শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 600

জিতল বৃষ্টি, মাঠেই আসা হলো না দুই দলের

ঢাকা টেস্টে গতকালের পুনরাবৃত্তি ঘটল আজ। দ্বিতীয় দিনের মতো আজ তৃতীয় দিনেও(সোমবার) জয় হলো বৃষ্টির।

বৃষ্টিতে ভেসেই গেল ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা। মাঠে গড়াল না একটি বলও।

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচের তৃতীয় দিনের খেলা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা তিনদিন বৃষ্টি হচ্ছে। দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলাও শুরু হওয়ার কথা ছিল আধঘণ্টা আগে। কিন্তু রাত থেকে অবারিত ধারায় বোঝাই যাচ্ছিল, সাড়ে ৯টায় আর শুরু হচ্ছে না খেলা।

তাই সবাইকে হোটেলেই থাকার পরামর্শ দেন ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ। দুপুর ১২টা তথা লাঞ্চ বিরতির সময়ও আকাশের কান্না থামাথামির কোনো লক্ষণ ছিল না। ফলে আনুষ্ঠানিক লাঞ্চ বিরতির প্রয়োজন পড়েনি।

অপেক্ষা শুধু ছিল মাঠে বল গড়াবে কি না। অবশেষে ঘোষণা এলো দুপুর ২টায়। সমাপ্তি টানা হলো দিনের খেলার। মাঠেই আসা হলো না দুই দলের।

চতুর্থ দিনের অন্তত ৯৮ ওভার খেলা চালানোর লক্ষ্য থাকবে। তাই খেলা আধঘণ্টা এগিয়ে যথারীতি শুরুর করার চেষ্টা করা হবে সকাল সাড়ে ৯টায়।

ম্যাচের প্রথম দিনে শনিবার চা বিরতির পর আর বল মাঠে গড়ায়নি। গতকাল দ্বিতীয় দিনের নির্ধারিত সময়েও শুরু করা যায়নি খেলা। গতকাল দ্বিতীয় দিনে খেলা হয় মাত্র ৩৮ বল। যেখানে ব্যাট হাতে ২৭ রান তুলতে পারে পাকিস্তান।

তৃতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৬৩.২ ওভারে ১৮৮/২ (আবিদ ৩৯, শফিক ২৫, আজহার ৫২*, বাবর ৭১*; ইবাদত ১২-১-৪৮-০, খালেদ ৭.২-১-২৬-০, সাকিব ১৫-৬-৩৩-০, তাইজুল ১৭-৫-৪৯-২, মিরাজ ১২-২-৩১-০)।

গজারিয়ায় বিদ্রোহী-অজনপ্রিয়দের হাতে নৌকার টিকিট, অসন্তোষ

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ কোনো নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে, পাশাপাশি তাকে ভবিষ্যতে আর দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না- আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে এমন নির্দেশনা থাকলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হতে দেখা যাচ্ছে।

আসন্ন পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গজারিয়া উপজেলার ৭টি ইউপির দুটিতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রাপ্তদের নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সাধারণ জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। একটি ইউনিয়নে বিদ্রোহীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, আরেকটিতে গত নির্বাচনে স্বামী বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকায় তার স্ত্রী তৃণমূলের তালিকায় এক নম্বর থাকার পরও মনোনয়ন পাননি।

