শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 225

এবারও ইসির সংলাপে যাচ্ছে না বিএনপি

নির্বাচনকালীন সরকারের বাইরে এই মুহূর্তে নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনায় যেতে রাজি নয় বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আসন্ন সংলাপেও অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। ১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংলাপ করতে যাচ্ছে ইসি। ২০ জুলাই বিএনপির সঙ্গে সংলাপের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময় করে ইসি। সেখানেও অংশ নেয়নি মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। এছাড়া ২০ দলীয় জোটের শরিক ও তাদের মিত্র দলগুলোও যায়নি। এবারের সংলাপে বিএনপির শরিক এবং মিত্র দলগুলোরও অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসার প্রশ্নই ওঠে না। এ কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ তা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তাছাড়া বর্তমান সরকার থাকাকালে এ ইসির পক্ষে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। তাই এই মুহূর্তে আমাদের মূল দাবি হচ্ছে নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকার। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এর বাইরে আমরা কোনো বিষয় নিয়ে সংলাপে বসতে চাই না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে নির্বাচন কমিশন। তারই ধারাবাহিকতায় কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন এ কমিশনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করছে। এর আগে শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক, সাবেক নির্বাচন কমিশনারসহ সাংবাদিকদের সঙ্গে কয়েক ধাপে সংলাপ করেছে ইসি।

আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। ১৭ জুলাই শুরু হবে এ সংলাপ। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে প্রতিদিন সংলাপ চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। প্রতিদিন ৩ থেকে ৪টি দলের সঙ্গে বসবে ইসি। ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে ইসির এ কার্যক্রম শেষ হবে।

নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই সব ধরনের সংলাপ বর্জন করে আসছে বিএনপি। ইসি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আনুষ্ঠানিক সংলাপেও অংশ নেয়নি তারা।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেন, নতুন কমিশন গঠনের শুরু থেকেই বিএনপি এর সঙ্গে কিছুতেই সম্পৃক্ত ছিল না। আমাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হচ্ছে, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাব না। এই সরকার পদত্যাগ করবে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার হবে, সেই সরকারের অধীনে ছাড়া আমরা নির্বাচনে যাব না। বিএনপির নীতিগত অবস্থান হচ্ছে, তারা আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকার বা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যাবে না। আলোচনা হবে শুধু নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। এটাই তাদের মূল দাবি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র এক সদস্য যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সমাধানে না আসা পর্যন্ত ইসির সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় কোনো সুফল আসবে না। তাছাড়া শুরু থেকে এ কমিশনের বিরোধিতা করে আসছেন তারা। এখন তাদের আহ্বানে সংলাপে যাওয়া মানে ইসিকে মেনে নেওয়া। সংলাপে অংশ নিলে রাজনৈতিকভাবেও বিএনপিকে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে। তাই সবকিছু বিবেচনা করেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওই নেতা আরও বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর তারাই সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। সেই কমিশনের সঙ্গেই নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসবে বিএনপি। দলের এমন অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেই আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিকদেরও সংলাপে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এর আগে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে ইসির মতবিনিময় সভায় যায়নি তারা। শরিক কয়েক নেতা জানান, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়ার পর প্রধান শরিক বিএনপির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। এরপর দলীয় ফোরামে এ ব্যাপারে নেওয়া হবে চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত। শরিক ছাড়াও যেসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সেসব দলও যাতে ইসির সংলাপে অংশ না নেয় সে চেষ্টা চালাবে বিএনপির হাইকমান্ড। দলটির অনুরোধে ইভিএম বিষয়ক কর্মশালায় তারা অংশ নেয়নি বলে জানা গেছে। এবার এর ব্যতিক্রম হবে না বলে বিএনপির এক নেতা যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন।

