যুব মহাসমাবেশের সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। গত বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
যুব মহাসমাবেশকে সফল করতে মোট ১০টি উপকমিটি করার কথা জানানো হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশস্থলে প্রবেশের জন্য পাঁচটি গেট করা হয়েছে।
যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম যুব সংগঠন আওয়ামী যুবলীগ দেশের যেকোনো সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিএনপি-জামায়াত দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ১১ নভেম্বরের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসরদের যেকোনো ধরনের নৈরাজ্য মোকাবিলা করতে রাজপথে থাকবে।
রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আবদারের প্রেক্ষিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) পাওনা ৩৪৪৯ কোটি টাকা মাফ করতে অনুরোধ করেছিলো বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। তবে বেবিচক নিজেদের সংকটের কথা জানিয়ে মওকুফের বদলে বিমানের কাছ থেকে পাওনা আদায়ে মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়েছে। একইসঙ্গে বিমান বকেয়া টাকার পরিমাণের সঠিক তথ্য দেয়নি বলেও জানিয়েছে বেবিচক।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে ১ নভেম্বর চিঠি দিয়েছেন বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। চিঠিতে বলা হয়েছে, বিমানের গত ১৫ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে বকেয়ার পরিমাণ ৪ হাজার ৭৪৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিমানের কাছে বকেয়া আছে ৮ হাজার ৮০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে মূল বিল ৯৯৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, ভ্যাট ও আয়কর ৪৩০ কোটি ৫২ লাখ, বকেয়া রাজস্বের ওপর অতিরিক্ত চার্জ (সারচার্জ) বাবদ ৬ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা ৯৫ লাখ টাকা।
সূত্র জানায়, বছর বছর আয়ের খবর দিলেও বেবিচকের বকেয়া পরিশোধ করছে না বিমান। সময় মতো মূল বকেয়ার পরিশোধ না করায় যোগ হচ্ছে সারচার্জ। আর এই সারচার্জের অজুহাতে বকেয়া পরিশোধ না করে মওকুফের চেষ্টা করছে বিমান। ১৫ সেপ্টেম্বর বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও যাহিদ হোসেন সারচার্জ মওকুফের আবেদন জানিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের সহায়তা চেয়ে এই আবেদন করার পর বেবিচককে চিঠি দেয় মন্ত্রণালয়। ২০ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বেবিচক চেয়ারম্যানকে বলা হয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিকট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের দেনার পরিমাণ পরিমাণ ৪ হাজার ৭৪৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। যার মধ্যে মূল বিল ৯৫৩.৪৩ কোটি টাকা, ভ্যাট ও ট্যাক্স ৩৪২.১৭ কোটি টাকা এবং সারচার্জের পরিমাণ ৩,৪৪৯.১৪ কোটি টাকা। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দাবিকৃত পুঞ্জিভূত বকেয়ার ওপর সারচার্জ (প্রতি মাসে ৬ শতাংশ হারে) মওকুফ করার বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড হতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিমানের নিকট আরোপিত সারচার্জ তিন হাজার চারশত ঊনপঞ্চাশ কোটি টাকাসহ পুঞ্জিভূত বকেয়ার উপর প্রতি মাসে ৬ শতাংশ হারে সারচার্জ মওকুফ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
জবাবে বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে লেখা চিঠিতে বেবিচকের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বেবিচক কর্তৃপক্ষের জনবল ভাতা, পরিচালন ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প চলছে। এ প্রেক্ষিতে বেবিচকের নগদ প্রবাহ (ক্যাশ ফ্লো) অব্যাহত রাখতে বিমানের কাছে বেবিচক কর্তৃপক্ষের মূল বিলসহ সারচার্জ পাওনা মওকুফ করা উচিত হবে না। এ টাকা আদায়ে পুনরায় মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চায় বেবিচক।
চিঠিতে আরও বলা হয়, বেবিচক বর্তমানে বৈদেশিক ঋণ অর্থায়ন, সরকারি ঋণ ও অনুদান অর্থায়নসহ নিজস্ব অর্থায়নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে জাইকার ঋণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন (প্রথম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পে ২টি ঋণ চুক্তির বিপরীতে ১৬ হাজার ৯০২ কোটি ৭৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে পরিশোধ করতে হবে বেবিচককে। ওই প্রকল্পে ঋণের প্রথম কিস্তির আসল ও সুদ বাবদ ১ হাজার ৩০২ কোটি টাকা ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া পরবর্তী বছরগুলোতে ডিএসএল বাবদ প্রতি বছর প্রায় ৯০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে দিতে হবে। কর্তৃপক্ষের জনবলের বেতন ভাতা, পরিচালন ব্যয়, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় নির্বাহ এবং এনটিআর ও আয়কর পরিশোধে বিপুল অঙ্কের আর্থিক সংশ্লেষ রয়েছে।
বকেয়া মওকুফ প্রসঙ্গে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, বেবিচকের কোনও এখতিয়ার নেই কোন বকেয়া মওকুফ করার।
বিজনেস বাংলাদেশ / বিএইচ
লালমনিরহাটে জমি কবলা নিয়ে প্রতারণার স্বীকার হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমি ক্রেতা ভুক্তভোগী নজির হোসেন।
