শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 350

সিলেটে নামতে পারল না বিমান, ফিরল ঢাকায়

৪০ মিনিট আকাশে উড়ার পরে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামতে পারল না বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট।

ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে এসেছে বিমানটি।

বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি সূত্র।

মূলত বৈরী আবহাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির কারণেই বিমানটি যাত্রীদের সিলেটে নামিয়ে দিয়ে আসতে পারেনি জানিয়েছে বিমানবন্দরসূত্র।

এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কোনো বক্তব্য না পাওয়া গেলেও বিমানবন্দর সূত্রের খবর, সৌদি আরবে রিয়াদে যাওয়ার কথা বিমানের বিজি-৩২৩৯ ফ্লাইটটি। সেই লক্ষ্যে ঢাকা থেকে রাত ১১টা ৪০ মিনিটে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এটি। সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে রিয়াদের উদ্দেশ্যে যাওয়া কথা ছিল ফ্লাইটটির। তবে সিলেট বিমানবন্দরের ৯০ কিলোমিটার আগেই আবহাওয়ার প্রতিকূল হয়ে যাওয়ায় ফিরতে শুরু করে বিমানটি। পরবর্তীতে কোথাও অপেক্ষা না করে সরাসরি ফিরে আসে ঢাকায়।

রোজায় ইনহেলার নেবেন যেভাবে

অ্যাজমা, হাপানি ও শ্বাসকষ্ট রোগীদের ইনহেলার নিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে যারা ইনহেলার নিয়ে অভ্যস্ত তাদের হঠাৎ রমজান মাসে ইনহেলার নেওয়া বন্ধ থাকলে বিপদ হতে পারে। অনেকের মনে প্রশ্ন ইনহেলার নিলে রোজা ভঙ্গ হয় কিনা।

বিশ্বের বহু মুসলিম মনীষী এক সভায় একমত হয়েছেন যে, যদি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের অবস্থা যেমন-অ্যাজমা ও সিওপিডি সমস্যা থাকে এবং সে যখন রোজা রাখে তখন ইনহেলার আকারে নেওয়া অ্যাজমা ও সিওপিডি ওষুধগুলো রোজা ভঙ্গ করে না। বিষয়টি মেডিক্যাল জার্নালেও প্রকাশ হয়েছে। যদি কেউ তার রোজার অংশ হিসাবে সঠিকভাবে ওষুধ গ্রহণ না করাকে বেছে নেন, তবে তার অ্যাজমা ও সিওপিডি লক্ষণগুলো আরও খারাপ হতে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ এ এইচএম মেসবাহউল ইসলাম।

কেউ যদি আগে থেকেই ইনহেলার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে রমজানের শুরুতেই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিন। যদি অ্যাজমা ও সিওপিডি-এর জন্য নির্ধারিত ওষুধ খাওয়া বন্ধ করার পরিকল্পনা করে থাকেন তাও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

ইনহেলার ব্যবহারে রোজা ভেঙে যায়-রোগীদের এ দ্বিধা মোকাবিলায় সহায়তা করা গুরুত্বপূর্ণ। একটি পদ্ধতি হলো রোগীদের তাদের ইনহেলার ব্যবহারের সময় নিয়ে সাহায্য করা। বেশিরভাগ অ্যাজমা ও সিওপিডি এর প্রতিরোধক ওষুধগুলো দিনে দুবার নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে রোগীরা সেহরির সময় এবং ইফতারের সময় ICS বা ICS+LABA দৈনিক প্রতিরোধক ইনহেলার পুনঃবিন্যাস করতে পারেন।

যেহেতু হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য রোগীদের তাদের প্রতিরোধক ইনহেলার (ICS ও LABA) নির্ধারিত হিসাবে গ্রহণ করা চালিয়ে যেতে হবে। রমজান মাসে প্রতিরোধক থেরাপি মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে চিকিৎসকদের কর্তব্য রোগীদের সচেতন করা বা সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। রমজান মাসে রোগীদের ধূমপান বন্ধ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ হতে পারে। রোগীরা চাইলে এ সময়টা ধূমপান (যারা করেন) পরিহার করে ইনহেলার ব্যবহারজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

ভোকাল কর্ডের সমস্যায় কী করবেন?

