বুধবার ,১০ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 282

নতুন নাটক রংয়ের মানুষ ঢংয়ের খেলা

চ্যানেল আইতে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘রংয়ের মানুষ ঢংয়ের খেলা’। তরুণ তরুণীর স্বপ্নের গল্প, মুখে না বলার গল্প, সীমা ছাড়া কল্পনার আর পাগলের মতো ভালোবাসার গল্পে নির্মিত এ ধারাবাহিকের গল্প লিখেছেন ইবনে হাসান খান।

চিত্রনাট্য ইউসুফ আলী খোকন এবং পরিচালনায় সোহেল হাসান।

এতে অভিনয় করেছেন- মোশাররফ করিম, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, আইরিন আফরোজ, রোবেনা রেজা জুঁই, ওয়ালিউল হক রুমি, শানারেই দেবি শানু, মোমেনা চৌধুরী, শিরিন আলম, উজ্জল মাহমুদ প্রমুখ। চ্যানেল আইতে প্রচার হচ্ছে প্রতি মঙ্গল ও বুধবার রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে।

মুকেশ আম্বানির হবু পুত্রবধূ কে এই রাধিকা?

পেশাদার ভারতনাট্যম শিল্পী রাধিকা মার্চেন্ট। তার জীবনের প্রথম পেশাদার নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজক ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় শিল্পপতি মুকেশ আম্বানী পরিবারে। এখন মুকেশ-নীতা আম্বানির পুত্রবধূ হতে যাচ্ছেন এই রাধিকাই।

মুকেশ এবং নীতার ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানীর বাগদত্তা জনপ্রিয় এই শিল্পী। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও আম্বানি হবু পুত্রবধূকে প্রায়ই দেখা যায় তাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে।

সোমবার মুম্বাইয়ে তার প্রথম নাচের অনুষ্ঠানের ঢালাও আয়োজন করেছিলেন আম্বানিরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমির খান, সালমান খান, রণবীর সিংয়ের মতো বলিউডের তারকা অভিনেতারা। ছিলেন বলিউডের পরিচালক রাজকুমার হিরানিও।

মুকেশ পরিবারের বধূ হতে যাওয়া রাধিকা তার ভারতনাট্যমের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন সম্প্রতিই। ভারতনাট্যমের শিক্ষার্থীর কাছে তার প্রথম নাচের অনুষ্ঠান বা ‘আরঙ্গাত্রম’ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই অনুষ্ঠানকেই তার প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ হওয়ার শেষ পর্ব এবং আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ বলে ধরা হয়। রাধিকার জন্য তার ‘আরঙ্গাত্রম’-এর আয়োজন করেছিলেন মুকেশ-নীতা। যেখানে রাধিকা একজন পেশাদার ভারতনাট্যম শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন বলিউডের তারকাদের উপস্থিতিতে।

বলিউড ছাড়াও রাধিকার নাচের অনুষ্ঠানে খেলা, বিনোদন এবং রাজনীতির বহু ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বড় ছেলে এবং মহারাষ্ট্রের পরিবেশ মন্ত্রী আদিত্য ঠাকরে এসেছিলেন মা রেশমি ঠাকরেকে সঙ্গে নিয়ে। ছিলেন আদিত্যের ছোট ভাই তেজসও।

পেশায় রিয়েল এস্টেট প্রফেশনাল রাধিকা। বয়স ২৪। মুম্বাইয়েরই একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গত আট বছর ধরে পেশাদার নৃত্যশিল্পী হওয়ার জন্য শিক্ষা নিয়েছেন। বাবা বীরেন মার্চেন্ট একটি স্বাস্থ্যপরিষেবা সংস্থার সিইও। নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতি এবং অর্থনীতি নিয়ে স্নাতক হয়েছেন রাধিকা।

শোনা যায়, ২০১৯ সালেই আম্বানীর ছোট ছেলে অনন্তের সঙ্গে গোপনে বাগদান-পর্ব সম্পূর্ণ হয় রাধিকার। কিন্তু আজ পর্যন্ত অনন্তের সঙ্গে রাধিকার সম্পর্কের কথা নিশ্চিত করে আম্বানী পরিবারের কোনো সদস্যকে কখনও বলতে শোনা যায়নি। তবে আম্বানীরা না জানালেও রাধিকা এবং তার ‘ননদ’ মুকেশ কন্যা ঈশার বন্ধুত্বের কথা কান পাতলেই শোনা যায় ঘনিষ্ঠমহলে।

এমনকি, শাশুড়ি মা নীতার সঙ্গেও রাধিকার সম্পর্ক নাকি খুবই ভাল!

