আফগান শরণার্থী শিশুটি এখন ব্রিটেনের নামকরা ব্যারিস্টার

0
110

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে বাবা-মায়ের হাত ধরে পালিয়ে আসা শরণার্থী শিশুটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা ব্যারিস্টার।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রথম আফগান নারী ব্যারিস্টার রেহানা পোপাল এখন তার দেশের নারীদের কাছে ভরসার প্রতীক। খবর বিবিসির।

যে কোনো আইনি সহায়তার জন্য ৩১ বছর বয়সি এ আফগান ব্যারিস্টার নিঃস্বার্থভাবে তার দেশের মানুষকে সেবা দিয়ে আসছেন।

তার শিশুকালে আরও তিন ভাইবোনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে আসেন রেহানা। মেধাবী এ আফগান নারী এখন বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায়।

সমাজ, সংস্কৃতি ও বিশ্বকে নতুন করে সাজাতে যে নারীরা ভূমিকা রেখেছেন, এ তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এবারের তালিকায় নাম থাকা ১০০ নারীর মধ্যে অর্ধেকই আফগানিস্তানের নাগরিক। আফগানিস্তানে কাজ করতে গিয়ে দমন-পীড়নের শিকার হওয়া নারীদের উৎসর্গ করে এবারের তালিকায় ৫০ জন আফগান নারীকে রাখা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন এবং ছবি দেননি।

এ ছাড়া তালিকায় স্থান পেয়েছেন নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই, সামোয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফিয়ামে নাওমি মাতাফা, ভারতের আইনজীবী ও অধিকারকর্মী মঞ্জুলা প্রদীপ, সাবেক আফগান নারী পুলিশ সদস্য মোমেনা ইব্রাহিমি, আফগানিস্তানের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের প্রথম নারী পাইলট মহাদেসি মিরজায়ির মতো নারীরাও।

প্রতিবছর নির্দিষ্ট একটি থিমের ভিত্তিতে প্রভাবশালী নারী বাছাই করা হয়। এ বছরের থিম হলো- ‘পৃথিবীর বদলে নারী’।

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির কারণে অনেক মানুষই তাদের জীবনযাপনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে জীবনযাপনে পরিবর্তন ও যাপনের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে যে নারীরা ভূমিকা রেখেছেন, তারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বিবিসির একটি দল ১০০ প্রভাবশালী নারীকে বাছাই করার জন্য কাজ করে থাকে। এ দলের সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী নারীদের নামের তালিকা জমা দেন।

এর পর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নেটওয়ার্কের ভাষা নিয়ে কাজ করা দলের পরামর্শ অনুযায়ী ছোট একটি তালিকা তৈরি করা হয়। যেসব প্রার্থী গত এক বছরে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন, কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন কিংবা সমাজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছেন; তাদেরই মূলত নির্বাচন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here