জেলা কমিটি শেষ করাই আ.লীগের চ্যালেঞ্জ

আগামী জাতীয় সম্মেলন ও সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলকে ঢেলে সাজাতে চায় আওয়ামী লীগ। দলটির বর্তমান কার্যনির্বাহী সংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে। নির্ধারিত সময়ে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতেও শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দলটি। একই সঙ্গে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংগঠন শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দলটির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসাবে দলের সাংগঠনিক কাজ আগেই গুছিয়ে রাখতে চান তারা। ফলে আগামী তিন মাসের মধ্যে ৩৪ মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সম্মেলন শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি শেষ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখছেন তারা।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, নির্ধারিত সময়েই আমাদের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা হচ্ছে। ডিসেম্বরের আগেই আমরা সবগুলো জেলা সম্মেলন শেষ করতে চাই। তবে কোনো কারণে যদি নির্দিষ্ট সময়ে সম্ভব না হয় তাহলে ওই জেলা কমিটির সম্মেলন পরে করব। তিনি আরও বলেন, দলীয় কর্মকাণ্ডে যারা ভ‚মিকা রেখেছেন, যাদের ভ‚মিকায় দল সন্তুষ্ট, তাদের পদায়ন করা হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, কমিটিগুলোতে কোনো ত্যাগী নেতা বা ভালো নেতা যেন কারও ব্যক্তিগত রোষানলে পড়ে বাদ না পড়েন সেটা যাচাই-বাছাই করা হয়। সব ঠিক থাকলে কমিটি দলীয় সভাপতির কাছে পাঠানো হয়।

অনেক সময় জেলা থেকে কমিটি পাঠানো দেরি করে। যে কারণে কমিটি করতেও দেরি হয়। কিন্তু এবার যেহেতু আমাদের জাতীয় সম্মেলন সামনে তাই কমিটিগুলোও খুব দ্রুত হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতির অংশ হিসাবে চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যেই মেয়াদোত্তীর্ণ সব জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়নে নতুন কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। সারা দেশে দলটির ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৩৪টির সম্মেলন এখনো বাকি। উপজেলা, থানা ও পৌরসভা কমিটি রয়েছে আরও প্রায় ৬৫০টির মতো। যার মধ্যে সাড়ে চারশর অধিক মেয়াদোত্তীর্ণ।

দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, গত মে মাসে জেলা-উপজেলার সম্মেলন বেশি হয়েছে। কিন্তু জুন মাসে বন্যা এবং পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে অনেক জেলা-উপজেলার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। এরপর ছিল ঈদের ব্যস্ততা। এখন আবার নতুন করে সাংগঠনিক কাজে গতি ফিরবে বলেও জানান তারা।

এদিকে কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে আওয়ামী লীগের হাতে আর সময় আছে মাত্র সাড়ে চার মাস। এর মধ্যে জাতীয় শোকের মাস আগস্টে সব ধরনের সাংগঠনকি কার্যক্রম বন্ধ রাখে দলটি। ফলে সব মিলিয়ে হাতে আছে মাত্র তিন মাসের কিছু বেশি সময়। দেশের চলমান করোনা ও বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করে এই সময়ের মধ্যেই দলীয় প্রধানের নির্দেশনা মোতাবেক দলের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বাকি জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠনের কাজ শেষ করার লক্ষ্যে কাজ করছেন। এ লক্ষ্যে ৮টি বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক নেতারা বেশ জোরালোভাবে মাঠে রয়েছেন।

ঢাকা বিভাগে আওয়ামী লীগের ১৭টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটির সম্মেলন হয়েছে। বাকিগুলোর সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। এদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগে একেবারে তৃণমূল থেকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউনিট সম্মেলন শেষ করে থানা ও ওয়ার্ড সম্মেলন শুরু করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।

