মহাসড়কজুড়ে ট্রাকের লম্বা সারি, সেবা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তি

0
17

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। এ নৌরুটের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপজেলা কোর্টচত্বর মাঠে স্থাপিত ট্রাকের ওজন মাপার স্কেল থাকায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের মহাসড়কজুড়ে ট্রাকের লম্বা সারি আটকে থাকায় হাসপাতালে সেবা নিতে আসা মুমূর্ষু রোগীদের ঢুকতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ ছাড়া পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান আটকে থাকায় প্রচণ্ড তাবদাহের মধ্যে ট্রাকের চালক ও সহকারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সোমবার সকালে সরেজমিন ঘুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দুই কিলোমিটার দূরে জমিদার ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত ট্রাকের এসব লম্বা সারি আটকে থাকতে দেখা যায়।

বেনাপোল থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকচালক নুর আলম বলেন, সারা বছর উপজেলার কোর্টচত্বর এলাকায় ওজন মাপার স্কেল থাকায় মহাসড়কে চরম ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে হয়।

ট্রাকের ওজন মাপার স্কেলটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

গোয়ালন্দ হাসপাতালের সিনিয়র ওয়ার্ডবয় লুৎফর রহমান বলেন, সকালে আমার ডিউটি শেষ করে বাড়ি যাবে, কিন্তু ট্রাকের কারণে দীর্ঘক্ষণ রাস্তা পারাপারের জন্য আটকে আছি। আমাদের হাসপতালসহ পাশের আরেকটি পশুহাসপাতাল থাকায় মহাসড়ক পার হতে মুমূর্ষু রোগীসহ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান।

হাসপাতালের নার্স সুমি খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভাই এসব বাদ দেন। বলে আর কি হবে? এত তো বললাম কিছু উন্নতি হয়েছে। ট্রাকের ওজন মাপার স্কেলটি কি আজ পর্যন্ত সরানো গেছে? ওজন মাপার স্কেলটিই মানুষের চলাচলে ভোগান্তির একমাত্র কারণ। মূলকথা হলো— ওজন মাপার যন্ত্রটি অন্য সরাতে হবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়াঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ওজন মাপার যন্ত্রটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বার আলোচনা চলছে। সেটি স্থান নির্ধারনণ কাজ করছে।

নির্ধারিত স্থানটির খোঁজ পেলে ওজন মাপার স্কেলটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলে আর কারও ভোগান্তি পোহাতে হবে না বলে জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here