালির বন্দর শ্রমিকরা বলছেন, সম্প্রতি জেনোয়া বন্দর দিয়ে মার্কিন নির্মিত ট্যাংক সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে।

সম্মিলিত বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্যানুযায়ী, ইতালির তৈরি অস্ত্র সৌদি আরবের কাছে রফতানি নিষিদ্ধ থাকার কারণে ইতালিতে অস্ত্র অ্যাসেম্বল করে রিয়াদে পাঠানো হচ্ছে।

বন্দর শ্রমিকদের সংগঠন এবং দি উইপন ওয়াচ নামের আরেকটি স্বাধীন সংগঠন জানিয়েছে, মাঝেমধ্যেই জেনোয়া বন্দর দিয়ে সৌদি আরবে অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে এবং প্রতিবারই বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এ নিয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

‘অতীত ভুলে’ তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চায় আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (এমবিজেড) বর্তমানে তুরস্ক সফর করছেন।

তার এ সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা করবে বলে জানা গেছে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

২০১২ সালের পর থেকে এই প্রথম সরকারি সফরে তুরস্ক এলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ। যাকে আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক মনে করা হয়।

আঞ্চলিক পর্যায়ে দেশ দুটি নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার পর এটিই প্রথম আমিরাতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তার আঙ্কারা সফর।

এর আগে যুবরাজের ভাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আগস্টে তুরস্কে সফর করেন। সেটি ছিল সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রথম কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও তাদের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

তুরস্কের কর্মকর্তারা এমবিজেডের সফরকে ‘নতুন যুগের শুরু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। লিবিয়ায় আঙ্কারার স্বার্থ ক্ষুণ্ন করা এবং ২০১৬ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে অর্থায়নের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দায়ী করে তুরস্ক। এর পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে। এ ছাড়া সিরিয়া ও কাতার নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান।

সম্প্রতি তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাত যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা নজর কেড়েছে আমিরাতের। বিশেষ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে তুরস্ক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধাজাহাজ ও মনুষ্যবিহীন সামরিক যান তৈরি করেছে। দেশটির তৈরি করা বিভিন্ন অস্ত্র ইতোমধ্যে সাফল্য দেখিয়েছে। এসব কারণে আরব আমিরাত চাইছে তুরস্কের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে আনতে। এমন পরিস্থিতিতে এমবিজেডের এ সফরকে ঘিরে আবারও সম্পর্কোন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে আঙ্কারা ও আবুধাবি।

কালোটাকা সাদায় সাড়া নেই

গত অর্থবছর (২০২০-২১) কালোটাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ‘বিশেষ’ সুবিধা অনেকে লুফে নেন। অপ্রদর্শিত জমি-ফ্ল্যাট এবং লুকানো নগদ অর্থ ও ব্যাংক আমানত রিটার্নে প্রদর্শনের হিড়িক পড়ে। এবার পুরোটাই উলটো চিত্র। চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) কালোটাকা বিনিয়োগের সাড়া নেই। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, জমি-ফ্ল্যাট, নগদ অর্থ ও ব্যাংক আমানত রিটার্নে প্রদর্শন করেছে হাতেগোনা কয়েকজন।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শেয়ারবাজারসহ কয়েকটি খাতে করহার বাড়িয়ে নীতিমালা কিছুটা কঠোর করায় এবার কালোটাকা সাদা করার প্রবণতা কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগ করেছেন মাত্র ছয়জন। যেখানে গত অর্থবছর ‘বিশেষ’ সুবিধা দেওয়ায় বিনিয়োগ করেছিলেন ২৮৬ জন। এবার কালোটাকা বিনিয়োগের বিপরীতে কর আদায় হয়েছে ৮১ লাখ টাকা, গতবার আদায় হয়েছিল ৪০ কোটি টাকার বেশি। এবারের ছয়জনের মধ্যে তিনজনই ময়মনসিংহ কর অঞ্চলের করদাতা। গতবার বিশেষ সুবিধা থাকার পরও ময়মনসিংহ থেকে একজনও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেননি।

