শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 554

সুদানে সোনার খনিধসে নিহত ৩৮

সুদানে মঙ্গলবার একটি সোনার খনিধসে কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত হয়েছেন।

দেশটির পশ্চিম খোরদোফান প্রদেশের একটি পরিত্যক্ত সোনার খনিধসে আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। খবর আল অ্যারাবিয়ার।

সুদানের রাষ্ট্র পরিচালিত খনি কোম্পানি এক বিবৃতিতে জানায়, রাজধানী খার্তুম থেকে ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফুজা গ্রামে মঙ্গলবার একটি পরিত্যক্ত খনি ধসে পড়েছে।

এতে অনেকেই আহত হয়েছেন বলা হলেও এর সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা তারা জানাননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, দারসায়া খনিতে বেশ কয়েকটি খাদ ধসে পড়েছে। এতে আগত অন্তত আটজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খনি ধসের বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

ভোট দিলে মদের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন বিজেপি নেতা

সুরাপ্রেমীদের জন্য খুশির খবর দিলেন অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপির সভাপতি সোমু বীররাজু। মাত্র ৭০ টাকার বিনিময়ে মদ দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি।

মঙ্গলবার বিজয়ওয়াড়ায় অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, এমনি এমনিই কম টাকায় মদ পাওয়া যাবে না। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যদি রাজ্যে এক কোটি ভোট পেয়ে জেতে তবেই মিলবে ৭০ টাকার বিনিময়ে মদ।

সোমু বীররাজু জানান, দল যদি রাজ্যে এক কোটি ভোট পায় তা হলে মাত্র ৭০ টাকায় মদ কিনতে পারবে অন্ধ্রপ্রদেশের আমজনতা। যদি আরও রাজস্ব হাতে থাকে, তা হলে মদের দাম ৫০ টাকায় নামিয়ে আনা হবে।

জনসাধারণের উদ্দেশে এ বিজেপি বলেন, ‘ভারতীয় জনতা পার্টিকে এক কোটি ভোট দিন। আমরা মাত্র ৭০ টাকায় মদ সরবরাহ করব। আমাদের যদি আরও রাজস্ব অবশিষ্ট থাকে, তা হলে মাত্র ৫০ টাকায় মদ বিক্রি করা হবে।’

তিনি রাজ্যের ক্ষমতাসীন ওয়াই আর এস কংগ্রেস দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আরও বলেন, রাজ্য সরকার আমজনতার কাছে উচ্চ মূল্যে নিম্নমানের মদ বিক্রি করছে।

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন চলছে।

 

এ সপ্তাহের বুধবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ১০টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে ডিএসইএক্স সূচক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৬ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৪৩৪ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২৫৩০ পয়েন্টে।

এ পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৭টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ৬২টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৫টির।

অপরদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৭০২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ঋণখেলাপিতে দুর্বল ২৫ ব্যাংক

সীমাতিরিক্ত খেলাপি ঋণের কারণে দেশের ৬০ ব্যাংকের মধ্যে ২৫টি ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ৫টি ব্যাংক রয়েছে বড় ঝুঁকির মধ্যে। এদের খেলাপি ঋণের হার বেশি হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ বেড়ে গেছে।

 

একই সঙ্গে বেড়েছে মূলধন সংরক্ষণের হারও। কয়েকটি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতেও পড়েছে। খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন খাতে আটকে রয়েছে মোটা অঙ্কের অর্থ। এর মধ্যে আন্তর্জাতিকভাবেও কয়েকটি ব্যাংকের এলসি সরাসরি গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। তৃতীয় ব্যাংকের গ্যারান্টি লাগছে। ফলে বাড়ছে ব্যবসা খরচ।

গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনতে চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। যেসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি রয়েছে, সেগুলোর ঘাটতি পূরণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ও আদালতে মামলার কারণে কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের ছোবল কমাতে হবে। তা না হলে ব্যাংকগুলো সাউন্ড হবে না। আন্তর্জাতিকভাবেও নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায় খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ব্যাংকগুলোর ঋণের মান ভালো না হওয়ার কারণে খেলাপি বাড়ছে। মানসম্পন্ন ঋণ বিতরণ করতে হবে। এর জন্য দরকার সুশাসন ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ।

সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিকভাবে কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৩ শতাংশের বেশি থাকলে ওই ব্যাংককে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী এ হার ৫ শতাংশের বেশি থাকলে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।

প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে ২০ দশমিক ০৭ শতাংশ রয়েছে সরকারি খাতের ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে। বেসরকারি খাতের ৪২টি ব্যাংকে রয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। বিশেষায়িত তিনটি সরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গড়ে বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। তবে ২টি ব্যাংকের মাত্রতিরিক্ত খেলাপি ঋণ রয়েছে। সব মিলে সরকারি খাতের ৯টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ। সরকারি খাতের ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সবকটিতেই খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের বেশি। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ১৪টির ৫ শতাংশের ওপরে। ৯টি বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে ২টি ব্যাংকের এবং ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংকের সবকটিতে খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি খাতের নতুন প্রজন্মের চারটি ব্যাংককেও খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশের ওপরে।

ব্যাংকগুলোর মধ্যে ৫০ শতাংশের ওপরে খেলাপি ঋণ রয়েছে পাঁচটি ব্যাংকের। এগুলো হচ্ছে, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। এর মধ্যে বেসিক ব্যাংক জালিয়াতির অর্থ আদায় করতে পারছে না। যে কারণে কমছে না খেলাপি ঋণ। কমার্স ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকেরও (সাবেক ওরিয়েন্টাল ব্যাংক) একই অবস্থা। ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের কার্যক্রমে চলছে স্থবিরতা।

এ প্রসঙ্গে সরকারি খাতের একটি ব্যাংকের এমডি বলেন, তিনটি সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকেই চারটি গ্রুপের কারণে খেলাপি ঋণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হলমার্ক, ক্রিসেন্ট গ্রুপ, অ্যানন টেক্স গ্রুপ, বিসমিল্লাহ গ্রুপ ও বেসিক ব্যাংক। এদের কারণে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছিল। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না থাকলে এত বড় ঋণ ব্যাংকের পক্ষে এককভাবে দেওয়া সম্ভব হতো না। আর এত ঋণখেলাপিও হতো না। এখন এসব ঋণ আদায়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইনের ভেতর দিয়ে খেলাপি ঋণ আদায় করা কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ। যে কারণে সরকারি ব্যাংকগুলো ভুগছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক চাপে খেলাপি ঋণ কিনে কয়েকটি ব্যাংক নতুন ঋণ দিতে বাধ্য হয়েছে। ওইসব ঋণও এখন আদায় হচ্ছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, সরকারি ব্যাংকগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুব বেশি তদারকি করতে পারে না। নানা চাপে তাদের খেলাপি ঋণ বেড়েছে। খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ রাখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের মালিকানাধীন দুটি ব্যাংকেরই খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে হাবিব ব্যাংকের ১৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ৯৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

সরকারি খাতের বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ১৯ দশমিক ২৯ শতাংশ খেলাপি ঋণ রয়েছে।

আ.লীগ থেকে ভিপি নুরের দলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান

ভিপি নুরের নতুন রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদ মাগুরা জেলা শাখায় যোগদান করেছেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. বরকত আলী। তিনি উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন মো. বরকত আলী।

এর আগে ২৭ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন তিনি। এ সময় যোগদান করেন- জেলা যুবদল নেতা অ্যাডভোকেট শিবলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহেদ জোয়ার্দার, মুহাম্মাদ রাসেল।

তারা গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে আজীবন থাকার বিষয়ে অঙ্গীকার করেন। পরে মুখে মিষ্টি দিয়ে নতুনদের স্বাগত জানান দলটির সদস্য সচিব নূরুল হক নুর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আক্ষেপ করে মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. বরকত আলী বলেন, আমি একজন অবহেলিত ভাইস চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনীতি করি। উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। কিন্তু কেউ আমাকে দাম দেয় না। কেউ আমাকে মূল্যায়ন করে না। কোনো অনুষ্ঠানে আমাকে ডাকে নাই। সব কিছুতে আমাকে বঞ্চিত করে রেখেছে। আমার থেকে একজন ওয়ার্ড মেম্বারও ভালো অবস্থানে আছে। মনের কষ্টে আমি দল পরিবর্তন করেছি। দেশের মানুষের জন্য কথা বলতে যুব পরিষদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি।