একে অপরের সঙ্গে কথা বলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে ভোকাল কর্ড। বিভিন্ন কারণে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সঠিক চিকিৎসা নিয়ে পুরোপুরি সুস্থতা লাভ করা যায়।

কণ্ঠনালির নানা সমস্যা ও প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড-নেক সার্জন ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী।

আমাদের গলার সামনে ল্যারিংস বা শব্দযন্ত্র অবস্থিত। ল্যারিংস বা শব্দযন্ত্রে দুটি ভোকাল কর্ড থাকে। এই কর্ড দুটির কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তৈরি হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় ফুসফুস থেকে প্রবাহিত বাতাস ভোকাল কর্ডে কম্পনের সৃষ্টি করে।

কথা বলা বা গান গাওয়ার সময় এই পরিমাণ প্রতি সেকেণ্ডে ১০০ থেকে ১০০০ বার।

একজন বয়স্ক মানুষের দিনে এক মিলিয়ন বার ভোকাল কর্ড দুটির সংস্পর্শ হয়। অতএব চিন্তা করুন ভোকাল কর্ডের ওপর আমরা কতটুকু নির্ভরশীল-কাজে, গৃহে ও সবসময় সবখানে। তাই কণ্ঠকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখা দরকার।

পারস্পরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হলো কণ্ঠ বা কথা বলা। অথচ আমরা কণ্ঠস্বর সম্পর্কে তেমন সচেতন নই।

একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব কেমন হবে তার অনেকটাই নির্ভর করে তার কণ্ঠের ওপর। তাই নিজের সুস্থ থাকার পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো প্রতিদিন কণ্ঠস্বরেরও যত্ন প্রয়োজন। এজন্য দরকার কণ্ঠের পরিমিত এবং নিয়ন্ত্রিত সদ্ব্যবহার। কণ্ঠের অপব্যবহার থেকে সচেতন হয়ে কণ্ঠস্বরের যত্নে যা করা উচিত-

* অযথা চিৎকার-চেঁচামেচি থেকে বিরত থাকতে হবে। উচ্চস্বরে বা অনেক জোরে কথা বললে ভোকাল কর্ডে মাইক্রোহেমোরেজ নামক সমস্যা হয়। এতে হেমাটোমা, ফ্রাইব্রোসিস হয়ে অনেক সময় কণ্ঠ পরিবর্তন হয়ে যায়। অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকবৃন্দ জোরে চিৎকার করে কথা বলে মনের অজান্তে ক্ষতি করে থাকেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জনসভায়, মায়েরা বাচ্চাদের সঙ্গে, ফেরিওয়ালা, হকারসহ বিভিন্ন কণ্ঠ নিভর্রশীল পেশাজীবীরা। কণ্ঠের যত্নে জনবহুল জায়গায় শোরগোলের স্থানে মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা উচিত।

* ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ধূমপান সরাসরি আক্রমণ করে গলার যে কোনো সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং জটিল করে তোলে। শতকরা ৮০-৮৫ ভাগ কণ্ঠনালির ক্যানসার রোগী ধূমপায়ী।

* অত্যধিক ঠান্ডা পানি পরিহার করুন। অনেক সময় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বাইরে থেকে এসেই হুট করেই আমরা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করি, যা আমাদের গলার জন্য ক্ষতিকর। যাদের ঠান্ডা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে তাদের বিশেষ সতর্কতা মেনে চলা উচিত। এ ছাড়াও ঘাম অনেকক্ষণ ধরে শরীরে থাকলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে, এর ফলেও গলা ভেঙে যায়।

ঠান্ডা লেগে যদি গলা বসে যায়, তবে কথা বলা বন্ধ করতে হবে বা কমিয়ে দিতে হবে। কণ্ঠনালিকে বিশ্রাম দিতে হবে, এমনকি ফিসফিস করেও কথা বলা যাবে না। গলা ভাঙা উপশমে ভালো পদ্ধতি হলো গরম বাষ্প টানা (Steam inhalation)। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি দৈনিক অন্তত ১০ মিনিট মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয়, তবে উপকার হবে। মেনথল ইনহেলেশনও ভোকাল কর্ডকে কিছুটা আদ্রতা দিয়ে থাকে।