প্রায় প্রতিদিনই থানা, ওয়ার্ড এবং ইউনিটের সম্মেলন চলছে। ঈদের আগে সম্মেলন হওয়া ইউনিট নেতাদের নিয়ে পরিচিতি সভা করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগও। খুব শিগগিরই তারাও ওয়ার্ড-থানা সম্মেলন শুরু করবে বলে জানা গেছে। ডিসেম্বরের আগেই এই বিভাগের সব জেলায় সম্মেলন শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির মেয়াদে সবচেয়ে বেশি সম্মেলন হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। ইতোমধ্যে এই বিভাগের নয়টি সাংগঠনিক জেলার সবগুলোর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা-পৌর কমিটিগুলোর সম্মেলনও প্রায় শেষের দিকে। যেগুলো বাকি ছিল সেগুলোর প্রস্তুতিও চলছে।

জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, রাজশাহী বিভাগের ৮৩টি সাংগঠনিক উপজেলার মধ্যে ৭০টির অধিক সম্মেলন শেষ করা হয়েছে। ১৫ তারিখে তানোর উপজেলা সম্মেলন। বাকিগুলোর কাজ চলছে। দ্রুত সম্মেলনের কাজ শেষ করে নেত্রীর পরামর্শ নিয়ে কর্মিসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

খুলনা বিভাগে মোট সাংগঠনিক জেলা ১১টি। এ বিভাগের দুই জেলা- ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা এখনো মেয়াদোত্তীর্ণ। মে মাসে এই জেলার সম্মেলনের তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছিল। চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অসুস্থ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। আর একটি পৌরসভার ভোটের কারণে ঝিনাইদহ জেলার সম্মেলন করা যায়নি। ঈদের পরে এখন খুব দ্রুত এই দুই জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান এই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।

চট্টগ্রাম বিভাগে নয়টি জেলার সম্মেলন বাকি রয়েছে। তবে প্রতিটি জেলায় তৃণমূল সম্মেলনের কাজ চলছে। সিলেটের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের সম্মেলন বাকি থাকলেও বন্যার কারণে সুনামগঞ্জে সম্মেলন করা সম্ভব হচ্ছে না। বরিশালের ছয়টি জেলার মধ্যে তিনটির মেয়াদোত্তীর্ণ। এর মধ্যে একটি জেলার সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে পাঁচটিরই মেয়াদোত্তীর্ণ। জেলা সম্মেলন করার জন্য উপজেলাগুলোয় পুরোদমে সম্মেলন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। রংপুর বিভাগে সাংগঠনিক জেলা রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ।

পুলিশের উচ্চপদে বড় রদবদল (তালিকাসহ)

বিসিএস পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদে একসঙ্গে বড় রদবদল করেছে সরকার। প্রায় দেড়শ জনকে বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের সই করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনটি প্রজ্ঞাপনে পর্যায়ক্রমে ২৩ জন, ২৫ জন ও ৯১ জন কর্মকর্তার বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

এর আগে তাদের বদলি বা পদায়ন সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।

হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু আজ

পবিত্র হজব্রত পালন শেষে বাংলাদেশি হাজিরা দেশে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। আজ থেকেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের হজের ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে।

আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ফ্লাইটটি জেদ্দা থেকে ঢাকাগামী যাত্রী নিয়ে রওনা হবে। তবে প্রথম ফ্লাইটে কতজন যাত্রী থাকবেন, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি।

বাংলাদেশ হজ অফিস (ঢাকা) সূত্রে জানা যায়, একই দিন সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসেরও (সাউদিয়া) ফ্লাইট রয়েছে। বিমান, সাউদিয়া ও ফ্লাইনাসের ফ্লাইটে সব হজযাত্রী ফিরতে আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগবে।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, এ বছর মোট ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন বাংলাদেশির হজ করার কথা ছিল। তাদের সঙ্গে আরও ২ হাজার ৪১৫ জন যুক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা বেড়ে ৬০ হাজারে পৌঁছায়। হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্রতিনিধিদলসহ ১৬৫টি ফ্লাইটে হজে যান মোট ৬০ হাজার ১৪৬ জন।

সৌদি আরবে এবার হজে গিয়ে মারা গেছেন ১৫ জন হজযাত্রী। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী।

কুরবানির মাংস কি অমুসলিমদের দেওয়া যাবে?

কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান পুরুষ-নারীর ওপর কুরবানি ওয়াজিব। এটি ইসলামের মৌলিক ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।

আদম (আ.) থেকে শুরু করে সব নবীর যুগেই কুরবানি পালিত হয়েছে।এটি ‘শাআইরে ইসলাম’ তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত।

সুতরাং এর মাধ্যমে ‘শাআইরে ইসলামের’বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এছাড়া গরিব-দুখী ও পাড়া-প্রতিবেশীর আপ্যায়নের ব্যবস্থা হয়। আমাদের আশপাশে অনেক প্রতিবেশী রয়েছে। যারা অন্য ধর্মের। এক্ষেত্রে অনেকের মনে হয়তো প্রশ্ন দেখা দিতে পারে কুরবানির মাংস অমুসলিমদের দেওয়া যাবে কি না? আসুন জেনে নেই এ বিষয়ে কুরআন-হাদীস কী বলে?

কোনো কোনো মুসলিমদের ধারণা কুরবানির মাংস অমুসলিমদের দেওয়া যাবে না। এ ধারনা ঠিক না। কুরবানির মাংস অমুসলিমদের দেওয়া যায়। এতে অসুবিধার কিছু নেই। বিশেষত অমুসলিম যদি প্রতিবেশী হয়। কারণ প্রতিবেশী হিসেবে তার হক রয়েছে। সাহাবীগণ অমুসলিম প্রতিবেশীর হকের প্রতি সবিশেষ লক্ষ্য রাখতেন।

আব্দুল্লাজ ইবনে আমর (রা.) এর বাড়িতে একবার একটি বকরি (ছাগল) জবেহ করা হল। যখন তিনি বাড়িতে ফিরলেন জিজ্ঞস করলেন, তোমরা কি আমাদের ইহুদী প্রতিবেশীকে এ গোশত হাদিয়া (দান) পাঠিয়েছ? এভাবে দুবার জিজ্ঞেস করলেন। আমি রাসূলুল্লাহ (স.) কে বলতে শুনেছি।

প্রতিবেশীর অধিকার প্রসঙ্গে জিবরাইল (আ.) আমাকে অবিরত উপদেশ দিতেন। এমনকি আমার ধারনা হল যে হয়ত শীঘ্রই প্রতিবেশীকে উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিবে। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯৪৩)

সুতরাং অমুসলিমকে কুরবানীর মাংসসহ অন্যান্য যে কোনো জিনিস দান করা যাবে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:

‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বের করে দেয়নি তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যাংবিচার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়নদের ভালোবাসেন।

আল্লাহ কেবল তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বের করে দিয়েছে এবং তোমাদেরকে বের করার কাজে সহায়তা করেছে। তাদের সঙ্গে যারা বন্ধুত্ব করে তারা তো জালেম।’ (সূরা মুমতাহিনা ৬০:৮-৯)

পৃথিবী জন্মের আগের মহাবিশ্বের রঙিন ছবি দিল নাসা

পৃথিবীর জন্মেরও আগের গহীন মহাশূন্যের হাজারো ছায়াপথের ছবি তুলে পাঠিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তোলা গ্যালাক্সিগুলোর এমন ছবি এই প্রথম প্রকাশ করা হলো।

নাসা জানিয়েছে, ওয়েব টেলিস্কোপ ‘এসএমএসিএস -৭২৩’-এর যে ছবিটি তুলেছে, ছায়াপথ গুচ্ছটি সেই অবস্থায় ছিল ৪৬০ কোটি বছর আগে। মজার বিষয় হচ্ছে, বিজ্ঞানীদের হিসেবে পৃথিবীর বয়স আনুমানিক ৪৫৪ কোটি বছর (কম-বেশি পাঁচ কোটি বছর)।