ফ্রান্সকে রুখে দিল ক্রোয়েশিয়া

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে রুখে দিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। সোমবার রাতে লিগ ‘এ’-এর গ্রুপ ওয়ানের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ফ্রান্স। দিদিয়ের দেশমের দল ২ ম্যাচ শেষে ১ হার ও ১ ড্রয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে অবস্থান করছে।

সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে ক্রোয়েশিয়া। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডেনমার্কের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল ফ্রান্স। আর ক্রোয়েশিয়া হেরেছিল অস্ট্রিয়ার কাছে।

স্কোয়াডের গভীরতা দেখাতে ডেনমার্কের বিপক্ষে যে একাদশ খেলেছিল, তার চেয়ে একবারে আলাদা একাদশ নামায় ফ্রান্স। হুগো লরিস, আতোঁয়া গ্রিজম্যান এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড়দের রাখা হয় বেঞ্চে। এমনকি একাদশে রাখা হয়নি করিম বেনজেমাকেও। মাঠের খেলায়ও এর প্রভাব পড়ে। প্রথমার্ধে প্রায় বলার মতো কোনো আক্রমণ করতে পারেননি বেন ইয়েদের-এনকুককুরা।

প্রথমার্ধে ফ্রান্স বা ক্রোয়েশিয়া কোনো দলই গোল করতে পারেনি। বিশেষ করে ফ্রান্স তুলনামূলকভাবে বলের দখলে অনেকটা এগিয়ে থাকলেও গোলমুখে সেভাবে শটই নিতে পারেনি। বরং ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার বুদিমির কয়েকবার ফরাসি রক্ষণকে পরীক্ষায় ফেলেন। কিন্তু ক্রোয়াটরা ফিনিশিংয়ের অভাবে সফল হয়নি। বিরতির আগে ফ্রান্স কিছুটা চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক লিভাকোভিচ বাধা হয়ে দাঁড়ান।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। ফলও আসে দ্রুতই। ৫২তম মিনিটে আদ্রিয়েন র‍্যাবিয়টের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। বাঁদিক থেকে বেন ইয়েদের পাস ধরে ডি বক্সে ঢুকে আচমকা শটে বল জালে জড়িয়ে দেন র‍্যাবিয়ট। ফরাসিরা এই লিড ধরে রাখে ৮০তম মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু এর পর তারা পেনাল্টি উপহার দেয় ক্রোয়েশিয়াকে। ফ্রান্সের ডি বক্সে ক্লসের দ্বারা ফাউলের শিকার হন ক্রামারিচ। রেফারি অনেকটা সময় ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। আর তা থেকে সমতা টানেন ক্রামারিচ নিজেই।

সমতায় ফিরে আগ্রাসী হয়ে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। তাদের কয়েকটি আক্রমণ ফ্রান্সের রক্ষণে বাধা পায়। অন্যদিকে প্রতি আক্রমণ থেকে গোল পেতে পারতো ফ্রান্সও। ক্রোয়েশিয়ার এক ডিফেন্ডারের ভুল কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন গ্রিজম্যান। কিন্তু গোলরক্ষক লিভাকোভিচকে পরাস্ত করে ফাঁকা জালেও বল জড়াতে ব্যর্থ হন আতলেতিকো মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। বাকি সময় ব্যবধান বাড়াতে না পারায় ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

কাতারে বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন ঘড়ি

কাতারে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার বাকি মাত্র ১৬৯ দিন।