দলীয় সূত্র জানায়, গজারিয়া ইউনিয়নে মনোনয়ন পেয়েছেন মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, যিনি গত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন এবং তৃণমূলে মতামতের তালিকায় আছেন তিন নম্বরে। আর ইমামপুর ইউনিয়নে মনোনীত হয়েছেন মো. হাফিজুজ্জামান খান জিতু। তিনি তৃণমূলের মতামতে একটি ভোটও পাননি। এই দুই ইউপিতে প্রার্থী বাছাইয়ে সবচেয়ে বড় বৈষম্য হচ্ছে- তৃণমূলের ভোটে এক নম্বরে থাকা মোসা. ফারহানা আক্তার এ্যানির স্বামী গত নির্বাচনে ইমামপুর ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তিনি মনোনয়ন পাননি। কিন্তু গজারিয়া ইউপিতে গত নির্বাচনে শফিউল্লাহ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েও এবার মনোনয়ন পেয়েছেন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তালেব ভূইয়া। তিনি গত নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে লড়াই করে ৬ হাজার ৯৩৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন।আর ওই নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন মোহাম্মদ শফিউল্লাহ। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে স্থানীয়ভাবে তালিকা তৈরি করলে সেখানেও তৃণমূলের মতামতে যথাক্রমে ৮ ভোট পান আবু তালেব ভূইয়া, ৮ ভোট পান আবুল বাসার এবং মাত্র এক ভোট পান মোহাম্মদ শফিউল্লাহ। পূর্বের নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে এবং তৃণমূল আওয়ামী লীগ তথা ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সমর্থনব্যতীত তিন নম্বরে থেকেও আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছেন শফিউল্লাহ। তার মনোনয়ন পাওয়ার খবরে গজারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সবারই মন্তব্য হচ্ছে- যে ব্যক্তি দলের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিল, তাকে কেন মনোনয়ন দেওয়া হলো।গত পাঁচ বছরে সাধারণ জনগণ এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা তো করেনইনি বরং হয়েছেন আরও বেপরোয়া ও লাগামহীন। যে কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম এবং তার কারণে আওয়ামী লীগের সুনাম ক্ষু্ণ্ণ হবে।

এদিকে গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষিত হতে দেখা গেছে। এই ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী তিনজন হচ্ছেন- মোসা. ফারহানা আক্তার এ্যানি, মো. মেহেদি হাসান সবুজ ও মো. হাফিজুজ্জামান খান জিতু। তৃণমূলের মতামতে এ্যানি পেয়েছেন ১৬ ভোট, সবুজ পেয়েছেন ৪ ভোট। আর জিতু একটি ভোটও পাননি, অর্থাৎ তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে খোদ আওয়ামী লীগের কেউই চায় না। অথচ অজ্ঞাত কারণে শূন্য ভোট পাওয়া জিতুই পেয়েছেন নৌকার মনোনয়ন। বিষয়টি জানার পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা তাদের মতামতের গুরুত্ব না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেকেই বলেন, আমরা দলের ভালো চাই বলে যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনীত করতে সুপারিশ করেছি। কিন্তু যার পক্ষে একটি ভোটও পড়েনি তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে আমাদের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে।এটি দল, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনতে পারে।

এই দুই ইউপির আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য হচ্ছে- এখানে নৌকা প্রতীকের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু বিতর্কিত, অজনপ্রিয় ও জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ায় এই প্রার্থীরা কতটা সুফল বয়ে আনবে, তা নিয়ে পুনরায় ভেবে-চিন্তে যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গজারিয়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবু তালেব ভূইয়া যুগান্তরকে বলেন, আমি গতবার নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এবারো আমি দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলাম।তৃণমূলের মতামতেও আমি এগিয়ে।আমি আট ভোট পেয়েছি।অথচ গতবার নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে যিনি নির্বাচন করে আমার সঙ্গে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন এবং আসন্ন পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে তৃণমূলে মতামতের তালিকায় মাত্র এক ভোট পেয়েছেন, তাকে নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হলো এবার।আমি এই সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনার জন্য দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ (সোমবার) সকালে আবেদন করেছি।আমি আশাবাদী- মাননীয় নেত্রী, মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবেচনা করবেন।

আনোয়ারায় ১০ ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হলেন যারা

পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

রোববার রাত ১১টার দিকে কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়।

প্রার্থী তালিকায় এবার বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলের চারজন বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী নেতার মনোনয়ন না দিয়ে নতুন ও তরুণ নেতাদের এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন— ১নং বৈরাগ ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোয়াব আলী, ২নং বারশত ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অ্যাডহক কমিটির সদস্য বর্তমান চেয়ারম্যান এমএ কাইয়ুম শাহ, ৩নং রায়পুর আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান জানে আলম, ৪নং বটতলী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এমএ মন্নান, ৫নং বরুমচড়া ইউনিয়নের নতুন মুখ মো. শামসুল ইসলাম চৌধুরী, ৬নং বারখাইন ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান হাসনাইন জলিল শাকিল, ৭নং আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেব, ৮নং চাতরী ইউনিয়নে নতুন মুখ তরুণ নেতা আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, ৯নং পরৈকোড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ চৌধুরী, ১০নং হাইলধর ইউনিয়নের আরেক নতুন মুখ কলিম উদ্দিন।

তবে কয়েকজন বর্তমান চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থীও কয়েকটি ইউনিয়নে থাকার আশঙ্কা করছেন নেতাকর্মীরা।

ইউরোপ ও ন্যাটোর অনেক দেশ তুর্কি ড্রোনের প্রতি আগ্রহী

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো জোটের বহু সদস্য দেশ তুরস্কের ড্রোন ও প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতি আগ্রহী বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগ্লু।

আন্তালিয়া প্রদেশে অনুষ্ঠিত বৈশ্বয়িক কৌশলগত প্রতিরক্ষা ও বিমান নির্মাণ শিল্প বিষয়ক সভায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান। খবর ডেইলি সাবাহর।

তবে তুর্কি ড্রোন ও প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতি আগ্রহী দেশগুলোর নাম বলেননি চাভুসগ্লু।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাভুসগ্লু বলেন, ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও শীর্ষ কর্মকর্তারা তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রশংসা করেছেন। লাটভিয়ার অনুষ্ঠিত ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকের মাধ্যমে এসব তথ্য জেনেছি।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্রুতই একটি প্রতিরক্ষা শিল্প বিভাগ চালু করবে বলে জানান চাভুসগ্লু।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের মাঠে শক্তিশালী না হয়ে আলোচনার টেবিলে শক্তিশালী হওয়া যায় না। তাই যুদ্ধের মাঠে শক্তিশালী হতে দরকার স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর এবং স্বাধীন প্রতিরক্ষা শিল্প।

‘কঠিন ভৌগলিক অবস্থানে আমাদের বসবাস। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য, কূটনীতির সঙ্গে প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ব্যবহার করতে হবে’, যোগ করেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তুরস্কের ড্রোনের প্রতি বিভিন্ন দেশের আগ্রহের খবর সরকারের জন্য ইতিবাচক। একই সঙ্গে দেশটি চায় ড্রোনের রপ্তানি বাড়াতে। বিভিন্ন দেশের ড্রোন নিয়ে আগ্রহ এ যুদ্ধাস্ত্রের গুরত্বকে তুলে ধরে।

তুরস্কের সেনাবাহিনী সিরিয়ায় ড্রোন ব্যবহার করেছে। লিবিয়ায় আরব আমিরাত, মিসর, রাশিয়ার সমর্থিত গোষ্ঠীকে হটিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তুর্কি ড্রোন ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। নাগরনো-কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানের জয়ে ছিল তুর্কি ড্রোনের অবদান।

কাবুলে খোলা আকাশের নিচে এখনও হাজারো ক্ষুধার্ত মানুষ

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়ার মধ্যে ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। যদিও এর আগে বিভিন্ন প্রদেশে লড়াই করতে হয়েছে সশস্ত্র এ গোষ্ঠীকে। এ সময় বিভিন্ন প্রদেশ থেকে বহু আফগান আত্মরক্ষার্থে পালিয়ে রাজধানী কাবুলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা এখনও সেখানেই খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন। ক্ষুধা ও নানা সমস্যায় জর্জরিত এসব আফগান যাপন করছেন মানবেতর জীবন।

আফগানিস্তানের শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান। খবর টোলো নিউজের।

খবরে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ও গৃহহীন হাজার হাজার আফগান এখনও কাবুলে বাস করছেন। যাদের জরুরিভিত্তিতে মানবিক সহায়তা দরকার।

কর্মকর্তারা জানান, ইতোমধ্যে চার হাজার অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত আফগান পরিবারকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের নিজ নিজ প্রদেশে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মুহাম্মদ আরসালা খারোটি বলেন, শুধুমাত্র সহায়তা যথেষ্ট নয়। আফগানিস্তানের মানুষ নানা ধরনের সমস্যায় জর্জরিত। তাই তাদের সমস্যার দিকে পরিপূর্ণ নজর দিতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতি পরিপূর্ণভাবে পূরণ করা হয়নি এবং আফগানিস্তানে পৌঁছায়নি।

এদিকে কিছু অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত বেশকিছু মানুষের দাবি, তাদের সমস্যার সমাধান করা হয়নি। এখন জরুরিভিত্তিতে তাদের আশ্রয় দরকার।

হেলমান্দ প্রদেশ থেকে পালিয়ে কাবুলে আশ্রয় নেওয়া ৫০ বছর বয়সি তাওস খান বলেন, আমার দুটি স্ত্রী ও ১৮ সন্তান রয়েছে। শীত প্রায় এসে গেছে। আমাদের ঘরে খাবার নেই। আমাদের বহু সমস্যা রয়েছে।

তাওস খানের প্রথম স্ত্রী শাহ বিবি বলেন, তার আট সন্তান রয়েছে। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তাদের পর্যাপ্ত খাবার নেই এবং সমস্যার কোনো সমাধানও হচ্ছে না। আমরা হেলমান্দ থেকে এসেছি। আমরা ক্ষুধার্ত। আমাদের কিছু নেই।

এদিকে অর্থনীতিবিদরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার ওপর নির্ভরতা থেকে বের হয়ে অর্থনৈতিক ধস ঠেকিয়ে পরিস্থিতি উন্নয়নে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরাজ ফাকিরি নামের এক অর্থনীতিবিদ বলেন, কার্যকর সহায়তা অবশ্যই দিতে হবে। একই সঙ্গে সৃষ্টি করতে হবে কর্মসংস্থান। যেসব প্রদেশ থেকে বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নিতে হবে।

১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। এর বেশ কিছুদিন পর সরকার গঠন করে গোষ্ঠীটি। যদিও নতুন সরকারকে এখনও কোনো দেশ স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে নানা ধরনের সংকটে থেকে বের হতে পারছে না আফগানিস্তান।

বসুন্ধরায় নবাব ডাইনের যাত্রা শুরু

নবাবী খাবারের স্বাদ নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় (লতিফ ম্যানশন) যাত্রা শুরু করেছে নবাব ডাইন রেস্টুরেন্ট।

এ রেস্টুরেন্টে নবাবী কাচ্চি, বাসমতি কাচ্চি, মুরগির রোস্ট, খাসি-গরুর রেজালা, কাবাব, বাদাম শরবত, ফিরনি, জদ্দা ও কোমল পানীয় পাওয়া যাবে। এছাড়াও ছাত্রদের জন্য সুলভ মূল্যে স্পেশাল কাচ্চি ও রোস্ট পোলাও পাওয়া যাবে।

সোমবার দুপুরে কেক ও ফিতা কেটে নবাব ডাইনের উদ্বোধন করেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক মহিলা, শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজী টেলিভিশনের এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা এবং টিভি টুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান বুলবুল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সালমা ইসলাম বলেন, নবাবদের ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে আজ নবাব ডাইন যাত্রা শুরু করলো। আশা করছি, নবাবীদের ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে নবাবরা যে গুণগত মান সম্পন্ন টাটকা খাবার খেত তেমন খাবারই তারা পরিবেশন করবে, পচা-বাসি খাবার থেকে দূরে থাকবে। এটা করতে পারলে অল্প দিনেই নবাব ডাইন সারা দেশে তাদের শাখা বিস্তৃত করতে পারবে।

রেস্টুরেন্টের মালিক এমএম সেকেন্দার বলেন, খাবারে নবাবীদের ঐতিহ্য ও ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে নবাব ডাইন সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। কখনোই আমরা কোয়ালিটির সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করব না।

সূচকের উত্থানে শেষ হলো লেনদেন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে মূল্য সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমেছে।

সোমবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সোমবার ডিএসইতে ৮৮৭ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়।

ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৯৭৮ পয়েন্টে।

অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএস৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২৬৩৪ পয়েন্টে এবং ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়েছে অবস্থান করছে ১৪৬৪ পয়েন্টে।

সোমবার ডিএসইতে মোট ৩৭১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৮টির, কমেছে ১১৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক কমে অবস্থান করছে ২০ হাজার ৪০২ পয়েন্টে।

মন্ত্রী-এমপিরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন: রিজভী

সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ইস্যু নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, দেশের প্রথিতযশা চিকিৎসকরা বলছেন, খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণ হচ্ছে, এ দেশে তার আর কোনো চিকিৎসা নেই। তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে হবে। কিন্তু সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন।

সোমবার খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

সমোবেশে জিয়া পরিবার তথা তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান সম্পর্কে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন রিজভী।

