ক্যাসিনো ব্যবসায়ী এনু-রুপনের অর্থপাচার মামলার রায় পেছাল

0
25

ক্যাসিনোকাণ্ডে বহিষ্কার হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক ভূঁইয়া ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অর্থপাচার মামলার রায় পেছানো হয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন ছুটিতে থাকায় এদিন রায় ঘোষণা হচ্ছে না। এর আগে গত ১৬ মার্চ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ৬ এপ্রিল দিন ধার্য রেখেছিলেন।

২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এনামুল হক ও রুপন ভূঁইয়াদের পুরান ঢাকার বানিয়ানগরের বাসায় এবং তাদের দুই কর্মচারীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে পাঁচ কোটি টাকা ও সাড়ে সাত কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সূত্রাপুর ও গেণ্ডারিয়া থানায় তাদের নামে ছয়টি মামলা হয়।

পরে গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি এনামুল হক ও রুপন ভূঁইয়াদের পুরান ঢাকার লালমোহন সাহা স্ট্রিটের বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। ওই বাড়ি থেকে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা জব্দ করা হয়। আর ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআরের কাগজপত্র পাওয়া যায়। সোনা পাওয়া যায় এক কেজি। এই ঘটনায় দুই ভাইয়ের নামে আরও দুটি মামলা হয়।

মামলাগুলো তদন্ত করে গত বছরের ২১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশের অপরাধ ও তদ ন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

অভিযোগপত্রের তথ্য বলছে, এনামুল বা রুপনই নন, তাদের আরও তিন ভাইসহ পাঁচজনে মিলে মতিঝিলে জমজমাট ক্যাসিনো ব্যবসা শুরু করেছিলেন। তাদের হাত ধরেই মতিঝিলের ক্লাবগুলোয় অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার প্রসার ঘটে। সিআইডির তদন্তে এসব তথ্য উঠে আসে।

পুরান ঢাকার ক্যাসিনো ব্যবসায়ী এই পাঁচ ভাই হলেন শহিদুল হক ভূঁইয়া, রশিদুল হক ভূঁইয়া, মেরাজুল হক ভূঁইয়া, এনামুল হক ভূঁইয়া ও রুপন ভূঁইয়া।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ১১ আসামির মধ্যে কারাগারে আছেন সাত আসামি। তারা হলেন এনামুল হক, রুপন ভূঁইয়া, তুহিন মুন্সি, জয় গোপাল, আবুল কালাম আজাদ, নবী হোসেন ও সাইফুল ইসলাম।

পলাতক আছেন এনামুল ও রুপনের ভাই মেরাজুল হক ভূঁইয়া, রশিদুল হক ভূঁইয়া, শহিদুল হক ভূঁইয়া ও তাদের সহযোগী পাভেল রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here