আর এই ক্ষণগণনার জন্য ফিফা বিশ্বকাপের লোগোর মধ্যে মাস, দিন, ঘণ্টা, মিনিট, সেকেন্ড প্রদর্শিত একটি আধুনিক ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে রাজধানী দোহায়।

ক্ষণ গণনা বা কাউন্টডাউনের চমকপ্রদ এই স্থাপনা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মোচন করেছে বিশ্ববিখ্যাত ঘড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হাভলট।

কাতারের রাজধানী দোহার ব্যস্ততম পর্যটনের স্থান আল কর্নিশ। এখানে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে প্রতিদিন ঘুরতে আসা পর্যটকদের মনে উৎসবের আমেজ যোগাতে ফিফা লোগো সম্বলিত স্ক্রিনে ক্ষণগণনা বা কাউন্টডাউন ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন বেড়াতে আসা পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণে রুপ নিয়েছে।

বিদেশি পর্যটকের পাশাপাশি কাতারে বসবাসরত অনেক উৎসুক প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ঐতিহাসিক এই ঘড়ি একনজর দেখতে ও ছবি তুলতে ভিড় করছেন কর্নিশে।
নান্দনিক ক্ষণগণনার এই ঘড়ির সামনের দুপাশে সারিবদ্ধ ভাবে উত্তোলন করা হয়েছে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই হওয়া দেশগুলোর পতাকা।
চলতি বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে শুরু হবে আন্তর্জাতিক এই ফুটবল আসর।

সিংড়ায় ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবসে দোয়া ও আলোচনা সভা

নাটোরের সিংড়ায় ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পন, দোয়া ও আলোচনা সভা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগসহ সব সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পন, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা আ. লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা হক রোজী, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম. মহিলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক পারভীন আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক খাদিজা খাতুন, ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

পদ্মা সেতুর সুফল পেতে রাস্তা বড় করার দাবি শরীয়তপুরবাসীর

স্বপ্নে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আর মাত্র ১৭ দিন বাকি। এতে শরীয়তপুরসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত। পদ্মা সেতু ঘিরে যখন অপার আনন্দ আর উৎসবের আমেজে উদ্বেল জেলাবাসী।

আগামী ২৫ জুন যানবাহন চলাচলের জন্য এ সেতু খুলে দেওয়া হবে। ঠিক তখনই সেতুর সুফল পাওয়ার প্রশ্নে সরু রাস্থার দুঃখ দেখা দিয়েছে সবার মনে। শরীয়তপুরের নাওডোবা থেকে শরীয়তপুর জেলা শহর পর্যন্ত সড়ক খুবই সরু। তবে পদ্মা সেতুর সংগে সংযোগ সড়ক প্রশস্ত না থাকার কারণে তেমন কোনো সুফল পাবে না শরীয়তপুর জেলার মানুষ। এ ফোরলেন প্রকল্পের তিনটি প্যাকেজের মধ্যে একটির টেন্ডার হলে ও অপর দুটির টেন্ডার এখনো হয়নি। ফোরলেন কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় পদ্মা সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে শরীয়তপুর জেলাবাসী। তাই তারা প্রত্যাশা করেন তাদের রাস্তা প্রশস্তকরণ করার কাজটি দ্রুত করা হউক।

তবে শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছেন, জমি অধিগ্রহণের জন্য অনেক জায়গায় কাজ করা যাচ্ছে না। যেখানে সরকারী খাস জমি আছে সেখানে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক থেকে শরীয়তপুর জেলা শহর পযর্ন্ত ২৭ কিলোমিটার ফোরলেনের কাজকে তিনটি প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে । তার মধ্যে ১টি প্যাকেজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। একটির দরপত্র প্রক্রিয়াধীন আর অপর টির এখনো দরপত্র আহ্বান করা হয়নি।