অন্যদিকে লুকানো নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র রিটার্নে প্রদর্শনের আগ্রহে ভাটা পড়েছে। গত অর্থবছরে যেখানে ৭ হাজার ৫৫ জন করদাতা লুকানো নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র রিটার্নে প্রদর্শন করেছিলেন, চলতি অর্থবছরের অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে মাত্র ৭০ জন তা করেছেন।

এক্ষেত্রে এনবিআর-এর কর আদায়ও কমেছে ব্যাপক হারে। এক হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা আদায় হয়েছিল গত অর্থবছর। এবার সেটি সর্বসাকুল্যে ঠেকেছে সাড়ে ৬ কোটি টাকায়। অপ্রদর্শিত জমি-ফ্ল্যাট প্রদর্শনের অবস্থা আরও ভয়াবহ। অক্টোবর পর্যন্ত জমি প্রদর্শন করেছেন ৪৯ জন। আর ফ্ল্যাট প্রদর্শন করেছেন ১৮৪ জন। গতবার যেখানে জমি প্রদর্শন করেছিলেন এক হাজার ৬৪৫ জন এবং ফ্ল্যাট প্রদর্শন করেছিলেন ২ হাজার ৮৭৩ জন। সবচেয়ে বেশি জমি-ফ্ল্যাট প্রদর্শন করেছেন গাজীপুরের করদাতারা।

কেন এই অবস্থা : গত অর্থবছর কালোটাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে এনবিআর ‘বিশেষ’ সুবিধা দিয়েছিল। যেখানে একজন করদাতাকে বিনা প্রশ্নে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। চলতি অর্থবছরে অর্থনীতিবিদ, পেশাজীবীদের চাপের মুখে এনবিআর আইনটি পরিবর্তন করে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ করের পাশাপাশি ৫ শতাংশ জরিমানা আরোপ করা হয়। অর্থাৎ শেয়ারবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগ করতে চাইলে ২৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হবে। এত বিশাল কর ব্যবধান বিনিয়োগে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসূর রহমান বলেন, এটাই তো হওয়ার কথা ছিল। কর বেশি থাকলে কেউ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবে না, বিষয়টি বাজেটের আগে আমরা এনবিআরকে বলেছিলাম। এখন তাই হয়েছে। গতবারের মতো সুযোগ দেওয়া হলে শেয়ারবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থের বিনিয়োগ বাড়বে।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ছায়েদুর রহমান বলেন, বিনিয়োগ কমে যাওয়াটাই তো স্বাভাবিক। নিয়মিত আয়করের অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে কেউ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে আসবে না। গতবার বিশেষ সুযোগ দেওয়ায় বিনিয়োগ বেড়েছিল। এবার সুযোগ বন্ধ করে দেওয়ায় কালোটাকার অপব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছর লুকানো নগদ অর্থ, সব ধরনের ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র রিটার্নে প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও কর বাড়িয়েছে এনবিআর। যেমন গতবার লুকানো অর্থ রিটার্নে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কর দিলেই চলত। এবার সেটি বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অবশ্য চলতি অর্থবছরে উৎপাদনশীল খাতে কালোটাকা বিনিয়োগের বিশেষ সুবিধা (১৯এএএএএএ) দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের যে কোনো জায়গায় ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালোটাকায় শিল্পকারখানা করা যাবে।

এ পদ্ধতিতে টাকা সাদা বা বিনিয়োগ করলে দুদক বা অন্য কোনো সংস্থা প্রশ্ন করবে না। যদিও ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকেই ১০ শতাংশ কর দিয়ে (১৯ডিডি) শিল্পে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে সেটি শুধু হাইটেক পার্ক বা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এ সুবিধার ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে।

কালোটাকার ইতিহাস : স্বাধীনতার পর থেকে নানাভাবেই কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। মূলত কালোটাকাকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে এ সুযোগ দেওয়া হয়। ১৯৭১-৭৫ সাল পর্যন্ত ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা সাদা করা হয়। সে সময়ে সরকার এ থেকে মাত্র ১৯ লাখ টাকা আয়কর পায়। পরবর্তীকালে এ সুবিধা বহাল থাকায় প্রতিবছরই কালোটাকা সাদা করার পরিমাণ বাড়তে থাকে। ’৭৬-৮০ সাল পর্যন্ত ৫০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা সাদা করা হয়, সরকার আয়কর পায় ৮১ লাখ টাকা।

’৮১-৯০ পর্যন্ত ৪৫ কোটি টাকা সাদা হয়, সরকার আয়কর পায় ৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ’৯১-৯৬ পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকা সাদা হয়, আয়কর আদায় হয় ১৫ কোটি টাকা। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ৩২ হাজার ৫৫৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কালোটাকা সাদা করার সুযোগ নিয়েছিলেন। এরপর গত অর্থবছরেই সর্বোচ্চসংখ্যক করদাতা কালোটাকা সাদা করার সুবিধা নিয়েছিলেন।

সূচকের পতনে চলছে লেনদেন

এ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের পতনে চলছে লেনদেন।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ১২টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইপ্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ৩৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৮৭৮ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪৪৪ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২৬১১ পয়েন্টে।

এদিনে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ১৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টি কোম্পানির শেয়ারের।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সিএএসপিআই সূচক ৯৬ পয়েন্ট কমে ২০ হাজার ১৭২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে যুবদলের সমাবেশ চলছে

গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে সমাবেশ করছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শুরু করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভ সমাবেশে রাজধানী এবং এর আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও যোগ দিয়েছেন।

নেতাকর্মীরা অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে নিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমাবেশ ঘিরে রেখেছে।

সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরবের সভাপতিত্বে সমাবেশে যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত রয়েছেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দাবিতে বুধবার এক যৌথসভা শেষে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দেশে রেড অ্যালার্ট কোথায় পেলেন আপনারা, প্রশ্ন ফখরুলের

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। বিএনপি থেকে প্রতিনিয়ত তার শারীরিক অবস্থার আপডেট জানানো হচ্ছে। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গতকাল (মঙ্গলবার) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানারকম ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য প্রচার শুরু হয়।

এই গুজবকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কড়া সতর্কতা অবলম্বন করে গতকাল রাত থেকেই। এ নিয়েও গুজব ছড়ানো হয়েছে। ফেসবুকজুড়ে সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারির ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ যাতে গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে জন্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পুলিশকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এজন্য পুলিশের সব ছুটি বাতিলও করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশজুড়ে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা।

বুধবার পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রও বলেছে, রেড অ্যালার্টের কোনো কারণ নেই। এটি বাড়তি সতর্কতা।

সারা দেশে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারির গুঞ্জন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এগুলো কোথায় পান আপনারা? রেড অ্যালার্ট কোথায় পেলেন আপনারা? হোয়ার? এখানে সরকার কি কোনো বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে? আমি দেখিনি।’

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা এমন প্রশ্ন করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এ গুজবগুলো.. কালকে (মঙ্গলবার) আপনাদেরকে বলছি, এর কোনো ভিত্তি নেই। আজকে এখনো কিছু গুজব ছড়াচ্ছে। আমার মনে হয় যে এটা অত্যন্ত কৌশলে কোনো মহল এই গুজবগুলো ছড়াচ্ছে অসৎ উদ্দেশ্যে।’

তবে কারা এই গুজব ছড়াচ্ছে, তা স্পষ্ট করেননি ফখরুল। তিনি বলেন, ‘ম্যাডামের বিষয়ে আপনারা সরাসরি আমাকে ফোন করবেন, আমি আপনাদেরকে জানাব।

উল্লেখ্য, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত তিন দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। তবে বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার শর্তসাপেক্ষে এ মুক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ বলছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন করা হলেও সরকার তা নাকচ করে দেয়। তাকে দেশে থেকেই চিকিৎসা নিতে হবে বলে শর্তও দেওয়া হয়েছে।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশকে উত্তরণের সুপারিশ অনুমোদন

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সুপারিশ অনুমোদন করেছে জাতিসংঘ।

সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সেশনে মঙ্গলবার এই সুপারিশ গৃহীত হয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা এক টুইটবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সুপারিশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়েছে।

এমন অর্জনকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উল্লেখ করে রাবাব ফাতিমা বলেন, স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের সময় এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমাদের কী হতে পারে।

জানা গেছে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য একমাত্র দেশ হিসেবে তিনটি মানদণ্ডই পূরণ করেছে বাংলাদেশ।

এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) ত্রি-বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় দ্বিতীয়বারের মতো স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের মানদণ্ড পূরণের মাধ্যমে উত্তরণের সুপারিশ লাভ করেছিল বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল ও লাওসের ক্ষেত্রেও একই সুপারিশ করা হয়েছে। এই তিন দেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর প্রস্তুতির সময় পাবে। সাধারণত প্রস্তুতির জন্য তিন বছর সময় দেওয়া হয়। করোনার কারণে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই বাড়তি সময় দেওয়া হলো।

এদিকে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এটিকে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন এবং একে বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রার এক মহান মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যে দেশ জাতিসংঘ নির্ধারিত তিনটি মানদণ্ড পূরণের মাধ্যমে এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের এ অর্জন বিশ্বদরবারে এ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এবং আরও অধিকতর উন্নয়নের যাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।

সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু

দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে আজ। টানা ৮ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত পছন্দের অন্তত পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা হবে না। ১৫ ডিসেম্বর সরকারি হাইস্কুলে লটারি হবে। আর বেসরকারি হাইস্কুলের লটারি হবে ১৯ ডিসেম্বর।

৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের সরাসরি ক্লাস শুরু হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত বছরের মতো এ বছরও বিদ্যালয় থেকে ভর্তি ফরম বিতরণ হচ্ছে না। ফলে এ gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

গত ১৬ নভেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে ভর্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ২০২২ সালের স্কুলে ভর্তি বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে অবস্থিত সব সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন এবং এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদনপত্র পূরণ ও ফি প্রদানসংক্রান্ত কাজ করতে হবে।

করোনার কারণে ভর্তির আবেদন ফি কমানো হয়েছে। চলতি বছর প্রতিটি বেসরকারি স্কুলে আবেদন ফি ২০০ টাকা আর সরকারি স্কুলে ১৭০ টাকা ধার্য ছিল। আগামী বছর একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুলে আবেদন করতে পারবেন একজন শিক্ষার্থী। সে জন্য দিতে হবে ১১০ টাকা।

‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন কামরুন্নাহার

সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ বলেছেন, নিম্ন আদালতের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার মামলার সব নথি পাস কাটিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন, যা ‘অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত’ বলে মত দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার কোনো ধরনের ফৌজদারি বিষয় পরিচালনার ‘উপযুক্ত নন’ বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ গত ২২ নভেম্বর এ রায় দেন। বুধবার রাতে সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ছয় পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

সম্প্রতি বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় পাঁচ আসামির সবাইকে খালাসের রায়ে ঢাকার সপ্তম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কামরুন্নাহারের এখতিয়ারবহির্ভূত পর্যবেক্ষণ বিতর্কের জন্ম দেয়।

মৌখিক ওই পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর পুলিশ যেন মামলা না নেয়। তবে লিখিত রায়ে সে বিষয়টি তিনি রাখেননি।

এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে গত ১৪ নভেম্বর কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে তাকে আর আদালতে না বসার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। আদালত থেকে প্রত্যাহার করে তাকে পাঠানো হয়েছিল আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে।

তখন জানা যায়, স্থগিতাদেশ থাকার পরও হাতিরঝিল থানার ২০১৮ সালের আরেক ধর্ষণের মামলায় আসলাম শিকদার নামে এক আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারক কামরুন্নাহার।

ওই মামলার রায়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৫-এর বিচারক কামছুন্নাহার আসামি আসলাম শিকদারকে খালাস দেন। সে রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট আপিলও করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এতদিন পর কামরুন্নাহারের বিষয়টি গত সপ্তাহে আপিল বিভাগে উঠলে ২২ নভেম্বর তিনি সর্বোচ্চ আদালতের সামনে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেন। সেখানে তিনি বলেন, আসলাম শিকদারের জামিন যে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করেছে, তা তিনি জানতেন না।

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে পুরনো নথি না দেখার বিষয়টি কামরুন্নাহারের ‘অসৎ উদ্দেশ্যের’ ইঙ্গিত করে।

সুতরাং কামরুন্নাহার বাংলাদেশের কোনো আদালতে কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলার বিচার করতে পারবেন না।

স্বাধীনতা শব্দটি কী করে এত প্রিয় হয়ে ওঠে?

