শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 360

এসএসসি-এইচএসসির সিলেবাস ও নম্বর নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

২০২৩ সালের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা ২০২২ সালের জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে হবে। আর এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষাও ২০২২ সালের জন্য ১৮০ কর্মদিবসের পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে হবে।

মন্ত্রী জানান, আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে এবং উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা জুনে অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া পরীক্ষা পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা সব বিষয়ে হবে এবং পূর্ণ নম্বরে হবে।

তবে এ বছর জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি বলে জানান মন্ত্রী। মহামারির কারণে গত দু বছর অষ্টম শ্রেণির এ সমাপনী পরীক্ষা হয়নি।

সাধারণত ফেব্রুয়ারিতে মাধ্যমিক এবং এপ্রিলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়ে এলেও করোনাভাইরাস মহামারী সেই সূচি পাল্টে দিয়েছে।

২০২০ সালে কোভিডের সংক্রমণ শুরুর আগেই এসএসসির পরীক্ষা নিতে পেরেছিল সরকার। পরে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সে বছর আর এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। তার বদলে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন ফল দেওয়া হয়।

দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ২০২১ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষাও পিছিয়ে যায়। নয় মাস পিছিয়ে নভেম্বরে এসএসসি ও আট মাস পিছিয়ে ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকায় গতবছর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয় তিন বিষয়ে। আর এইচএসসি পরীক্ষা হয় তিন বিষয়ের ছয়টি পত্রে।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার্থীরা নবম শ্রেণিতে ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরাসরি শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে ওমিক্রনের প্রভাব শুরু হওয়ার আগে চলতি বছর ১৪ মার্চ পর্যন্ত সপ্তাহে দু’দিন করে সরাসরি ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০ জানুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওমিক্রনের সংক্রমণে আবারও প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল।

তিনি জানান, গেল ১৫ মার্চ থেকে তারা সরাসরি শ্রেণি কার্যক্রমে সপ্তাহে ছয় দিন করে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সরাসরি শ্রেণি কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে এই নবম ও দশম শ্রেণিতে মিলে সর্বমোট ১৬২ কর্মদিবস শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেওয়া সুযোগ পাবে। যেখানে স্বাভাবিক অবস্থায় তারা ৩১৬ কর্মদিবস ক্লাস করার কথা। তাছাড়া এই শিক্ষার্থীরা ২০২০ সালে ৮ম শ্রেণিতে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাতেও অংশ নিতে পারেনি। এমনকি নবম শ্রেণির পরীক্ষাও দিতে পারেনি।

এসব দিক বিবেচনায় ২০২৩ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা ২০২২ সালের পরীক্ষার জন্য ঘোষিত সিলেবাস অনুসারেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি এসময় আরও উল্লেখ করেন, ‘যদিও এই পুরো সময়টায় তারা টেলিভিশনের ক্লাসে এবং অনলাইন ক্লাসে অংশ নিয়েছে, অ্যাসাইনমেন্ট করেছে। এসব ক্লাস এবং অ্যাসাইনমেন্টগুলো ২০২২-এর পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ১৫০ কর্মদিবসের পরিমার্জিত পাঠ্যসূচি অনুসারেই পরিচালিত হয়েছে।’

রাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু ২৫ মে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হচ্ছে ২৫ মে। এ আবেদন চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। এরপর ১৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চলবে চূড়ান্ত আবেদন।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এএইচএম আসলাম হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার আরও জানান, এবারের ভর্তি পরীক্ষা গতবারের মতো শুধু ১০০টি বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার অর্থাৎ ২০২০ সালে পাশ করা শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের জন্য ফি লাগবে ৫৫ টাকা। বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত আবেদন সার্ভিস চার্জসহ ১১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছর এ (মানবিক), বি (বাণিজ্য) ও সি (বিজ্ঞান) এই তিনটি ইউনিটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ইউনিটের পরীক্ষায় চারটি গ্রুপের প্রতিটিতে ১৮ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে সর্বমোট ৭২ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসতে পারবে। ১ম গ্রুপের পরীক্ষা সকাল ৯টা-১০টা, ২য় গ্রুপের পরীক্ষা বেলা ১১টা-দুপুর ১২টা, ৩য় গ্রুপের দুপুর ১টা-২টা এবং ৪র্থ গ্রুপের বিকাল সাড়ে ৩টা সাড়ে ৪টাপর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম দিন অর্থাৎ ২৫ জুলাই সোমবার ‘সি’ (বিজ্ঞান) পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এই ভর্তি যুদ্ধ শুরু হবে। পরেরদিন ২৬ জুলাই মঙ্গলবার ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের ও শেষের দিন ২৭ জুলাই বুধবার ‘বি’ ( বাণিজ্য) ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে শেষ হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা।

কোন ইউনিটে কত জিপিএ:

এদিকে ‘এ’ ইউনিটের জন্য এসএসসি ও এইচএসসির যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ-৩.০০সহ দুটি মিলিয়ে ন্যূনতম জিপিএ-৭.০০ থাকতে হবে। ‘বি’ ইউনিটের জন্য এসএসসি ও এইচএসসির যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫০সহ দুটি মিলিয়ে ন্যূনতম জিপিএ-৭.৫০ থাকতে হবে ‘‘সি’’ ইউনিটের জন্য এসএসসি ও এইচএসসির যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫০সহ দুটি মিলিয়ে ন্যূনতম জিপিএ-৮.০০ থাকতে হবে।

এছাড়া বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ‘বি’’ ইউনিটে (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট) আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫০সহ মোট জিপিএ-৭.৫০ থাকতে হবে।

এছাড়া ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে www.ru.ac.bd পাওয়া যাবে।

তৃতীয় সন্তানের মা হচ্ছেন ব্রিটনি

সুখবর দিলেন মার্কিন গায়িকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তৃতীয়বারের মতো মাতৃত্বের স্বাদ অনুভব করতে যাচ্ছেন এই সুদর্শনী। সোমবার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নিজেই এ কথা জানান তিনি।

৪০ বছর বয়সি মার্কিন এ গায়িকা সেই পোস্টে নিজের গর্ভাবস্থার কথা জানানোর পাশাপাশি স্যাম আসগারিকে (২৮) বিয়ের কথাও প্রকাশ করেন। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

ব্রিটনি তার পোস্টের বর্ণনায় জানান, প্রথমে তিনি তার শরীর ও ওজনের পরিবর্তনগুলো লক্ষ করেন। পরে টেস্ট করালে তিনি গর্ভাবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

পপতারকা কীভাবে তিনি আগের গর্ভাবস্থায় বিষণ্নতায় ভুগেছিলেন, সেটি নিয়েও বলেন। এ ছাড়া নারীরা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে এখন আরও খোলামেলাভাবে আলোচনা করতে পারে বিষয়টি নিয়েও বলেন তিনি।

এর আগে ২০২১ সালের জুনে ব্রিটনি আদালতে অভিযোগ করেন যে, তাকে বিয়ে করা বা আরও সন্তান নিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। পরে নভেম্বরে আইনি লড়াইয়ে ব্রিটনি স্পিয়ার্স তার বাবা জেমি স্পিয়ার্সের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ থেকে নিষ্কৃতি ও নিজের ছয় কোটি ডলারের সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করার অনুমতি পান।

এ ছাড়া ব্রিটনির আগের বিয়ে থেকে শন প্রেস্টন (১৬) এবং জেডেন জেমস (১৫) নামে দুই ছেলে রয়েছে।

মা হতে চলেছেন ক্যাটরিনা?

বলিউডের অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ কয়েক মাস আগে বিয়ে করেছেন অভিনেতা ভিকি কৌশলকে। দাম্পত্যের চার মাস অতিবাহিত হতেই ক্যাটরিনা অন্তঃসত্ত্বা কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনুরাগীরা।

সাধারণত নায়িকারা ঢিলেঢালা পোশাক পরলে রেহাই নেই। সঙ্গে সঙ্গে আগাম মাতৃত্বের সুখবরের অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অনেক আগে থেকেই সোনম কাপুরকে এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। ঢিলেঢালা পোশাকের জন্যই। এবার সেই প্রশ্নের কেন্দ্রে ক্যাটরিনা কাইফ। ভক্তদের মনে কৌতূহল, ক্যাট কি মা হচ্ছেন?

ভিকি কৌশলের সঙ্গে চার মাসের দাম্পত্যের বিভিন্ন ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন বলিউডের এ নায়িকা। বিয়ের পর তারা যে সমুদ্র-ভ্রমণে গিয়েছিলেন, তার ঝলক মেলে তারকা দম্পতির ইনস্টাগ্রামে। তাদের প্রেমে যেন টিনসেল নগরী লাল রঙে সেজে উঠেছে। তবে কি এবার দুই থেকে তিন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ‘ভিক্যাট’?

শুটিং সেরে মুম্বাইয়ে ফিরেছেন ক্যাটরিনা। সোমবার মুম্বাই বিমানবন্দরে তার দেখা মেলে গোলাপি পোশাকে। ছবি ও ভিডিও তোলেন গণমাধ্যমকর্মীরা। গোলাপি ঢিলেঢালা জামা দেখেই ভর্তি হয়ে উঠেছে ভিডিওর মন্তব্য বাক্স।

একাধিক অনুরাগী জানতে চান— ‘ক্যাটরিনা কি অন্তঃসত্ত্বা?’ কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, ‘ক্যাটরিনা কি মা হবেন নাকি এমনই ঢিলেঢালা জামা পরেছেন? যা-ই হোক, সুন্দর দেখাচ্ছে ক্যাটকে।’ কেউ আবার জোর দিয়েই বলছেন যে, ভিকি ও ক্যাটরিনা তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন।

এখনও এ প্রশ্নগুলোর একটিও উত্তর মেলেনি। সোনম কাপুর থেকে শুরু করে ফারহানপত্নী শিবানী ডান্ডেকর নিজেরাই মজাদার পোস্ট করে গুঞ্জনকে নস্যাৎ করেছিলেন। দেখা যাক, ক্যাটরিনার ক্ষেত্রে কী ঘটে। তিনি কি সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা নাকি কেবলই পোশাকের নতুন কায়দা রপ্ত করছেন?

‘স্পিন কোন দিক দিয়ে খেলতে হবে আমরা বুঝি না’

দেশের মাঠে সারা বছর স্পিন উইকেটে খেলে নিজেদের স্পিন বিশেষজ্ঞই মনে করেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে সেই স্পিন বিষেই নীল বাংলাদেশ দল।

ডারবান টেস্টে কেশব মহারাজ ও সায়মন হার্মারের স্পিনে নাকানিচুবানি খেয়ে ২২০ রানে হারে বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পোর্ট এলিজাবেথেও সেই মহারাজ-হার্মারের স্পিন বিষেই শেষ টাইগাররা। এই টেস্ট হারে ৩৩০ রানে।

স্পিনে নিজেদের দুর্বলতা নিয়ে বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ বলেন, এটা তো আগে থেকে সবাই জানেন যে দুই-একজন ছাড়া আমরা স্পিনে অতটা ভালো প্লেয়ার না। হয়তো শুনতে খারাপ লাগবে কিন্তু আমার কাছে এটাই মনে হয়। স্পিন খেলে বাট কোন দিক দিয়ে খেলতে হবে ওইটা আমরা বুঝি না। এসব জায়গায় আমাদের উন্নতি করতে হবে।

মুমিনুল আরও বলেন, দেখুন আমাদের দেশের উইকেটের সঙ্গে এখানকার উইকেটের অনেক পার্থক্য আছে। উপমহাদেশের উইকেটে যারা বোলিং করে তাদের সাইড স্পিন বলে একটা কথা আছে। যে সাইড-স্পিন আমাদের দেশে খুব কাজে দেয়। এসব জায়গায় সাইড-স্পিন বেশি কাজে দেয় না, ওভার-স্পিন অনেক ইউজফুল।

দেশের এই টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান আরও বলেন, আমাদের দেশের বোলাররা কন্ডিশনের (দেশের উইকেট) কারণে সাইড-স্পিন করে। ওভারস্পিন করতে হলে টেকনিকে অনেক পরিবর্তন করতে হয়, যা এখানে এসে দুই-একদিনে সম্ভব নয়। যদিওবা করে তখন আগের টেকনিকে ক্ষতি হয়। এ কারণে হয়তোবা পারছে না।

পন্টিংয়ের পুরস্কারে অনুপ্রাণিত মোস্তাফিজ

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

বাংলাদেশ দলের এই তারকা পেসার আইপিএলের চলমান ১৫তম আসরে খেলছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে। বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসারের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ দিল্লির টিম ম্যানেজমেন্ট।

চলতি আসরে দিল্লির হয়ে ৩টি ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজ। দিল্লির জার্সিতে নিজের প্রথম ম্যাচেই নজর কাড়েন তিনি। গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে মাত্র ২৩ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। সেই ম্যাচে দিল্লি হেরে গেলেও মোস্তাফিজ দলের সেরা পারফর্মার নির্বাচিত হন।

দিল্লির ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সামনে তাকে ম্যাচসেরা ঘোষণা করেন দলটির হেড কোচ রিকি পন্টিং। এজন্য পন্টিং নিজ হাতে পুরস্কৃত করেন মোস্তাফিজকে।

অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি পন্টিংয়ের হাত থেকে পুরস্কার পেয়ে এক সাক্ষাৎকারে মোস্তাফিজ বলেছেন, এটা শুধু আমার জন্য নয় প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্যই অনুপ্রেরণাদায়ক। ম্যাচ হারি আর জিতি, কেউ যদি ভালো পারফর্ম করে সেদিন তার সম্মানটা বাড়ে। তাকে সামনে নিয়ে আসা, এটা আমার মনে হয় খুবই ভালো।

দিল্লির সবশেষ দুই ম্যাচে উইকেট না পেলেও ইকোনমি ধরে রেখে বল করেছেন মোস্তাফিজ। দলের প্রত্যাশা অনুযায়ী রান আটকানোর কাজটা ঠিকঠাকই করে যাচ্ছেন তিনি।

তারকা এই পেসার বলেন, ভালোর তো আসলে শেষ নেই। সবসময় খেলতে নামলে আমি চেষ্টা করি নিজের বেস্টটা দেওয়ার। এখানে অনেকের সঙ্গে আমি কমবেশি খেলাধুলা করেছি। আইপিএলের শেষ মৌসুমে চেতন সাকারিয়া ছিল, ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে দুই বছর খেলেছি। সব মিলিয়ে ভালো অভিজ্ঞতা।

আইপিএলে ভালো করতে বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করে মোস্তাফিজ বলেন, আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন আমি আরো ভালো খেলা উপহার দিতে পারি। আর দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে থাকুন।

ধান কাটা উৎসবে ডিসি ইসরাত জাহান

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বোরো ধান কর্তন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় স্থানীয় সুবিদপুর হাওড়ে কৃষকদের সাথে ধান কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান।

এর আগে সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও পদ্মাসন সিংহের সভাপতিত্বে ও কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এনামুল হকের সঞ্চালনায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, সরকার কৃষককে বিনামূল্যে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ প্রদান করেছেন। দেওয়া হয়েছে ভর্তুকি মূল্যে ধান কাটার আধুনিক যন্ত্রপাতি। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নতি হয়েছে। এর প্রমাণ হলো বানিয়াচংয়ে হাওড় গুলোতে সোনালি ধানের বাম্পার ফলন। এবার আগাম বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দ্রুত ধান কর্তন করে কৃষকের গোলা ভরাব আহবান জানান।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, হবিগঞ্জ জেলা প্রশিক্ষণ কৃষি কর্মকর্তা আশেক পারভেজ, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আক্তার প্রমুখ।

কৃষি অফিসার এনামুল হক জানান, উপজেলায় ৩৩ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। ঠিকমতো ফসল কেটে ধান গোলায় তুলতে পারলে ধানের পরিমাণ হবে ১ লাখ ৭০ হাজার ২৬৬ মেট্রিক টন।

কলেজছাত্রের হাতের রগ কর্তন

খাসজমি দখল নিয়ে নাটোরের সিংড়ায় ইমন সরদার (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের হাতের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুজন।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বামিহাল বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইমন সরদার বামিহাল গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে নান্নুর ছেলে। সম্প্রতি বগুড়া করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন বলে জানা গেছে।

তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত আব্দুর রউফ (৪৮) ও আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) নামে অপর দুজনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাতে বামিহাল বাজারের একটি খাস জায়গা মাটি দিয়ে ভরাট করেন আমিনুল ইসলাম ওরফে নান্নু। মঙ্গলবার সকালে সেখানে ঘর নির্মাণের প্রস্তুতির সময় প্রতিপক্ষ ফিরোজ সরদার ও তার লোকজন বাধা দেন।

এতে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ধারাল অস্ত্র দিয়ে ইমন সরদারের ডান হাতের রগ কেটে তাকে পিটিয়ে আহত করেন প্রতিপক্ষরা। এ সময় আহত হন আরো দুজন।

এদিকে এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিগত কয়েক বছর ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও খাস জায়গা দখল নিয়ে দ্বন্দ্বে কয়েকটি হত্যাসহ ১০-১২ জন পঙ্গুত্ববরণ করেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সিংড়া থানার ওসি নুর-এ-আলম সিদ্দিকী যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

হালাল সার্টিফিকেট দিচ্ছে বিএসটিআই

পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি এবার হালাল সার্টিফিকেট দিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

সেই কার্যক্রমে প্রথম হালাল সনদ পেয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।

সোমবার অলিম্পিকের ৩টি প্রতিষ্ঠানের ৯টি পণ্যের অনুকূলে হালাল সনদ দেয় বিএসটিআই।

সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক ড. নজরুল আনোয়ার।

তিনি বলেন, বিএসটিআই পণ্যের অনুকূলে হালাল সার্টিফিকেট প্রদানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করল।

এদিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হালাল সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেছে বিএসটিআই।

সেখানে জানানো হয়েছে, তিনটি আন্তর্জাতিক মানকে গ্রহণ করে পণ্যের হালাল সনদ প্রদান করবে বিএসটিআই।

ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর হালাল মানসনদ বিষয়ক সংস্থার সদস্য হিসেবে এবং দেশীয় পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হালাল সার্টিফিকেট প্রদান প্রক্রিয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, মৎস্য অধিদফতর, জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর, এফবিসিসিআই, বিসিআই, ডিসিসিআই, ক্যাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, আলিয়া ও কওমি মাদ্রাসার বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বিএসটিআই থেকে হালাল সার্টিফিকেট প্রদানের ফলে ব্যবসায়ীরা ওয়ানস্টপ পয়েন্ট থেকে পণ্যের মান সনদ ও হালাল সার্টিফিকেট পাবেন।

চিহ্নিত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হবে

চার দশক পেরিয়ে ৪১ বছরে পদার্পণ করেছে আরব বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংক। ১৯৮১ সালের ৩১ ডিসেম্বর দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে এটি। পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল। সে হিসাবে আজ এবি ব্যাংকের ৪০তম জন্মদিন বা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দীর্ঘ এই পথ চলা সহজ ছিল না। আলোর পাশাপাশি ছিল অন্ধকারও।

সর্বশেষ যার ব্যবস্থাপনায় ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে তিনি হলেন এবি ব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর তারিক আফজাল। ভীষণ সাহসিকতার সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে। এখন পর্যন্ত মন্দ ঋণ আদায়ে ৪৫ থেকে ৫০টি পুলিশি অভিযান পরিচালনা করেছেন। এতে গত দুই বছরে ঋণখেলাপি থেকে নগদ আদায় করেছেন প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান তিনি। এ সময় নিজ ব্যাংকের সাফল্য এবং অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি পুরো ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নানা সমস্যা এবং সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন। তার আহ্বান-চিহ্নিত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠা করুন। তাহলেই ঘুরে দাঁড়াবে ব্যাংক খাত। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হামিদ বিশ্বাস

যুগান্তর : এবি ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে বলুন।

তারিক আফজাল : এবি ব্যাংকের ২০১৮ সালে ঋণের অঙ্ক ছিল ২২ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। তিন বছরের ব্যবধানে অর্থাৎ ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এই সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ শতাংশ। এছাড়া ২০১৮ সালে আমানতের অঙ্ক ছিল ২৪ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। তিন বছরের ব্যবধানে অর্থাৎ ২০২১ সালে আমানতের অঙ্ক ৩১ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। আমানত প্রবৃদ্ধি ২৭%।

যুগান্তর : করোনায় এবি ব্যাংকের ভূমিকা কেমন ছিল?

তারিক আফজাল : করোনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা তহবিল দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে। প্রণোদনা তহবিলের ঋণ লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগই বিতরণ করেছে এবি ব্যাংক।

যুগান্তর : তিন বছরের ব্যবধানে এডি রেশিও ১০০% থেকে ৮৬.২৬% কীভাবে সম্ভব?

তারিক আফজাল : ডিপোজিট বেড়ে যাওয়ায় এডিআর কমে এসেছে। গত তিন বছরে এবি ব্যাংকের ইমেজের যে পরিবর্তন, বিশেষ করে নতুন বোর্ড, নতুন ম্যানেজমেন্টের নেতৃত্বের ওপর গ্রাহকের আস্থা বেড়েছে। এসব কারণে রিটেইল ডিপোজিট বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক নতুন প্রোডাক্টও বাজারে এনেছি। সবকিছুর সমন্বয়ে আমানত স্থিতি ২০১৮ সালের পর থেকে প্রতিবছরই ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। এটিই উন্নতির মূল কারণ। এছাড়া ব্যাংকের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

যুগান্তর : কোন ধরনের গ্রাহককে ঋণ বিতরণে এবি ব্যাংক গুরুত্ব দিচ্ছে?

তারিক আফজাল : আগে শুধু করপোরেট লোন দেওয়া হতো, সে ধারাবাহিকতা থেকে সরে এসেছি। বর্তমানে সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ বাড়িয়েছি। এছাড়া ভোক্তা ও কৃষি ঋণের ওপর জোর দিচ্ছি।

যুগান্তর : ঋণ ও আমানত বৃদ্ধিতে এবি ব্যাংক কতটা সফল?

তারিক আফজাল : ২০১৮ সালে এবি ব্যাংকের মন্দঋণ ৩৩ শতাংশের বেশি ছিল, সে হার কমিয়ে ১৩.৮৮ শতাংশে নিয়ে এসেছি। ২০২১ সালে নিট মুনাফাও ২০১৯ সালের তুলনায় দ্বিগুণ করেছি। এই উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা সেটিকে বজায় রাখতে পেরেছি বলেই আমানত, শেয়ার প্রাইজ বা আর্নিং পার শেয়ার ভালো অবস্থানে আছে। পরিচালন মুনাফাও বেড়েছে। এসব সফলতা এককভাবে আসেনি। সমন্বিত প্রয়াসের ভিত্তিতে এসেছে। গ্রাহকদের আস্থাও এতে ভূমিকা রেখেছে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে এবি ব্যাংকের অবস্থান খুবই শক্ত। বহু ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে মামলা করেছি, অনেক মামলায় কোর্ট থেকে ডিক্রি পেয়েছি। এগুলো প্রতিষ্ঠানের অর্থ আদায়ে সাহায্য করেছে, আয় বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বোর্ডের অনুমতি নিয়ে গত দুই বছর শেয়ার বাজারের গ্রাহকদের লভ্যাংশ দিয়েছি। কর্মপন্থা, স্টাফদের সিনসিয়ারিটি সবকিছু মিলিয়েই এই উন্নতি হয়েছে। পেছনে তাকালে মনে হয় অনেক পথ এগিয়েছি। আবার সামনে তাকালে দেখা যায় এখনো অনেক পথ বাকি। সবার সমন্বিত চেষ্টায় বাকি পথও পাড়ি দিতে চাই।

যুগান্তর : কোন গুণ বা প্রোডাক্টের জন্য গ্রাহকরা এবি ব্যাংককে বেছে নেবে?

তারিক আফজাল : এবি ব্যাংকের গ্রাহক সেবা অন্যদের চাইতে আলাদা। ১৬২০৭ নম্বরের কল সেন্টার থেকে শুরু করে এজেন্ট ব্যাংকিং ও শাখা লোকেশনগুলোতে বা প্রধান কার্যালয়ে কোনো গ্রাহক সেবা নিতে এলে আমরা তাদের সর্বোত্তম সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। অনেক সময় কার্যপ্রণালির বাইরে গিয়েও তাদের সহায়তা করার চেষ্টা করি। এটাই আমাদের গ্রাহক আকর্ষণের মূল শক্তি ও মন্ত্র। এই মন্ত্রের আওতায় পরিচালিত হই বলেই ২০১৭-১৮ সালে যে পরিস্থিতি ছিল, সেটি সামাল দিয়ে আজকের এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ফেরত আসতে পেরেছি।

যুগান্তর : এবি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য কী?

তারিক আফজাল : দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সব মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়াই এবি ব্যাংকের আগামী দিনের লক্ষ্য।

যুগান্তর : ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ‘ব্লাড ক্যানসার’ খেলাপি ঋণের বিষয়ে কিছু বলুন?

তারিক আফজাল : ব্যাংকিং খাত থেকে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসার ঘটাতে হবে। এগুলোর সঙ্গে প্রশাসনের সহায়তা এবং আইনের সঠিক ও কঠোর প্রয়োগেরও দরকার আছে। এসব পদক্ষেপ নেওয়া হলে খেলাপি ঋণ কমে যাবে। সবাই জানি কারা কারা ঋণখেলাপি। বাংলাদেশে কিছু চিহ্নিত ঋণখেলাপি আছে। এই ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে একটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ব্যাপক প্রসার বাংলাদেশ থেকে ইচ্ছাকৃত ও বৃহৎ খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে আনবে। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কৃষি শিল্পের প্রসার ঘটানো সম্ভব হলে খেলাপির এই ঝুঁকি ডিস্ট্রিবিউট করতে পারব। তখন ঝুঁকির মাত্রা কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলাপির পরিমাণ কমে আসবে। যারা চিহ্নিত ঋণখেলাপি আছেন তাদেরকে শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি।

যুগান্তর : নতুন বেতন-ভাতা বাস্তবায়নে এবি ব্যাংকের অবস্থান বলুন?

তারিক আফজাল : কর্মীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ফলে আমাদের জিডিপি বাড়বে। স্পিনিং সক্ষমতা বাড়বে, মানি ফ্লো ভালো হবে। ব্যাংকে যে একটা পদের থেকে আরেকটি পদের অসামঞ্জস্যতা তা দূর করবে। এরকম অসামঞ্জস্যতা ব্যাংকারদের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। এবি ব্যাংক এপ্রিল থেকেই নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকেও জানানো হয়েছে।