মাইনাস ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও তরল পানি!

0
111

হিমাঙ্কের ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরলই থাকে, এই প্রথম দেখালেন বিজ্ঞানীরা।

তাপমাত্রা শূন্য ছাড়িয়ে এত নিচে নেমে গেলেও পানি বরফ হয় না! থাকতে পারে তরল অবস্থাতেই। শূন্যের নিচে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও। খবর লাইভ সায়েন্সের।

একেবারেই অবাক করে দেওয়া এমন ঘটনা ঘটিয়ে দিলেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা দেখিয়ে দিলেন মাইনাস ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও দিব্য তরল অবস্থাতেই থাকতে পারে জলকণা। তরলের যা যা ধর্ম, অক্ষরে অক্ষরে সেসব কিছুই মেনে।

বিজ্ঞানীরা এও দেখালেন, জলকণা আকারে যত ছোট হয়, ততই বাড়ে তার নিজের স্বাভাবিকতা (ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পানি থাকে তরল অবস্থায়) বজায় রেখে চলার আগ্রহ।

তরল হয়েই থাকব, বরফ হব না কিছুতেই- জলকণার এই ‘জেদ’ কতটা বজ্রকঠিন তা বুঝতে তাপমাত্রার ‘সিঁড়ি’ ধরে পারদের ক্রমশ নিচে নামার দিকে নজর রেখেছিলেন টেক্সাসের হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানীরা।

তরলেই থাকব নিষ্ঠাবান হয়ে, এই ‘জেদ’ বুঝতে তারা অনেক অনেক ছোট আকারের জলকণাকে নিয়েছিলেন পরীক্ষার আতশকাচের নিচে। পানির সেই কণার ব্যাস ছিল মাত্র ১৫০ ন্যানোমিটার (এক ন্যানোমিটার বলতে বোঝায় এক মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ)।

হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিবিদ হাদি ঘাসেমি ও তার সহযোগীরা এই প্রথম দেখিয়ে দিলেন তরলধর্মী হয়ে থাকার জেদে ওই তাপমাত্রার অনেক নিচে নেমেও অটল থাকতে পারে পানি।

এই আবিষ্কার আগামী দিনে মানবকোষের অপমৃত্যু ঠেকানোর জন্য নতুন ওষুধ আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পানির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণাই কোষে ফাটল ধরিয়ে দেয়। কোষকে মেরে ফেলে পুরোদস্তুর ঘাতকের মতো।

হিমাঙ্কের ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরলই থাকে, এই প্রথম দেখালেন বিজ্ঞানীরা।

তাপমাত্রা শূন্য ছাড়িয়ে এত নিচে নেমে গেলেও পানি বরফ হয় না! থাকতে পারে তরল অবস্থাতেই। শূন্যের নিচে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও। খবর লাইভ সায়েন্সের।

একেবারেই অবাক করে দেওয়া এমন ঘটনা ঘটিয়ে দিলেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা দেখিয়ে দিলেন মাইনাস ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও দিব্য তরল অবস্থাতেই থাকতে পারে জলকণা। তরলের যা যা ধর্ম, অক্ষরে অক্ষরে সেসব কিছুই মেনে।

বিজ্ঞানীরা এও দেখালেন, জলকণা আকারে যত ছোট হয়, ততই বাড়ে তার নিজের স্বাভাবিকতা (ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পানি থাকে তরল অবস্থায়) বজায় রেখে চলার আগ্রহ।

তরল হয়েই থাকব, বরফ হব না কিছুতেই- জলকণার এই ‘জেদ’ কতটা বজ্রকঠিন তা বুঝতে তাপমাত্রার ‘সিঁড়ি’ ধরে পারদের ক্রমশ নিচে নামার দিকে নজর রেখেছিলেন টেক্সাসের হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানীরা।

তরলেই থাকব নিষ্ঠাবান হয়ে, এই ‘জেদ’ বুঝতে তারা অনেক অনেক ছোট আকারের জলকণাকে নিয়েছিলেন পরীক্ষার আতশকাচের নিচে। পানির সেই কণার ব্যাস ছিল মাত্র ১৫০ ন্যানোমিটার (এক ন্যানোমিটার বলতে বোঝায় এক মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ)।

হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিবিদ হাদি ঘাসেমি ও তার সহযোগীরা এই প্রথম দেখিয়ে দিলেন তরলধর্মী হয়ে থাকার জেদে ওই তাপমাত্রার অনেক নিচে নেমেও অটল থাকতে পারে পানি।

এই আবিষ্কার আগামী দিনে মানবকোষের অপমৃত্যু ঠেকানোর জন্য নতুন ওষুধ আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পানির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণাই কোষে ফাটল ধরিয়ে দেয়। কোষকে মেরে ফেলে পুরোদস্তুর ঘাতকের মতো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here