* পানি পানে অনীহা নয়। পানিশূন্যতা (Dehydration) গলাভাঙার আরেকটি রিস্ক ফ্যাক্টর। অনেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করেন না। সারা দিন কথা বলছেন কিন্তু হয়তো পানি পান করছেন না-এসব কারণে কণ্ঠের ক্ষতি হয়। কণ্ঠের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি পান করতে হবে। কফি, চা, কোমল পানীয় শরীরের কোষে পানিশূন্যতা ঘটায়; তাই খেলে অল্প পরিমাণে খেতে হবে।

* খাদ্যাভাসে এবং দৈনন্দিন জীবন-যাপনে দিতে হবে বিশেষ নজর। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি অভ্যাস হলো, আমরা অনেক দেরি করে রাতে খাই এবং খেয়েই শুয়ে পড়ি। এটিও কিন্তু কণ্ঠনালির জন্য ভালো নয়। হাইপার অ্যাসিডিটি আছে, এমন (ল্যারিঙ্গো ফ্যারিঞ্জাল রিফ্লাক্স ডিসিজ) রোগীদের গলার আশপাশে প্রদাহজনিত কারণে অনেক বেশি শুকনো হয়ে যায়। তাদের ক্ষেত্রে রাতের খাবার পর অন্তত দু’ঘণ্টা পরে শুতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ঘুমনোর সময় মাথা যেন শরীরের তুলনায় একটু উপরের দিকে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এসিডিটির জন্যও গলা ভেঙ্গে যেতে পারে, তাই রোগীর কাছ থেকে রোগের ইতিহাস বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

* কণ্ঠনালিরও বিশ্রাম দরকার। আমরা অনেক সময় বিরতি ছাড়া কথা বলে যাই; আমরা চিন্তা করি না স্বরযন্ত্রও একটি যন্ত্র। উদাহরণস্বরূপ শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অনেক সময় একই রকমভাবে টানা কথা বলতে দেখা যায়। কণ্ঠেরও রেওয়াজ বা ব্যায়াম দরকার। এ ছাড়া শারীরিক ক্লান্তিও কণ্ঠস্বরের ওপর মন্দ প্রভাব বিস্তার করে।

* তিন সপ্তাহের অধিক গলা ভাঙা থাকলে অবশ্যই নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে। নাক-কান-গলা রোগের চিকিৎসকরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ভোকাল কর্ড বা কণ্ঠনালি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। পদ্ধতিগুলো হচ্ছে-ইনডাইরেক্ট ল্যারিংগোস্কোপি/ ভিডিও ল্যারিংগোস্কোপি। কণ্ঠস্বরের পরিবর্তনে ব্যক্তির রোগের ইতিহাস, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিক পর্যায়ে গলা ভাঙার কারণ নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা কলেজের সব ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থী-পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষের পর ঢাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা কলেজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঢাকা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নির্দেশনায় দেওয়া ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, ‘অনিবার্য কারণে ১৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক ও অনার্স-মাস্টার্স শ্রেণির সকল ক্লাস ও পরীক্ষাসমূহ স্থগিত করা হলো। সকল শিক্ষককে সকাল ১০টার মধ্যে কলেজে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

নিউমার্কেট এলাকায় ফের সংঘর্ষ, যান চলাচল বন্ধ

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। ঢাকা কলেজের মূল ফটকের ভেতরে থাকা ছাত্রদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার মধ্য দিয়ে এ সংঘর্ষ আবারও শুরু হয়।

সোমবার রাতভর ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে বন্ধ রয়েছে নিউ মার্কেট এলাকার সব দোকানপাট। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে আজিমপুর পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এলাকাজুড়ে বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি।

মঙ্গলবার সকাল থেকে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত ও তার আশপাশের এলাকা এমন চিত্রই দেখা গেছে।

সাধারণ মঙ্গলবার নিউ মার্কেট এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। তবে রমজান উপলক্ষে চাঁদ রাত পর্যন্ত প্রতিদিনই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছিল ব্যবসায়ীরা।

এদিকে ঢাকা কলেজের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের কারণে ঢাকা কলেজের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা কলেজের ওয়েবসাইটে এই নোটিস দেওয়া হয়। কলেজের ফেইসবুক পেইজেও বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নামে দেওয়া ওই নোটিসে বলা হয়, ‘অনিবার্য কারণে ১৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক ও অনার্স-মাস্টার্স শ্রেণির সকল ক্লাস ও পরীক্ষাসমূহ স্থগিত করা হল। সকল শিক্ষককে সকাল ১০টার মধ্যে কলেজে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হল।’