তিনি আরও জানান, আমি গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গেই আছি। তাদের চিন্তা পজিটিভ। দল ছোট হলেও জনসমর্থনে বড়।

মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান জানান, প্রায় ২০ বছর আগে ভাইস চেয়ারম্যান বরকত আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিল। তবে সে কোনো রাজনৈতিক পদে নেই। ভিপি নুরের দলে যোগদানের বিষয়ে আমি কিছু শুনি নাই।

২০১৯ সালের ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা নির্বাচনে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. বরকত আলী (চশমা) ৩০ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিএনপি নেতাদের রাষ্ট্রপ্রতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিলেন হানিফ

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, প্রতিদিন প্রেস ক্লাবের সামনে গলা না ফাটিয়ে ভুলের জন্য রাষ্ট্রপ্রতির কাছে ক্ষমা চান। এটাই উত্তম কাজ। খালেদা জিয়া মারা গেলে বিএনপির অনেক নেতা আছেন খুশি হবেন।

মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসন ও মৌলভীবাজার দি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে বিজয়ের অগ্রযাত্রায় ৫০ বছরে বাংলাদেশের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, খালেদা জিয়া যেমন একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তেমনী একজন দুর্নীতিবাজ। তার নেতৃত্বে দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দৃষ্টি কোণ থেকে খালেদাকে কারাগার থেকে বের করে চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছেন। যার কারণে তিনি উন্মুক্ত আলো বাতাস খেতে পারছেন।

তিনি বলেন, ৭১’এ পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান আদর্শিকভাবে স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষে ছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের নিয়েই তিনি সরকার গঠন করেন।

হানিফ বলেন, লোডশোডিং কী তরুণ প্রজন্ম ভুলে গেছে। গোটা পৃথিবীর মানুষ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দেখছে।

মৌলভীবাজার দি চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের পরিচালনায় ও জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জাতীয় সংসদ সদস্য নেছার আহমদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান, পুলিশ মোহাম্মদ জাকারিয়া ও পৌর মেয়র ফজলুর রহমান প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাচন কমিশন গঠন হবে: আইনমন্ত্রী

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে দিয়েছেন জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিতর্ক করার সুযোগ নেই মন্তব্য করে আনিসুল হক বলেন, এটি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব। উনি এ বিষয়ে যে নির্দেশনা দেবেন সেই অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। সেই কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে।

নির্বাচন কমিশন আইন নিয়ে তিনি বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি যেহেতু এই নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে যেহেতু সংসদে আইন পাশ করা সম্ভব হবে না। তাই আমার মনে হয় যে পদ্ধতিতে আগের কমিশন গঠিত হয়েছিল এবারও সেভাবেই হওয়া উচিত।

‘কারা নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। এখানে কিন্তু রাজনৈতিক ব্যক্তি নেই। সার্চ কমিটিতে যে ছয়জন থাকবেন তাদের একজন আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান, কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল। এই চারজন সাংবিধানিক পোস্ট হোল্ডার বাকি দুজন সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি। এখানে কিন্তু রাজনৈতিক দলের কেউ নেই, সরকারি দলের কেউ নেই। সার্চ কমিটি ১০ জন ব্যক্তিকে বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবেন। এই সার্চ কমিটির কাছে সব রাজনৈতিক দলের নাম দেওয়ার সুযোগ আছে। তাই নির্বাচন কমিশন গঠনে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।’

সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে: আইনমন্ত্রী

সোশ্যাল মিডিয়া এখন সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রসারের কারণে এখন সবাই সাংবাদিক হয়ে গেছেন। সবাই সাংবাদিক হয়ে যাওয়ার কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। যারা পড়ালেখা করে, কাজ করে এই পেশায় আছেন; তারা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের কারণে কোণঠাসা অবস্থায়। আপনারা যারা লেখাপড়া করে সাংবাদিক হয়েছেন, তারা মানসিকভাবে নিজেকে যেভাবে তৈরি করেছেন। কিন্তু ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ঘরের মধ্যে বসেই সাংবাদিকতা করছেন। এই যে পার্থক্য, এই পার্থক্যের জন্য আপনাদের লড়াই করে বেঁচে থাকতে হবে।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আপনারাই কিন্তু আসল সাংবাদিকতা করার জন্য শিক্ষিত-প্রশিক্ষিত। এ জন্য আপনাদের যে জায়গা তথা পেশাদারিত্বের জায়গাটায় যেন অ্যামেচারিজম না আসে, সেদিকে সজাগ করতে হবে। সেই দায়িত্বও আপনাদের। সেই জায়গায় সরকার আপনাদের সব রকম সহায়তা করবে।

সৌরভ করোনা আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে সোমবার রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিসিসিআইয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

টিম ইন্ডিয়ার এই অধিনায়ক করোনার টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন। তিনি সম্প্রতি পেশাগত কাজে এক স্থান থেকে অন্যত্র যাতায়াত করছিলেন। বিভিন্ন পেশাদার কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছিলেন।

৪৯ বছর বয়সি সৌরভের আরটি-পিসিআর টেস্ট পজিটিভ ধরা পড়ে। এর পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে সোমবার রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সৌরভ বর্তমানে কলকাতার উডল্যান্ড নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

এই বছরের শুরুতে তাকে দুদফা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হৃদরোগের সমস্যা দেখা দেওয়ায় তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয়।

বছরের শুরুর দিকে সৌরভের বড় ভাই স্নেহাশিষ গাঙ্গুলীও করোনাক্রান্ত হযেছিলেন।

বিপিএলে দল সাজাতে কার কত খরচ

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর।

টি-টোয়েন্টির এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের প্লেয়ার ড্রাফট অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সোমবার।

আসরে অংশ নিতে আগ্রহী ৬টি ফ্রাঞ্চাইজি নিজেদের মতো করেই নিলাম থেকে পছন্দের ক্রিকেটারদের নিয়ে দল সাজিয়েছে।

নিলামের আগেই বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুসারে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি স্কোয়াডে সর্বোচ্চ ১৪ জন দেশি ও ৮ জন বিদেশি নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। দল সাজাতে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে ফরচুন বরিশাল। আর সবচেয় কম খরচ করেছে খুলনা।

সাকিব আল হাসান আর ক্রিস গেইলের মতো তারকা ক্রিকেটাদের নিয়ে দল সাজাতে সবচেয়ে বেশি ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা খরচ করেছে ফরচুন বরিশাল।

খরচের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মোস্তাফিজ, লিটন, ইমরুল, ফাফ ডু প্লেসি, সুনিল নারাইন ও মইন আলিদের নিয়ে দল সাজাতে ৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা খরচ করেছে বিসিবির সাবেক সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামালের ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

নিলামের একদিন আগে মালিকানা হারানো বিসিবির তত্ত্বাবধানে থাকা ঢাকা মাহমুদউল্লাহ, তামিম, মাশরাফির মতো তারকাদের নিয়ে দল সাজাতে খরচ করেছে ৪ কোটি ১ লাখ টাকা।

খরচের তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছে সিলেট সানরাইজার্স। তাসকিন, বিজয়, মোসাদ্দেক, দিনেশ চান্দিমাল আর রবি বোপারাদের নিয়ে দল সাজাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি খরচ ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সাব্বির, মিরাজ, নাসুম, চাডউইক ওয়ালটন আর রায়াদ এমরিটদের নিয়ে দল সাজাতে খরচ করেছে ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা।

খুলনা টাইগার্স মুশফিক, সৌম্য, থিসারা পেরেরা আর সিকান্দার রাজাদের নিয়ে দল সাজাতে খরচ করেছে ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা।