শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 609

খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা

বলা হয়ে থাকে পানির অপর নাম জীবন। এটি বলার কারণ হচ্ছে— পানি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই পানি দিয়ে গঠিত। শরীরের প্রায় সব অঙ্গের স্বাভাবিক ও মসৃণ কার্যকারিতার জন্য পানি অপরিহার্য।

সুস্থ থাকতে নিয়মিত অন্তত দুই লিটার পানি পান করা উচিত আমাদের। পানি আমাদের শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে পানি।

আর পানি পানের সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায় সকালে খালি পেটে পানি করলে। আসুন জেনে নিই খালি পেটে পানি পানের সাত স্বাস্থ্য উপকারিতা—

১. বিপাক ত্বরান্বিত করে
সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা বিপাকীয় হারকে প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। আর এটি করলে তা খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
শরীরে তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে পানি প্রয়োজনীয়। আর নিয়মিত সকালে খালি পেটে পানি পান করার অভ্যাস করলে তা আমাদের ইমিউন সিস্টেমের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে। এটি করলে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

৩. অন্ত্র পরিষ্কার করে
খালি পেটে পানি পান করলে তা আমাদের পরিপাকতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। যখন আমরা প্রচুর পরিমাণে পানি পান করি, তখন মলত্যাগের তাগিদ অনুভব করে শরীর থেকে বর্জ্য পরিত্রাণ পেতে সহায়তা করতে পারে।

৪. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে
সকালে খালি পেটে পানি পান করতে তা আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সহায়তা করে। আমরা যখন প্রস্রাব করি তখন শরীর থেকে তরল আকারে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়। আর সকালে খালি পেটে পানি পান করলে এটি আরও ভালোভাবে হতে পারে। এ ছাড়া শরীর পরিষ্কার করতে ও ফোলাভাব প্রতিরোধ করতেও উপকারী হিসেবে কাজ করে এটি।

৫. মাইগ্রেনের আক্রমণ প্রতিরোধ করে
ঘন ঘন মাথাব্যথা ও মাইগ্রেনের আক্রমণের প্রাথমিক কারণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে শরীরে তরলের অভাব বা ডিহাইড্রেশন। আর খালি পেটে পানি পান করলে তা প্রাকৃতিকভাবে মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ও মাইগ্রেনের আক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। শুধু তাই নয়, পর্যাপ্ত পানি পান করলে সেটি মুখের বা দাঁতের সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।

৬. ওজন কমাতে সাহায্য করে
বেশি করে পানি পান করলে তা আপনাকে দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। এর কারণ হচ্ছে— পানিতে মোটেও কোনো ক্যালোরি নেই, আর ঘন ঘন এটি পান করলে তা পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা বিপাককে দ্রুত করতে সাহায্য করে, তাই এটি দ্রুত ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে।

৭. কোলন পরিষ্কার করে
খালি পেটে পানি পান করলে সেটি জমে থাকা স্লাজ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে ও পুষ্টির দ্রুত শোষণকে সক্ষম করে। আর এর ফলে কোলন স্বাস্থ্য ভালো হয় এবং সামগ্রিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে চাকরির সুযোগ

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ (১ম সংশোধিত) নামে একটি প্রকল্পে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ‘হিসাবরক্ষক’ পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

প্রকল্পের নাম: গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ
পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: গ্রেড-১৩ অনুসারে বেতন হবে
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন
কজের স্থান: ঢাকা

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে।

আবেদনের নিয়ম: আবেদনের জন্য https://erecruitment.bcc.gov.bd/-এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

হাঁপানি কেন হয়, লক্ষণ

শীতকাল এলেই অনেকের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। হঠাৎ শর্দি কাশি থেকেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। আবার যারা হাঁপানির রোগী তাদের এই সময়টা খুব কষ্টে কাটে। সঠিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনে হাঁপানি থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।

হাঁপানির লক্ষণ ও এর কারণ নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।

হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ যার লক্ষণ কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ বোধ হওয়া এবং সাঁ সাঁ শব্দে নিঃশ্বাস ফেলা। কিছু ক্ষেত্রে কাশি ব্যতীত অন্য লক্ষণগুলো থাকে না বিশেষ করে কাফ ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা/হাঁপানি থাকলে।