ঐশ্বরিয়াকে দেখে কেঁদেছিলেন অমিতাভ

বলিউড সেনসেশন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে ইনস্টাগ্রামে প্রায় এক কোটি মানুষ ‘ফলো’ করেন। আর ঐশ্বরিয়া একজনকেই ‘ফলো’ করেন। এই একজন হচ্ছেন স্বামী অভিষেক বচ্চন।

অভিষেক সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব একটা সক্রিয় না থাকলেও তার বাবা অমিতাভ বচ্চনকে প্রায় সময়ই টুইটার-ইনস্টাগ্রামে দেখা যায় । তার অনুসারী ঐশ্বরিয়ার প্রায় তিন গুণ।

ইনস্টাগ্রামে বিগ বি-কে ফলো করেন পৌনে তিন কোটি মানুষ। কিন্তু এ বিশাল সংখ্যায় নেই পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া। এমন একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে পুত্রবধূ আর শ্বশুরের মধ্যে শীতল সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছে ভারতের কোনো কোনো গণমাধ্যম।

তবে এই ইঙ্গিত যে সঠিক নয়, সেটি জানা গেল ঐশ্বরিয়ার শ্বাশুড়ি খোদ জয়া বচ্চনের কথায়। পরিবারের কথা বলতে গিয়ে জয়া জানান, বাড়িতে এসে সবার আগে নাকি পুত্রবধূকেই দেখতে চান বিগ বি। অথচ ইনস্টাগ্রাম বলছে ঐশ্বরিয়া শুধু তার স্বামী অভিষেককেই ফলো করেন।

জয়ার একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। বেশ কিছু দিন আগে ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে এসে অমিতাভ-জয়া বলেছিলেন, ঐশ্বরিয়া নাকি তাদের বাড়িতে মেয়ে হয়ে এসেছেন, বউমা হিসেবে নয়।

জয়া বলেন, আমাদের মেয়ে শ্বেতার অভাবকে পূর্ণ করেছে ঐশ্বরিয়া। মাঝে মাঝে এমনও হয়েছে, ঐশ্বরিয়াকে বাড়িতে দেখে অমিতাভ চমকেও গেছেন। মনে হয়েছে যেন শ্বেতা বাড়িতে এসেছে। শ্বেতা বিয়ে করে চলে যাওয়ার পর বাড়িটা একেবারে ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। সেটিকেই পূরণ করেছে আমাদের পুত্রবধূ।

জয়া সেই সাক্ষাৎকারে বউমা-শ্বশুরের সম্পর্ক বোঝাতে আরও অনেক কথা বলেছিলেন। অমিতাভ যখন প্রথমবার ঐশ্বরিয়াকে কাছ থেকে দেখেছিলেন, তখন নাকি তিনি এতটাই আবেগাপ্লুত হয়ে উঠেছিলেন যে, তিনি একেবারে কেঁদে ফেলেছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি।

সাবেক স্বামীর যে স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে বিপাকে সামান্থা

দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই অনুরাগীদের। অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের খুঁটিনাটি জানতে মুখিয়ে থাকেন ভক্তরা।

অভিনয়ে নাম লিখিয়েই নাগা চৈতন্যের প্রেমে পড়েছিলেন এই সুদর্শনী। তার পরই বিয়ে। যদিও সেই বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র চার বছর এক ছাদের তলায় থাকার পরই বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন নাগা চৈতন্য ও সামান্থা রুথ প্রভু।

তবে সামান্থা রুথ প্রভু পড়েছেন মহাবিপদে। কিছুতেই সাবেক স্বামী অভিনেতা নাগা চৈতন্যের স্মৃতিচিহ্ন মুছতে পারছেন না। নাগার সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ ঘোষণার পর পরই নেটমাধ্যম থেকে তাদের সব ছবি সরিয়ে ফেলেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, যত অনুষ্ঠানে একসঙ্গে গিয়েছিলেন, সেই থেকে শুরু করে বিবাহবার্ষিকী পোস্ট, ক্রিসমাসের ছবি, সব মুছে দেন তিনি! কিন্তু তার পরও পারেননি পুরোটা মুছতে। কারণ ট্যাটু।

সামান্থার শরীরে থেকে গেছে নাগাকে নিয়ে করা তিনটি ট্যাটু। বিষয়টি নিয়ে তিনি যে বেশ বিপদে, তা জানা যায় ইনস্টাগ্রামে। এর ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে জনৈক ভক্ত সামান্থাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘এর পর কী ধরনের ট্যাটু করানোর কথা ভাবছেন?’