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় বলেন, উপমহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা খালেদা জিয়া। মুসলিম বিশ্বের নির্বাচিত দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী, একবার নয় তিনবার। তিনি আলাদা আলাদাভাবে ২৩ টি আসনে নির্বাচন করে প্রতিটি আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন। সেই নেত্রী সম্পর্কে (ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-এমপি ও নেতা) যে ধরনের ঠাট্টা মশকরা করা হয়-এটা শিষ্ঠাচারের সঙ্গে তুলনা করা যায় না-এরা বেয়াদব। এদের জবাব মুখে দেওয়া যায় না।

তিনি সাবেক জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে আরও বলেন, আপনারা আপনাদের সাহসকে আরও প্রত্যয়ী করেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে আরও ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলুন। এটাই হবে আমাদের আন্দোলনের সফলতার মূলমন্ত্র।

তিনি বলেন, আমাদের নেতা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করেছেন, আমরা আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার অনুসারী এসব কারণে আমরা ব্যর্থ হতে পারি না। আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছেন, সেখান থেকে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শুধুমাত্র আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সফল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরবে, খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন এবং উন্নত চিকিৎসায় বিদেশ যেতে পারবেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক।

বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, সাবেক জনপ্রতিনিধি ইঞ্জি. জাকির হোসেন, শাহে আলম, আবু সাইদ চাঁন, দেওয়ান শফিকুজ্জামান, তমিজ উদ্দিন, কফিল উদ্দিন, দিলদার হোসেন, জাফর ইকবাল হিরন, আমিনুল ইসলাম বাদশা, সরকার বাদল, মোর্শেদ মিল্টন, মশিউর রহমান, নবী নেওয়াজ খান, জয়নাল আবেদিন, আতাউর রহমান আতা, আসিক চৌধুরী প্রমুখ।

 

বক্তব্য প্রত্যাহারের প্রশ্নই ওঠে না: প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনিকে নিয়ে বলা ‘কুরুচিপূর্ণ’ ও ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান।

সোমবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসিকে প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ বলেছেন— তিনি এসব বক্তব্য দিয়ে কোনো ভুল করেননি। এগুলো তিনি প্রত্যাহারও করবেন না কিংবা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে সরকার ও দলের ওপর থেকে কোনো চাপও নেই।

তিনি এমন বক্তব্য দেওয়ার আগে তাকে ‘নোংরা ভাষায়’ আক্রমণ করে কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মুরাদ হাসান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মেয়ের বয়সের চেয়ে সে এক বছরের বড়। আমার কন্যার মতো বয়সি হয়ে যে নোংরা ভাষায় আমাকে নিয়ে ট্রল করেছে, সেটি তো কুচিন্তনীয়। এটি আমার কাছে খুব দুঃখজনক মনে হয়েছে। তার সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমের অনেক ছবি আমার কাছে চলে এসেছে।’

বিভিন্ন টকশো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে।

গত শনিবার একটি টিভি টকশোতে উপস্থিত বিএনপির একজন সাবেক নারী এমপিকে ‘মানসিক রোগী’ বলে অভিহিত করে তার সঙ্গে বিতণ্ডায় লিপ্ত হন তিনি।

রোববার রাতে তার সঙ্গে এক চিত্রনায়িকার কথোপকথনের অডিও ভাইরাল হলে সেই সমালোচনার ঝড় আরও তীব্রতর হয়েছে।

এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীও তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ।

তার সমালোচনা করে বক্তব্য আসছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের দেওয়া বক্তব্য তার ব্যক্তিগত মন্তব্য বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তবে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলবেন সেতুমন্ত্রী।

সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা দুই সিটির মেয়র ও কাউন্সিলরের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া বক্তব্য তার ব্যক্তিগত মন্তব্য। এটা দল বা সরকারের নয়। এ ধরনের বক্তব্য তিনি কেন দিলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।’

গত ৪ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক সাক্ষাৎকারে ডা. মুরাদ হাসান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও নাতনি জাইমা রহমান সম্পর্কে ‘বিদ্বেষমূলক’ ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করেন।

এর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বেসরকারি নারী সংগঠন নারীপক্ষ।

করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু চারজনের

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ হাজার ৫ জনে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ধরা পড়েছে ২৭৭ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৭২০ জনে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করেছে বাংলাদেশ।