হাঁপানির কারণ এখনও পরিপূর্ণ শনাক্ত করা যায়নি। বংশগত কারণ এবং পরিবেশের কারণে হাঁপানি ক্রমশ বাড়ছে। ঘরের জমে থাকা ধুলো, বিছানার পোকা, কার্পেট, পুরনো আসবাব, দূষণ, অ্যালার্জি, তামাকের ধোঁয়া ও রাসায়নিক উত্তেজক পদার্থ এগুলোকে হাঁপানি রোগের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। সমাজে একটি প্রচলিত ধারনা রয়েছে যে, হাঁপানি সংক্রামক ও ছোঁয়াচে। প্রকৃতপক্ষে এটি ছোঁয়াচে রোগ নয়।

ভাইরাসের সংক্রমণ, ঠাণ্ডা আবহাওয়া, প্রচণ্ড রাগ বা ভয়, মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম, কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ (অ্যাসপিরিন, পোপ্রানলল, ডাইক্লোফেনাক ও এসিক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ) হাঁপানির সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

হাঁপানি বেড়ে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে নগরায়ণ। চিকিৎসা সংক্রান্ত ইতিহাস এবং পিএনটির (পালমোনারি ফাংশন টেস্ট)/স্পাইরোমেট্রির সাহায্যে হাঁপানি নির্ণয় করা সম্ভব।

হাঁপানির পরিপূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়, কিন্তু নির্দিষ্ট ওষুধের মাধ্যমে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সে সব কারণে হাঁপানি বেড়ে যায়, সেই সব বিষয় এড়িয়ে যেতে হবে। দৈনন্দিন হালকা ব্যায়াম (জগিং) করলে হাঁপানির উপসর্গগুলো কিছুটা কমে।

নীরব ঘাতক’ হতে পারে যে ৬ রোগ

আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম রোগব্যাধি হয়ে থাকে। আর এসব রোগের নানারকম উপসর্গ ও শরীরে অসুস্থতা দেখা দিয়ে থাকে। কিন্তু এমনও কিছু রোগ আছে, যেগুলো আপনার শরীরের নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করে।

সাইলেন্ট কিলার বা নীরব ঘাতক ধরনের রোগগুলো শরীরের ভেতরে ভেতরে নীরব অবস্থায় ক্ষতি করতে থাকে ওবং যে কোনো সময় গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। এমনকি তা আকস্মিক মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

আর এসব রোগ সাধারণত সারাজীবন নিয়ে থাকতে হয়। এ ধরনের সমসা এড়াতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কোনো বিকল্প নেই। ভালো খাবার খাওয়া, স্বাস্থ্যকর রুটিন বজায় রাখা ও ব্যয়াম করার মাধ্যমে এমন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকা যেতে পারে।

তাই সতর্ক থাকতে জেনে নিন ৬ নীরব ঘাতক রোগ সম্পর্কে—

১. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ রোগকে একটি নীরব ঘাতক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হচ্ছে— এটি কোনো বিশেষ লক্ষণ ছাড়াই উদ্ভূত হয়। আর শরীরে ক্ষতি হওয়ার পরে এটির পরিস্থিতি গভীরতা বুঝতে পারা যায়। এটি হার্ট ও ধমনীতে প্রভাব ফেলার পাশাপাশি হার্টঅ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, স্ট্রোক এবং আরও অনেক জটিল ও গুরুতর কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

২. করোনারি আর্টারি ডিজিজ
হৃদরোগের মধ্যে করোনারি আর্টারি ডিজিজ অন্যতম। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে হৃৎপিণ্ডে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী করোনারি ধমনী সংকুচিত হয়ে যায়। আর এর ফলে বুকে ব্যথা (এনজাইনা) বা হার্টঅ্যাটাক হয় এবং এটিই প্রথম লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়।
এটি এতই মারাত্মক যে, এই রোগে আক্রান্ত একজন ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার সময়ও হার্ট ফেইলিওর এবং অ্যারিথমিয়া হতে পারে।

৩. ডায়াবেটিস
প্রাথমিকভাবে ডায়াবেটিস রোগের কোনো উপসর্গ নাও দেখা দিতে পারে। শুধু যখন রোগটি বেড়ে যায়, তখন এটি ক্লান্তি, ওজন হ্রাস, ঘন ঘন প্রস্রাব ও তৃষ্ণা বেশি লাগার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস হলে তা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন হার্ট, কিডনি এবং আপনার দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।

৪. অস্টিওপোরোসিস
অস্টিওপোরোসিস হচ্ছে একটি হাড়ের রোগ। আর এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়শই এটি হয়ে থাকলেও বুঝতে পারে না। কারণ এটি কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ ততক্ষণ পর্যন্ত দেখায় না; যতক্ষণ না কোনো ফ্র্যাকচারের ঘটনা ঘটে বা রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা করা হয়। এ কারণে একে নীরব ঘাতকও বলা হয়। হাড়ের ঘনত্বকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি, এটি মুখের স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।

৫. স্লিপ অ্যাপনিয়া
স্লিপ অ্যাপনিয়া হচ্ছে এমন একটি গুরুতর ঘুমের ব্যাধি যেটিতে ঘুমের সময় জোরে শ্বাস নেওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া এটি জোরে নাক ডাকা, দিনের বেলা চরম ক্লান্তি এবং রাতে ঘুম না হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। গুরুতর স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীরা ঘুমের সময় আকস্মিক মৃত্যু এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। আর এ রোগটি হলে অনেকে বুঝতেই পারেন না। এ কারণে এটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়।

৬. ফ্যাটি লিভার
শরীরে ফ্যাটি লিভার রোগটির বৃদ্ধি ধীরে ধীরে হয় এবং প্রাথমিকভাবে এর কোনো উল্লেখযোগ্য চিহ্ন দেখা যায় না। এ কারণে এটি শরীরে নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করে। এ রোগটি হলে তার শেষ পর্যায়ে সিরোসিস হতে পারে এবং যকৃতের দাগ (ফাইব্রোসিস) এর চূড়ান্ত পর্যায়ে হতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা রচনা

সহকারী শিক্ষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা

জাতীয় পতাকা

ভূমিকা

জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রতিটি বাঙালির গর্ব ও অহংকার। সুদীর্ঘ নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা এ পতাকা অর্জন করেছি। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এ পতাকা আমাদের সব মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্য চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল। এ পতাকাতলে দাঁড়িয়ে দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা শপথ গ্রহণ করেছিলেন দেশ স্বাধীন করার। বীর শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ স্বাধীনতা ও স্বাধীন পতাকা আমাদের প্রত্যেক বাঙালির কাছে সমান শ্রদ্ধার ও সম্মানের।

জাতীয় পতাকা কী

জাতীয় পতাকা একটি দেশের নিজস্বতার স্মারক। প্রত্যেক দেশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসাবে জাতীয় পতাকা ব্যবহৃত হয়। এটি একখণ্ড বস্ত্রবিশেষ, যা গোষ্ঠী, দল, জাতি, দেশ বা সংগঠন তার পরিচায়ক হিসাবে ব্যবহার করে। পতাকার এক প্রান্ত কোনো দণ্ডের সঙ্গে বেঁধে ওড়ানো হয়। যাতে কোনো বিশেষ রং, চিহ্ন, প্রতীক, আদর্শ বা বার্তা চিত্রিত থাকে।

জাতীয় পতাকার মাপ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপ হলো ১০:৬। এর মাঝের লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ দৈর্ঘ্যরে পাঁচ ভাগের এক ভাগ। পতাকার দৈর্ঘ্যরে কুড়ি ভাগের বামদিকের নয় ভাগের শেষ বিন্দুর অঙ্কিত লম্ব এবং প্রস্থের দিকে মাঝখান বরাবর অঙ্কিত সরল রেখার ছেদবিন্দু হবে বৃত্তের কেন্দ্র। যেমন, পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট এবং বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ ফুট।

পতাকা ব্যবহারের নিয়ম

বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ভবন, মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তা ছাড়া কার্যদিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও রাষ্টীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাসভবনে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয়। জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। এক্ষেত্রে পতাকা পূর্ণ তুলে দৈর্ঘ্যরে এক-তৃতীয়াংশ নামিয়ে রাখতে হয়। এবং নামানোর সময় আবার পূর্ণ তুলো পুনরায় নামাতে হয়। ভবনে ব্যবহারের জন্য জাতীয় পতাকার আকার হবে ১০:৬ ফুট বা ৫:৩ ফুট। আর গাড়িতে ব্যবহারের জন্য হবে ১০:৬ ইঞ্চি। আন্তর্জাতিক বৈঠকে টেবিলে ব্যবহারের জন্য হবে ১০:৬ ইঞ্চি।

পতাকা তৈরির ইতিহাস

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য প্রথম জাতীয় পতাকা তৈরি করা হয়। যেখানে লালবৃত্তের মাঝে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র। প্রথম পতাকাটি এঁকেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের ১০৫ নং রুমে বসে শিব নারায়ণ দাশ। বর্তমান পতাকাটির চূড়ান্ত নকশা করেন শিল্পী কামরুল হাসান।

পতাকা উত্তোলনের ইতিহাস

জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর ভিপি আ. স. ম. আব্দুর রব ১৯৭১ সালের ২ মার্চ। এদিনটিকে জাতীয় পতাকা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। জাতীয় সংগীত গাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম পতাকা ওড়ানো হয় ১৯৭১ সালে ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে। বিদেশের মাটিতে প্রথম ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাই কমিশনে জাতীয় সংগীত গেয়ে পতাকা উত্তোলন করা হয়।

চেতনায় জাতীয় পতাকা

জাতীয় পতাকা আমাদের স্বকীয়তার প্রতীক, আমাদের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতীক। যখন জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয় তখন আমাদের হৃদয়ে আনন্দ আর উদ্দীপনার এক শিহরণ সৃষ্টি হয়। শৈশব থেকে জাতীয় পতাকা আমাদের দেশেপ্রেম ও দেশের প্রতি অবিচল আস্থা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের চেতনা জাগায়। তাই আমরা জাতীয় পতাকাকে স্যালুট করি দেশের প্রতি আনুগত্য ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের চিহ্ন হিসাবে।

উপসংহার

কবি বলেছেন,

“হয় যদি হয় জীবন দিতে

হব আগুয়ান

প্রাণ দিয়ে বাঁচাবো মোরা

লাল-সবুজের মান”

এই লাল-সবুজের পতাকা আমাদের প্রত্যেকের জাতীয়তাবোধকে সমুন্নত রাখে। দেশের প্রতি অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়। লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ পতাকা স্মরণ করিয়ে দেয় তাজা রক্তে সিক্ত সবুজ জমিনের কথা। তাই এ পতাকা আমাদের হৃদয়ে দেশপ্রেমের দীক্ষা দেয়, দেশের জন্য নিজকে উৎসর্গ করার প্রেরণা দেয়।

ঢাবির শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের উদ্বোধন আজ

শতবর্ষ পূরণ করতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। শিক্ষা-সংস্কৃতি ও বাঙালির আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার উপমহাদেশের প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শতপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সেজেছে ক্যাম্পাস। নানান রঙে আলোকিত করা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা। ক্যাম্পাসজুড়ে সাজ সাজ রব।

শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে আজ থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যাঞ্চেলর মো. আবদুল হামিদ এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

করোনা মহামারির কারণে জাঁকজমকভাবে শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠান করতে না পারার আক্ষেপ ঘুচাতে আয়োজনের কমতি রাখেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক, টিএসসি, কার্জন হল, উপাচার্য চত্বর, স্মৃতি চিরন্তন, কলা ভবন এবং আবাসিক হলগুলোকে নানা রঙের আলোয় আলোকিত করা হয়েছে। ঢাবি ক্যাম্পাস রীতিমতো উৎসবে পরিণত হয়েছে। নবীন প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহের কমতি নেই।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন ভূটানের প্রধানমন্ত্রী এবং ঢাবির অ্যালামনাই লোটে শেরিং। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শতবর্ষের তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং ‘থিম সং’ পরিবেশন করা হবে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশেনের সভাপতি এ কে আজাদ।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে স্বাধীন জাতিসত্তার বিকাশের লক্ষ্যে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১৯২১ সালের ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্বার উন্মুক্ত হয়। সে সময়কার ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর পরিবেশ গড়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিষ্ঠাকালে তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ জন।

অনুষ্ঠানের সময়সূচি

আজ শতবর্ষ ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।

এদিন বিকাল ৪টায় ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হবে। এতে সম্মানীয় অতিথি থাকবেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম দিনের কর্মসূচি সমাপ্ত হবে।

আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে বিকাল ৪টায় ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক ও সাবেক উপাচার্য ড. একে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ডাক-টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান সমাপ্ত হবে।

৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন ঢাবির বঙ্গবন্ধুর চেয়ার ও অনারারি অধ্যাপক ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। সম্মানীয় অতিথি থাকবেন কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক চন্দ্রিকা এন বিজয়ারত্নে। এদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনের অনুষ্ঠানের সমাপ্ত হবে।

৪ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় ঢাবির সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহাদত আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।

১২ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় ঢাবির সাবেক উপ-উপাচার্য ড. নাসরীন আহমদের সভাপতিত্বে আলোচক থাকবেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রমুখ।

১৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আতশবাজি ও লেজার শোর মাধ্যমে ঢাবির শতবর্ষের কর্মসূচির সমাপ্ত হবে।

সব আসামির নাম না আসায় পরীমনির আপত্তি

মারধর ও যৌন নিপীড়নের মামলায় তিনজনকে আসামি করে পুলিশ যে চার্জশিট দিয়েছে, তাতে এজাহারের ‘অজ্ঞাত পরিচয়’ আসামিদের নাম না আসায় আদালতে আপত্তি জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।

বুধবার ঢাকার ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে তিনি এ বিষয়ে ‘নারাজি’ আবেদন করেন।

পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিচারক হেমায়েত উদ্দিন নথি পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।

অপরদিকে এ মামলায় নাসির ও অমি আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন নাসির ও অমি। তবে মামলার অপর আসামি শহিদুল আলম পলাতক রয়েছেন।

গত ২৭ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন নাসির উদ্দিনের তিন নারী সহযোগী। তারা হলেন—লিপি আক্তার, সুমি আক্তার ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধা।

গত ১৪ জুন চিত্রনায়িকা পরীমনি সাভার থানায় ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে মামলা করার পর দুপুরে ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামি নাসির ও অমিকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় ওই বাসা থেকে মদ ও ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।

ওই বাসা থেকে নাসির ও অমির সঙ্গে তিন নারীকেও গ্রেফতার করা হয়, যাদের ‘যৌন কাজে’ সেখানে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের ভাষ্য।

পরে মধ্যরাতে বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের এসআই মানিক কুমার শিকদার।

এর পর এ মামলায় গত ১৫ জুন আদালত ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া অপর তিন আসামি লিপি আক্তার, সুমি আক্তার ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধাকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বর্তমানে নাসির জামিনে রয়েছেন। তবে অমি কারাগারে আটক রয়েছেন।

আদালতে চিত্রনায়িকা পরীমনি

আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিকে মারধর ও যৌন হয়রানির অভিযোগে করা মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের চার্জশিট গ্রহণ শুনানি হবে আজ বুধবার।

এদিন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৯-এ অভিযোগপত্র গ্রহণ শুনানিতে উপস্থিত হয়েছেন পরীমনি।

পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভী গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল ১০টায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৯-এ হাজির হয়েছেন নায়িকা। এদিন অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানি হবে।

এ মামলায় নাসির ও অমি ছাড়া শহিদুল আলম নামে আরও এক আসামি পলাতক রয়েছেন।

গত ২৭ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন নাসির উদ্দিনের তিন নারী সহযোগী। তারা হলেন—লিপি আক্তার, সুমি আক্তার ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধা।

গত ১৪ জুন চিত্রনায়িকা পরীমনি সাভার থানায় ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে মামলা করার পর দুপুরে ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামি নাসির ও অমিকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় ওই বাসা থেকে মদ ও ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।

ওই বাসা থেকে নাসির ও অমির সঙ্গে তিন নারীকেও গ্রেফতার করা হয়, যাদের ‘যৌন কাজে’ সেখানে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের ভাষ্য।

পরে মধ্যরাতে বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের এসআই মানিক কুমার শিকদার।

এর পর এ মামলায় গত ১৫ জুন আদালত ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া অপর তিন আসামি লিপি আক্তার, সুমি আক্তার ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধাকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বর্তমানে নাসির জামিনে রয়েছেন। তবে অমি কারাগারে আটক রয়েছেন।

উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তান দলে থাকছেন না ‘দুই বুড়ো

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন হোম সিরিজে দল ঘোষণা করতে যাচ্ছে পাকিস্তান। আজকালের মধ্যেই স্কোয়াড ঘোষণা করবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

এই সিরিজে তিনটি ওয়ানডে ও সমানসংখ্যক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুদল। ১৩ থেকে ২২ ডিসেম্বর খেলাগুলো হবে করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে।

টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডের জন্য আলাদা আলাদা দল ঘোষণা করবে পিসিবি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল দ্য নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে দুই বর্ষীয়ান খেলোয়াড় মোহাম্মদ হাফিজ ও শোয়েব মালিককে রাখা হচ্ছে না এটি মোটামুটি নিশ্চিত। তাদের সঙ্গে আরও দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হতে পারে।

টেস্ট-ওয়ানডে খেলা ব্যাট-প্যাট ঘুচিয়ে রাখা ৪১ বছর বয়সি হাফিজ এখনও টি-টোয়েন্টি খেলে যাচ্ছেন। সবশেষ আইসিসি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে দারুণ নৈপুণ্য দেখান ‘বুড়ো’ হাফিজ।

অন্যদিকে হাফিজের সতীর্থ শোয়েব মালিকের বয়স ৪০ ছুঁই ছুঁই। তিনি বিশ্বকাপে দারুণ খেলার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজেও খেলেন। তবে ঢাকা সিরিজে বিশ্রামে ছিলেন।

বিশ্বকাপের পর এ দুই খেলোয়াড়ের অবসরে যাওয়ার গুঞ্জন ছিল। কিন্তু তারা বলছেন এখনও অবসর নিয়ে ভাবছেন না। তাই ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে এই দুজনের খেলার কথা ছিল।

পিসিবি সূত্রে জানা গেছে, এই সিরিজে শোয়েব ও হাফিজকে বিশ্রামে রাখা হচ্ছে। শুধু তাই নয় সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ও অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিমকেও স্কোয়াডে রাখা হচ্ছে না। শেষের দুজন ঢাকায় খেলে গেছেন সম্প্রতি।
তবে পাকিস্তান ক্রিকেট ফ্যানদের জন্য সুখবর হচ্ছে— ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দলে রাখা হচ্ছে- সিমার মোহাম্মদ হাসনাইনকে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে পাকিস্তান দল ৯ ডিসেম্বর করাচি পৌঁছবে। একদিন আইসোলেশনে থেকে তারা অনুশীলন শুরু করবে। ১৩ ডিসেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলবেন বাবর আজমরা।

মেসি-রোনাল্ডো ও শচীন-লারার মধ্যে বোল্টের চোখে সেরা কে

ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে কিংবদন্তি দৌড়বিদ উসাইন বোল্টের আগ্রহ নতুন নয়। সুযোগ পেলেই নেমে পড়েন মাঠে। ইতিহাসের এ দ্রুততম মানবকে দিতে হলো কঠিন কিছু প্রশ্নের উত্তর, যা নিয়ে আগে থেকেই বিভক্ত ক্রিকেট ও ফুটবলপ্রেমীরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের লিডারশিপ সম্মেলনে যুক্ত হয়ে উসাইন বোল্ট এসব প্রশ্নের উত্তর দেন।

এ ছাড়া জ্যামাইকান তারকা করোনা মহামারি, ক্যারিয়ার, বর্ণবাদ, অনুশীলন, তারকা ইমেজ, পিতৃত্ব ও ক্রিকেট নিয়ে ক্রীড়া সাংবাদিক আয়াজ মেননের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।

আয়াজ বোল্টকে কিছু ছোট ছোট প্রশ্ন করেন।

প্রথম প্রশ্ন ছিল— টি-টোয়েন্টি না টেস্ট ক্রিকেট।
বোল্ট: টি-টোয়েন্টি।

এর পরের প্রশ্ন: শচীন টেন্ডুলকার না ব্রায়ান লারা।
বোল্ট: অবশ্যই লারা (একটু ভেবেচিন্তে)।

এর পরের প্রশ্ন: রোনাল্ডো না মেসি।
বোল্ট: ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।

এর পর বোল্টকে আয়াজ জিজ্ঞাসা করেন মাইকেল ফেলপস না উসাইন বোল্ট অলম্পিকের সর্বকালের সেরা।

তখনই হেসে দেন উসাইন বোল্ট।

এর পর বোল্ট বলেন, আমাকে একটু চিন্তা করার সুযোগ দিন। এর পর কিংবদন্তি এ দৌড়বিদ জবাব দেন, উসাইন বোল্ট।

এদিন স্প্রিন্ট ট্র্যাকের কিংবদন্তি উসাইন বোল্ট তরুণ অ্যাথলেটদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শও দিয়েছেন।