এতেই প্রায় চমকে উঠেন নায়িকা। লেখেন— ‘ওরে বাবা! ট্যাটু? জীবনে এই ভুল আর নয়। যদি ছোট থাকতাম নিজেকে আটকাতাম।’

সাবেক স্বামীর ট্যাটু শরীরে থাকায় বিপাকে সামান্থা বুঝতে বাকি থাকে না তিনি কোন ট্যাটুর কথা বলছেন। সামান্থার শরীরে অন্তত তিনটি ট্যাটু আছে; যেগুলো একেবারেই চৈতন্যের স্মৃতিবিজড়িত। তার মধ্যে একটি ট্যাটু ঘাড়ের কাছেই, যাতে লেখা— ‘ইয়ে মায়া চেসভ’। যে তেলেগু ছবির সেটেই দুজনের প্রথম দেখা ও প্রেম। সেই ছবির গোটা স্মৃতিটাই যে কাঁধে নিয়ে ঘুরছেন সামান্থা।

দ্বিতীয় ট্যাটু অভিনেত্রীর পাঁজরের হাড়ে। সেখানে খোদাই করা ‘চৈ’, যা চৈতন্যের প্রথম আদ্যক্ষর। আরেকটি ট্যাটু আরও গহিনে। সে বিষয়ে বেশি কিছু জানাননি সামান্থা।

সূত্র: পিঙ্ক ভিলা

দেশের প্রথম ওয়ানডের পেসারের জীবনাবসান

বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে পেসার সামিউর রহমান আর নেই। আজ সকালে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যান তিনি (ইন্না … রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

সামিউরের মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়েছিল। স্মৃতিভ্রম রোগেও ভুগছিলেন তিনি। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে তিনি হাসপাতাল আর বাড়ি আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি ওয়ানডে খেলেছিলেন সামিউর রহমান। ডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম বোলিংয়ে ২ ম্যাচে ৩০ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। ব্যাট হাতে করেছেন ৪ রান।

১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ মোরাতুয়ায় পাকিস্তানের বিপক্ষে যে ওয়ানডে দিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু, সেটিতে বাংলাদেশ দলের প্রধান পেসার ছিলেন সামিউর রহমান। ছয় দিন পর ক্যান্ডিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ও শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

সামিউর পরবর্তী সময় বিসিবির ম্যাচ রেফারি হিসেবে কাজ করেন। আজীবন ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। ফার্স্ট ক্লাস ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে আম্পায়ারিং করেছেন ২৮ ম্যাচে। ম্যাচ রেফারি ছিলেন ১১১ ম্যাচে! টি-টোয়েন্টিতে ২৫ ম্যাচেও ম্যাচ রেফারিং করেছেন।

সামিউর রহমানের মৃত্যুতে ক্রিকেটাঙ্গন শোকাহত। মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার স্মৃতির স্মরণে কক্সবাজারে ৪০তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচের আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

ফুটবল মাঠে বরাবরই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। হোক সেটি জাতীয় দল কিংবা বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট। আমেরিকার অন্যতম সেরা দুদল বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টেও একে অপরের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

সোমবার রাতে মন্টাগুয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল।

টুর্নামেন্টের ফাইনালে এদিন ম্যাচের শুরুতেই তৃতীয় মিনিটে আর্জেন্টিনা যুবাদের বিপক্ষে এন্ড্রিকের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিলের যুবারা। তবে ম্যাচে সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় লাগেনি। ১৩ মিনিটেই ব্রাজিলের জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচে ১-১ সমতা আনেন আর্জেন্টিনার অগাস্টিন।

ম্যাচের প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। দারুণ সুযোগে লিড ২-১ করে নেয় ব্রাজিলের যুবারা। গুইলহেরমে পেনাল্টি থেকে গোল করেন। এর পর পুরো ম্যাচে আর কোনো গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। ফলে জয় পায় ব্রাজিল।

টুর্নামেন্টে এ গ্রুপে ছিল আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বে তারা হারিয়ে এসেছে পর্তুগাল, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামকে৷ অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে থাকা ব্রাজিল পরাজিত করে মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডকে।