শুরুটা বাড়িভাড়া নিয়ে করি। আমি যখন লন্ডনে একটি পরিবারের সঙ্গে একটি কক্ষ ভাড়া নিলাম। আমি তাদের নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করছি, কিন্তু যিনি পুরো বাড়িটা ভাড়া নিয়েছেন তিনি কীভাবে যে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠছেন তা তিনি নিজেই জানেন না। তিনি বলছেন, আপনি ঐ জিনিসটা ভালো করে পরিষ্কার করে রাখবেন, আপনি এ সময় থেকে এ সময়ের মধ্যে আপনার কাজ শেষ করবেন। আসলে এই বাড়িটার মালিকও যে আমি এটা তিনি ভুলে গেছেন।

এখান থেকে শুরু হয় চিন্তা তাহলে তো আমি পরাধীন হয়ে রইলাম। তখন সিদ্ধান্ত হলো একা বাড়িভাড়া করি। এরপর আমি আমার মতো করে ঘুম থেকে উঠি, দরজা খুলতে শব্দ হলে আর অসুবিধা হয় না। তার মানে মনে মনে আমি স্বাধীন। আর এটাই একটা অনিয়মের বিজয়। এবার ফিরলাম দেশ স্বাধীন পূর্ববর্তী অবস্থায়, দেশ আমাদের, কিন্তু চাকরির সুবিধা ভোগ করবে পশ্চিম পাকিস্তানিরা। ব্যাংকের টাকা পূর্ব পাকিস্তানের, চলে যাবে পশ্চিম পাকিস্তান, মায়ের ভাষা বাংলা, না সরকার চাইলো পূর্ব পাকিস্তানে বাংলার পরিবর্তে উর্দু হবে রাষ্ট্র ভাষা, এই যে চাপিয়ে দেওয়া এটাই মানুষকে বাধ্য করে নতুন একটি পথ খুঁজতে আর তার নামই হচ্ছে স্বাধীনতা।

তখন ১৯৫২ সাল। প্রথম শুরু ভাষা আন্দোলনের। আমরা সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের জীবনের বিনিময়ে রক্ষা করলাম নিজের ভাষাকে। সে সংগ্রাম যে কতটা যৌক্তিক ছিল তা বুঝিয়ে দিয়েছে জাতিসংঘ বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা দিয়ে। তারপর ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুথান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির কথা, বাঙালির চিন্তা পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর কাছে। আর মূলত এ থেকেই শুরু স্বাধীনতা সংগ্রামের।

২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু গ্রেফতারের পূর্বে স্বাধীনতার ঘোষণা লিখে যান, পরবর্তীতে তা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হান্নান পাঠ করেন।

৯ মাস সংগ্রামের পরে স্বাধীনতা লাভ করে বাঙালিরা। স্বাধীনতার জন্য ৩০ লাখ লোক শহীদ হোন, ইজ্জত হারান অনেক মা, বোন। পক্ষান্তরে স্বাধীনতা শব্দটি এভাবেই আমাদের হলো। আর আমরা এখন নিজস্ব দেশ, নিজস্ব পতাকা নিয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল একটি জাতি বলা যায়। আজকে আমরা পাকিস্তানসহ অনেক দেশকে পিছনে ফেলে বিশ্বের কাছে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছি। এসবের পেছনে আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা বিশাল ভূমিকা রাখছেন। তাই সময়ের দাবি প্রবাসী ভাইদের জন্য ভিআইপি মর্যাদা নিশ্চিত করা হোক।

মুক্তিযুদ্ধের সময় এই প্রবাসী বাঙালিরা বিশ্ববাসীর সমর্থন আদায় করতেও কাজ করেছিল। তাই সরকারের কাছে আবেদন প্রবাসীদের এ দাবিকে আপনারা সম্মানের সঙ্গে বাস্তবায়ন করুন দয়া করে।