এখন পর্যন্ত কোনো স্পেস টেলিস্কোপের তোলা মহাশূন্যের সবচেয়ে গহীন এবং সবচেয়ে ভালো মানের ইনফ্রারেড ছবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে একে, কয়েক হাজার ছায়াপথ উঠে এসেছে ছবিটিতে।

গহীন মহাশূন্যের ছায়পথগুচ্ছ ‘এসএমএসিএস -৭২৩’ পৃথিবীর জন্মের আগে যেমন ছিল, সেটিই উঠে এসেছে জেডব্লিউএসটি-এর তোলা প্রথম ‘ডিপ ফিল্ড’ ছবিতে।

নাসা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস স্যাটেলাইটের তোলা ‘গহীন মহাশূন্যের’ ছবির অ্যালবাম প্রকাশ করার একদিন আগেই অ্যালবামের একটি ছবি হোয়াইট হাউজে দেখিয়ে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ছবিটি উদ্বোধনের পর জো বাইডেন বলেন, এসব ছবি সারা বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দিতে চায় যে যুক্তরাষ্ট্র বড় বড় কাজ করতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, বিশেষ করে শিশুদের মনে করিয়ে দিতে চায়, কোনো কিছুই আমাদের জন্য দুরূহ নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন যুগ ধরে নির্মিত জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি নতুন নতুন ছবিটি দিয়ে মহাবিশ্বে সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে পাল্টে দিতে পারে।

নাসা জানিয়েছে, ছবিটি তুলেছে ওয়েব টেলিস্কোপের ‘নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরা (এনআইআরক্যাম)’। সাড়ে ১২ ঘণ্টায় বিভিন্ন তরঙ্গের ইনফ্রারেড আলো নিয়ে ‘কম্পেজিট’; ছবিটি ধারণ করেছে এনআইআরক্যাম।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, পৃথিবীতে মাটিতে দাঁড়িয়ে কেউ যদি এক হাত দূরের একটি ধূলি কণার দিকে তাকান, পৃথিবীর আকাশে ঠিক ওই ধূলিকণার মতোই ক্ষুদ্র জায়গা দখল করে রেখেছে ছবিতে দেখানো ছায়াপথ গুচ্ছ।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন ১১ জুলাই ওয়েবের একটি ছবি হোয়াইট হাউজে দেখালেও, নাসা ছবির পুরো অ্যালবাম প্রকাশ করবে ১২ জুলাই মার্কিন পূর্বাঞ্চলীয় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায়, বাংলাদেশের সময়ে যা ১২ জুলাই রাত সাড়ে আটটা।

মাংস বেশি খেয়ে ফেললে যা করবেন

ঈদুল আজহায় অপরিমিত খাবার খাওয়া হয়ে থাকে। বিশেষ করে পাতে মাংসের আধিক্য থাকে। দু’এক টুকরো গরু কিংবা খাসির মাংস খেলে সমস্যা নেই। অতিরিক্ত মাংস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়; যা শারীরিক অস্বস্তি ও অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

ঈদে অতিরিক্ত মাংস খেলে ফেললে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ ও ডায়েট কনসালট্যান্ট জান্নাত আরা ঊর্মি।

লাল মাংস প্রচুর জিংকসমৃদ্ধ, যা আমাদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে। তবে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।

লাল মাংসে (রেডমিট) প্রচুর পরিমাণে সাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল থাকে, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, গ্যাস্টিক ও কোলেস্টেরলের সমস্যা হতে পারে।

তবে অতিরিক্ত মাংস যদি খেয়েই ফেলেন, তবে কিছু কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে।

আসুন জেনে নিই বেশি মাংস খাওয়ার পর কী করবেন-

১. যেদিন মাংস একটু বেশি খাওয়া হবে, সেদিন অন্যদিনের চেয়ে একটু বেশি হাঁটুন। ২০-৩০ মিনিট হাঁটুন। এমনভাবে হাঁটতে হবে যেন গা থেকে ঘাম ঝরে। এতে বাড়তি ক্যালোরি পুড়িয়ে ফেলা সম্ভব হবে।