এদিকে ম্যাচশেষে শিরোপা উৎসবে মেতেছিল ব্রাজিলের যুবারা। এ সময় আর্জেন্টিনার যুবারা ব্রাজিলের যুবাদের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হয়। মারামারির ক্ষেত্রে কিল-ঘুষি লাথি কোনোটাই বাদ ছিল না। শেষ পর্যন্ত মাটিতেই পড়ে যায় ব্রাজিলের এক তরুণ খেলোয়াড়।

পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলেন ব্রাজিলের এন্ড্রিকে। গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচ ও ফাইনাল মিলিয়ে মোট চার ম্যাচে ৫ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন ব্রাজিলের এ বিস্ময় বালক। আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি করে এবং মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন।

টুর্নামেন্টে টপ স্কোরারের সঙ্গে টুর্নামেন্টের সেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

উন্নয়ন দিয়ে কী হবে, যদি আগামী প্রজন্মই ধ্বংস হয়ে যায়: হাসান সরকার

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার বলেছেন, দেশকে নেতৃত্বশূন্য করার গভীর চক্রান্ত চলছে। মাদকের আগ্রাসন যেভাবে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে তাতে উন্নয়ন দিয়ে কী হবে, যদি আগামী প্রজন্মই ধ্বংস হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় সকল ধরনের অন্যায় অবিচার সমাজে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এখনই রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। প্রতিবাদ করুন, মোকাবেলা করুন, না হয়, থুতু ফেলুন।

রোববার টঙ্গীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের আয়োজনে স্থানীয় টিএন্ডটি বাজারে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসান উদ্দিন সরকার এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মো. সোহরাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম শুক্কুর, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি প্রভাষক বসির উদ্দিন আহমেদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নূর-ই-মোস্তফা খান। আমজাদ হোসেন জুনা ও আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি নেতা কাউন্সিলর সফিউদ্দিন সফি, আব্দুর রহিম খান কালা, মহানগর যুবদলের আহবায়ক সাজেদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মাহমুদ হাসান রাজু, জাহাঙ্গীর আলম ভেন্ডার, মোখলেছুর রহমান, বেনজির আহমেদ পিন্টু প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন- রমজান হোসেন বিল্লাল, মজিবুর রহমান, নবিন হোসেন, রফিকুল ইসলাম রিপন, আবুল কালাম আজাদ, আমির হোসেন মরু, কাজী হারুন, কাজী হুমায়ুন, ইসমাইল হোসেন রানা, লিয়াকত আলী, মাহবুব আলম, নাছির উদ্দিন মৃধা, মিজানুর রহমান, সেলিম কাজল, রাতুল ভূঁইয়া, হাসান আলী বাবু, আনোয়ার হোসেন, বাবুল চৌধুরী, শামীম আহমেদ বাবু, মাসুদ রানা, নূরুল আলম জিকু, তৌহিদুল ইসলাম সাগর, মামুনুর রশিদ দিপু, জাকির হোসেন রিমন, আব্দুল হামিদ, মিলন মিয়া, রবিউল ইসলাম আহাদ প্রমুখ।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মো. সোহরাব উদ্দিন বলেন, দলের ভেতর কেউ বিভাজন সৃষ্টি করলে বরদাস্ত করা হবে না। বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার গাজীপুর মহানগর বিএনপির অভিভাবক। তিনি যতদিন জীবিত থাকবেন ততদিন মহানগর বিএনপি তার নেতৃত্বে চলবে।

মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম শুক্কুর বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে, রাতে মিটিং করে বিএনপির কমিটি দেয়া হচ্ছে। এসব কমিটি আমরা মানি না। দলের ভেতর যারা আওয়ামীলীগের এজেন্ট এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে রাজনীতি করেন তারা চিহ্নিত। গাজীপুর মহানগর বিএনপিতে আওয়ামী লীগের এসব দালালদের প্রতিহত করা হবে।

রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু বলেন, দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ রেখে ব্যক্তিগত কর্মচারীদের দিয়ে বিএনপি কমিটি দেয়া হচ্ছে। যারা বিগত দিনে কখনোই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করে বিএনপিকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমন অথর্ব কমিটি আমরা মেনে নিতে পারি না। যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, হামলা-মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন তাদেরকে দিয়ে কমিটি দিতে হবে।