শরীয়তপুর জেলা বাস শ্রমিক কর্মচারী ইউডিনয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপ্রস্ত রাস্তা দিয়ে কোনো রকম গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছি। পদ্মা সেতুর সঙ্গে অন্যন্য জেলার সংযোগ সড়কের কাজ শেষে হলেও আমাদেও শরীয়তপুরের এখনো সংযোগ সড়ক ও ফোরলেনের কাজ হয়নি। যার ফলে পদ্মা সেতু উদ্ভোধন হলেও আমরা সেতুর সুফল পেতে ৩-৪ বছর অপেক্ষা করতে হবে।

শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ফোরলেনের কাজের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। প্রথম প্যাকেজের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে।

শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ভূইয়া রেদওয়ানুর রহমান বলেন, জাজিরার নাওডোবা থেকে শরীয়তপুর জেলা শহর পর্যন্ত ফোরলেন কাজের তিনটি প্যাকেজের মধ্যে একটির কাজ শুরু হয়েছে। আর বাকি দুটি এখনো টেন্ডার করা হয়নি।

ইউক্রেনে ৩২ সাংবাদিক নিহত

রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেনে ৩২ জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন।

ইউক্রেনের তথ্যমন্ত্রী অলেকসানডার টিকাচেনকো সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারানো এসব সাংবাদিকদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। খবর আনাদোলুর।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, নিজের জীবন বিপন্ন করে দেশের জন্য খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে যারা প্রাণ দিয়েছেন তারা আসলেই আমাদের জাতীয় বীর।

এক টুইটবার্তায় সোমবার তিনি বলেন, ইউক্রেনের সাংবাদিকরা এখন ২৪ ঘণ্টা কাজ করছেন। তিনি তাদের তথ্যযোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়ার এ সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৩২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

ডমিনিকান রিপাবলিকে নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রীকে গুলি করে হত্যা

ডমিনিকান রিপাবলিকের পরিবেশমন্ত্রী অরলান্ডো জর্জ মেরাকে তার কার্যালয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবারের এ ঘটনায় মিগুয়েল ক্রুজ নামে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

আটক ক্রুজ নিহত মন্ত্রীর বাল্যবন্ধু বলে টুইটারে দেওয়া এক ভিডিও পোস্টে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র হোমেরো ফিগুয়েরো।
তবে এই হামলার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে তা জানা যায়নি।

ডমিনিকান রিপাবলিকের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা সাংবাদিকদের জানান, ভবনের ভিতর থেকে ৭টি গুলির শব্দ শুনতে পান তারা।

এর কিছুক্ষণ পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। ৫৫ বছর বয়সি আইনজীবী মেরা দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট সালভাদর জর্জ ব্লাঙ্কোর ছেলে। ব্লাঙ্কো ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন।

অস্বস্তিই বাড়বে, স্বস্তি নয়

আগামী বাজেটে করহার না বাড়িয়ে করের পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ থাকছে। কিছু অভিনব উদ্যোগও থাকছে। টিআইএন (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) সনদ দিয়ে সরকারি কিছু সেবা পাওয়া যেত। আগামী অর্থবছর থেকে সেসব সেবা পেতে রিটার্ন জমার স্লিপ দিতে হবে। অর্থাৎ সেবা পেতে চাইলে বা নিতে হলে রিটার্ন জমা দিতেই হবে। আবার বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও বছর শেষে আগের নিয়ম মেনেই আয়কর পরিশোধ করতে হবে। সংকুচিত হচ্ছে কর রেয়াত সুবিধাও। মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, ল্যাপটপের মতো নিত্যব্যবহার্য বেশকিছু পণ্য কিনতে বেশি অর্থ খরচ করতে হবে। সব মিলিয়ে নিুবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি চাপে থাকবে।

প্রতি বাজেটে মধ্যবিত্ত করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধির আশায় থাকেন। কিন্তু আগামী বাজেটে এ বিষয়ে সুখবর থাকছে না। আগের নিয়মেই বছরে ৩ লাখ টাকার বেশি আয় হলে আয়কর দিতে হবে। এক্ষেত্রে ন্যূনতম আয়করের পরিমাণও আগের মতোই থাকছে-ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় পাঁচ হাজার টাকা, অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় চার হাজার টাকা এবং অন্য এলাকায় তিন হাজার টাকা।