লালমনিরহাট জেলা সদরের বড়বাড়ি ইউনিয়নে শিবরাম এলাকায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নজীর হোসেন বলেন, লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম এলাকার মৃত আতাউর রহমানের ছেলে গোলাম সরওয়ার ইমরান (৫০), গোলাম মওলা জাফরান (৫৫), খোদ্দসাপটানা যুগীটারী এলাকার আইয়ুব আলীর স্ত্রী ও গোলাম সরওয়ার ইমরান এর বোন রওশনয়ারা (৬০), দলিল লেখক আঃ মান্নান হিরা (৩৫) ও মোশাররফ হোসেন মুন ( ৩৭) গত ১৮/৬/২০২০ ইং তারিখে উক্ত তফসিল বর্ণিত সম্পত্তির দাম নির্ধারণ করে। ১৩ শতক সম্পত্তির মূল্য ৫ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা ধার্য্য হয় এবং গোলাম সরওয়ার ইমরান ও রওশন আরার উপস্থিতিতে ২৫/৫/২০১৮ ইং তারিখ বায়না পত্র লিখিত হয়। উক্ত বায়না পত্র মোতবেক ২ লক্ষ ১২ হাজার টাকা আসামীরা বুঝিয়ে নেন। বাকী ৩ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা গত ১৭/৬/২০২০ ইং তারিখ এর মধ্যে পরিশোধের শর্তে বায়না পত্র লিখিত হয়েছিল।
কিন্তু গোলাম সরওয়ার ইমরান বলেন, দলিল লেখক তাদের আত্মীয় হয়। ফলে দলিল করতে কম খরচ হবে। তাদের কথা মতো দলিল সম্পাদন করা হলে পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়। গোলাম সরওয়ার ইমরান গং প্রতারণার মাধ্যমে ওই জমি কবলা রদ-বদল দেখিয়ে নজির হোসেনের ক্রয় কৃত জমি তারা সকলেই আত্মসাত করার জন্য বিভিন্ন কুঠ-কৌশল অব্যহত রেখেছেন।
অপরদিকে ১৩ শতক ও পরে ৬ শতক জমি কবলা দেয়ার নামে প্রতারণা করায় গত ২৮/৯/২০২২ ইং তারিখে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালত -১, লালমনিরহাট এ গোলাম সরওয়ার ইমরানসহ ওই ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা করেছি। যার ধারাঃ ৪০৬/ ৪২০/৪৬৫/৩৪। মামলা টি আদালত লালমনিরহাট সদর থানায় তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রায় ১ বছর ধরে আমি ওই ক্রয়কৃত জমির উপর বসত-বাড়ি নির্মান করে পরিবারসহ বসবাস করছি।
নজির হোসেন আরো বলেন, ওই জমি ক্রয়ের পর থেকে একের পর এক হয়রানি ও আপোষ মিমাংসার নামে টাল-বাহানা করছে। আমি হয়রানি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উল্লেখ, প্রতারণা মামলার ৪নং আসামি হিরা ভেন্ডার গতকাল ৮ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকালে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। হিরা গ্রেফতারের পর থেকে বাকি আসামিরা আমাকে ও আমার পরিবারের লোক জনকে মেরে ফেলা সহ বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, উক্ত মামলার একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকি আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা চত্তরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ’উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে স্মাট বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য বিষয় সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ (বৃহষ্পতিবার) অনুষ্ঠিত ওই মেলার উদ্ভোধন করেন অনষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন। উদ্ভোধন শেষে প্রধান অতিথি বিভিন্ন ষ্টল পরির্দষন শেষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজির হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, সিংগীমারী ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দুলু, টংভাঙ্গা ইউপি চেয়াম্যান সেলিম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মারা গেলেন ১৯২ জন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮৮ জন। এ নিয়ে সারাদেশে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ২৪৮ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮৮৮ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৭৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪১৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সর্বমোট ৪৬ হাজার ৪৮৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪৬ জন।
২০২১ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে সারাদেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন।
বিজনেস বাংলাদেশ / বিএইচ
ময়মনসিংহে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা উপলক্ষ্যে পুরষ্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভূইঁয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-ন্যাপের পরিচালক (যুগ্নসচিব) মোঃ ফরিদ আহমেদ, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাহমিনা ইয়াসমিন, কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এইচ এ ইবনে মিজান, সিরতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেলায় অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ প্রমুখ। আলোচনা শেষে মেলায় অংশগ্রহণকারী ১৬টি স্টলের ২৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জন করায় পুরষ্কৃত করা হয়। এছাড়াও অনলাইনে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণী বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিজয়ী ৫জনকে শুভেচ্ছা পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। পুরষ্কার বিতরন শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।