শেয়ারবাজারে লেনদেন ১১ মাসে সর্বোচ্চ

0
7

শুরুটা হয়েছিল বড় উত্থানে। তবে শেষ হয় সূচকের পতন দিয়ে। টানা তিন সপ্তাহের ঊর্ধ্বমুখী ধারায় চতুর্থ সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ে। প্রথম দেড় ঘণ্টায় প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৭৬ পয়েন্ট এগিয়ে ছিল। কিন্তু পরের পৌনে তিন ঘণ্টায় ব্যাপক দরপতনে ওই অবস্থান থেকে ১১০ পয়েন্ট হারায়। তবে ক্লোজিং প্রাইসের হিসাবে সূচক থামে ৬৪৮৯ পয়েন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট কম। এরই মধ্যে ১১ মাসের সর্বোচ্চ শেয়ার কেনাবেচা হয়। এমন ছিল গতকাল রোববার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর লেনদেন চিত্র।

গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে মোট ৩৭৫ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ৯৫টির দর বেড়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়। বিপরীতে দর হারায় ২১৭টি এবং অপরিবর্তিত থাকে ৬৩টির দর। গতকালের দরপতনে ফ্লোর প্রাইসে নামা শেয়ার সংখ্যা বেড়ে ৫১টিতে উন্নীত হয়েছে।

শেয়ারবাজার সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্লোর প্রাইস’ তুলে দেওয়া হচ্ছে- এমন একটি গুঞ্জন লেনদেনের শেষের দিকে দরপতনের অন্যতম কারণ ছিল। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম সমকালকে জানান, এমন কোনো তথ্য তাঁর জানা নেই।

 

 

লাগাতার পতন ঠেকাতে গত ২৮ জুলাই ফের সব শেয়ারের দরে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে বিএসইসি, যা কার্যকর হয় গত ৩১ জুলাই। ‘অতি স্বল্প সময়ের’ ঘোষণা দিয়ে ফ্লোর প্রাইস আরোপের পর এরই মধ্যে পাঁচ সপ্তাহ পার হয়েছে। গতকালের সর্বোচ্চ অবস্থান বিবেচনায় ফ্লোর প্রাইস আরোপের পর সূচক বেড়েছিল ৬০৫ পয়েন্ট। ক্লোজিং পয়েন্টের হিসেবে সূচক বেড়েছে ৫০৯ পয়েন্ট।

এদিকে দরপতন হলেও ডিএসইর লেনদেন গত ১১ মাসের সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর তুলনায় বেশি লেনদেন হয়েছিল গত বছরের ৭ অক্টোবর। ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৪৯৭ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার।

লেনদেন বৃদ্ধিতে খাতওয়ারি সর্বোচ্চ অবদান ছিল প্রকৌশল খাতের। এ খাতের ৪১ কোম্পানির ৩৭১ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় ১৬৩ কোটি টাকা বেশি। একক সর্বোচ্চ ১১৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here