দুর্দিনের ভরসা এবং আয়করে কিছুটা ছাড় পেতে নিুবিত্ত-মধ্যবিত্ত সঞ্চয় করে থাকেন। এক্ষেত্রে সরকারি সঞ্চয়পত্রকেই অধিকতর নিরাপদ ভাবা হয়। আগামী বাজেটে সেখানেও নজর দেওয়া হচ্ছে। এখন মোট আয়ের ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ কর রেয়াতযোগ্য হিসাবে বিবেচনা করা হয়, বাজেটে সেটি ২০ শতাংশ করা হচ্ছে। রেয়াতি সুবিধা কমায় এখন করযোগ্য আয়ের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

এছাড়া বর্তমানে অনেক শিক্ষিত ছেলেমেয়ে স্বনির্ভর হতে হাঁস-মুরগির খামারের দিকে ঝুঁকছে। এতদিন খামার থেকে বছরে ২০ লাখ টাকা আয় হলে আয়কর দিতে হতো না। বাজেটে এটি কমিয়ে ১০ লাখ টাকা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ছোট খামারিদেরও আয়কর দিতে হবে। খামারে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা আয় হলে ৫ শতাংশ, ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা আয় হলে ১০ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি আয় হলে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে। প্রকৃতপক্ষে আয়কর ফাঁকি দিতে অনেক অসাধু ব্যক্তি মাছচাষ বা হাঁস-মুরগির খামার থেকে আয় দেখাতেন। সেই পথ বন্ধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে ছোট খামারিদের ওপর করের বোঝা চাপবে।

করজাল বাড়াতে আগামী বাজেটে অভিনব উদ্যোগও থাকছে। যেমন সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে টিআইএনের পরিবর্তে রিটার্ন জমার স্লিপ ঝোলানো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সর্বনিু ৫ হাজার এবং সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান করা হচ্ছে। এর ফলে ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে রিটার্ন জমা দিতে হবে। শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদেরও রিটার্ন জমার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। এখন প্রায় ৩৮ ধরনের কাজে টিআইএন গ্রহণ বাধ্যতামূলক, এর মধ্যে সরকারি সেবাও রয়েছে। যেমন: গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ-নবায়ন, বাড়ির নকশা অনুমোদন বা ঠিকাদারি কাজে টিআইএন লাগে। আগামী বাজেটে কয়েকটি সরকারি সেবা পেতে টিআইএনের পরিবর্তে রিটার্ন জমার স্লিপ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানকেও রিটার্ন স্লিপ যাচাই-বাছাই করে সেবা দিতে হবে।

নইলে সরকারি প্রতিষ্ঠানকেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা বিধান করা হচ্ছে। এছাড়া করখেলাপিদের শায়েস্তা করার উদ্যোগও থাকছে। সময়মতো কর পরিশোধ না করলে বাসাবাড়ি অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করার বিধান রাখা হচ্ছে। এর বাইরে নিুবিত্ত ও মধ্যবিত্তকে ভ্যাটের চাপ সইতে হবে। যদিও ধনী-গরিব সবাইকে একই হারে ভ্যাট দিতে হয়। বাজেটে নিত্যব্যবহার্য বেশকিছু পণ্য আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ও স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনে ভ্যাট বসানো হচ্ছে। এতে ওইসব পণ্য কিনতে বেশি খরচ করতে হবে। যেমন খুচরা পর্যায়ে মোবাইল ফোন বিক্রির ওপর ভ্যাট নেই। আগামী বাজেটে ৫ শতাংশ ভ্যাট বসানো হচ্ছে। এতে নতুন মোবাইল সেট কিনতে বেশি খরচ করতে হবে।

