কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ল

0
87

বিশেষ ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণ নবায়নের কিস্তি পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ পরিশোধের কিস্তির সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। ফলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় নবায়ন করা ঋণের বকেয়া কিস্তি পরিশোধ হলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। একই সঙ্গে বিশেষ ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা এককালীন এক্সিটের সুবিধা বহাল থাকবে।

এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই সুবিধা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল ও এককালীন এক্সিট সুবিধা সংক্রান্ত বিশেষ নীতিমালা জারি করে। এর আওতায় খেলাপি ঋণ ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে নবায়ন করার সুযোগ দেওয়া হয়। এক বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে আগের সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করার সুযোগ দেওয়া হয়। নবায়নের পর সুদ আরোপ করতে বলা হয় তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সঙ্গে ৩ শতাংশ সুদ যোগ করে। তবে কোনো ক্রমেই সুদের হার ৯ শতাংশের বেশি হবে না। কিস্তির কোনো অংশ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আলোচ্য সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে।

করোনার কারণে ওই বিশেষ নীতিমালা বাস্তবায়ন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। ২০২০ সালের জুলাইয়ে এই নীতিমালা প্রথম শিথিল করা হয়। ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে তা আবার বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। তৃতীয় দফায় এই নীতিমালা আবার শিথিল করে জুন পর্যন্ত করা হয়। এখন এর মেয়াদ আরও বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

আলোচ্য ছাড়ের আওতায় এখন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় নবায়ন করা খেলাপি ঋণের কিস্তি আগামী ডিসেম্বরের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধ করলে ওইসব ঋণ আর খেলাপি করা যাবে না। একই সঙ্গে বিশেষ সুবিধাও বহাল থাকবে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে কেবলমাত্র কিস্তিগুলোর ক্ষেত্রে নতুন ছাড় প্রযোজ্য হবে। এর ফলে বিশেষ নীতিমালার আওতায় নবায়ন ঋণ ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর অর্থ দুই বছরের জন্য কিস্তি পরিশোধের ছাড় পেল।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here