মালয়েশিয়ায় রমজানের প্রথম দিনেই উপচেপড়া ভিড়

0
57

সরকারের ঘোষণায় মালয়েশিয়ায় রমজান বাজারের কার্যক্রম যথারীতি চলছে। রমজান বাজার মহামারি করোনায় ব্যবসায়ীদের আলাদা করে রেখেছিল। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাজার চালু হওয়ায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তাদের ইফতার সামগ্রী কিনতে মিস করেননি। কুয়ালালামপুর হাসপাতালের একজন কর্মী আব্দুল হাফিজ আবদুল্লানি বলেন, এটি একটি আকাঙ্ক্ষার অনুভূতি, কারণ আমি অনেক দিন ধরে এখনকার মতো পরিবেশ অনুভব করিনি, এটি একটি ভিন্ন অনুভূতি।

কাম্পুং বারু ব্যবসায়ী আরিয়ান রামলি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা যথারীতি ব্যবসা করতে পারি, দুই বছরের বেশি সময় ধরে কোনো বাজার ছিল না, এই বছর আবার ব্যবসা করতে পেরে আমরা ভাগ্যবান।

এর আগে, ফেডারেল টেরিটরির মন্ত্রী দাতুক সেরি শাহিদান কাসিম জানিয়েছিলেন, রমজান মাসে ৫,০০০ স্টলসহ মোট ৭২টি রমজান বাজারের অবস্থান রাজধানীজুড়ে কাজ করবে।

কুয়ালালামপুরে ১০টি সেরা রমজান বাজার- টিটিডিআই, কাম্পং বারু, বাংসার, স্টেডিয়াম শাহ আলম, বুকিত বিনতাং, কেলানা জায়া, মেলাওয়াতী, মসজিদ ইন্ডিয়া, বান্দর তুন রাজাক, এসএস ১৩। বেশিরভাগ বাজারে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে দোকানে ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। গরম-গরম সর্বোত্তম খাবার তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন ব্যবসায়ীরা।

মালয়েশিয়ায় মসজিদ থেকে রোজাদারদের ‘বুবুর ল্যাম্বাক’ নামক একটি খাবার বিনামূল্যে দেওয়া হয়। চাল, মাংস, নারিকেল, দুধ, ঘি ইত্যাদি দিয়ে বুবুর ল্যাম্ব্যাক তৈরি করা হয়। প্রায় পাঁচ দশক আগে কুয়ালালামপুর কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে এ খাবারটি বিতরণের প্রচলন শুরু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here