২. প্রতিদিন মাংস খাওয়া ঠিক নয়। প্রতিদিন মেন্যুতে মাংস বা মাংসজাতীয় খাবার না রাখাই শ্রেয়। ভর্তা, ভাজি, ডাল-ভাতের মতো সাধারণ খাবারই হবে সঠিক মেন্যু।

৩. মাংস বেশি খাওয়ার পর অস্বস্তি বোধ হলে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার পান করলে উপকার পাবেন। এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ এসিভি মিশিয়ে পান করুন।

৪. খেতে পারেন পুদিনাপাতার চা। এক মুঠো পুদিনাপাতা কুঁচি করে গরমপানিতে মিশিয়ে পান করুন। স্বাদের জন্য এতে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৫. মাংস খাওয়ার পর অস্বস্তি বোধ হলে লেবু, কমলালেবু ও মাল্টা ফল খেতে পারেন।

৬. হলুদ হল সবচেয়ে শক্তিশালী, যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ধর্ম সম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান। কুসুম গরমপানিতে হলুদ গুঁড়া, লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৭. মাংস বেশি খেলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।

সন্তান জন্মের পর আলিয়া কি অভিনয় করবেন?

গত কয়েক বছর ধরে ফর্মের তুঙ্গে আছেন আলিয়া ভাট। ‘গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়ারি’, ‘আরআরআর’- একের পর এক ছক্কা হাঁকাচ্ছেন বলিউড সেনসেশন।

এর মধ্যে বিয়েটাও সেরে ফেলেছেন। এর পর হলিউডে কাজ করারও অফার পেয়েছেন। বিয়ের আড়াই মাস যেতেই জানা গেল আলিয়া মা হতে চলেছেন।

এমতাবস্থায় তার ভক্তদের মনে প্রশ্ন— সন্তান জন্মের পর আলিয়া কি অভিনয়ে ফিরবেন?

স্বামী রণবীর চান, স্ত্রীর সাফল্যের এই দৌড় থাকুক অব্যাহত। তার কথায়, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে আলিয়া একজন ব্যস্ত তারকা। আমি চাই না সন্তানের জন্য ও ওর স্বপ্নগুলো ভাসিয়ে দিক। আমরা পেশাগত এবং ব্যক্তিজীবনে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করব।’
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ পরিকল্পনার কথা জানালেন অভিনেতা রকস্টারখ্যাত অভিনেতা রণবীর।

রণবীর জানালেন, সন্তানকে একসঙ্গে বড় করবেন রণবীর এবং আলিয়া ভাট।

ঋষিপুত্র বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি আর আলিয়া বেশ কিছু দিন ধরে কথা বলছি। আমরা দায়িত্ব এবং সময় ভাগাভাগি করে নেব। আমরা এমন একটা সময়ে বড় হয়েছি, যখন বাবারা কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। আমরা সবাই কমবেশি মায়ের কাছে বড় হয়েছি। তাই আমরা মায়েদের অনেক বেশি কাছের। কিন্তু আমি চাই আমার সন্তানদের সময় দিতে। চাই, ওরা আমারও কাছের হবে।’

গত এপ্রিল মাসে সাতপাকে ঘোরেন রণবীর-আলিয়া। জুন মাসের শেষের দিকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা প্রকাশ্যে আনেন মহেশকন্যা।

তারা দুজনেই এখন কাজে ব্যস্ত। ‘শামশেরা’র প্রচারে ব্যস্ত রণবীর। ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে আলিয়ার নতুন ছবি ‘ডার্লিংস’-এর প্রথম ঝলক।

আগামীতে রণবীর-আলিয়াকে অয়ন মুখার্জির ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ সিনেমায় দেখা যাবে, যেটি মুক্তি পাবে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। এই প্রথম দর্শক বাস্তবের এ যুগলের রোমান্স পর্দায় দেখবেন।

প্রেমে পড়েছেন রাশমিকা!