আবার দেশীয় কোম্পানিগুলো ফ্রিজ উৎপাদনে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা পেয়ে আসছিল, যার সুফল পরোক্ষভাবে পেয়েছেন ভোক্তা। বাজেটে ফ্রিজ উৎপাদনে ৫ শতাংশ ভ্যাট বসানো হচ্ছে। এর ফলে ফ্রিজের দাম বাড়তে পারে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে আমদানি করা ফ্রিজের ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। নিত্যব্যবহার্য আরেকটি জিনিস ল্যাপটপেও বাড়ানো হচ্ছে শুল্ক-কর। এতে ল্যাপটপের দামও বাড়তে পারে। এছাড়া বিদেশি ব্র্যান্ডের কসমেটিক্স, হোম অ্যাপ্লায়েন্স (ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, রাইসকুকার), সিরামিকের পণ্য, টেবিলওয়্যার, সেনিটারিওয়্যার আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়তে পারে।

এই গরমে আরামের জন্য অনেক মধ্যবিত্তই গাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু ডলারের ঊর্ধ্বগতির কারণে আমদানি খরচ বেড়েছে। তার ওপর বিলাসবহুল বিবেচনায় বাজেটে গাড়ির শুল্ক-কর বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে গাড়ি কেনার স্বপ্নও ফিকে হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অবশ্য বাজেট কিছু সুসংবাদও নিয়ে আসছে। ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে বাইরে খাওয়া-দাওয়া করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। খাওয়ার খরচ কমিয়ে বেশি পরিমাণ ভ্যাট আদায়ে ছক কষেছে এনবিআর। এখন এসি রেস্টুরেন্টে খেতে ১০ শতাংশ এবং নন-এসি রেস্টুরেন্টে খেতে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়।

আগামী বাজেটে উভয় ক্ষেত্রে ভ্যাটের হার ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। অর্থাৎ আগে এসি রেস্টুরেন্টে ১০০ টাকা খেলে ১০ টাকা ভ্যাট দিতে হতো, বাজেট পাশ হলে আগামী ১ জুলাই থেকে সেখানে ৫ টাকা ভ্যাট দিতে হবে। অবশ্য বড়লোকদের পাঁচতারকা হোটেলে খেলে ১৫ শতাংশ হারেই ভ্যাট দিতে হবে। শুধু তাই নয়, বাজেটে নারীদের মন জয় করারও কৌশল রাখা হচ্ছে। জুয়েলারি শিল্পের ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হচ্ছে। অর্থাৎ অলংকার কেনার খরচ কমছে।

গণকমিশনকে টাকা পাচারকারীদের তথ্য প্রকাশের আহ্বান বাবলার

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা সীতাকুণ্ডের ঘটনা উল্লেখ করে জাতীয় সংসদে বলেছেন, একটি জনবহুল এলকায় কীভাবে রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ থাকে। এটা খতিয়ে দেখা দরকার।

তিনি আরও বলেন, আমরা জনগণের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করি। বিশ্ব আমাদের এজন্য প্রশংসা করে। কিন্তু আগুন নেভাতে আমাদের আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই-এই লজ্জা রাখি কোথায়।

সোমবার একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির এ সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।

বাবলা বলেন, সরকারকে বলব, দেশের কল্যাণে যা করার করুন। কিন্তু সীতাকুণ্ডের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেছে। আগুন নেভাতে আমাদের অপ্রতুলতা ও অব্যবস্থাপনা।

তিনি বলেন, আগুনের ঘটনায় হতাহত মানুষের পাশে নানান পেশার মানুষ তাদের সামর্থ্য নিয়ে ছুটে এসেছে। মাওলানারা ছুটে এসেছেন। ইসকনের লোকেরা ছুটে এসেছে। আর কোথাকার কোন হরিদাস পাল কিছুদিন আগে গণকমিশনের নামে এই মাওলানাদের মনগড়া তথ্য দিয়েছে। কে সাধু আর কে অসাধু বাংলাদেশের মানুষ সব জানে। সাহস থাকলে যেসব কুলাঙ্গার দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে তাদের তালিকা দুদকে দেন। দেশের মানুষ আপনাদের সাধুবাদ জানাবে।