দৌলতদিয়ায় ফেরির নাগাল পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা

0
19

ঈদের ছুটি শুরু না হলেও রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন অনেকে। ভোগান্তি এড়াতে আগেই কর্মজীবীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তবে ঘাটে ২-৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে পেতে হচ্ছে ফেরির নাগাল।

এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যাত্রী ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ বেড়েছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে।

বৃহস্পতিবার সকালে দৌলতদিয়াঘাট ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই রাজধানী থেকে আসা ঘরমুখো যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বড় গাড়ির তুলনায় ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি,প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের চাপ ছিল বেশি।

এদিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নদী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক। যাত্রীবাহী বাসগুলোকে ২-৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে পেতে হচ্ছে ফেরির নাগাল।

দৌলতদিয়ার ৭নং ঘাট দিয়ে প্রাইভেটকারে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন মধুখালীর গার্মেন্টস ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ঈদের দুদিন আগে তো ব্যাপক চাপ পড়বে। সে জন্য আগেই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে পরিবার নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি।

৫নং ফেরিঘাটে কথা হয় গাজীপুর থেকে আসা যশোরের শারমিন আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার স্বামী একটি কারখানায় চাকরি করেন। ঈদের ছুটি পেতে আরও দুদিন লাগবে। সে জন্য আমি আমার দুই সন্তানকে নিয়ে ভিড় শুরুর আগেই বাড়ি যাচ্ছি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেড়েছে। অনেক পরিবারই আজ থেকেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। যাত্রীবাহী বাসের চেয়ে ছোট গাড়ির চাপ বেশি। তবে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তারা নদী পার হতে পারছেন। বর্তমানে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ছোট-বড় ২০টি ফেরি চলাচল করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here