একসঙ্গে কাজ করার পর থেকে দিনরাত টাইগার শ্রাফের মন পড়ে আছে রাশমিকা মন্দনারের। শেষে অনুভূতি প্রকাশ না করে আর পারলেন না। গুঞ্জন রটেছে টাইগারের প্রেমে পড়লেন ‘পুষ্পা’-অভিনেত্রী!

সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে একসঙ্গে কাজ করেছেন রাশমিকা ও টাইগার শ্রাফ। তার পর থেকেই মন উচাটন অভিনেত্রীর। টাইগারের ছবি পোস্ট করে তিনি আগুনের চিহ্নে ভরিয়ে দিয়েছেন।

বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বলিউড বাবলের খবর, রাশমিকা মন্দানা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জানিয়েছেন গুঞ্জনটা সত্যি ছিল আর টাইগারের সঙ্গে অভিজ্ঞতাও ছিল দারুণ। অভিজ্ঞতা অতিমাত্রায় উত্তেজক…।’

আগুনের শিখা একে দক্ষিণী অভিনেত্রী বলতে চেয়েছেন, টাইগারের সঙ্গে থাকলে প্রতিটি মুহূর্তে যেন উষ্ণতার পারদ চড়ে!

যদিও এত প্রশংসা পেয়ে টাইগার এখনও নীরব। রাশিকার প্রতি তারও মন মজেছে কিনা, সেই খবর অবশ্য জানা যায়নি।

তবে পরোয়া নেই অভিনেত্রীর। ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর সাফল্যের পর আকাশ ছুঁয়েছে খ্যাতি ও প্রতিপত্তি। এবার তার লক্ষ্য বলিউড। সিদ্ধার্থ মালহোত্রার ছবি ‘মিশন মজনু’ দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করবেন তিনি। এ ছাড়াও ঝুলিতে রয়েছে ‘গুডবাই’, ‘সীতা রামম’, ‘পশু’ এবং ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’।

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে আজ মাঠে নামবেন টাইগাররা

ক্যারিবীয় সফরে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতেও বিধ্বস্ত হয় টাইগাররা। কিন্তু চিরচেনা সংস্করণ ওয়ানডেতে ফিরেই আবার স্বরূপে টাইগাররা। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি জিতেছে ৬ উইকেটের ব্যবধানে। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা অধিনায়ক তামিম ইকবালের দলের লক্ষ্য আজ দ্বিতীয় ম্যাচ জিতেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করা। সে প্রত্যয়ে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উইন্ডিজেত মুখোমুখি হবে টাইগাররা। ম্যাচটি জিতলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করবে বাংলাদেশ।

পরিসংখ্যান অবশ্য সফরকারীদের হয়েই কথা বলছে। প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে এর আগে খেলা ৪ ম্যাচের ৩টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সেই পাল্লাটা আরো ভারি করে এবার সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগাররা।

বাংলাদেশের জন্য প্রথম ম্যাচ জেতা মানে সিরিজ জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়া। দ্বিপাক্ষিক সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতলেই বাংলাদেশ জিতে যায় সিরিজ। উইন্ডিজের বিপক্ষে টাইগাররা ৭৯তম ওয়ানডে সিরিজ খেলছে। এর আগে ৭৮টি সিরিজের মধ্যে ২৮টিতে প্রথম ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ। যার ২৫টি সিরিজ শেষ হয় জয়ের আনন্দ নিয়ে।

উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্স ছিল বাংলাদেশ দলের। বোলিং বিভাগের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ৪১ ওভারের ম্যাচে ৬ উইকেট আর ৫৫ বল হাতে রেখেই জয় এনে দেয় ব্যাটিং ইউনিট। ফলে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ওয়ানডে একদশে পরিবর্তনের ভাবনা নেই বললেই চলে। আগের ম্যাচের একাদশই নামাতে পারে টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশ সম্ভাব্য একাদশ-
তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও নাসুম আহমেদ।