সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছেন হাবিবুর রহমান। তিনি ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ছিলেন। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন, এএনজেড গ্রিনলেজ ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকিং পেশা শুরু করেন। দীর্ঘ ২৭ বছরের ব্যাংকিং পেশায় তিনি দি সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং কানাডার টরেন্টো ডমিনিয়ন ব্যাংকে চাকুরি করেন। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওমেগা নামক প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফাইড ক্রেডিট প্রফেশনালস ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ব্যাংকিং পেশায় উৎকর্ষতা সাধনে তিনি ঋণ ব্যবস্থাপনা ঝুঁকি বিষায়কসহ দেশে ও বিদেশে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশলায় অংশ গ্রহণ করেন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ই-ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার তারাবো পৌরসভার বেরিবাধ, মোগরাকুল ও বরাবো এলাকার প্রায় তিনশ বাড়ীর অবৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ ও ২০০ ফিট বিতরণ লাইন উচ্ছেদ করেন তিতাস গ্যাস সোনারগাঁও আঞ্চলিক শাখা কর্তৃপক্ষ।
এসময় তাৎক্ষনিক ৫০,হাজার টাকা বকেয়া আদায় ও বকেয়া থাকার কারনে ৫টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
বিচ্ছিন্ন অভিযানে এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকৌ. মো. রিয়াজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক, শাহিনুজ্জামান, সোহেল রানা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাজী সাইফুর রহমান, সুপারভাইজার, ফায়জুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের বিতরণ লাইন থেকে ও বিতরণ লাইন থেকে নিম্নমানের পাইপ টেনে সেখান থেকে শত শত অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়েছে স্থানীয় চক্ররা। অবৈধ সংযোগের ফলে তিতাস গ্যাস কোম্পানি কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
সোমবার দুপুরে তারাবো পৌরসভার বেরিবাধ, মোগরাকুল ও বরাবো এলাকায় তিতাস গ্যাস কোম্পানির বিচ্ছিন্নকারী টিম অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ কাজ শুরু করে। এসময় প্রায় তিনশ বাড়ীর অবৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ২০০ ফুট বিতরণ লাইন উচ্ছেদ করা হয় ।
তিনি আরো বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ অভিযান আমাদের অব্যাহত রয়েছে। এখনো সময় আছে যারা অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়েছেন তারা নিজেরা নিজেদের গ্যাস সংযোগ গুলো বিচ্ছিন্ন করে দিন।
স্থূলতা বা মোটা শরীরের কারণে ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে। স্থুলতাজনিত রোগ থেকে বাঁচতে শরীরকে সচল রাখতে হবে। দীর্ঘক্ষণ বসে না থেকে হাঁটাচলা করতে হবে। লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে। কম দূরুত্বেও পথ পায়ে হাঁটা উচিত। খাবারে শাক সবজি ও মাছ বাড়াতে হবে।
কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের মিলনায়তনে সায়েন্টিফিক সেমিনার ও অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের লিখিত ‘কয়েকটি মেডিকেল প্রবন্ধ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা.মো. ইসমাইল খান। প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য(প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ডা. পিযুষ কর্মকার। ‘কয়েকটি মেডিকেল প্রবন্ধ’ গ্রন্থের উপর আলোচনা করেন ডা. আরিফ আকবর। অনুভূতি ব্যক্ত করেন বইয়ের লেখক অধ্যাপক ডা.মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, নবীন চিকিৎসকদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ। পড়া ও লেখায় মানুষ মানবিক হয়। পড়ে ও লিখে চিকিৎসকরা মানবিক মানুষ হবেন বলে আমার প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানে সভাপতি বলেন, ডা.মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ কুমিল্লা অঞ্চলে মানবিক চিকিৎসক তৈরিতে কয়েক দশক ধরে কাজ করছেন। তার এই উদ্যোগ আরো বিস্তৃতি লাভ করুক।
অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজর অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল আজাদ, কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. কলিম উল্লাহ, কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ও হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. কামরুন নাহার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. শাহ মো. সেলিম প্রমুখ।
শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা.মো. ইসমাইল খান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।
নিয়ামতপুরে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অনাস্থা ও মিটিং বর্জন করেছে সকল ইউপি চেয়ারম্যানগন। ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় সভা, বিজয়দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেননি ইউপি চেয়ারম্যানগন। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউএনও’র এমন খাপছাড়া আচরণে উপজেলার সুশীল সমাজসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্রো প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় সুত্রে যানা যায়, ইউএনও ফারুক সুফিয়ান নির্ধারিত বাসভবনের ভিতরের প্রায ৫০ বছের পুরাতন বিশাল আকৃতির একটি গাব গাছ দিনেদুপুরে কেটে রাতের অন্ধকারে বাইরে বিক্রি করতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের দৃষ্টিগোচর হয়। এর-ই মধ্য কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে ইউএনও’র পরিত্যক্ত বাসভবনটি নির্বাহী আদেশে বিভিন্ন খাতের বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থে বার বার সংস্কার করে সরকারের নির্ধারিত মাসিক ভাড়া ফাঁকি দিয়ে ওই পরিত্যক্ত বাসায় এখনো স্ব-পরিবারে বসবাস করছেন নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক সুফিয়ান।
ইউএনও অফিস সূত্রে যানা যায়, গত ২৩ জুলাই ইউএনওর বাস ভবন ও উপজেলা পরিষদ হলরুম (স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রোড) পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়। এছাড়াও কর্মচারীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
নাম না প্রকাশে একজন সুশীল সমাজের নেতা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিয়ামতপুরে জনবান্ধন অফিসার দেখে আসছি। কিন্তু এই ইউএনও ফারুক সুফিয়ান স্যার আসার পর থেকে এখনও কারও সাথে জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সমাজসেবক কারও সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠেনি। অথচো নিয়ামতপুরের মানুষ অফিসারবান্ধব এবং আতিথিয়েতা পরায়ন।
পাড়ইল ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুজিব গ্যান্দা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আবাসন প্রকল্প ঘর বানানোর স্থান নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কোন সমন্বয় ছাড়া নিজের মন মত জায়গা নির্বাচন করছেন, সেখানে উপকার ভোগীরা থাকতে ইচ্ছুক নয়। উপকার ভোগী ইউএনও এর সাথে বাড়ির বিষয়ে কথা বলতে গেলে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।
ভাবিচা ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় সভা বর্জন করার পর ইউএনওর কোন মিটিংয়ে নির্বাচিত জন-প্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যানগণ অংশগ্রহণ করেননি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক সুফিয়ান সাথে কথা হলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত ভবনে আমি আছি আমার সমস্যা আমি বুঝব এবং সরকারি কোনো অর্থ ওই ভবনে খরচ করা হয়নি,আমার নিজস্ব অর্থায়নে খরচ করেছি ।আমার বসবাসের স্বাধীনতা আমার এই বলে এড়িয়ে যান। চেয়ারম্যানগনের মিটিং এর বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যানগন কেনো মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকে সেটা আমি জানিনা বলে এড়িয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান (পিএএ) জানান, ইউএনও সম্পর্কে সবকিছুই শুনেছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।